১২. “Combien de fois n’avons-nous pas yu, dans certains ateliers, embaucher beaucoup plus d’ouvriers que ne le demandait le travail a mettre en main? Souvent dans la prevision d’un travail aleatoire quelquefois meme imaginaire, on admet des ouvriers : comme on les paie aux pieces, on se dit qu’on ne court aucun risque, parce que toutes les partes de temps seront a la charge des inoccupes”. (H. Gregoir : “Les Typographes devant le Tribunal correctionnel de Bruxelles,” Bruxelles, 1855, p. 9.)
১৩. ‘রিমার্কস অন দি কমার্সিয়াল পলিসি অব গ্রেট ব্রিটেন, লণ্ডন, ১৮১৫।
১৪. এ ডিফেন্স অব দি ল্যাওনার্স অ্যান্ড ফার্মার্স অব গ্রেট ব্রিটেন, ১৮১৪,. পৃঃ ৪, ৫।
১৫. ম্যালথাস, ‘ইনকুইরি ইনটু দি নেচর অ্যাণ্ড প্রগ্রেস অব রেন্ট,লন, ১৮১৫।
১৬. “যারা ‘পিস’-ভিত্তিক মজুরিতে কাজ করে তারা সম্ভবতঃ কারখানামিক সংখ্যার পাচ ভাগের চার ভাগ।” (“রিপোর্ট…”ফ্যাক্টরিজ, ৩০ এপ্রিল, ১৮৫৮)।
১৭. ‘সুতো কাটার মেশিনের উৎপাদন ক্ষমতা সঠিকভাবে মাপা হয়, এবং তার উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি পাবার সঙ্গে, যদিও সম-হারে নয়, কাজের মজুরি হ্রাস পায়। (উরে, ঐ পৃঃ ৩১৭)। এই সর্বশেষ কৈফিয়ৎ-মূলক কথাটি উরে নিজেই আবার খারিজ করে দেন। ‘মিউল’-এর দীর্ঘত-সাধনের দরুন শ্রম কিছুটা বৃদ্ধি পায় বলে তিনি স্বীকার করেন। অধিকন্তু এই বৃদ্ধির ফলে মেশিনের উৎপাদন-ক্ষমতা এক পঞ্চমাংশ বৃদ্ধি বর্ধিত হবে। যখন এই ঘটনা ঘটে তখন সুতা-কাটুনি আগেকার হারে আর মজুরি পাবে না, কিন্তু সেই হারটি এক-পঞ্চমাংশ হ্রাস পাবে না, উন্নতিটি যে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যক ঘণ্টার জন্য তার আর্থিক উপার্জন বাড়িয়ে দেবে, কিন্তু এই পূর্ববর্তী বিবৃতিটির একটা সংশোধন দরকার। কাটুনিকে তার অতিরিক্ত কপর্দক থেকে কিশোর-কল্যাণের জন্য অতিরিক্ত কিছু দিতে হবে, যার সঙ্গে ঘটবে বয়স্কদের একটা অংশের স্থানচ্যুতি’ (ঐ পৃঃ ৩২১), মজুরি বাড়াবার কোনো রকমের ঝোকই যার নেই।
১৯. এইচ ফসেট, “দি ইকনমিক পোজিশন অব দি ব্রিটিশ লেবারার, কেজি অ্যাণ্ড লণ্ডন, ১৮৬৫, পৃঃ : ৭৮।
