————
১. Mais ces riches, qui consomment les produits du travail des autres, ne peuvent les obtenir que par des echanges [ purchases of commodities ). S’ils donnent cependant leur richesse acquise et accumulee en retour contre ces produits nouveaux qui sont l’objet de leur fantaisie, ils semblent exposes a epuiser bientot leur fonds de reserve; ils ne travaillent point, avor s-nous dit, et ils ne peuvent meme travailler; on croirait donc que chaque jour doit voir dimi nuer leurs vieilles richesses, et que lorsqu’il ne leur en restera plus, rien ne sera offert en echange aux ouvriers qui travaillent exclusi vement pour eux … Mais dans l’ordre social, la richesse a acquis la propriete de se reproduire par le travail d’autrui, et sans que son proprietaire y concoure. La richesse, comme le travail, et par le travail, donne un fruit annuel qui peut etre detruit chaque annee sans que le riche en devienne plus pauvre. Ce fruit est le revenu qui nait du capital.” (Sismondi : “Nouv. Princ. d’Econ. Pol.” Paris, 1819, t. I, pp. 81.82. )
২. ‘মজুরি এবং মুনাফা—এই দুটি প্রত্যেকটিকেই বিবেচনা করতে হবে তৈরি উৎপন্ন সামগ্রীর সত্য সত্যই একটি করে অংশ হিসাবে।’ (ব্যামসে, ঐ, পৃঃ ১৪২)। “উৎপন্ন সামগ্রীর যে অংশ শ্রমিকের কাছে আসে মজুরির আকারে। (জে. মিল, এলিমেন্টস’, ইত্যাদি, প্যারিশট কর্তৃক অনূদিত, প্যারিস, ১৮২৩, পৃঃ ৩৪।
৩. যখন মূলধন নি:গ করা হয় শ্রমিককে তরি মজুরি আগাম দেবার জন্য, তখন তা শ্রমের ভরণ-পোষণের ভারে কিছুই যোগ করে না। (কাজেনে”ভ, ম্যালথাসের ‘ডেফিনিশনস ইন পলিটিক্যাল ইকনমি”-র তৎকৃত সংস্করণে নোট, লণ্ডন, ১৮৫৩, পৃঃ ২২)।
৪. পৃথিবীর শ্ৰমিকসংখ্যার এক-চতুর্থাংশেরও কম ক্ষেত্রে ধনিকেরা শ্রমিকদের মজুরি আগাম দেয়। (রিচ জোন্স, টেক্সটবুক অব লেকচার্স অন দি পলিটিক্যাল ইকনমি অব নেশনস। হার্টফোর্ড, ১৮৫২, পৃঃ ৩৬)।
৫. “যদিও উৎপাদনকারীকে” (শ্রমিককে) মালিক “তার মজুরি আগাম দেয়, কিন্তু আসলে এতে মালিকের কোনো খরচ হয় না, কারণ একটা মুনাফা-সমেত এই মজুরির মূল্য সাধারণতঃ যে বিষয়টির উপরে শ্রম-অর্পিত হয়, তার উন্নীত মূল্যের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।” (অ্যাডাম স্মিথ, ঐ দ্বিতীয় খণ্ড, তৃতীয় অধ্যায়, পৃঃ ৩১১)।
