২৪. “অ্যান ইনকুইরি ইনটু দি কানেকশন বিটুইন দি প্রেজেন্ট প্রাইস অব প্রভিশনস, পৃ ১২৪, ১২৯। কাজের লোকেরা বিতাড়িত হল তাদের কুটির থেকে। বাধ্য হল কাজের খোঁজে শহরে যেতে। কিন্তু তাতে ঘটল বৃহত্তর উদ্বৃত্ত এবং এই ভাবে বর্ধিত হল মূলধন।” (“দি পেরিলস অব দি নেশন’, দ্বিতীয় সংস্করণ, লণ্ডন, ২৮৪৩, পৃ: ১৪।
২৫. ঐ, পৃঃ ১৩২।
২৬. স্টুয়ার্ট বলেন, আপনি যদি এই সব জমির খাজনা (তিনি ভুল করে এর মধ্যে গোষ্ঠী-প্রধানকে প্রদত্ত করও অন্তর্ভূক্ত করেন তার আয়তনের সঙ্গে তুলনা করেন, তা হলে তা খুব কম বলে মনে হবে। আপনি যদি তাকে ঐ জোতের দ্বারা পরিপোষিত সংখ্যার সঙ্গে তুলনা করেন, তা হলে আপনি দেখতে পাবেন হাইল্যাণ্ডসে একটি জমি সম্ভবত একটি ভাল ও উর্বর প্রদেশে অবস্থিত একই মূল্যের একটি জমির চেয়ে দশগুণ বেশি লোককে পোষণ করে। প্রিন্সিপলস অব পলিটিকাল ইকনমি, প্রথম খণ্ড, পৃঃ ১০৪)।
২৭. জেমস এণ্ডার্সন : “অবজার্ভেশনস অন দি মিনস অব একসাইটিং এ স্পিরিট অব ন্যাশনাল ইণ্ডাষ্ট্রি,” এডিনবরা, ১৭৭৭।
২৮. ১৮৬০ সালে বলপূর্বক উৎসাদিত লোকদের ধোকা দিয়ে কানাডায় রপ্তানি করা হয়েছিল। কেউ কেউ পাহাড়ে এবং নিকটবর্তী দ্বীপগুলিতে পালিয়ে গিয়েছিল।
২৯. অ্যাডাম স্মিথের টাকাকা্র বুকানন বলেন, স্কটল্যাণ্ডের হাইল্যাণ্ডসে সম্পত্তির প্রাচীন ব্যবস্থা প্রত্যহই ভাঙ্গা হচ্ছে। উত্তরাধিকার সূত্রে স্বত্বভোগীকে না দিয়ে জমিদার এখানে যে সবচেয়ে বেশি অর্থ দেয় তাকেই জমির বন্দোবস্ত দেয় আর সে যদি হয় একজন উন্নয়নকারী, তা হলে সঙ্গে সঙ্গেই চালু করে কষির এক নোতুন প্রণালী। “ছোট ছোট প্রজা ও শ্রমিকদের দিয়ে ছেয়ে থাকা জমি অধ্যুষিত ছিল তার ফসলের অনুপাতে, কিন্তু নোতুন উন্নততর কৃষিকার্য এবং উচ্চতর খাজনার অধীনে সবচেয়ে কম খরচে পাওয়া যায় সম্ভাব্য সবচেয়ে বেশি ফসল এবং অপ্রয়োজনীয় কর্মীরা অপসারিত হবার ফলে জনসংখ্যা হয় হ্রাসপ্রাপ্ত; কত লোককে জমি পোষণ করবে, তা নয়, কত লোককে তা নিয়োগ করবে, সেটাই হয় মাত্রা। অপসারিত প্রজারা কাছাকাছি শহরে জীবিকার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে। (ডেভিড বুকানন : ‘অবজার্ভেশনস অন অ্যাডাম স্মিথস ওয়েলথ অব নেশনস’, ৪র্থ খণ্ড, পৃঃ ১৪৪ )। স্কচ জমিদারের পরিবাগুলিকে উচ্ছেদ করত যেন তারা আগাছার ঝাড় উপড়ে ফেলেছে এবং তারা গ্রামবাসী ও গ্রামবাসীদের প্রতি আচরণ করত যেমন জানোয়ারদের দ্বারা উত্যক্ত হয়ে কুদ্ধ ভারতীয়রা আচরণ করে বাঘে ভরা জঙ্গলের প্রতি। মানুষকে বিনিময় করা হত ভেড়ার