(‘থিয়োরি অব এক্সচেঞ্জেস ইত্যাদি, লন, ১৮৬৪, পৃঃ ১৩৫।)
১২. এইচ ফসেট, ঐ, পৃঃ ৬৭-৮২। খুচরো দোকানীদের উপরে শ্রমিকদের ক্রমবর্ধমান নির্ভরতার কারণ হল তাদের চাকরির ঘন ঘন ছেদ ও অনিশ্চিত অবস্থা।
১৩. এখানে ওয়েলসকে সব সময়েই ইংল্যাণ্ডের মধ্যে ধরা হয়েছে।
১৪. অ্যাডাম স্মিথের আমল থেকে যে-অগ্রগতি ঘটেছে, এই ঘটনা তার উপরে এক বিশেষ রকমের আলোক সম্পাত করে যে “কর্ম-নিবাস” (“দুঃস্থ-নিবাস’ ) কথাটা এখনো মাঝে মাঝে “ম্যানুফ্যাক্টরি” (শ্রম-কারখানা) কথাটার সঙ্গে একই অর্থে ব্যবহৃত হয়; যেমন, তার শ্রম-বিভাগ সংক্রান্ত অধ্যায়টি এই বলে শুরু হয়েছে “কাজের প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা শাখায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রায়ই সমবেত করা হয় একই কর্ম নিবাসে”।
১৫. “জন-স্বাস্থ্য। ষষ্ঠ রিপোর্ট, .৮৬৪, পৃঃ ১৩।
১৬. ঐ, পৃ: ১৭।
১৭, ঐ, পৃঃ ১৩।
১৮. ঐ, সংযোজনী, পৃ ২৩২
১৯. ঐ, পৃ ২৩২, ২৩৩।
২০. ঐ, পৃ ১৪, ১৫।
২১. “শ্রমিক শ্রেণীর আবাসনের ক্ষেত্রের মত আর কোনো ক্ষেত্রেই ব্যক্তির অধিকার এমন সরবে ও নিলজ্জ ভাবে বলি-প্রদত্ত হয়নি যেমন হয়েছে সম্পত্তির অধিকারের বেদিতে। প্রত্যেকটি বড় শহরকেই গণ্য করা যেতে পারে একটি নরবলির পীঠ হিসাবে, একটি মশান হিসাবে যেখানে অর্থগৃঃ,তার পিশাচীর কাছে প্রতি বছর বলি দেওয়া হয় হাজারে হাজারে।” এস. লেইং, ঐ, পৃঃ ১৫০।
২২. “জন-স্বাস্থ্য, অষ্টম রিপোর্ট, ১৮৬৫, পৃঃ ১৪ টাকা।
২৩ ঐ, পৃঃ ৮৯। এই কলোনি’গুলির শিশুদের সম্বন্ধে ডাঃ হান্টার বলেন, গরিবদের এই ঘন সন্নিবেশ শুরু হবার আগেকার আমলে শিশুদের কেমন করে বড় করা হত, তা বলার জন্য কেউ বেঁচে নেই, এবং যে-ব্যক্তি আমাদের বলবে এই শিশু-প্রজাতির —যারা এখানে শিক্ষা সম্পূর্ণ করছে তাদের ভবিষ্যৎ জীবিকার জন্য এবং বিপজ্জনক শ্ৰেণীহিসাবে অর্ধেক রাত কাটিয়ে দিচ্ছে সব বয়সের অর্ধ-নগ্ন, পানোন্মত্ত, কদাচারী ও কলহপরায়ণ লোকদের সঙ্গে এমন অবস্থার মধ্যে যা সম্ভবত এই দেশে আর কখনো ঘটেনি-সেই শিশু-প্রজাতির ভবিষ্যৎ আচার-ব্যবহার কি হবে, সে নিশ্চয়ই নিজেকে প্রতিপন্ন করবে একজন হঠকারী ভবিষ্যদ্বক্তা হিসাবে। (ঐ, পৃঃ ৫৬।
২৪. ঐ, পৃঃ ৬২।
২৫. “রিপোর্ট অব দি অফিসার হেলথ অব সেন্ট মার্টিনস-ইন-দি ফিঙ স”, ১৮৬৫।
২৬. “জনস্বাস্থ্য, অষ্টম রিপোর্ট ১৮৬৬, পৃঃ ১।
২৭. ঐ পৃঃ ৮৮।
২৮. ঐ, পৃঃ ৮৮।
২৯. ঐ, পৃঃ ৮৯।
৩০. ঐ পৃঃ ৫৫ এবং ৫৮।
৩১. ঐ, পৃঃ ১৪৯।
৩২. ঐ, পৃঃ ৫০।
৩৩. ঐ, পৃঃ ১১৪।
৩৪. ঐ, পৃঃ ৫০।
৩৫. “জন-স্বাস্থ্য, সপ্তম রিপোর্ট, ১৮৬৫” পৃ: ১৮।
৩৬. ঐ পৃঃ ১৬৫।
