————
১. “Toute vente est achat”. (: CPCAT: “Dialogues sur le commerceet les Travaux des Artisans.” Physiocrates ed. Daire I. Partie, Paris, 1846. p. 170 ) কিংবা যেমন ডঃ কেনে তার *Maximes generales”-a 96979, “Vender est acheter.”
২. “Le prix d’une marchandise ne pouvant etre paye que Par le prix d’une autre marchandise ( Mercier de la Riviere L’Ordre naturel et essentiel de societes politiques” Physiocrates ed. Daire II partie p. 554).
৩. “Pour avoir cet argent, il faut avoir vendu” 1.c. p. 543.
৪. পূর্বে যেমন উল্লিখিত হয়েছে, সোনা বা রূপার সত্যকার উৎপাদক একটি ব্যতিক্রম। প্রথমে বিক্রয় না করেই সে সরাসরি তার উৎপন্ন অন্য একটি পণ্যের সঙ্গে বিনিময় করে।
৫. “Si l’argent repres ente, dans nos mains les choses que nous pouvons desirer d’acheter, il y represente aussi les choses que nous avons vendues pour cet argeni” (Mercier de la Riviere” 1.c. p. 586).
৬. “Il y adonc….. quatre termes et trois contractants dont l’un. intervient deux fois ( Le Trosnel.c. p. 909 “
৭. যদিও ব্যাপারটা স্বতঃস্পষ্ট তবু প্রায়শঃই এটরাষ্ট্রীয় অর্থনীতিবিদদের দৃষ্টিগোচর হয় না, বিশেষ করে “স্বাধীন ব্যবসায়ের ধ্বজাধারীদের।”
৮. “Zur Kritik”-এ জেমস মিল প্রসঙ্গে আমার মন্তব্য দ্রষ্টব্য পৃ: ৭৪-৭৬। এই বিষয়টি প্রসঙ্গে আমরা চাটুভাষী অর্থনীতির স্বভাবসুচক দুটি পদ্ধতি লক্ষ্য করতে পারি প্রথমটি হল পণ্য সঞ্চলন এবং প্রত্যক্ষ দ্রব্য-বিনিময়ের মধ্যেকার পার্থক্যগুলিকে। সোজাসুজি সরিয়ে রেখে দুটিকে এক ও অভিন্ন হিসাবে গণ্য করা, দ্বিতীয়টি হল ধনতান্ত্রিক উৎপাদন-পদ্ধতিতে নিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যেকার সম্পকে পণ্য-সঞ্চলন থেকে উদ্ভূত সহজ-সরল সম্পর্কে পর্যবসতি করে ঐ উৎপাদন-পদ্ধতির দ্বন্দ্বগুলিকে উড়িয়ে দেবার চেষ্টা করা। যাই হোক, পণ্যের উৎপাদন ও সঞ্চলন এমন দুটি ব্যাপার যা একেবারে ভিন্ন ভিন্ন উৎপাদন-পদ্ধতিতেও কমবেশি অভিন্ন। এই সবরকনের উৎপাদন-পদ্ধতির মধ্যে অভিন্ন সঞ্চলনের অমূর্ত বর্গগুলির সঙ্গে ছাড়া আর কিছুর সঙ্গেই যদি আমাদের পরিচয় না থাকে, তা হলে সম্ভবতঃ আমরা ঐ পদ্ধতিগুলির মধ্যেকার নির্দিষ্ট পার্থক্যগুলি বুঝতে পারি না এবং সেগুলি সম্পর্কে কোনো মতামত দিতে পারি না। রাষ্ট্রীয় অর্থনীতি ছাড়া আর কোনো বিজ্ঞানেই মামুলি স্বতঃসিদ্ধ সত্য নিয়ে হৈ চৈ করা হয় না। যেমন জে বি সে নিজেকে সংকটের বিচারকের আসনে অধিষ্ঠিত করেন কেননা তিনি বাস্তবিকই জানেন যে পণ্য হল একটি উৎপন্ন দ্রব্য।
৯. এমনকি যখন কোন পণ্য বারংবার বিক্রীত হয়, তখনো শেষবারের মতো বিক্রীত হয়ে গেলে সঞ্চলন থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়ে গিয়ে পরিভোগর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়; সেখানে তা জীবনধারণের উৎপাদনের উপায় হিসেবে কাজ করে।
১০. “Il ( l’argent ) n’a d’autre mouvement que celui qui luiest imprime par les productions.” (Le Trosne 1.c. p. 885 ).
