৩১. এই ঘটনাটা এখানে উল্লেখ করা হল সম্পূর্ণতার স্বার্থে, কারণ আমি মুনাফার হার অর্থাৎ অগ্রিম প্রদত্ত মোট মূলধনের সঙ্গে উদ্বৃত্ত-মূল্যের অনুপাত তৃতীয় গ্রন্থে যাবার আগে আলোচনা করব না।
৩২. সিনিয়র, “লেটার্স অন দি ফ্যাক্টরি অ্যাক্ট”, লণ্ডন, ১৮৩৭, পৃঃ ১৩, ১৪।
৩৩. “আবর্তনশীল মূলধনের শেষে স্থিতিশীল মূলধনের বিরাট অনুপাত: দীর্ঘ কাজের সময়কে বাঞ্ছনীয় করে তোলে।” মেশিনারি ইত্যাদির বর্ধিত ব্যবহারের সঙ্গে, “দীর্ঘতর কাজের সময়ের দিকে প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে, কেননা সেটাই হবে স্থিতিশীল মূলধনের বিরাট অনুপাতকে মুনাফাজনক করার একমাত্র উপায়।” “লেটার্স অন দি ফ্যাক্টরি আকু”, পৃঃ ১১-১৩। “মিলের এমন কিছু খরচ আছে, যা, মিলে পুরো সময় চালু থাক আর কম সময় চালু থাক, একই অনুপাতে বহন করতে হয়, যেমন, খাজনা। ভাড়া, শুল্ক, কর, অগ্নি-বীমা, কিছু স্থায়ী কর্মচারীর মজুরি, মেশিনের ক্ষয়-ক্ষতি এবং ম্যানুফ্যাকচারকারী প্রতিষ্ঠানের দেয় আরো কিছু মাশুল, উৎপাদন হ্রাস পাবার সঙ্গে সঙ্গে যাদের অনুপাত বৃদ্ধি পায়।” (রিপোর্টস অব ইন্সপেক্টরস অব ফ্যাক্টরিজ, ৩১ অক্টোবর ১৮৬২,পৃঃ ১৯)।
৩৪, কেন যে ধনিক এবং সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অর্থতাত্ত্বিকেরাও, যারা তার মতামতে অনুরঞ্জিত, এই অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্বটি সম্পর্কে অবহিত, তা তৃতীয় খণ্ডের (ইং সং) প্রথম অংশ থেকে বোঝা যাবে। (বাংলা সংস্করণ ৫ম খণ্ড)
৩৫. এটা রিকার্ডোর সবচেয়ে বড় কৃতিত্বগুলির মধ্যে একটি যে, তিনি মেশিনারির মধ্যে কেবল পণ্য উৎপাদনের উপায়ই দেখতে পাননি, একটি “অপ্রয়োজনীয় জনসংখ্যা সৃষ্টির উপায়ও দেখতে পেয়েছিলেন।
৩৬. F. Biese : “Die Philosophie des Aristotles”, Vol. 2, Barlin, 1842, p. 408.
৩৭. আমি নীচে এই কবিতাটির স্টোলবার্গ-কৃত অনুবাদটি দিচ্ছি, কেননা শ্রম বিভাজন সম্পর্কিত উদ্ধৃতিগুলির মর্ম অনুযায়ী, এই কবিতাটি ফুটিয়ে তুলেছে প্রাচীন ও আধুনিকদের মধ্যেকার মত-বৈপরীত্য : “Spare the hand that grinds the corn, Oh, miller girls, and softly sleep. Let Chanticleer announce the morn in vain! Deo has commanded the work of the girls to be done by the Nymphs, and now they skip lightly over the wheels, so that the shaken axles revolve with their spokes and pull round the load of the revolving stones. Let us live the life of our fathers, and let us rest from work and enjoy the gifts that the Goddess sends us.”
