ঘুরে দাঁড়াও, সে কোমলভাবে বলল কিন্তু তার কণ্ঠ এমন শুকনো যেন কোন সবুজ খেজুর গাছ থেকে কেউ তার রস শুষে নিয়েছে। সে তার কথায় সায় দিল, কিন্তু একটা স্বপ্নের মতো ধীর গতিতে সে তার কটি ঘুরালো এবং তখন সিল্কের মধ্য দিয়ে আলতোভাবে তার পেট ঝলকে উঠল। তার নিতম্ব দুলে উঠল, গোল ও অসট্রিচের ডিমের মতো তা সুন্দর এবং তার জ্বলজ্বলে লম্বা চুলও সে সাথে ঢেউ দুলাল।
তুমি সুন্দর, নাজা বলল। তার ঠোঁটের কোণায় হাসি দেখা দিল এবং জিভের ডগা দিয়ে সে ওগুলোকে ভেজাল যা ছিল বিড়ালের বাচ্চার জিভের ন্যায় গোলাপি। আমি খুশি যে আমার লর্ড রাজ-প্রতিভূ আমাকে তা মনে করেন।
নাজা বিছানা থেকে উঠে তার কাছে গেল। সে তার হাতটা নিজের হাতের উপর নিল যা ছিল উষ্ণ ও নরম। সে তাকে টেনে বিছানায় নিয়ে গেল এবং সেও কোন ইতস্তত ছাড়াই তাকে অনুসরণ করল। নববধূ সাদা ভেড়ার চামড়ার উপর হাঁটু গেড়ে বসল এবং তার মাথা ঝুলিয়ে দিল যাতে তার চুল তার মুখের উপর এসে পড়ে। নাজা তখন তার সামনে দাঁড়াল এবং সামনে ঝুঁকল যততক্ষণ না তার ঠোঁট তা স্পর্শ করল। সে তার দেহের গন্ধ পেল। সে তার চুল ধরল এবং কালো পর্দার ভেতর দিয়ে তার দিকে তাকাল। তারপর সে তার লম্বা চুলগুলোকে ভাগ করে দিল এবং এক হাতে তার চিবুক ধরে তাকে তার দিকে ফেরাল।
আপনার চোখগুলো ইকোনার মতো। হেজারেট ফিসফিসিয়ে বলল। ইকোনা ছিল নাজার পোষা সিংহের নাম। পশুটা সব সময় তাকে ভীত ও মুগ্ধ করত। এখন তার সে রকম অনুভূতি হচ্ছে কারণ লোকটিকে একটা বড় বিড়ালের মতো চকচকে ও নরম মনে হচ্ছে; তার চোখ হলুদ ও অপ্রশম্য। সহজাত নারী প্রবৃত্তিতে সে ওগুলোর মধ্যে নিষ্ঠুরতা ও নির্মমতা বুঝল যা তার আবেগে সাড়া জাগাল যা সে আগে কখনো অনুধাবন করেনি। আপনিও সুন্দর। সে ফিসফিস করে বলল এবং এটা সত্য। এই মুহূর্তে সে বুঝল যে সে-ই তার দেখা সবচাইতে সুন্দর সৃষ্টি।
সে তার নববধূকে চুমু খেল এবং তা তাতে অন্যরকম এক শিহরণ জাগালো। এর স্বাদটা তার কাছে মনে হল কোন পাকা ফলের মতোই সুস্বাদু যার স্বাদ এর আগে সে কখনও নেয় নি। স্বভাবিক নিয়মে সেও তা গ্রহণ করতে তার মুখটা প্রশস্ত করল। সাথে সাথে নাজার জিহ্বাটা তার মুখের ভেতর সাপের ন্যায় নড়াচড়া করতে লাগল, যেন সব কিছু শুষে নিতে চাইছে; সে এতে কোন বাধা দিল না। সে সমর্পণে তার চোখ বুঝল এবং প্রাণ ভরে তা উপভোগ করতে লাগল। সাড়া পেয়ে নাজাও তার পিছনে হাত নিয়ে জড়িয়ে ধরে তাকে আরো কাছে টেনে নিল এবং আরো জোরে তার ওষ্ঠ পিষে ফেলতে চাইল। সে তার চুম্বনের আবিসে নিজেকে এতো হারিয়ে ফেলল যে যখন নাজা তার স্তনে হাত রাখল তখন সে অপ্রস্তুত