অবশ্যই! মিনটাকাও কৌতুক করল, কিন্তু তার পিছনে সে শয়তানের বিরুদ্ধে চিহ্ন আঁকল।
এখানে খুব অন্ধকার; নেফার চিন্তিত ভাবে বলল। আমাদের উচিত হবে কাল একটা তেলের প্রদীপ নিয়ে এখানে আসা।
মিনটাকা তার কাঁধের উপর দিয়ে সামনে তাকাল। একটা ছোট পথ একটু উপরে বাঁকানো শক্ত পাথরের মধ্য দিয়ে চলে গেছে। এমনকি শতাব্দী পর শতাব্দী অতিক্রান্ত হবার পরও দেয়ালের চিত্র কর্মগুলো এখনো স্পষ্ট দৃশ্যত।
দেখ। মিনটাকা একটা স্পর্শ করল। এটা একটা জিরাফের ছবি এবং এটা একজন মানুষের।
হ্যাঁ। নেফার দাঁত বের করে হাসল, এবং একজন খুব বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষ। এতে কোন ভুল নেই।
মিনটাকা সংযত হওয়ার ভান করল কিন্তু তার হাসি লুকাতে পারল না। প্রাচীন শিল্পী অবয়বটাকে একজন বিশাল খোঁজা সদস্যের চরিত্র দান করেছেন।
এখানে। সে স্থানটার আরো গভীরে প্রবেশ করল। এই যে লেখা। এইগুলোর অর্থ কি হবে তা নিয়ে আমি বিস্মিত।
কেউ কখনো জানবে না; নেফার বলল এবং হেঁটে তাকে অতিক্রম করে গেল, প্রাচীন এ লিপির সূত্র অনেক আগেই হারিয়ে গেছে। আমাদের ফিরে যাওয়া
উচিত।
মেঝেটা বাতাস বাহিত বালির একটি স্তরীভূত অংশে অশুভ অন্ধকারে অস্পষ্ট।
আমরা আরও একটু নিরীক্ষণ করতে পারি; মিনিটাকা একঘেয়ে ভাবে বলল।
আমার মনে হয় না এটা একটা ভালো ধারণা।
এখানে। মিনটাকা তাকে ধাক্কা দিয়ে অতিক্রম করল, আমাকে আগে যেতে দাও।
দাঁড়াও; সে তাকে থামাতে গেল, কিন্তু সে হেসে এগিয়ে গেল। নেফার তার চাকুর বাটে একটা হাত রাখল এবং তাকে অনুসরণ করল। তার উদাহরণ ও জিদের কাছে সে লজ্জিত ও পরাজিত।
প্রতি পদক্ষেপে সামনের অন্ধকার ভারি হল। এমনকি মিনটাকাকেও থামতে হল এবং অস্বাভাবিকভাবে সামনে উঁকি দিল সে। বালির মেঝে থেকে একটা ক্ষুদ্র পাথরের পাতলা টুকরো তুলে নেয়ার জন্য সে ঝুকল এবং কাঁধের উপর দিয়ে তা সামনে মধ্যবর্তী গোপন স্থানের অন্ধকারে নিক্ষেপ করল, একটা পাথুরে দেয়ালে লেগে তা ঝনঝন করে উঠল। কিছুই না; নেমে আসা নীরবতায় সে বলল, কিন্তু সম্মুখে আরেক পদক্ষেপ সে নেয়ার আগেই কিছু একটা সামনের অন্ধকারে নড়ল যেন। তারা একটা খসখস আওয়াজ শুনল যা আরো বেশি জোরে শোনাল এ সরু স্থানে। দুজনে নিজেদের স্থানে জমে গেল, এবং অন্ধকারে এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইল। একটা তীক্ষ্ণ চিৎকার শুনা গেল সঙ্গে সঙ্গেই তা প্রতিধ্বনি তুলল দলবদ্ধ ভাবে। খসখসানি হয়ে গেল তীব্র গর্জন এবং অন্ধকার থেকে বেরিয়ে সরাসরি একটা চি চি শব্দ তীব্র বেগে ছুটন্ত অবয়বের উড়ন্ত মেঘ হয়ে সজোরে তাদের চেহারা বরাবর নিক্ষিপ্ত হল, যাদের পাখাগুলো তাদের বিস্মিত চেহারায় চাবুক মারল যেন।
