অসংলগ্ন সংলাপের পর প্রিন্সেসের তখন আচ্ছন্নভাব, কোন সাড়া শব্দ কিছুই নেই। প্রিন্সেস তখন নগ্ন পুতুলের মত। সে তার ইচ্ছেমত পা দুটো নাড়ছিল, ফাঁক করছিল, প্রিন্সেস তখন বাধাও দিল না। তার উদাস চাহনি, লাল ঠোঁটে হাসি। প্রিন্সেসের পরণে পাতলা স্বচ্ছ পোশাক, তবে একেবারে মিনি নয়। বাধ্য মেয়ের মত হাত দুটো তুলেনিলে থিওডোর তার পোশাক খুলে নিল। পরণে তার লাল ব্রা এবং কাল লেসের প্যান্ট-প্যাটার লাগান। সেদিনের সেই হট সীনগুলো দেখতে গিয়ে আজও ঘামতে শুরু করে ব্লেকার এই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে। আসলে প্রিন্সেসের দেহটা এত সুন্দর যে ছবি না দেখে শুধু দেহের নগ্ন দেহের কথা মনে করলেই উত্তেজনা হয়। সত্যিই সে উপভোগ্য।
তার ব্রার হুক খুলে হাত গলিয়ে নামিয়ে দিয়েছিল ব্লেকার। প্রিন্সেসের স্তন দুটো অস্বাভাবিক বড় ও পুরুষ্ট। সে এক হাতে একটি স্তনের ওপর জোরে চাপ দিয়ে অন্য হাতে আরেকটি ক্যামেরার সুইচ টিপে দিল। শেষের ক্যামেরাটা সোফার খুব কাছে লুকানো ছিল। খুব কাছে থাকার দরুন তাদের ছবিগুলো খুব বড় লাগছিল। প্রিন্সেসের প্রতিটি লোমকূপ পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।
থিওডোর তখন দারুণ উত্তেজিত, তাড়াতাড়ি নিজের পজিশন নিয়ে নেয় প্রয়োজনে প্রিন্সেসের দেহের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য। নিজের সুবিধে মত সোফার উপর শুইয়ে দিল সে। কোন কথা না বলে প্রিন্সেস তার হুকুম মত চলতে থাকে। একসময় সে তার ব্রা এবং ট্রাউজারও খুলে ফেলে। প্রিন্সেস তখন সম্পূর্ণ নগ্ন।
অতঃপর থিওডোর নিজেই নিজের পোশাক খুলে ফেলল প্রিন্সেসের চোখের সামনে। ঘরের মধ্যে তীব্র আলো আসছিল, ক্যামেরার লেন্স তাদের দুটি নগ্ন দেহের দিকে ঘোরানো। পরবর্তী কুড়ি মিনিট দুটি নগ্ন দেহ মিলিয়ে দিয়ে একাকার হয়ে গেল। যৌন মিলনে উভয়ের দেহ থরথর করে কেঁপে উঠতে থাকে সোফার উপরে। মাঝে মাঝে যৌন কলা-কৌশলে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছিল থিওডোর। চরম সুখপ্রাপ্তির জন্য নারী-পুরুষ যা যা করে থাকে, তারা তাই করল।
এল, এস, ডি র নেশায় বুঁদ হলেও প্রিন্সেস কিন্তু তাকে কামে উত্তেজিত রমণীর মত সহযোগিতা করেছিল। এ কাজে থিওডোর তার ড্রাগন ক্লাবের বন্ধু সদস্য এমন কি ক্লাব বয়দেরও তার সামিল করে তোলে। প্রিন্সেস তাদের গ্রহণ করতে ইচ্ছা-অনিচ্ছা কিছুই প্রকাশ করল না। তার মুখের ভাব দেখে মনে হল, সে যেন ভয়ঙ্করভাবে ধর্ষিতা হতে চাইচে তখন। শেষ চার মিনিট সব থেকে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ থিওডোরের কাছে। কামুক প্রিন্সেসের নগ্ন দেহের বার বার স্পর্শসুখ পেতে পেতে সে তখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। নিজেকে আর ধরে রাখতে পারল না। তার দেহের যৌন নির্যাস ঝলকে ঝলকে নিঃসৃত হতে থাকল প্রিন্সেসের দেহের মধ্যে। আবেগে প্রিন্সেস তাকে জড়িয়ে ধরল। সোফাটা তখন ভেঙে পড়ার উপক্রম দু জনের দেহের উত্থান-পতনে।
এর পরেই পর্দাটা কালো ছায়ায় ঢেকে গেল। প্রজেক্টর বন্ধ করে সে তার মিনি বারের দিকে এগিয়ে গেল। তখন দু টো ঊনত্রিশ বাজে। আর ঠিক সময়ে আলফি লবিতে এসে ঢুকল। ব্লেকার তাকে আহ্বান জানাল মৃদু হেসে।
আর বাকি সব কোথায়? থিওডোর বলল।
জো এবং হেনরী এসে গেছে। তোমার কথা মত ওদের বাইরে পাহারা দিতে বলেছি। অপরজন এখুনি এসে পড়বে। খুশি হয়ে ব্লেকার জিজ্ঞেস করল, আজ রাতের জন্য তুমি কি সঙ্গে এনেছ দেখি?
