3 Gat, War in Human Civilization, 130–1; Robert S. Walker and Drew H. Bailey, ‘Body Counts in Lowland South American Violence’, Evolution and Human Behavior 34 (2013), 29–34.
4 Katherine A. Spielmann, ‘A Review: Dietary Restriction on Hunter-Gatherer Women and the Implications for Fertility and Infant Mortality’, Human Ecology 17:3 (1989), 321–45. See also: Bruce Winterhalder and Eric Alder Smith, ‘Analyzing Adaptive Strategies: Human Behavioral Ecology at Twenty-Five’, Evolutionary Anthropology 9:2 (2000), 51–72.
5 Alain Bideau, Bertrand Desjardins and Hector Perez-Brignoli (eds.), Infant and Child Mortality in the Past (Oxford: Clarendon Press, 1997); Edward Anthony Wrigley et al., English Population History from Family Reconstitution, 1580–1837 (Cambridge: Cambridge University Press, 1997), 295–6, 303.
6 Manfred Heun et al., ‘Site of Einkorn Wheat Domestication Identified by DNA Fingerprints’, Science 278:5341 (1997), 1,312–14.
7 Charles Patterson, Eternal Treblinka: Our Treatment of Animals and the Holocaust (New York: Lantern Books, 2002), 9–10; Peter J. Ucko and G. W. Dimbleby (eds.), The Domestication and Exploitation of Plants and Animals (London: Duckworth, 1969), 259.
8 Avi Pinkas (ed.), Farmyard Animals in Israel – Research, Humanism and Activity (Rishon Le-Ziyyon: The Association for Farmyard Animals, 2009 [Hebrew]), 169–99; “Milk Production – the Cow’ [Hebrew], The Dairy Council, accessed 22 March 2012, http://www.milk.org.il/cgi-webaxy/sal/sal.pl?lang=he&ID=645657_milk&act=show&dbid=katavot&dataid=cow.htm.
9 Edward Evan Evans-Pritchard, The Nuer: A Description of the Modes of Livelihood and Political Institutions of a Nilotic People (Oxford: Oxford University Press, 1969); E. C. Amoroso and P. A. Jewell, ‘The Exploitation of the Milk-Ejection Reflex by Primitive People’, in Man and Cattle: Proceedings of the Symposium on Domestication at the Royal Anthropological Institute, 24–26 May 1960, ed. A. E. Mourant and F. E. Zeuner (London: The Royal Anthropological Institute, 1963), 129–34.
10 Johannes Nicolaisen, Ecology and Culture of the Pastoral Tuareg (Copenhagen: National Museum, 1963), 63.
০৬. কল্পনার কারাগার
মানব ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত বিষয় হল কৃষিবিপ্লব। কেউ কেউ মনে করে, এই কৃষিবিপ্লব মানবজাতির প্রগতি ও সমৃদ্ধির দুয়ার খুলে দিয়েছিল, আবার কারও মতে মানুষের সকল দুর্গতির শুরু সেখানেই। এই দ্বিতীয় দলের মতে, ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সেই সময়টাতেই প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্কের সুতোটা ছিঁড়তে শুরু করে, শুরু হয় বিচ্ছিন্নতা আর লোভের আধিপত্য। সেখান থেকে আগের জীবনে ফিরে যাবারও আর কোনো পথ ছিল না, কারণ কৃষিকাজের ফলশ্রুতিতে মানুষের সংখ্যা এত দ্রুত বেড়ে গেল যে, আগের মত খাদ্য সংগ্রহ কিংবা শিকার করে অন্নসংস্থান করাটা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ল। দশ হাজার খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে এই পৃথিবীতে প্রায় ৫০ থেকে ৮০ লাখ যাযাবর শিকারি মানুষের বসবাস ছিলো। খ্রিস্টীয় প্রথম শতক পার হতে না হতেই তাদের সংখ্যা কমে হয়ে গেলো ১০ থেকে ২০ লাখের মত (যাদের অধিকাংশই ছিলো অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও আফ্রিকায়)। শতকরা হিসেবে সেটা খুবই সামান্য, কারণ তখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা ছিল ২৫ কোটি।
এরপর বেশিরভাগ কৃষকই স্থায়ী বসতি গেড়ে বসবাস করা শুরু করে দিল; অল্প কিছু পশুপালকই কেবল যাযাবর থেকে গেল। স্থায়ী বসতি তৈরি করার সাথে সাথে মানবগোষ্ঠীগুলোর আকার অনেকটা ছোট হয়ে এলো। প্রাচীন শিকারি মানুষেরা বিশাল এলাকা জুড়ে থাকতো, ক্ষেত্রবিশেষে যার আকার হতো কয়েকশ বর্গকিলোমিটার। ‘বাসা’ বলতে তারা বুঝতো সেই পুরো এলাকাটাকেই – সেখানকার পাহাড়, নদী, বন, আকাশ – সবকিছুই। অন্যদিকে কৃষকদের দিনের বেশিরভাগই কাটতো এক টুকরো জমিতে কাজ করে, আর বাকি সময়টা কাটতো কাঠ, পাথর আর মাটির তৈরি ছোট্ট ঘরে। নিজের ঘরের প্রতি কৃষক মানুষের সেই যে প্রবল আকর্ষণ জন্মালো তারই সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়েছে মানুষের স্থাপত্য ও মনস্তত্ত্বে। ‘নিজের বাসা’র প্রতি আকর্ষণ আর প্রতিবেশীদের সাথে ক্রমবর্ধমান দূরত্ব সেই প্রাগৈতিহাসিক আত্মকেন্দ্রিকতারই ছাপ।
কৃষক মানুষের বসতিগুলো প্রাচীন শিকারি মানুষদের এলাকা থেকে যেমন ছিলো অনেক ছোট, তেমনি ছিলো নানারকম কৃত্রিমতায় পূর্ণ। শিকারি মানুষেরা তাদের থাকার জায়গাতে তেমন কোনো পরিবর্তন করেনি – এক আগুন জ্বালানো ছাড়া। কিন্তু কৃষক মানুষ বিপুল শ্রম ব্যয় করে সেই বুনো পরিবেশের মাঝে দ্বীপের মত করে তৈরি করে নিলো নিজেদের আবাস। তারা বনের গাছ কেটে, খাল কেটে, মাঠ পরিষ্কার করে বানালো নিজেদের ঘর, চাষের জমি আর ফলের বাগান। এই জায়গার ভিতরে বসবাসের অধিকার ছিলো কেবল মানুষের, আর মানুষের ‘অনুমোদিত’ প্রাণী ও উদ্ভিদের। সেটা নিশ্চিত করতে মানুষকে তাদের এলাকার চারদিকে বেড়াও দিতে হলো। কৃষক মানুষের অনেকটা সময় লেগে যেত বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত আগাছা আর বুনো প্রাণী দূর করতে। এদের কেউ ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে বাঁচতো, আর কেউ গোঁয়ার্তুমি করতে গিয়ে মারা পড়তো মানুষের হাতে। সেই কৃষিযুগের আরম্ভে যার শুরু, তারই রেশ ধরে আজকের দিনেও পৃথিবীর লাখ লাখ মানুষ লাঠি, চপ্পল কিংবা কীটনাশক নিয়ে পিঁপড়া, তেলাপোকা আর মাকড়সার বিরুদ্ধে চালিয়ে যাচ্ছে সেই একই যুদ্ধ।
