হঠাৎ দৌড়ে সে ছাদের উপর যাওয়ার দরজার উদ্দেশ্যে ছুটে গেল এবং তা খুলার চেষ্টা করল। টর্কের নির্দেশে দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ করা। পাগলের মতো সে তার হাতের নখ দিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করল কিন্তু দরজাটা ছিল শক্ত ও পুরু এবং এমনকি তার আঘাতে ওটা কাঁপল না পর্যন্ত।
তার পিছনে টক অবশেষে তার তলোয়ারের বেল্ট থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারল এবং খাপটা মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলে দিল। সে একটা কর্কশ শব্দ করে অস্থির ভাবে তার দিকে এগিয়ে গেল। তোমার যতো ইচ্ছে লড়াই করো, সুন্দরী! সে অস্পষ্ট করে বলল। যখন তুমি লাথি মার ও চিৎকার কর তখন তা আমার শরীরের আগুন ধরিয়ে দেয়।
এক হাতে তাকে বাহুবদ্ধ করে ধরে অন্য হাতটা মিনটাকার বুকের উপর এনে তার স্তন ধরে সে জোরে চাপ দিল। সেথের দোহাই, কি মিষ্টি আর রসালো পাকা ফল হবে এটি! আরো জোরে জড়িয়ে ধরে সে তাকে চাপ দিতে লাগল। তার দুস্তনে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ল এবং চোখে পানি এসে গেল। মিনটাকা ছাড়া পেতে জোড়াজুড়ি করল। দ্বিতীয়বার তুমি আর কোন ছলচাতুরি করে পার পাবে না সুন্দরী।
সে এক হাতে তার কোমর পেঁচিয়ে ধরে শূন্যে তুলে তাকে বিছানায় নিয়ে গেল।বেবুন! মিনটাকা চিৎকার করে উঠল। তুই একটা শিম্পাঞ্জি জানোয়ার।
একটা মিষ্টি ভালোবাসার গান গাও তো, সোনামনি। আমার দেহ মন আনন্দে ভরে উঠে যখন আমি শুনি তুমি কতটা আমায় চাও।
টর্ক আবার তাকে নিচে ছুঁড়ে দিয়ে তার পেশিবহুল হাত দিয়ে মিনটাকার স্তন চেপে ধরল। তার মুখটা মিনটাকার ওষ্ঠ থেকে মাত্র ইঞ্চি দূরে। দাড়ির শক্ত খোঁচা মিনটাকার গালে জ্বালা ধরিয়ে দিল। টর্কের মুখ থেকে মদের গন্ধ ভূস ভূস করে বের হচ্ছে। টর্ক জোরে হেসে উঠে একটা আঙুল চালিয়ে মিনটাকার কাঁধ থেকে জামার বাঁধনটা আলগা করে ফেলল। এক টানে রেশমি গাউনটা খুলে নিচে ফেলে দিল।
তারপর সে তার স্তন ধরে জোরে কচলাতে লাগল, বারেবার যততক্ষণ পর্যন্ত না তার নরম মাংসের দলাটা বেরিয়ে এল। স্তনের বোঁটা ধরে টান দিতেই তা রক্তিম বর্ণ ধারণ করল নিমিষে। অপর হাত দিয়ে তখন সে তার নগ্ন পেটে বুলাতে লাগল বিচ্ছিরি রকম করে। তারপর অনেকটা খেলাচ্ছলে সে তার নিমাঙ্গের উদ্দেশ্যে হাত নামাতে উদ্যত হল। অনেকটা জোর করে তার উরু সন্ধিভেদের উদ্দেশ্যে আঙুল দিয়ে বিনুনি চালাল। কিন্তু মিনটাকা সহজে ভেদ্য নয়। দুপা চেপে সে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা চালাল এবং তাকে প্রত্যাখ্যান করল।