পশম বা মাংসের সঙ্গে কিংবা তার চেয়েও সস্তা কিছুর সঙ্গে। তা হলে মোগলরা যখন চীনের উত্তর দিকের প্রদেশগুলিতে প্রবেশ করে সেখানকার লোকজনকে উচ্ছেদ করে। সেই জায়গাগুলিকে রূপান্তরিত করতে চেয়েছিল পশুচারণে, তখন তাদের উদ্দেশ্যটা কি আর এমন খারাপ ছিল? এই একই ব্যবস্থা তো হাইল্যাণ্ডের অনেক জমিদার প্রয়োগ করেছে তাদের স্বদেশবাসীদের বিরুদ্ধে। (জজ এনসর: ইনকুইরি… পপুলেশন অব নেশনস’, লণ্ডন, ১৮১৮, পৃঃ ২১৫, ২১৬)।
৩০. যখন সাদারল্যাণ্ডের বর্তমান ডাচেস ‘আংকল টমস কেবিন’-এর লেখিকা শ্ৰীমতী বীচার-কে মহা ধুমধামে লণ্ডনে অভ্যর্থনা জানিয়ে ছিলেন আমেরিকান রিপাব্লিকের নিগ্রো ক্রীতদাসদের প্রতি তার সহানুভূতি দেখাবার জন্য, যে সহানুভূতি তিনি ইচ্ছা করেই দেখাতে ভুলে গিয়েছিলেন তাঁর সহ-অভিজাতবর্গের প্রতি-গৃহ যুদ্ধের সময়ে যখন ইংল্যাণ্ডের প্রত্যেকটি মহৎ হৃদয় স্পন্দিত হয়েছিল দাস-মালিকদের জন্য, তখন আমি নিউইয়র্ক ট্রিবিউনে পত্রিকায় সাদারল্যাণ্ডের ক্রীতদাসদের সম্পর্কে তথ্যাদি প্রকাশ করেছিলাম। আমার লেখাটি একটি স্কচ পত্রিকায় পুনমুদ্রিত হয়েছিল এবং তার ফলে ঐ পত্রিকার সঙ্গে সাদারল্যাণ্ডের স্তাবকদের বেশ একটা বিতর্ক শুরু হয়েছিল।
৩১. এই মৎস্য-ব্যবসায়ের কৌতুহলকর বিবরণ ‘মিঃ ডেভিড আকু হার্টস পোর্টফোলিও-তে সবিস্তারে পাওয়া যাবে। নাসাউ ডবল সিনিয়র তার ইতিপূর্বে উধৃত গ্রন্থে (মৃত্যুর পরে প্রকাশিত) সাদারল্যাণ্ডশায়ারের কর্মকাণ্ডকে মানুষের স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে কল্যাণকর সাফাই-অভিযান’ বলে বর্ণনা করেছেন।’ (ঐ)।
৩২. স্কটল্যাণ্ডের হরিণ-বনগুলিতে একটিও গাছ ছিল না। ভেড়াগুলোকে কেবল সাড়া পাহাড়গুলিতে এদিক-ওদিক তাড়িয়ে বেড়ানো হত; এবং এগুলোকে বলা হত। হরিণ-বন এমনকি গাছ-লাগানন বা সত্যিকার বন-বচনাও নয়।
৩৩. রবার্ট সমার্স : লেটার্স ফ্রম দি হাইল্যাণ্ডস : অর দি ফ্যমিন অব ১৮৪৭, লন, পৃঃ ১২-২৮। এই চিঠিগুলি গোড়ায় বেরিয়েছিল ‘টাইমস পত্রিকায়। ইংরেজ অর্থনীতিকরা অবশ্য গেইলদের এই দুর্ভিক্ষকে ব্যাখ্যা করলেন তাদের জনসংখ্যার মাত্রাতিরিক্ত বাহুল্যের সাহায্যে, তারা তাদের খাদ্য সরবরাহের উপরে চাপ দিচ্ছিল। জমি-সাফাই, বা জার্মানিতে যাকে বলা হয় ‘বাউএন লেগেন’, জার্মানিতে শুরু হয় ৩০ বছরের যুদ্ধের পরে এবং ১৭৯০ সাল পর্যন্তও কুর্সাসেন-এ কৃষক-বিদ্রোহ ঘটায়। বিশেষ করে পূর্ব-জার্মানিতে সাফাইয়ের প্রকোপ লক্ষিত হয়। অধিকাংশ প্রুশীয় প্রদেশে, দ্বিতীয় ফ্রেডরিক সর্বপ্রথম