এবং শেষ দিন স্টিভ স্টেলিং তার ভালোবাসায় মৌখিকভাবে সাড়া দেয়। আমি মনে করি একটি ভালো ছবির কারণে তারা একে-অপরকে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে ফেলে। সে কিছুক্ষণ বিরতি নিল, তারপর একটু হেসে বলল, আমি বেশ আছি।
ধন্যবাদ তোমাকে। অ্যাথেনা বলল, কোথায় এবং কখন? তৎক্ষণাৎ স্টিভের চেহারা তার চোখের সামনে ভাসতে লাগল, আরে না, সে বলল, তোমার পছন্দ।
সেই মুহূর্তে সে একজন সুপার তারকা, আর অ্যাথেনা এই পথে নতুন– তাছাড়া সে তার দায়িত্বে তার কর্তব্যে কখনোই কোনো প্রকার অবহেলা করেনি। তুমি কি আমার স্থানে আসতে পারবে? অ্যাথেনা জিজ্ঞেস করল, আমরা একসঙ্গে আজ রাতের খাবার খাব তারপর বাকি কাজের ব্যাপারে কথা বলব। সে কিছুক্ষণ বিরতি নেওয়ার পর বলল, রাত সাত টার সময়।
তারপর অ্যাথেনা শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে আরম্ভ করল। আসলেই আমার কোনো কাজই যৌনতার কারণে পড়ে থাকতে পারে না। তারা রাতের খাবার খাওয়ার পর সাদা মদ খেল এবং তারা একত্রে কোক খেল।
তখন তার পরনে ফেডেড ব্লু জিন্স পরা ছিল। তার শার্টটি ছিল বু কালারের। আর অ্যাথেনার পরনে ছিল সিল্কি হাউজ, তার সঙ্গে স্রেক পরেছিল। তার পায়ে ছিল উঁচু হিলের জুতা। যা তাকে আরো বেশি সুন্দর দেখাচ্ছিল। সব কিছু মিলে তাকে দেখতে সুন্দরী মনে হয়েছিল। স্টিভ স্টেলিং সঙ্গে করে রেড মদের বোতল এনেছিল। কিন্তু সে রাতের খাবারের পর এটা খেল না। সে এটা আগামী দিন রাতের খাবারের পর খাওয়ার জন্য রেখে দিল।
সে তখন ব্যবসায়ী পোশাক পরে ছিল। তখন তার পরনে ছিল বেগি ব্রাউন রঙের টাওজার, ব্লু ডেনিম শার্ট, তার কালো চুল বাতাসে উড়ছিল। তার পায়ে ছিল ইতালি জুতা যা তাকে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তুলল।
তারপর তারা রাতে খেতে খেতে তাদের স্ক্রিপ্ট নিয়ে আলোচনা করল। তারা স্ক্রিপ্টের বিভিন্ন দিক পরিবর্তন করার জন্য ভালোভাবে স্ক্রিপ্টটি পড়তে লাগল। রাতের খাবারের পর তারা তাদের লিভিং রুমে গেল এবং পুনরায় স্ক্রিপ্ট নিয়ে আলোচনায় মগ্ন হলো। তারা দুজনই স্ক্রিপ্ট নিয়ে বেশ উত্তেজনার মধ্যে ছিল। তাই তারা সেটা পরিবর্তন করে আরো ভালো কিছু করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রাখল।
অ্যাথেনা লক্ষ্য করে দেখল স্টিভ স্টেলিং প্রত্যেককে চরিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে। সেটি ক্যামেরার সামনে মুভ করার আগে বারবার নিজকে সংশোধন করার চেষ্টা করে। সে পরিচালকের সঙ্গে বারবার চরিত্রের ব্যাপারে আলোকপাত করে। কখনো কখনো সে নিজেই চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলার জন্য নিজে নিজেই ক্যামেরা টেক করার জন্য চেষ্টা করে অর্থাৎ তার চরিত্র তার পছন্দমতো না হওয়া পর্যন্ত সে চেষ্টা অব্যাহত রাখে।
দীর্ঘক্ষণ চরিত্র নিয়ে আলোচনার পর তারা পাশাপাশি বসল। তারপর অ্যাথেনা নিচু হয়ে তার বুকে চুমু দিল। এটা ছিল তার নিত্যদিনের ভালোবাসার সংকেত। চুম্বন খেয়ে স্টিভ স্টেলিং একটু শিহরিত হলো। সেও তার ভালোবাসায় সাড়া দিল। আরো এতেই প্রমাণিত হলো সে বড় মাপের তারকা। তারা দুজনেই দক্ষ।
তারপর তারা দুজনই আলোড়িত হলো। স্টিভ স্টেলিং তার সারা শরীরে হাত বুলাতে লাগল, এতে অ্যাথেনা আর বেশি সংবেদনশীল হলো, সেটা তাকে বেড়ে যাওয়ার জন্য সংকেত দিল।
তারপর সিনেমার ভঙ্গিমায় একে-অপরকে আদর করতে আরম্ভ করল। তারা আস্তে আস্তে উত্তেজনার চরম শিখরে আরোহণ করল …
কিছুক্ষণ পরে তারা ফ্রেস হলো। অ্যাথেনা তার জন্য কিছু খাবারের আয়োজন করল। তারা পুনরায় খাবার খাওয়ার সময় আলোচনায় ফিরে এলো। অ্যাথেনা বলল, শুধু চরিত্র ফুটানোর চেষ্টা করলেও চলবে না– চরিত্র ভালো করে ফুটিয়ে তোলার জন্য গল্পেরও প্রয়োজন। তারা উভয়েই একমত হলো। এখন থেকে তারা কোনো ছবি করলে অবশ্যই অনেক আগে থেকেই স্ক্রিপ্ট সংগ্রহ করবে। কারণ গল্প ভালো না হলে চরিত্র ফুটানো যাবে না আর চরিত্র ফুটানো না গেলে ছবি হিট হবে না। এতে করে সবার চাইতে আমরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হব।
স্টিভ স্টেলিং তার প্রতি আরো বেশি ভালোবাসায় আসক্ত হলো। কিন্তু সে পুনরায় তাদের পেশা নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত হলো। অ্যাথেনা বলল, আসলে ভালো ঘটনার চমকপদ বিশ্লেষণ না হলে কোনো পরিচালকই ছবিকে ফুটিয়ে তুলতে পারবে না। তাই সবার আগে চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গল্প বা কাহিনীর দিকে ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
স্টিভ স্টেলিং নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কারণে আনন্দ উপভাগ করল। সে নতুন করে নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস অর্জন করার চেষ্টা করল। কিন্তু সে সর্বদাই অ্যাথেনার প্রতি ভালোবাসা দেখিয়েছিল। শত ব্যস্ততার মধ্যেও সে অ্যাথেনাকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করত। কারণ সবকিছুর চাইতে সে অ্যাথেনার প্রতি বেশি দুর্বল ছিল। কারণ তার জীবন চরিত্রে অ্যাথেনার মতো কখনো এমন সুন্দরীর সাক্ষাৎ পায়নি। কিন্তু মাঝে মাঝে অ্যাথেনার আচরণে সে বেশ ক্ষুব্ধ হতো। তখন সে নিজেই তার সমস্যা দূর করার জন্য উঠে পড়ে লাগত।
পরবর্তী ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যে ঘটনার সন্নিবেশ হলো– তারা দুজনই বেডের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। চলো আমরা আমাদের কাজে ফিরি। তারা স্ক্রিপ্টটি হাতে নিল এবং জোরেসোরে পড়তে লাগল।