হঠাৎ দানবটা তখন তার পেটের উপর চড়ে বসল। তার দেহের ভারে মিনটাকার প্রায় অসাড় হবার উপক্রম। সে বাধা দেবার ক্ষমতা ক্রমশ হারিয়ে ফেলছে। মিনটাকা চোখ তুলে তাকাতেই দেখতে পেল টর্ক পুরোপুরি নগ্ন। তার বিশাল বপু এবং যুদ্ধে ক্ষত-বিক্ষত দেহটা দেখে মিনটাকার ভয়ে কান্না এসে গেল।
তখনও সে মিনটাকার উপর চাপ দিয়ে যাচ্ছে। টর্ক তাকে আরো জোরে চেপে ধরল, এবার তার পেটের সাথে মিনটাকার পেট এবং তার উন্মুক্ত স্তন তার প্রশস্ত বুকের চাপে পিষে যেতে চাইছে। ভয়ে গুঙ্গিয়ে উঠে সে আরো অনুভব করল তার মোটা শক্ত লিঙ্গটা তার নিমাংশের গোপন অংশে সজোরে প্রবেশ করতে চাইছে।
সে এবার শুধু তার আত্মসম্মান ও সম্ভ্রম বাঁচানোর জন্য লড়াই-ই করল না, সেই সাথে তার জীবন বাঁচানোরও চেষ্টা করল। কেননা টর্কের বিশাল দেহের নিচে সে প্রায় মারা যাচ্ছে। সে তার মুখে কামড় দেবার চেষ্টা করল, কিন্তু তার ছোট ধারালো দাঁত তার দাঁড়িটা ঢাকল কেবল। সে তার পিঠ খামচে ধরল এবং নখের আঁচড়ে টর্কের পিঠের চামড়া উঠে এল কিন্তু মনে হল না যে সে তা অনুভব করেছে।
দুজনই প্রচণ্ড ঘামছিল, টর্ক বেশি। হঠাৎ করে সে উবু হয়ে নিজের মুখটা তার মুখের উপর চেপে ধরল জোড়ে। তার নাক ও ঠোঁট ঘষতে লাগল। ফলে দৃঢ়ভাবে চেপে রাখা তার চোয়ালে তার ঠোঁট ও নাক কেটে গেল। মিনটাকা তার মুখে রক্তের স্বাদ পেল এবং চোখ-মুখে অন্ধকার নেমে আসতে চাইল।
খুল মাগী! টর্ক তার উপর আরো জোরে চেপে বসেছে। তোর ঐ গরম দরজা খোল আমি তাতে ঢুকতে চাই। বলে আরো চাপ প্রয়োগ করল এবং মিনটাকা বুঝল সে আর বেশিক্ষণ প্রতিরোধ করতে পারবে না। জানোয়ারটা বড় বেশি ভারি ও শক্তিশালী।
হাথোর, আমাকে সাহায্য কর! সে তার চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করল। প্রিয়। দেবী, এমনটা হতে দিও না, আমাকে রক্ষা কর।
হটাৎ টর্ককে গোঙিয়ে উঠতে শুনল এবং মিনটাকা তার চোখ খুলে তাকাল। তার চেহারা স্ফীত ও রক্ত জমলে যেমন কালো হয় তেমন দেখাচ্ছে। পিঠটা বাঁকাতে দেখল এবং যেন ব্যথায় সে ককিয়ে উঠল। তার চোখ প্রশস্ত, দৃষ্টিহীন ও রক্তাভ। ভয়ংকর রকম করে মুখ খোলা।
মিনটাকা বুঝল না কি ঘটছে। মুহূর্তের জন্য সে ভাবল দেবী নিশ্চয়ই তার অনুরোধ শুনেছেন এবং তার অলৌকিক বান দিয়ে টর্কের হৃদপিন্ডে আঘাত করেছেন।
তারপরই হঠাৎ সে অনুভব করল একটা তপ্ত জলধারা তার পেটের উপর ছলকে ছড়িয়ে পড়েছে, এতো তপ্ত যে তা তার কোমল ত্বক যেন পুড়িয়ে দেবে। অবশেষে বর্ষণটা একসময় থামল এবং সে তার থেকে মুক্ত হবার কথা ভাবল। কিন্তু সে ছিল খুব ভারি ও শক্তিশালী। টর্ক শান্ত ভাবে তার উপর পড়ে রইল এবং মিনটাকাও নড়ার সাহস করল না, যদি আবার কোন বিপত্তি ঘটে।
