২. “Daily Telegraph”, ৭ই জানুয়ারী, ১৮০৮।
৩. cf: F. Engel’s “Lage etc”, pp. 249-51.
৪. শিশু নিয়োগ কমিশন, প্রথম রিপোর্ট, ১৮৬৩, সাক্ষ্য, পৃঃ ১৬, ১৮, ১৯।
৫. জন-স্বাস্থ্য, তৃতীয় রিপোর্ট, পৃঃ ১০২, ১০৪, ১০৫। ক্যাপিট্যান্স (১ম)-১৬
৬. শিশু নিয়োগ কমিশন, প্রথম, রিপোর্ট, পৃঃ ২৪
৭. শিশু নিয়োগ কমিশন, পৃঃ ২২ ও ii।
৮. 1. c. p. xlvii.
৯. 1. c. p. liv.
১০. একে আমাদের উত্তম সময় হিসাবে নেওয়া চলবে না। এই ভদ্রলোকেরা ১০ ঘণ্টা শ্রমকে গণ্য করেন স্বাভাবিক শ্রম-দিবস হিসাবে, যার মধ্যে অবশ্য স্বাভাবিক উত্তমও অন্তর্ভুক্ত। তারপরে শুরু হয় ওভার-টাইম’, যার জন্য একটু বেশি মজুরি দেওয়া হয়, পরে দেখা যাবে যে একটি তথাকথিত স্বাভাবিক দিনের জন্য যে-মজুরি দেওয়া হয়, তা তার মূল্যের চেয়ে কম। সুতরাং, আরো বেশি উদ্বৃত্ত-মূল্য নিঙড়ে নেবার জন্য “ওভার টাইম” ধনিকদের একটা চালাকি ছাড়া কিছু নয়। এমনকি স্বাভাবিক শ্রম-দিবসে ব্যয়িত শ্রমের জন্য যদি যথােচিত মজুরিও দেওয়া হত, তা হলেও এটা ঐ চালাকিই থেকে যেত।
১১. l.c, সাক্ষ্য, পৃঃ ১২৩, ১২৪, ১২৫, ১৪, ৫৪।
১২. ভালো ভাবে গুড়ো করা কিংবা লবনের সঙ্গে মেশানো ফিটকারি ‘রুটি ওয়ালার মাল এই অর্থবহ নামে পরিচিত। এটা একটা মামুলি বাণিজ্য-দ্রব্য।
১৩. স্কুল হচ্ছে কার্বন-এর একটি সুপরিচিত ও খুব শক্তিশালী রূপ; সার হিসাবে কাজ করে বলে ধনতান্ত্রিক চিমনি-সাফাইকাররা ইংল্যাণ্ডদের কৃষকদের কাছে এই স্কুল বিক্রি করে। এখন, ১৮৬২ সালে একটি মামলায় ইংরেজ জুরির সোকদের রায় দিতে হয় যে, ক্রেতার অজান্তে মেশানো ৯০ শতাংশ ধুলো-বালি সমেত ঝুল বাণিজ্যিক অর্থে খটি স্কুল না, আইনগত অর্থে ভেজাল স্কুল। “বাণিজ্যের ধ্বজাকারীরা” রায় দিলেন যে এটা খাঁটি বাণিজ্যিক স্কুল এবং ফরিয়াদী কৃষকটি মামলায় হেরে গেল এবং তার উপরে আবার মামলার খরচ দিতে বাধ্য হল।