মিনিটাকা চিৎকার দিয়ে ঘুরে নেফারের দিকে দৌড় দিল এবং দুই হাতে তার গলা জড়িয়ে ধরল। সেও তাকে আঁকড়ে ধরল এবং শক্ত করে ধরে রাখল। বালির মেঝেতে তাকে টেনে নামাল।
বাদুর; সে তাকে বলল। ওগুলো বাদুর।
আমি জানি! মিনটাকা শ্বাসরুদ্ধ কণ্ঠে বলল,
তারা তোমাকে আঘাত করবে না।
আমি জানি। তার কণ্ঠ আরো বেশি শান্ত কিন্তু সে তার গলা থেকে তার হাত সরানোর কোন প্রয়াস দেখালো না। নেফার তার চেহারা তার ঘন কোঁকড়ানো চুলের মধ্যে ডুবালো। সুবাসটা সুন্দর, নতুন কাটা ঘাসের সুবাসের মতো যা।
মিনটাকা সুখানন্দে নরম, বিড়বিড় আওয়াজ করল, তাকে আরো জোরে জড়িয়ে ধরল এবং মৃদু ছন্দে তার আরো নিকটে এল।
মিনিটাকা, সে তাকে আলতো করে সরাতে চাইল। আমি তোমাকে কথা দিয়েছি যে এটা আর কখনো হবে না।
আমি তোমাকে ঐ ওয়াদা থেকে মুক্ত করলাম। তার কণ্ঠ এতো নরম যে তা শোনাই গেল না। সে তার মুখ তার আরো কাছে উঠাল, তার নিঃশ্বাস উষ্ণ, মিষ্টি ও সুঘ্রাণ যুক্ত। তার ঠোঁট কোমল ও পূর্ণ এবং কাঁপছিল যে সে প্রায় কেঁদেই ফেলবে।
আমি জীবনে যতো কিছু চেয়েছি তার চেয়ে বেশি চাই আমি তোমার স্ত্রী হতে। বলেই সে তাকে চুমু খেল। তার ওষ্ঠ নিজের দখলে নিল। যা ছিল আর্দ্র ও এতো উষ্ণ যে মনে হল যেন তাতে তার ঠোঁট পুড়ে যাবে। সে নিজেকে তার মাঝে হারিয়ে ফেলল। তৃষ্ণার্ত ভাবে সে তাকে চুমু খেয়েই চলল। কামাতুর আওয়াজ তার কণ্ঠে ছন্দ তুলল, মিনটাকা তাকে আরো কাছে টেনে নিল। বুঝাতে চাইল যে আসলেই সে তাকে পাগলের মতো ভালোবাসে এবং পেতে চায়। টর্কের সাথে তার তিক্ত স্মৃতিটা সর্বদাই তাকে তাড়িয়ে বেড়াত। হঠাৎ করেই যেন তার সব মুহূর্তে উধাও হয়ে গেল।
নেফারও তার আবেগে সাড়া দিল। মিনটাকা অনুভব করল তার হাতটা ক্রমশ নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে এবং নিতম্বের কাছে এসে থেমে গেছে। মিনটাকা আরো সজোরে তার স্তন নেফারের বুকে চেপে ধরল।
আমাকে স্পর্শ করো; সে তার মুখে বলল। হ্যাঁ, আমাকে স্পর্শ কর। আমাকে ধরো।
আদর করো, আরো বেশি আমাকে ভালোবাসো।
কামাবেগটা এতো দ্রুত উভয়ের দেহে ও মনে ছড়িয়ে পড়ল যে তাদের প্রতিটি কোষে তা স্পন্দন তুলল। নেফার অবশেষে দীর্ঘ চুম্বনের ইতি টানল। মিনটাকা অনুভব করল তার ঠোঁট ঝিনঝিন করছে। সহজাত প্রবৃত্তিতে মিনটাকা বুঝতে পারল এখন নেফার কি চায়। সে তার জামা খুলে নিজেকে উন্মোচিত করল। নেফারের মাথা তার বুকে টেনে নিল। নেফারও তৃষ্ণার্ত শিশুর ন্যায় তার স্তন চোষে গেল। মিনটাকার দেহে একটা অদ্ভুত শিহরণ বয়ে গেল, সে উত্তেজনায় চিৎকার করে উঠল। অবচেতন ভাবে সে তার জামা খুলতে লাগল একে একে তারপর নেফারের সব কিছু। তার সমস্ত শরীরে হাত বুলাতে লাগল। হঠাৎ তার হাতে দন্ডের ন্যায় কিছু ঠেকল, এতো জীবন্ত যে তা তাকে আরো উত্তেজিত করে তুলল। নেফারকে এক ধাক্কায় একটু সরিয়ে দিল তা ভালো করে দেখতে।
