৪. কারখানা পরিদর্শকদের রিপোর্ট”, ৩০শে এপ্রিল, ১৮৬০ পৃঃ ৫০।
৫. “কারখানা পরিদর্শকের রিপোর্ট” ৩১শে অক্টোবর, ১৮৪৯ পৃঃ ৬।
৬. “কারখানা পরিদর্শকের রিপোর্ট’ ৩১শে অক্টোবর ১৮৪৮ পৃঃ ৯৮।
৭. লি নার্ড হন, তার সরকারি রিপোর্টগুলি “শয়তানি আচরণ” কথাটি ব্যবহার করেন। (কারখানা পরিদর্শক রিপোর্ট, ৩১শে অক্টোবর, ১৮৫৯, পৃঃ)।
৮. “কারখানা পরিদর্শক রিপোর্ট’ ৩শে সেপ্টেম্বর, ১৮৪৪ পৃঃ ১৫।
৯. এই আইনটি শিশুদের দশ ঘণ্টা কাজ করানোর অনুমতি দেয়—যদি তাদের একাদিক্রমে দিনের পর দিন কাজ না করিয়ে একদিন বাদে একদিন কাজ করানো হয়। এই আইনটি প্রধানতঃ অকার্যকরী-ই ছিল।
১০. “যেহেতু শ্রমের ঘণ্টা কমানো হলে শিশুদের বেশি সংখ্যায় নিয়োগ করতে হবে, এটা ধরা হল যে ৮-৯ বছরের শিশুদের অতিরিক্ত সরবরাহ বর্ধিত চাহিদা মিটিয়ে দেবে।” (l.c. পৃঃ ১৩)।
১১. “কারখানা পরিদর্শক রিপোর্ট”, ৩১শে অক্টোবর, ১৮৮, পৃঃ ৬।
১২. আমি দেখতে পেলাম যে যারা সপ্তাহে দশ শিলিং পাচ্ছিল তাদের মজুরি থেকে দশ শতাংশ হ্রাসের জন্য এক শিলিং কাটা গেল, এবং বাকি নয় শিলিং থেকে সময় কমানোর জন্য দেড় শিলিং কাটা হল, দুটি মিলিয়ে ২২ শিলিং এবং এটা সত্বেও তাদের অনেকে বলল যে তারা বরং দশ ঘণ্টাই কাজ করবে। 1.c.
১৩. যদিও আমি দরখাস্তে সই দিয়েছি আমি তখনই বলেছিলাম যে, অন্যায় করেছি। তাহলে তুমি কেন সই করলে? কারণ অস্বীকার করলে আমাকে কাজ ছাড়িয়ে দেওয়া হত। এর থেকে বোঝা যায় দরখাস্তকারীরা অনুভব করেছিল তার। ‘অত্যাচারিত কিন্তু ঠিক কারখানা আইনের দ্বারা নয়।_l.c. পৃ: ১১২।
১৪. রিপোর্ট, পৃঃ ১৭। মিঃ হারের জেলায় ২৮১টি কারখানায় ১৩,২৭০ জন পুর্ণবয়স্ক পুরুষ শ্রমিককে এইভাবে পরীক্ষা করা হয়। ১৮৮৮ সালের অক্টোবরে যে বর্ষার্ধ শেষ হয়েছে সেই রিপোর্টে সংযোজনীর মধ্যে এই সাক্ষ্যগুলি পাওয়া যাবে। অন্যান্য ব্যাপারেও এই সাক্ষ্যগুলি খুবই মূল্যবান বলে মনে করা যায়।
১৫. l.c. লিওনার্ড হর্ণারের নিজের সংগৃহীত সাক্ষ্য নং ৬৯, ৭০, ৭১, ৭২, ৯২, ৯৩ এবং সাব-ইন্সপেক্টর এ-র সংগৃহীত সাক্ষ্য নং ৫১, ৫২, ৫৮ ৫৯, ৬২, ৭০ সংযোজনী থেকে পড়ুন। একজন কারখানা মালিকও সরল সত্যকথা বলেছিলেন। নং ১৪ দেখুন এবং ২৬৫, lc.।
১৬. রিপোর্ট ইত্যাদি ৩১শে অক্টোবর, ১৮৪৮, পৃঃ ১৩৩, ১৩৪।
১৭. রিপোর্ট ইত্যাদি ৩১শে এপ্রিল, ১৮৪৮, পৃঃ ৪৭।
১৮. রিপোর্ট ইত্যাদি ৩১শে অক্টোবর, ১৮৪৮, পৃঃ ১৩০।
১৯. রিপোর্ট ইত্যাদি .c. পৃঃ ১৪২।
২০. রিপোর্ট ইত্যাদি ৩১শে অক্টোবর, ১৮৫৩, পৃঃ ৫, ৬।
