গোলকটা যে শুধু ভেসে রয়েছে তা নয়৷ খুব ধীরে-ধীরে একটা বৃত্তাকার কক্ষপথে পাক খাচ্ছে৷ আর সেই গোলকের ওপর লাফালাফি করে খেলা করছে দুটো ছোট-ছোট পুতুল: একটা প্লাস্টিক আর মেটালের তৈরি রংচঙে রোবট—তার সারা শরীরে এখানে-সেখানে রঙিন ফুটকির মতো ছোট-ছোট বাতি জ্বলছে; আর দ্বিতীয় পুতুলটার শরীরে মহাকাশচারীদের স্পেস-স্যুট৷
পুতুল দুটোর লাফের ধরন ভারী অদ্ভুত৷ ওরা ধীরে-ধীরে ভেসে উঠছে শূন্যে, আবার ধীরে-ধীরে নেমে আসছে গোলকের পিঠে৷ ঠিক যেন স্লো-মোশনে বাস্কেট বল খেলায় গোল করছে৷ আর এত লাফালাফি সত্ত্বেও, আশ্চর্য, পুতুল দুটো গোলকের ওপর থেকে পড়ে যাচ্ছে না!
পুতুল দুটোর কাছ থেকে বেশ খানিকটা তফাতে ‘মিনি’ চাঁদের পিঠে ওপরদিকে মুখ উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটা খুদে স্পেসশিপ—দেখে অন্তত তাই মনে হল শ্রেয়সীর৷ কেমন একটা ঘোরের মধ্যে অস্ফুটে ‘বুয়ান!’ বলে একবার ডেকে উঠলেন৷ একইসঙ্গে মাথাটা টলে উঠল৷
তারপর আর কিছু মনে নেই৷