৬. “উৎপাদনশীল শ্রমের এটা একটা উল্লেখযোগ্য স্ব-বিশেষ গুণ। যা কিছু উৎপাদনশীল ভাবে পরিভুক্ত হয়, তাই মূলধন, এবং তা পরিভোগর মাধ্যমে মূলধনে পরিণত হয়।” (জেমস মিল, ঐ, পৃঃ ২৪২)। যাই হোক, জেমস মিল, কখনো এই ‘উল্লেখযোগ্য স্ব-বিশেষ গুণটিকে অনুধাবন করতে পারেননি।
৭. এটা সত্য যে, একটা ম্যানুফ্যাকচার শুরু করতে গিয়ে প্রথম জন (ধনিক) অনেক দরিদ্রকে নিযুক্ত করে, কিন্তু তারা দরিদ্রই থেকে যায় এবং ঐ ম্যানুফ্যাকচারের চালু থাকা কালে তা আরো অনেক দরিদ্র সৃষ্টি করে। (রিজ ফর এ লিমিটেড এক্সপোর্টেশন অব উল’, লঙ্গ ১৬৭৭, পৃঃ ১৯)। কৃষি-মালিক এখন অদ্ভুত ভাবে দাবি করে যে, সে দরিদ্রদের রাখছে। বস্তুত পক্ষে তাদের রাখা হচ্ছে দুর্দশার মধ্যে। { ‘রিজনস ফর দি লেট ইনক্রিজ অব দি পুওর রেটস অল্প এ কম্প্যাটিভ ভিউ অব দি প্রাইসেস অব লেবর অ্যাণ্ড প্রভিশনস। লন, ১৭৭৩, পৃঃ ৩১)।
৮. সি এর বিরুদ্ধে এত সজোরে বাগাড়ম্বর করতেন না, যদি তিনি সত্যসত্যই ‘উৎপাদনশীল পৰিভোগ’-এর রহস্যের অন্তরে প্রবেশ করতেন।
৯. “দক্ষিণ আমেরিকার খনি-শ্রমিকদের দৈনিক কাজ (সম্ভবতঃ জগতে সবচেয়ে ভারি) হল ৪৫০ ফুট গভীর থেকে কাঁধে করে ১৮০ থেকে ২০০ পাউণ্ড ওজনের ধাতুর বোঝা মাটির ওপরে তুলে আনা; বেঁচে থাকে রুটি আর বিন খেয়ে; তারা আহার্য হিসাবে একমাত্র রুটিই পছন্দ করে, কিন্তু মালিকেরা দেখতে পেল শুধু রুটি খেয়ে লোকগুলি অত কঠোর পরিশ্রম করতে পারে না, তাই তাদেরকে ঘোড়। হিসাবে গণ্য করে বাধ্য করে বিন খেতে; রুটির চেয়ে বিন ফসফেট-অব-লাইমে বেশি সমৃদ্ধ।” (লাইবিগ, ঐ, খণ্ড ১, পৃঃ ১৯৪, টীকা)
১০. জেমস মিল, ঐ, পৃঃ ২৩৮।
১১. যদি শ্রমের দাম এত উচুতে ওঠে যে, মূলধনের বৃদ্ধি সত্ত্বেও, আর বেশি নিযুক্ত করা যায় না, তা হলে আমি বলব যে, মূলধনে এই বৃদ্ধি তখনো অনুৎপাদনশীল ভাবে পরিভুক্ত হবে। ( রিকার্ডো, ঐ, পৃঃ ১৬৩)।
১২. যথাযথ অর্থে উৎপাদনশীল পরিভোগ হল পুনরুৎপাদনের উদ্দেশ্যে ধনিকদের দ্বারা সম্পদের পরিভোগ বা ধ্বংস সাধন।” যথাযথভাবে বললে শ্রমিক তার নিজের কাছে উৎপাদনশীল পরিভোক্তা নয়; যে ব্যক্তি তাকে নিয়োগ করে, তার কাছে এবং রাষ্ট্রের কাছে উৎপাদনশীল পরিভোক্তা। (ম্যালথাস, ডেফিনিশনস’, পৃঃ ৩০)
১৩. একমাত্র জিনিস, যে-সম্পর্কে কেউ বলতে পারেন যে আগে থেকেই সঞ্চিত ও প্রস্তুত আছে, তা হল শ্রমিকের দক্ষতা। বিপুল শ্রমিক সমষ্টির ক্ষেত্রে, দক্ষ শ্রমের সংগ্রহ ও সঞ্চয়-স্বরূপ সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডটি সম্পাদিত হয় একেবারে কোন মূলধন ব্যতিরেকেই। (টমাস হজস্কিন, ‘লেবর ডিফেণ্ডেত ইত্যাদি, পৃ ১৩)।
