হাদীস নং ১০২২
আবুল ওয়ালীদ রহ………হারিসা ইবনে ওয়াহব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিরাপদ অবস্থায় আমাদেরকে নিয়ে মিনায় দু’রাকাআত সালাত আদায় করেন।
হাদীস নং ১০২৩
কুতাইবা রহ……..ইবরাহীম রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবদুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ রহ.-কে বলতে শুনেছি, উসমান ইবনে আফফান রহ. আমাদেরকে নিয়ে মিনায় চার রাকাআত সালাত আদায় করেছেন। তারপর এ সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. -কে বলা হল, তিনি প্রথমে ‘ইন্না লিল্লাহ’ পড়লেন। এরপর বললেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মিনায় দু’রাকাআত পড়েছি, হযরত আবু বকর রা. -এর সংগে মিনায় দু’রাকাআত পড়েছি এবং উমর ইবনে খাত্তাব রা.-এর সংগে মিনায় দু’রাকাআত পড়েছি। কতই না ভাল হত যদি চার রাকআতের পরিবর্তে দু’রাকাআত মাকবুল সালাত হত।
হাদীস নং ১০২৪
মূসা ইবনে ইসমাঈল রহ…….ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ (যিল হজ্জের) ৪র্থ তারিখ সকালে (মক্কায়) আগমন করেন এবং তাঁরা হজ্জের জন্য তালবীয়া পাঠ করতে থাকেন। তারপর তিনি তাদের হজ্জকে উমরায় রূপান্তরিত করার নির্দেশ দিলেন। তবে যাদের সঙ্গে কুরবানীর জানোয়ার ছিল তাঁরা এ নির্দেশের অন্তর্ভূক্ত নন। হাদীস বর্ণনায় আতা রহ. আবুল আলিয়াহ রহ.-এর অনুসরণ করেছেন।
হাদীস নং ১০২৫
ইসহাক ইবনে ইবরাহীম রহ………….ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কোন মহিলাই যেন মাহরাম পুরুষকে সঙ্গে নিয়ে তিন দিনের সফর না করে।
হাদীস নং ১০২৬
মুসাদ্দাদ রহ……….আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কোন মহিলার সাথে কোন মাহরাম পুরুষ না থাকলে, সে যেন তিন দিনের সফর না করে। আহমাদ রহ……ইবনে উমর রা. সূত্রে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনায় উবাইদুল্লাহ রহ.-এর অনুসরণ করেছেন।
হাদীস নং ১০২৭
আদম রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে মহিলা আল্লাহ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে কোন মাহরাম পুরুষকে সাথে না নিয়ে এক দিন ও এক রাত্রির পথ সফর করা জায়েয নয়। ইয়াহইয়া ইবনে আবু কাসীর সুহাইল ও মালিক রহ…….হাদীস বর্ণনায় ইবনে আবু যিব রহ.-এর অনুসরণ করেছেন।
হাদীস নং ১০২৮
আবু নুআইম রহ………আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সংগে মদীনায় যুহরের সালাত চার রাকাআত আদায় করেছি এবং যুল-হুলাইফায় আসরের সালাত দু’রাকাআত আদায় করেছি।
হাদীস নং ১০২৯
আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ রহ………আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রথম অবস্থায় সালাত দু’রাকাআত করে ফরয করা হয় তারপর সফরে সালাত সে ভাবেই স্থায়ী থাকে এবং মুকীম অবস্থায় সালাত পূর্ণ (চার রাকআত) করা হয়েছে। যুহরী রহ. বলেন, আমি উরওয়া রহ.-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (মিনায়) আয়িশা রা. কোন সালাত পূর্ণ আদায় করতেন ? তিনি বললেন, উসমান রা. যে ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন, আয়িশা রা. তা গ্রহণ করেছেন।
হাদীস নং ১০৩০
আবুল ইয়ামান রহ……..আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখেছি, সফরে যখনই তাঁর ব্যস্ততার কারণ ঘটেছে, তখন তিনি মাগরিবের সালাত বিলম্বিত করেছেন, এমন কি মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. সফরের ব্যস্ততার সময় অনুরূপ করতেন। অপর এক সূত্রে সালিম রহ. বলেন, ইবনে উমর রা. মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। সালিম রহ. আরও বলেন, ইবনে উমর রা. তাঁর স্ত্রী সাফিয়্যা বিনতে আবু উবাইদ -এর দুঃসংবাদ পেয়ে মদীনা প্রত্যাবর্তনকালে মাগরিবের সালাত বিলম্বিত করেন। আমি তাকে বললাম, সালাতের সময় হয়ে গেছে। তিনি বললেন, চলতে থাক। আমি আবার বললাম , সালাত ? তিনি বললেন, চলতে থাক। এমন কি (এ ভাবে) দু’ বা তিন মাইল অগ্রসর হলেন। এরপর নেমে সালাত আদায় করলেন। পরে বললেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সফরের ব্যস্ততার সময় এরূপভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আবদুল্লাহ রা. আরো বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, সফরে যখনই তাঁর ব্যস্ততার কারণ ঘটেছে, তখন তিনি মাগরিবের সালাত (দেরি করে) আদায় করেছেন এবং তা তিন রাকাআতই আদায় করেছেন। মাগরিবের সালাম ফিরিয়ে কিছু বিলম্ব করেই ইশার ইকামত দেওয়া হত এবং দু’রাকাআত আদায় করে সালাম ফিরাতেন। কিন্তু ইশার পরে গভীর রাত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতেন না।
হাদীস নং ১০৩১
আলী ইবনে আবদুল্লাহ রহ……….আমির রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখেছি, তাঁর সাওয়ারী যে দিকেই ফিরেছে, তিনি সে দিকেই সালাত আদায় করেছেন।
হাদীস নং ১০৩২
আবু নুআইম রহ………..জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ার থাকাবস্থায় কিবলা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে নফল সালাত আদায় করেছেন।