২১. অপরিণত অবস্থায় যেমন, পরিণত অবস্থাতেও তেমনি মূলধনের প্রকৃতি একই রকম থাকে। আমেরিকায় গৃহযুদ্ধ বাধাবার অল্প কিছুদিন আগে নিউ মেক্সিকোর ভূখণ্ডে দাস-প্রভুরা তাদের প্রভাব অনুযায়ী যে বিধি প্রয়োগ করেন তাতে বলা হয়েছে ‘যেহেতু ধনিক শ্রমিকদের শ্রমশক্তি ক্রয় করেছে, সেজন্য সে হচ্ছে (ধনিকের) নিজস্ব সম্পত্তি। রোমের প্যাট্রিসিয়ানদের মধ্যে ঐ একই ধারণা প্রচলিত ছিল। তারা প্লিবিয়ান দেনাদারদের যে টাকা ধার দিত, সেই টাকা খাদ্যসামগ্রী মারফৎ দেনাদারদের রক্ত ও মাংসে পরিণত হত। অতএব এই ‘রক্ত ও মাংস’ হত তাদের সম্পত্তি। তাই রচিত হয়েছিল শাইলকমার্কা দশটি ধারার আইন। লিঙ্গুয়েথ কল্পনা করেছিলেন যে টাইবার নদীর ওপারে অভিজাত মহাজনরা মাঝে মাঝে দেনাদারদের মাংস দিয়ে ভোব করতেন। সেটি অবশ্য খ্রীস্টান ইউকারিস্টদের সম্পর্কে ডুমারের বক্তব্যের মতই অমীমাংসিত থেকে গিয়েছে।
২২, ‘রিপোর্ট ইত্যাদি ৩০শে এপ্রিল, পৃঃ ১৮৪৮ ২৮।
২৩. এইসব অন্যান্য ব্যক্তিদের মধ্যে পড়ে জনহিতৈষী অ্যাশওয়ার্থ কর্তৃক লিওনাড হর্ণারের কাছে লিখিত কোয়েকার-সূলভ (নৈষ্ঠিক খ্ৰীষ্টান) একটি বিরক্তিপূর্ণ চিঠি। ( বিপোর্ট ইত্যাদি এপ্রিল, ১৮৪৯, পৃঃ ৪)।
২৪. l.c. পৃ: ১৪।
২৫. ‘রিপোর্ট ইত্যাদি ৩০শে এপ্রিল, ১৮৪৯, পৃঃ ২১, ২২। অনুরূপ দৃষ্টান্ত ঐ রিপোর্টেই পৃ: ৪, ৫।
২৬. স্যার জন হবহাউস-এর নামে পরিচিত কারখানা-আইনের ১, এবং ২ এর। চব্বিশ অধ্যায়ের দশম ধারায় বলা হয়েছে। কোন সুতোকল বা কাপড়ের কলের মালিক অথবা এমন কোন মালিকের পিতা, পুত্র কিংবা ভ্রাতা কারখানা-আইন সম্পর্কিত কোন ব্যাপারে অবৈতনিক ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে কাজ করতে পারবে না।
২৭. l.c.।
২৮. রিপোর্ট ইত্যাদি ৩০শে এপ্রিল, ১৮৪৯, পৃঃ ৫।।
২৯. বিপোর্ট ইত্যাদি ৩১শে অক্টোবর, ১৮৪৯, পৃঃ ৬।
৩০. রিপোর্ট ইত্যাদি ৩০শে এপ্রিল, ১৮৪৯, পৃঃ ২১।
৩১. রিপোর্ট ইত্যাদি ৩১শে অক্টোবর, ১৮৪৮, পৃঃ ৯৫।
৩২. ৩০শে এপ্রিল, ১৮৪৯-এর রিপোর্ট প্রভৃতি পৃষ্ঠা ৬ দেখুন এবং ১৮৪৮ সালের ৩১শে অক্টোবরের রিপোর্ট-এ কারখানা পরিদর্শক হাওয়েল এবং সণ্ডার্স-এর পালা-প্রথা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পড়ন। পালা-প্রথার বিরুদ্ধে ১৮৪৯ সালে বসন্তকালে মহারাণীর নিকট অ্যাসটন ও সন্নিহিত অঞ্চলের যাজক সম্প্রদায়ের আর্জি পড়ন।
৩৩. যেমন উদাহরণস্বরূপ কারখানা সমস্যা ও দশ ঘণ্টা আইনের প্রস্তাব। আর. এইচ. গ্রেগ, ১৮৩৭।
৩৪. এফ. এঙ্গেলস : ইংলিশ টেন আওয়ার্স বিল’ (Neue Rheinische Zeitung Politisch-ockonomische Revue” মার্কস সম্পাদিত, এপ্রিল সংখ্যা, ১৮৫৩, পৃঃ ১৩)। ঐ একই ‘উচ্চ বিচারালয় আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় এমন একটি দ্ব্যর্থবাচক শব্দ আবিষ্কার করলেন যাতে বোম্বেটে জাহাজগুলিকে অস্ত্র সজ্জিত করার বিরুদ্ধে আইনটির অর্থ একেবারে উল্টে গেল।