হয়ে গেল। চোখ খুলে সে তা দেখল এবং হাঁফাতে লাগল। সে তাকে দূরে ঠেলে দিতে চাইল কিন্তু নাজা তাকে শক্ত করে ধরে ছিল। তারপর ধীরে ধীরে সে তার দেহের উপর নাজার শক্ত চাপ অনুভব করল যা তাকে ভীত করে তুলল। নাজা তার স্তনের বোঁটায় হালকা একটা চুম্বন দিল, সাথে সাথে তা তার শরীরে অন্যরকম একটা শিহরণ জাগাল। নাজা তখন তার হাতটা সরিয়ে নিতেই সে একটু হতাশ বোধ করল। তারপর নাজা তাকে টেনে ভেড়ার চামড়ার উপর তুলে আনল এবং তার স্তনদ্বয় তার মুখ বরাবর আনল।
মুহূর্তের মধ্যে সে তার রেশমি গাউনটা এক টানে খুলে মেঝের উপর ছুঁড়ে ফেলে দিল। তারপর তার স্তনের বোঁটা মুখের ভেতর নিয়ে অবিরত তা চুষতে লাগল, আবেগে সে তখন জোরে চিৎকার দিয়ে উঠে। একই সময়ে নাজা তার একটি হাত তার নব বধূর নিমাংশের উরু সন্ধিস্থ কোমল গোপন অঙ্গের নরম চুলের উপর নিয়ে তা মন্থন করতে লাগল।
হেজারেট যেন বাঁধা দেবার ক্ষমতাটা হারিয়ে ফেলেছে। বরং সে নিজেকে সমর্পণ করতে বাধ্য হল। তার দাস বালিকা তাকে যা শুনিয়েছিল এখন দেখা যাচ্ছে তা আরো নির্মম। বরং তার হাতটা দ্রুত, শক্ত এবং কর্মঠ। মনে হচ্ছে নাজা যেন তার দেহের বিষয়ে তার নিজের চাইতেও আরো বেশি জ্ঞাত। তা নিয়ে সে এক দক্ষ খেলায় মেতে উঠলো যা তাকে গভীর থেকে আরো গভীরে, দ্রুত থেকে আরো দ্রুত কোন মাতাল সাগরের অতলে নিয়ে যেতে থাকল।
তখনই সে তল খুঁজে পেল যখন হঠাৎ চোখ খুলে সে অনুভব করল যে তার দেহটা বিবস্ত্র, গাউনটা উধাও এবং সে তার নগ্ন দেহটা নিয়ে খেলা করছে। তার সে স্বপ্নের কথাটা মনে পড়ে গেল যেখানে নাজার দেহের নিমাংশটা ছিল স্টার গেজারের মতো। ভয়ে ভয়ে সে তার দিকে তাকালো, কিন্তু স্বপ্নের কোন মিল সে খুঁজে পেল না। তার ভয়টা উধাও হয়ে গেল এবং আবোরো সে তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করল। তারপরই সে তার নিমাংশে একটা তীক্ষ্ণ ব্যথা অনুভব করল, যেন তরল কিছুর ক্ষরণ ঘটছে কিন্তু সাথে সাথে একটু অস্বস্তিকর অথচ ভালো লাগা এক অনুভূতি তাকে গ্রাস করল। এর একটু পর সে তার উপর থাকা নাজার একটা উল্লাস ধ্বনি শুনল। যা তার দেহের ভেতর কাঁপুনি জাগাল এবং সহ্যহীন একটা আনন্দের সাথে সাথে সেও শিৎকার দিয়ে উঠল।
এক রাতে পরপর দুবার একই অদ্ভুত আনন্দে সে কাঁদল।
যখন ঊষা তার গোলাপি ও রূপালি আলো নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করল সে তখনো তার বাহুতে শুয়েছিল। তার মনে হল যেন সব জীবনী শক্তি তার ভেতর থেকে শুষে নেওয়া হয়েছে, যেন তার হাড়গুলো নদীর কাদার মতো নরম হয়ে গিয়েছে এবং তল পেটের গভীরে সে স্বল্প ব্যথা অনুভব করল।