১১. “Ce sont les productions qui le (l’argent) mettent en mouve ment et le font circuler… La celerite de son mouvement ( sc. de l’argent ) supplee a sa quatite. Lorsqu’il en est besoin, il ne fait que glisser d’une main dans l’autre sans s’arreter un instant.” (Le Trosne 1. c., pp. 915-916.)
১২. “যেহেতু অর্থ হচ্ছে ক্রয় ও বিক্রয়ের অভিন্ন পরিমাপ, সেই হেতু যারই কিছু বিক্রয়ের আছে এবং এর জন্য গ্রাহক সংগ্রহ করতে পারে না, সেই চটপট ভেবে নেয় যে, রাজ্যে বা দেশে অর্থের অভাবই হচ্ছে তার জিনিস না বিক্রি হবার কারণ; সুতরাং অথের অভাবই হয়ে ওঠে সকলের অভিন্ন নালিশ; সেটা হচ্ছে একটা মস্ত বড় ভুল। এই লোকেরা কি চায়, কারা গলা ছেড়ে অথের দাবি জানায়? : কৃষকের অভিযোগ সে ভাবে দেশে যদি আরো অথ থাকত, তা হলে সে তার জিনিসের দাম পেত। তা হলে মনে হয় তার দাবি অর্থের জন্য নয়, তার ফসল ও গবাদি পশুর দামের জন্য, যা সে বিক্রি করতে চায় কিন্তু পারে না।: (১) হয় দেশে তত বেশি ফসল ও গবাদি পশু আছে যে, যারাই বাজারে আসে, তারাই তার মৃত কেবল বিক্রি করতেই আসে, এবং খুব সামান্য লোকই আসে ক্রয় করতে। (২) অথবা সে খালি আছে পরিবহণের সাহায্যে বিদেশে দ্রব্যাদি স্থানান্তরের মামুলি অব্যবস্থা (৩) অথবা পরিভোগ ব্যথ হয়, যখন মানুষ দারিদ্রের কারণে বাড়ির জন্য আর আগের মত খরচ করে না; অতএব, বিশেষ ভাবে অর্থের বৃদ্ধিই কৃষকের জিনিসগুলির সুরাহা করতে পারবে না, বরং এই যে তিনটি কারণ, যা বাজারকে দাবিয়ে রেখেছে, তার যে কোনো একটির অপসারণই পারে তার জিনিসগুলির সুরাহা করতে, বণিক এবং দোকানদার অথ চায় একই ভাবে, অথাৎ তারা চায় তাদের জিনিসগুলি বিক্রি করার একটি পথ, কারণ বাজারে মন্দা চলছে।” [ একটি জাতি “কখনো এর চেয়ে ভাল অবস্থার নাগাল পায় না, যখন টাকা-কড়ি হাত থেকে হাতে হস্তান্তরিত হয়।” ( Sir Dudley North. *Discourses upon Trade”, Lond, 1691 pp. II—15, passim. ) হেরেনশোয়াণ্ড-এর কল্পনাশ্রয়ী ধারণাগুলির মানে দাঁড়ায় কেবল এই যে, বৈরতা, যার উৎস রয়েছে পণ্যের প্রকৃতির মধ্যে, এবং যা পুনরুৎপাদিত হয় পণ্যের সঞ্চলনে, তা অপসারিত করা যেতে পারে সঞ্চলন-মাধ্যমটিকে বৃদ্ধি করে। কিন্তু অন্যদিকে, উৎপাদন ও সঞ্চলনে অচলাবস্থার জন্য সঞ্চলন-মাধ্যমের অপ্রতুলতাকে দায়ী করা যদি হয় সাধারণ মানুষের বিভ্রম, এ থেকে এটা অনুসরণ করে না যে, অর্থের নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে আইন সভার গোলমেলে হস্তক্ষেপের দরুণ উদ্ভূত সঞ্চলন মাধ্যমের যথাথ অপ্রতুলতা এই ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি করতে পারে না।