১৪. ফরাসী রসায়নবিদ শেভালিয়ে পণ্যদ্রব্যে ভেজাল সম্পর্কে তাঁর গ্রন্থটিতে হিসেব দিচ্ছেন যে তার দ্বারা পরীক্ষিত ৬০০ বা ততোধিক দ্রব্যের মধ্যে অনেকগুলির ক্ষেত্রে ১০, ২০ বা ৩০ রকমের ভেজালের বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। তিনি আরও বলেন, সমস্ত পদ্ধতি তার জানা নেই, তা ছাড়া যেগুলি তার জানা আছে, তাদেরও সবগুলি তিনি উল্লেখ করেননি। তিনি চিনির ৬ রকমের ভেজাল দেখিয়েছেন, অলিভ, তেলের ৯ রকম, মাখনের ১৩, লবনের ১৩, দুধের ১৯, রুটির ২৭, ব্রাণ্ডির ২৩, ঔ ড খাদ্যের ২৪, চকোলেটের ২৮, মদের ৩০, কফির ৩২ ইত্যাদি। এমনকি সর্বশক্তিমান ভগবানেরও এই ভাগ্য থেকে কোন নিষ্কৃতি নেই। রুয়াদস্য কাদ-এর “ধর্মানুষ্ঠানের দ্রব্যসামগ্রী সম্পর্কে মিথ্যাচার” (“De la falsification des substances Sacramentelles”, প্যারিস, ১৮৫৬ দ্রষ্টব্য।
১৫. “রুটি-কারিগরদের অভিযোগগুলি সম্পর্কে রিপোর্ট প্রভৃতি, লণ্ডন, ১৮৮২”, ও “দ্বিতীয় বিপোর্ট, ইত্যাদি, লণ্ডন, ১৮৬৩।
১৬. lc. প্রথম বিপোর্ট প্রভৃতি, পৃঃ vi।
১৭. 1.c. p. xxi.
১৮. জর্জ ব্রীড, “রুটি সেঁকার ইতিহাস”, লণ্ডন, ১৮৪৮, পৃঃ ১৬।
১৯. রিপোর্ট (প্রথম) ইত্যাদি, পুরাদামের রুটিওয়ালা, চীজম্যান-এর সাক্ষ্য, পৃ: ১৮।
২০. George Read, t.c. সতের শতকের শেষে এবং আঠারো শতকের শুরুতে যেসব এজেন্টরা প্রায় প্রত্যেকটি ব্যবসায়ে ভিড় জমাল, তখনো তাদের পাব্লিক ইন্যান্স’ বলেই নিন্দা করা হত। সমারসেট্ কাউন্টির বিচারকদের ত্রৈমাসিক অধিবেশনে ‘গ্রাজুরি কমন সভার কাছে একটি লিপিতে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে বলেন, ‘ব্ল্যাকৃওয়েল হলের’ এই এজেন্টরা হচ্ছে ‘পাব্লিক মইন্যান্স এবং বস্ত্র ব্যবসায়ের পক্ষে এদের এইজন্যই দমন করা উচিত। “The case of our English Wool&c,” London, 1685, pp. 6, 7…
২১. ১ম রিপোর্ট প্রভৃতি।
২২. ১৮৬১ খ্ৰীষ্টাব্দে আয়ার্ল্যাণ্ডের রুটি ব্যবসা সংক্রান্ত কমিটির রিপোর্ট।
২৩, l.c.