৩৭. ঐ, পৃঃ ১৮ টাকা। চ্যাপেল-এন-লে-ফ্রিথ ইউনিয়নের রিলিভিং অফিসার রেজিস্ট্রার-জেনারেল-এর কাছে রিপোর্ট করেন : “ডাভটেলস-এ চুনের এক বড় ছাই পাহাড়ে ( চুন-ভাটির আবর্জনা ভূপেছোট ছোট গত খোড়া হয়েছে; সেগুলি বাসস্থান হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে; ঐ অঞ্চলে যে-রেলপথ তৈরি হচ্ছে, তার মজুরেরা এবং অন্যান্যর। সেখানে থাকে। গর্তগুলো ছোট ও সঁাৎসেতে, কাছাকাছি কোনো নর্দমা বা পায়খানা নেই; মাথার উপরে ধোয়া বেরোবার জন্য যে গর্ত আছে, তা ছাড়া হাওয়া চলাচলের কোনো পথ নেই। এই ত্রুটির জন্য কিছুকাল ধরে বসন্ত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে, এবং তার ফলে ( ঐ গুহাবাসীদের মধ্যে) কিছু মৃত্যু ঘটেছে। (ঐ, টীকা ২)।
৩৭. চতুর্থ বিভাগের শেষে যে বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তা বিশেষত কয়লাখনি শ্রমিকদের। ধাতু খনিগুলির অবস্থা আরো খারাপ। ১৮৬৪ সালের রয়্যাল কমিশনের অত্যন্ত সহৃদয় রিপোর্টটি দ্রষ্টব্য।
৩৮. ঐ, পৃঃ ১৮০-১৮২। ক্যাপিট্যাল (২য়)-২৬
৩৯. ঐ, পৃঃ ৫১৫, ৫১৭।
৪০. ঐ, পৃঃ ১৬।
৪১. “লণ্ডনের গরিবদের পাইকারী অনশন . গত কয়েক দিনের মধ্যে লণ্ডনের দেওয়ালগুলি বড় বড় পোস্টারে ছেড়ে গিয়েছে। তাতে রয়েছে এই উল্লেখযোগ্য ঘোষণা : “মোটা ষাড়ের! অনাহারী মানুষেরা! মোটা ষাড়েরা তাদের কঁচের প্রাসাদ থেকে ধনীদের খাওয়াতে গিয়েছে তাদের বিলাসী বাসভবনে, যখন অনাহারী মানুষগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাদের শোচনীয় আস্তানাগুলোতে শুকিয়ে শুকিয়ে মরতে।” এই অমঙ্গলসূচক কথাগুলো বুকে নিয়ে পোস্টারগুলো কিছু সময় বাদে বাদে আত্মপ্রকাশ করে। যে-মুহূর্তে এক প্রস্ত পোস্টার ছিড়ে বা ঢেকে দেওয়া হয়, সেই মুহূর্ত সেই একই জায়গায় বা অন্য কোনো একই রকমের প্রকাশ্য স্থানে আরেক প্রস্ত লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনা আমাকে মনে পড়িয়ে দেয় সেই সব গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠনের কথা, যারা ফরাসী দেশের জনগণকে প্রস্তুত করেছিল ১৭৮৯ সালের জন্য। এই মুহূর্তে যখন ইংল্যাণ্ডের শ্রমজীবী মানুষেরা তাদের স্ত্রী ও শিশুদের নিয়ে শীতে ও অনাহারে মারা যাচ্ছে, তখন ইংল্যাণ্ডেরই শ্রমের সৃষ্টি কোটি কোটি ইংরেজ স্বর্ণমুদ্রা বিনিয়োজিত হচ্ছে রুশ, স্পেনীয়, ইতালীয় ও অন্যান্য বিদেশী প্রতিষ্ঠানে।’-‘রেন নিউজপেপার, ২৩শে জানুয়ারি, ১৮৬৭।
৪২. জেমস ই. থরল্ড রজার্স ( অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থতত্তের অধ্যাপক’, এ হিস্টরি অব এগ্রিকালচারাল প্রাইসেস ইন ইংল্যাণ্ড, ১৮৬৩, পৃঃ ৬৯০। ধৈর্যশীল নিষ্ঠাশীল শ্রমের ফল এই গ্রন্থখান! এতাবৎ প্রকাশিত খণ্ডদুটিতে বিধৃত রয়েছে মাত্র ১২৫ ৯ থেকে ১৪০০ পর্যন্ত সময়কাল, দ্বিতীয় খণ্ডটিতে আছে কেবল পরিসংখ্যান। আমাদের গোচরে এটাই হল প্রথম প্রামাণ্য ‘অর্থমূল্যের ইতিহাস।
