৪৩. ‘রিজনস ফর দি লেট ইনক্রিজ অন দি পুয়োর রেটস : “অর এ কমপারিটিভ ভিউ অব দি প্রাইস অব লেবার অ্যাণ্ড প্রভিসন, লণ্ডন, ১৭৭৭, পৃঃ ৫, ১১।
৪৪. ডঃ রিচার্ড প্রাইস : ‘অবজার্ভেশনস অন রিভার্শনরি পেমেন্টস’, ডবলিউ. মর্গান সম্পাদিত .৮০৩, খণ্ড ২, পৃঃ ১৫, ১৫৯। ১৫৯ পৃষ্ঠায় মূল্য সম্পর্কে লেখক মন্তব্য করেছেন, ১৫১৪ সালে যা ছিল তার চেয়ে আজ দিনমজুরের আর্থিক মজুরি ৪ গুণ, নড় জোর ৫ গুণের বেশি নয়। কিন্তু ফসলের দাম ৭ গুণ, মাংস এবং পরিচ্ছদের দাম প্রায় ১৫ গুণ। সুতরাং, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে মজুরি-বৃদ্ধির অনুপাত সমান হওয়া দূরে থাক, তার অর্ধেকও হয়নি।
৪৫. বার্টন, ঐ, পৃঃ ২৬। অষ্টাদশ শতকের শেষের জন্য ইডেন ঐ দ্রষ্টব্য
৪৬. প্যারি, ঐ, পৃঃ ৮৬।
৪৭. ঐ, পৃঃ ২১৩।
৪৮. এস. লেইংগ, ঐ, পৃঃ ৬২।
৪৯. ইংল্যান্ড অ্যাণ্ড আমেরিকা, ১৮৩৩, খণ্ড ১, পৃঃ ৪৭
৫০. এই উদ্দেশ্যে ভূম্যধিকারী অভিজাতবৃন্দ রাষ্ট্রের ভাণ্ডার থেকে অত্যন্ত নিচু সুদে নিজেদের আগাম দিল, অবশ্যই পার্লামেন্টের অনুমোদন অনুসারে, বিপুল অর্থ, যা কৃষি-মালিকদের পুষিয়ে দিতে হয়েছিল অনেক উচু হারে।
৫১. মধ্য-শ্রেণী কৃষি-মালিকদের সংখ্যা-হ্রাস আদম-সুমারির বর্গ-ভুক্তি থেকেও বোঝা যায় : ‘কৃষি-মালিকের পুত্র, প্রপৌত্র, ভগিনী, ভাগিনেয়ী, এক কথায়, তার নিজের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, যাদের সে নিজেই কাজে নিযুক্ত করেছে। ১৮৫১ সালে এই বর্গের অন্তভুক্ত লোকস”খ্যা ছিল ২১৬,৮৫১ জন, ১৮৬১ সালে মাত্র ১,৭৬, ১৫১ জন। ১৮৫১ থেকে ১৮৭১ সাল পর্যন্ত ২০ একরের কম আয়তনের জোতের সংখ্যা ৯০০ কমে গেল; ৫০ থেকে ৭৫ একরেয় মধ্যস্থিত জোতের সংখ্যা ৮,২৫৩ থেকে কমে দাড়াল ৬,৩৭০; ১৫০ একরের কম আয়তনের জোতগুলির সব ক্ষেত্রেই এই একই অবস্থা ঘটল। অন্য দিকে, এই একই ২০ বছরের মধ্যে, বড় বড় জোতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল; ৩০০-৫০০ একর আয়তন-বিশিষ্ট জোত ৭,৭৭১ থেকে ৮,৪১; ৫০০ একরের বেশি আয়তনবিশিষ্ট ২,৩৫৫ থেকে ৩,৯১৪; ১০০০-এর বেশি আয়তনবিশিষ্ট ৪৯২ থেকে ৫৮২।
৫২. মেষপালকের সংখ্যা ১২,৫১৭ থেকে বেড়ে দাঁড়াল ২৫,৫৫৯ জন।
৫৩. ‘আদমসুমারি’, ঐ, পৃঃ ৩৬।
৫৪. রজার্স, ঐ, পৃঃ ৬৯৩, পৃঃ ১০। রজার্স উদারনৈতিক দলের অন্তভুক্ত; কবডেন এবং ব্রাইট-এর ব্যক্তিগত বন্ধু; সুতরাং বিগতকালের গায়ক নন।
৫৫. ‘জন-স্বাস্থ্য, ৭ম রিপোর্ট’, ১৮৬৫, পৃঃ ২৪২। সুতরাং যখনি কানে আসে যে কোন মজুরের আয় একটু বেড়েছে, তখন জমিদারের পক্ষেও তার ঘরভাড়া বাড়ানো বিরল ঘটনা নয় কিংবা কৃষি-মালিকের পক্ষেও তার মজুরি কমানো বিরল ঘটনা নয়। “কেননা তার স্ত্রী একটা কাজ পেয়েছে ঐ।
৫৬. ঐ, পৃঃ ১৩৫।
৫৭. ঐ, পৃঃ ১৩৪।
৫৮. রিপোর্ট অব কমিশনার্স রিলেটিং টু ট্রান্সপোরেশন অ্যাও পেনাল সার্ভিটুড” লণ্ডন, ১৮৬৩, পৃঃ ৪২, ৫০।
৫৯. ঐ, পৃঃ ৭৭, ‘মেমোণ্ডাম বাই দি লর্ড চিফ জাস্টিস।
৬০. ঐ, খণ্ড ২, ‘মিনিটস অব এভিডেন্স।
৬১. ঐ, খণ্ড ১, সংযোজনী পৃ: ২৮।