চাক্কু, স্রেফ চাক্কু ওস্তাদ, কোমরে গোজা ধারাল ছুরিটা দেখিয়ে আলফি বলে, তবে বন্দুক নয়। আমার মত ওদের কাছেও কেবল চাকু আছে। তার বেশি কিছু নয়।
ব্লেকার সম্মতিসূচক মাথা নেড়ে বলল, খুব প্রয়োজন না হলে কাউকে একেবারে শেষ কর না, তাতে অনেক ঝামেলা আছে, বুঝলে? তোমার লোকদের আরেকবার বুঝিয়ে দিও, আমার অতিথিদের উপর যেন কড়া নজর রাখে, তাদের কাছে কোন অস্ত্র থাকলে সেগুলো যেন নিয়ে নেয় তোমার লোকেরা। অতিথিদের কোন সুযোগ আমি দিতে চাই না। এখন তুমি নিচে গিয়ে অপেক্ষা কর। আমার অতিথিদের আসতে দেখলে তুমি একা এখানে আসবে, কেমন?
আমার লোকেরা তাদের ডিউটি কি তারা সেটা ভাল করেই জানে, তার জন্য তোমাকে কিছু ভাবতে হবে না টেডি!
ঠিক আছে তুমি এখন এখান থেকে যেতে পার।
আলফি কিছুক্ষণ পরেই হন্তদন্ত হয়ে ফিরে এল। ব্লেকার তাকে একটা চেয়ারে বসতে বলল। বড় সোফাটায় অতিথিরা বসে ব্লু ফিল্ম দেখবে।
আলফি, ওরা এলে, ওদের আমি আজ একটা রগরগে ব্লু-ফিল্ম দেখাব। তুমিও দেখতে পার। তবে ওদের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখবে, একটু বেচাল দেখলেই তুমি প্রস্তুতি নেবে, বুঝলে?
তিনটে বাজার কয়েক মিনিট পরেই ব্লেকার ড্রাগন ক্লাবের দরজায় প্রথম টোকা পড়ল। দরজা খুলল থিওডোর।
প্রথম আগন্তুক এসেই ছোট্ট করে অভিবাদন জানাল, আপনিই কি থিওডোর ব্লেকার?
হু! লোকটার মাথায় সাদা পানামা হ্যাট, দামী পোশাক, খর্বকায় চৈনিক। আর আপনার পরিচয়।
আগন্তুক তার ধূসর প্যান্টের পকেট থেকে একটা কার্ড বার করে দিলেন, ওয়ান হাই!
ব্লেকার তাকে স্বাগত জানাল, আসুন মিস্টার হাই। ড্রিঙ্ক?
না, ধন্যবাদ।
দরজায় আবার টোকা, এবারে দৈত্যাকৃতি জনৈক নিগ্রো। থিওভোর একবার তার দিকে তাকিয়ে পরক্ষণেই আলফির দিকে একবার তাকিয়ে মনে মনে বলল, হ্যাঁ আলফি, একে সামাল দিতে কেবল তুমিই পারবে। আপনার নাম? ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল ব্লেকার।