কৃষকদের সম্পত্তির অধিকারকে সুরক্ষিত করেন। সাইলেসিয়া বিজয়ের পরে তিনি জমিদারদের বাধ্য করেন কুটির, গোলাবাড়ি ইত্যাদি পুনর্নির্মাণ করতে। তিনি সেনাবাহিনীর জন্য সৈন্য এবং কোষাগারের জন্য কর চাইলেন। বাকি বিবরণের ফ্রেডরিকের আর্থিক প্রণালী ও স্বৈরতান্ত্রিক উচ্ছংখলা, আমলতন্ত্র ও সামন্ততন্ত্রের অধীনে কৃষকের মনোম জীবন ইত্যাদির জন্য তাঁর অনুরাগী মিরাবো থেকে নিম্নেদ্ধত অনুচ্ছেদটি পঠিতব্য: Le in fait donc une des grandes richesses du cultivateur dans le Nord de l’Altemagen, Malheureusement pour l’espece humaine, ce n’est qu’une ressource contre la misere et non un moyen de bien-etre. Les impots directs, les corvees, les servitudes de tout genre, ecrosent le cultivateur allemand, qui paie encore des impots indirects dans tout ce qu’il achete…et pour comble de ruine, il n’ose pas vendre ses productions ou et comme il le veut; il n’ose pas acheter ce dont il a besoin aux marchands qui pourraient le lui livrer au meilleur prix. Toutes ces causes le ruinent inscnsiblement, et il se trouverait hors d’etat de payer les impots directs a l’echeance sans la filerie; elle lui offre une ressource en occupant utilement sa femme, ses enfants, ses servants, ses valets, et lui-memc; mais quelle penible vie, meme aidee de ce secours. En ete, il travaille comme un forcat au labour. age et a la recolte; il se couche a 9 heures et se leve a deux pour suffire aux travaux; en hiver il devrait reparer ses forces par un plus grand repos; mais il manquera de grains pour le pain et les dit :usomailles, il se defait-des degrees qu’il faudrait voudre pour payer les impots. Il faut donc filer pour suppleer a ce vide… il fauty apporter la plus grande assiduite. Aussi le paosan se couche-til en hiver a minuit, une heure, et se leve a cinq ou six : yu bien il se couche a neuf a neuf, et es leve a deux, et cela tous les jours de la vie si ce n’est le dimanche. Ces exces de veille et de travaii usent la nature humaine, et de la vien qu’hommes et femmes vieillissent beaucoup plutot dons les campagnes que dans les villes.” ( Mirabeau, 1. c., t. III. pp. 212 sqq.)
