আমি আর দেরি করিনি। বালিশ নিয়ে সোওওজা নিচে রিসেপশনে। বাকি রাতটা ওখানেই কাটাই। অনেক উপরোধেও আর রুমে ঢুকিনি। সকাল হলে রুমে গিয়ে প্রাতঃকৃত্যাদি করে, চেক আউট করি। দুপুরেই ফ্লাইট ছিল মুম্বাইয়ের।
শুধু বেরোবার আগে বৃদ্ধ রিশেপশনিস্টটিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘ইজ দেয়ার সামথিং রঙ উইদ দ্যাট রুম’?
লোকটা শুধু ঘোলাটে চোখ তুলে মৃদু হেসেছিল।
হাসিটা ভুলবো না। কারণ হাসিটা দেখে আমার ঠিক সেই অনুভূতিটা ফিরে এসেছিল।
নিশ্চুপ নিস্তব্ধ রাত্রে পিঠের শিরদাঁড়া বরাবর হিলহিলে সর্পিল কিছু একটা হেঁটে যাওয়ার শীতল অনুভূতিটা!!!