“ময়দা-কলের মেয়েরা সব শান্ত ভাবে ঘুমাও; যে-হাত দিয়ে ময়দা পেষে সে হাত-দুটি থামাও। মোরগগুলো যাক না ডেকে, সকাল হল, জাগো ! ‘দেও’ দিয়েছেন হুকুম, শোনোতোমরা সবাই ভাগো এখন থেকে করবে কাজ জল-পরীরা সব; হাল্কা পায়ে চাকার পরে মেতেছে উৎসব। চাকাগুলো ঘুরছে যেমন, ঘুরছে তেমন শিল; আমরা সবাই বাঁচব এবার খুশি-ভরা দিল। বাপ-দাদারা ঢের খেটেছে, আমরা চাই ছুটি; ভগবানের দেওয়া দান দুহাত দিয়ে লুটি।” [অনুবাদ এই গ্রন্থের অনুবাদকের ]
(Gedichte aus dem Griechischen ubersetzt von Christian Graf zu Stolberg, Hamburg, 1782.)
৩৮. অবশ্য, বিভিন্ন শিল্পে সব সময়েই শ্রম-তীব্রতায় পার্থক্য হয়, কিন্তু এইসব পার্থক্য যেমন অ্যাডাম স্মিথ দেখিয়েছেন, প্রত্যেক ধরনের শ্রমের স্বকীয় বৈশিষ্ট্যজনিত সামান্য সামান্য ঘটনার দ্বারা কিছু পরিমাণে পরিপোষিত হয়ে যায়। মূল্যের পরিমাপ হিসাবে এমসময় কিন্তু এখানে ক্ষুন্ন হয় না—একমাত্র ততটা পরিমাণ ছাড়া, যতটা পরিমাণে শ্রমের স্থায়িত্বকাল, এবং তার তীব্রতার মাত্রা একই অভিন্ন পরিমাণ শ্রমের দুটি পরস্পর ব্যতিরেকী অভিব্যক্তি।
৩৯. বিশেষ করে, ‘সংখ্যা-পিছু ( ‘পিস-ওয়ার্ক) মজুরির ক্ষেত্রে, যে-রূপটি সম্পর্কে আমরা এই বইয়ের ষষ্ঠ বিভাগে আলোচনা করব।
৪০. “রিপোর্টস অব ইন্সপেক্টর অব ফ্যাক্টরিজ, ১৮৬৫”,দ্রষ্টব্য।
৪১. “রিপোর্ট অব ইন্সপেক্টর অব ফ্যাক্টরিজ, ১৮৪৫”, ৩০শে এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহ ১৮৪৫ পৃঃ ২০-২১।
৪২. “রিপোর্টস ফ্যাক্টরিজ”, পৃঃ ১৯। যেহেতু জিনিস-পিছু মজুরি ছিল অপরিবর্তিত সেই হেতু সাপ্তাহিক মজুরি নির্ভর করত উৎপন্ন পরিমাণের উপরে।
৪৩. “রিপোর্টস ফ্যাক্টরিজ”, পৃঃ ২০।
৪৪. উল্লিখিত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নৈতিক উপাদান একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়েছিল। “আমরা আবো তেজের সঙ্গে কাজ করি, আমানের সামনে থাকে রাত্রে তাড়াতাড়ি ছাড়া পাবার পুরস্কার এবং একটা আনন্দময় মনোভাব গোটা মিলটিতে ব্যাপ্ত করে রাখে সবচেয়ে অল্পবয়সী ‘পিস’-কর্মী থেকে সবচেয়ে বেশী-বয়সী কর্মীকে পর্যন্ত। আমরা বিপুল ভাবে পরস্পরকে সাহায্য করতে পারি।” (“রিপোর্টস ফ্যাক্টরিজ”, পৃ ২১)।
৪৫. জন ফিলজেন, “দি কার্স অব দি ফ্যাক্টরি সিষ্টেম, পৃঃ ৩২।
৪৬. “টেন আওয়ার্স ফ্যাক্টরি বিল : লর্ড অ্যাশলির ভাষণ”, ১৮৪৪, পৃঃ ৩৭৯-৮০।
৪৭. “রিপোর্টস ফ্যাক্টরিজ, ১৮৪৪”, ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহ এবং ১লা অক্টোবর ১৮৪৪ থেকে ৩০ এপ্রিল ১৮৪৫, পৃঃ ২০।
৪৮. “রিপোর্টস ফ্যাক্টরীজ, পৃঃ ২২।
