আমার আরও কাছে ঝুঁকে এল নিশিকা। প্রায় ফিসফিস করে বলল, আপনার মারা যাওয়ার দিনক্ষণও আমি জানি। যদি আপনি আমাকে পুলিশের তরফ থেকে প্রোটেকশান দেন–মানে, আমাকে ডিসটার্ব না করেন, তা হলে সেসব সিক্রেট আপনাকে বলব না। আপনি নিশ্চিন্তে জীবনটাকে এনজয় করতে পারবেন।
আমার চোয়াল ঝুলে পড়ল। ওর কথায় ঘাড় নেড়ে সায় দিলাম। আমি সুইসাইড করতে চাই না–নিশ্চিন্তে বাঁচতে চাই।
নিশিকা চলে যাওয়ার আগে বলে গেল, ব্ল্যাকমেল করে পাওয়া টাকার প্রায় সবটাই ও সত্যি-সত্যি সোশাল ওয়েলফেয়ারের কাজে খরচ করে।