২৪. ১৮৬৬ খ্ৰীষ্টাব্দে ই জানুয়ারি এডিনবরার কাছে ল্যাসওয়েভ -এ কষি শ্রমিকদের জনসভা (১৮৬৬ খ্ৰীষ্টাব্দের ১৩ই জানুয়ারির ‘ওয়ার্কম্যান অ্যাডভোকেট পত্রিকা দেখুন।) ১৮৬৫ খ্রীষ্টাব্দের শেষ থেকে কৃষি শ্রমিকদের মধ্যে ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা হচ্ছে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বার্কিংহামশায়ার ছিল ইংল্যাণ্ডের সর্বাধিক অত্যাচারিত কৃষি-জেলাগুলির মধ্যে একটি; এখানে ১৮৬৭ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসে কৃষি-শ্রমিকরা তাদের সাপ্তাহিক মজুরি ৯-১০ শিলিং থেকে বাড়িয়ে ১২ শিলিং করবার জন্য এক বিরাট ধর্মঘট করে। (পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদটি থেকে বোঝা যায় যে ইংল্যাণ্ডে কৃষি-শ্রমিকদের আন্দোলন যেটি ১৮৩০ সালে হিংসাত্মক উপদ্রব এবং বিশেষত ‘গরিব-আইন প্রবর্তনের পর সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছিল, সেটি আবার সপ্তম দশকে আরম্ভ হয় এবং শেষ পর্যন্ত ১৮৭২ সালে যুগান্তকরেী হয়ে ওঠে। দ্বিতীয় গ্রন্থে আমি এই আলোচনায় আবার ফিরে আসব এবং ১৮৬৭-র পরবর্তী ইংল্যাণ্ডের কৃষি-শ্রমিকদের অবস্থা সম্পর্কে সরকারি পুস্তিকাগুলি নিয়েও আলোচনা করব। তৃতীয় সংস্করণের সংযোজনী।)
২৫. রেনল্ডস্ নিউজপেপার, জানুয়ারী ১৮৬৬,-এই কাগজটিতে সপ্তাহে ‘ভয়াবহ ও মারাত্মক দুর্ঘটনা’, ‘রোমহর্ষক দুর্ঘটনা, এই ধরনের চাঞ্চল্যকর শিরোনামার নীচে দেখা যায় সদ্য রেলওয়ে দুর্ঘটনার একটা গোটা তালিকা। নর্থ স্টাফোর্ডশায়ার লাইনের একজন কর্মচারী এইগুলি সম্পর্কে মন্তব্য করেন। প্রত্যেকেই জানেন, যদি রেলগাড়ির ইঞ্জিনে চালক ও ফায়ারম্যান অবিরাম নজর না রাখে তাহলে কিরকম দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু যে লোকটি তীব্র আবহাওয়ার মধ্যে বিনা বিশ্রমে একাদিক্রমে ২৯/৩ ঘণ্টা কাজ করে, তার কাছ থেকে কি তা আশা করা যায়? সচরাচর ঘটে, নীচে তার একটি দৃষ্টান্ত দেওয়া হল :—একজন ফায়ারম্যান সোমবার সকাল থেকে কাজ আরম্ভ করল। যাকে বলা হয় একদিনের কাজ, সেটা যখন সে শেষ করল তখন তার ১৪ ঘণ্টা ৫০ মিনিট কর্তব্য হয়ে গিয়েছে। চা খাবার ফুরসত পাবার আগেই তাকে আবার কাজে ডাক করা হল পরের বার চোদ্দ ঘণ্টা পনের মিনিট কর্তব্যের পরে তার কাজ শেষ হল, সর্বসাকুল্যে বিনা বিশ্রামে উনত্রিশ ঘণ্টা পনের মিনিট। সপ্তাহের বাকি কাজ চলে এইভাবে বুধবার পনের ঘণ্টা বৃহস্পতিবার পনের ঘণ্টা পঁয়ত্রিশ মিনিট; শুক্রবার চোদ্দ ঘণ্টা ত্রিশ মিনিট; শনিবার চোদ্দ ঘণ্টা দশ মিনিট, সপ্তাহের গোটা কাজ হচ্ছে ৮৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। এখন মহাশয় এই গোটা কাজের জন্যে তাকে যখন ৬টু রোজের মজুরি দেওয়া হল তখন তার বিস্ময়ের কথাটা ভাবুন। ভুল হয়েছে ভেবে সে টাইম-কীপারের কাছে আবেদন করল, এবং জানতে চাইল এক দিনের কাজ বলতে তারা কি বোঝেন। তাকে বলা হল ১৩ ঘন্টা ( অর্থাৎ সপ্তাহে ৭৮ ঘণ্টা)। সে তখন ৭৮ ঘণ্টার বেশি যে-কাজ দিয়েছে, তার জন্য তার পাওনা চাইল কিন্তু তাকে তা দিয়ে অস্বীকার করা হল। শেষ পর্যন্ত তাকে বলা হয় তাকে আর এক-চতুর্থাংশ দেওয়া হবে, অর্থাৎ ১: পেন্স। 1.c., 4th. Feb., 1866।