৬২. “জন-স্বাস্থ্য, ষষ্ঠ রিপোর্ট”, ১৮৬৪, পৃঃ ২৩৮, ২৪৯, ২৬১, ২৬২
৬৩. ঐ, পৃঃ ২৬২।
৬৪. ১৮৬৫ সালে আইনটির কিছুটা উন্নতি সাধিত হয়। অচিরেই অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায় যে এ ধরনের টুকটাক মেরামতিতে কোনো কাজ হয় না।
৬৫. পরে যা বলা হয়েছে তা বুঝতে হলে, মনে রাখা দরকার “রুদ্ধ গ্রাম” মানে সেই সব গ্রাম যাদের মালিক একজন বা দু জন বৃহৎ জমিদার। “মুক্ত গ্রাম” মানে সেই সব গ্রাম, যাদের মাটির মালিক অনেক ছোট ছোট জমিদার। এই শেষোক্ত গ্রামগুলিতে বাড়ির ফটকা-ব্যবসায়ীরা কুটির এবং লজিং হাউজ’ ( খাবার ব্যবস্থা ছাড়া, থাকার ঘর ) নির্মাণ করে।
৬৬. এই ধরনের একটি প্রদর্শনী-পল্লী দেখায় খুব সুন্দর, কিন্তু দ্বিতীয় ক্যাথারিন ক্রিমিয়া যাবার পথে, যে-পল্লীগুলি দেখেছিলেন, সেগুলির মতই অবাস্তব। সম্প্রতি এমনকি মেষ পালকদেরও এই ধরনের গ্রামগুলি থেকে নির্ধারিত করা হয়েছে। যেমন, মার্কেট হর্বরো’-র কাছে ৫০০ একর জমির এক ভেড়া-খামার আছে, যেখানে নিযুক্ত করা হয় কেবল একজন লোকের শ্রম। লাইসেস্টার এবং নর্দাম্পটনের সুন্দর চারণ ভূমির সেই দূর-বিস্তৃত সমতলের উপর দিয়ে দীর্ঘ পদযাত্রাকে সংক্ষিপ্ত করার জন্য, মেষ পালক খামারের চৌহদ্দির মধ্যেই একটা কুটির পেত। এখন সে পায় সপ্তাহে ১৩ শিলিং—দূরবর্তী কোন মুক্ত গ্রামে মাথা-গোঁজার ঠাঁই ঠিক করে নেবার জন্য।
৬৭. “শ্রমিকদের বাড়িগুলি মুক্ত গ্রামগুলিতে, যেগুলি অবশ্য সব সময়েই জনাকীর্ণ ‘ সাধারণতঃ তৈরি করা হয় সারি সারি ভাবে; মালিকের নিজস্ব জমির শেষ কিনারায় থাকে সেগুলির পিছন দিকটা; এবং সেই কারণে একমাত্র সামনের দিকে ছাড়া কোনো জানালার ব্যবস্থা অনুমোদন করা হয়না।” (ডাঃ হান্টারের নিপোর্ট, পৃঃ ১৩৫) অনেক সময়ে গ্রামের বীয়ার-বিক্রেতা বা মুদিই আবার এই সব বাড়ির ভাড়া প্রদানকারী। সেক্ষেত্রে কৃষি-মজুর কৃষি-মালিকের পরে তার মধ্যে আবিষ্কার করে দ্বিতীয় মালিক। তাকে একই সময়ে হতে হবে তার খরিদ্দাব এবং ভাড়াটে। বস্তুত পক্ষে, এই মুক্ত-গ্রামগুলি হল ইংল্যাণ্ডের কৃষি-সর্বহারাদের “দণ্ড পল্লী”। বেশির ভাগ। কুটিরই হল কেবল রাত্রিবাসের জায়গা, যেখানে ভিড় করে এলাকার যত উচ্ছংখল। লোকেরা। গ্রামের শ্রমিক এবং তার পত্নী, যারা কদর্যতম পরিবেশের মধ্যেও সত্য সত্যই বিস্ময়কর ভাবে রক্ষা করে তাদের চরিত্রের পূর্ণতা ও পবিত্রতা, তারা নিক্ষিপ্ত হয় এই নরকে এবং হয় অধঃপতিত। অবশ্য অভিজাত “শাইলক”-দের মধ্যে একটা ফ্যাশন হচ্ছে বাড়ির ফটকা-ব্যবসায়ী, ছোট জমিদার এবং মুক্ত-গ্রামগুলির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করা। তারা অবশ্য ভাল ভাবেই জানে যে তাদের “রুদ্ধ গ্রাম” এবং “প্রদর্শনী গাম’-ই হল ‘মুক্ত-গ্রাম”-এর জন্মভূমি; ওগুলি ছাড়া এগুলি জন্মাতে পারত না। ‘ছোট ঘোট মালিকেরা যদি না থাকত, তা হলে শ্রমিকদের অধিকাংশকেই রাত কাটাতে হত তার যে খামারে কাজ করে তার গাছতলায়।’ ! ঐ, পৃঃ ১৩৫ এই “মুক্ত” এবং “রুদ্ধ” গ্রামের ব্যবস্থা সমস্ত মিডল্যাণ্ড কাউন্টিতে এবং ইংল্যাণ্ডের পূর্বাঞ্চলে চালু আছে।
