বুবকা হাসল, “মাঝরাতটা তো আমার দখলে কৌশিকবাবু, ভুলছেন কেন? সে সময়েই যতটা পারতাম সাপ্লাই করেছি খাবারদাবার, ঘরদোর বন্ধ করে থাকাটা কষ্টকর, কিন্তু একটা জানোয়ারের কাছে থাকার চেয়ে এ যন্ত্রণা তুচ্ছ। মোবাইলটা তো ইচ্ছা করেই রেখে এসেছিল যাতে কেউ ট্রেস করতে না পারে কোথায় থাকবে, কিছুদিন এভাবেই থাকত, নইলে অন্য চিন্তা করতে হত।”
কৌশিক বললেন, “টেক্কা মেরে দিলেন ফটোফিনিশে। শহরের মধ্যে রাখবেন সেটাই ভাবিনি, শিট, এটা আমার কিছুতেই মাথায় আসেনি।”
বুবকা বলল, “টেক্কা আপনিই মেরেছেন, এত কম সময়ে এত বড়ো একটা জানোয়ারকে ধরেছেন, শুধু…”
কৌশিক বুবকার কাঁধে হাত রাখলেন, “চলুন ভিতরে যাওয়া যাক, শুভবাবু আনন্দের চোটে আমাদের কালকের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বেশি আদর-টাদর করে দিলে অসুবিধা হয়ে যাবে।”
বুবকা বলল, “আপনিই যান, অলকা আর শুভকে ওদের বাড়িতে পৌঁছে দিতে হবে আজকের মতো, কাল থেকে আবার কোর্টের যুদ্ধ।”
কৌশিক বললেন, “বেশ, আমি আসছি ওদের নিয়ে।”
ধীর পায়ে বৈভবীর বাড়ি ঢুকে গেলেন কৌশিক, বুবকা গাড়ির মিউজিক প্লেয়ারটা অন করল, “যে রাতে মোর দুয়ারগুলি ভাঙল ঝড়ে”…
দেবব্রত বিশ্বাস ধীরে ধীরে গাড়িটার দখল নিয়ে নিলেন।