২০. ১৮৬১ সালের ২৬শে অক্টোবর তারিখে লণ্ডনের স্ট্যাণ্ডাড পত্রিকায় রকডেল ম্যাজিস্ট্রেটদের সমক্ষে ‘জন ব্রাইট অ্যান্ড কোম্পানী’-র একটি আবেদনের রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছে। ( আবেদনটি হল) “ভীতি প্রদর্শনের অপরাধে কার্পেট উইভার্স ট্রেড ইউনিয়নের এজেন্টদের অভিযুক্ত করবার জন্য। ব্রাইট কোম্পানীর অংশীদারেরা নোতুন মেশিনারি প্রবর্তন করেছে, যা আগে ১৬০ গজ কার্পেট তৈরি করতে যে সময় ও শ্রম লাগত, সেই একই সময় ও শ্রমের দ্বারা ২৪ . গজ কার্পেট উৎপাদন করবে। যান্ত্রিক উন্নতি-সাধনে মালিকের মূলধন-বিনিয়োগ-জনিত মুনাফায় শ্রমিকদের কোনো দাবি নেই। সুতরাং ব্রাইট কোম্পানি গজপ্রতি মজুরির হার ১৫ পেন্স থেকে কমিয়ে ১ পেন্স করবার প্রস্তাব করে—একই শ্রমের জন্য আগে শ্রমিকদের যা উপার্জন হত, ঠিক সেইখানেই তা বজায় রেখে। কিন্তু একটা নামমাত্র হ্রাস ঘটেছে, যে সম্পর্কে শ্রমিকরা বলছে তাদের আগে যথাচিত ভাবে সতর্ক করা হয়নি।” ২১, “মজুরি রক্ষা করার জন্য ট্রেড ইউনিয়নগুলি উন্নত মেশিনারিজনিত সুবিধার অংশ পেতে চেষ্টা করে (কী ভয়ানক কথা !): শ্রমের সংক্ষেপ সাধন করা হয়েছে বলে উচ্চতর মজুরির দাবি, অন্য ভাবে বললে দাড়ায়, যান্ত্রিক উন্নয়নের উপরে কর আরোপণ।” (“অন কম্বিনেশন অব ট্রেডস” নতুন সংস্করণ, লণ্ডন, ১৮৩৪, পৃঃ ৪২)।
২২. দেশে দেশে মজুরির পার্থক্য
দ্বাবিংশ অধ্যায় ॥ দেশে দেশে মজুরির পার্থক্য
সপ্তদশ অধ্যায়ে আমরা বহুবিধ সংযোজন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, এমন সব সংযোজন। নিয়ে যা শ্রমশক্তির আয়তনে পরিবর্তন ঘটাতে পারে; এই আয়তনকে আমরা বিবেচনা করেছিলাম, হয়, অনাপেক্ষিক ভাবে আর, নয়ত, আপেক্ষিক ভাবে অর্থাৎ উদ্বৃত্ত-মূল্যের সঙ্গে তুলনার মাধ্যমে; অথচ, অন্যদিকে, জীবনধারণের উপকরণসমূহের পরিমাণ, যার মধ্যে শ্রমের দাম রূপায়িত হয়, তা আবার এই দামের পরিবর্তন থেকে স্বতন্ত্রভাবে ও ভিন্নতরভাবে ওঠা-নামা করতে পারে।[১] যে কথা আগেই বলা হয়েছে, মজুরির মামুলি রূপটিতে শ্রমশক্তির মূল্যের, কিংবা, যথাক্রমে দামের, এই সরল রূপায়ণ এই সমস্ত নিয়মকে রূপান্তরিত করে মজুরির হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়মাবলীতে। একটি মাত্র দেশের অভ্যন্তরে যা মজুরির এই হ্রাস-বৃদ্ধিতে আত্মপ্রকাশ করে পরিবর্তনশীল সংযোজনসমূহের একটি ক্রম হিসাবে, তা বিভিন্ন দেশে আত্মপ্রকাশ করতে পারে জাতীয় মজুরিতে সমকালীন পার্থক্য হিসাবে। বিভিন্ন দেশে মজুরির তুলনা করতে গিয়ে, আমাদের তাই অবশ্যই হিসাবে ধরতে হবে এমন সমস্ত উপাদানকে, যা শ্রম শক্তির মূল্যের পরিমানে পরিবর্তনগুলিকে নির্ধারণ করে। স্বাভাবিক ও ঐতিহাসিক ভাবে বিকশিত জীবনধারণের প্রাথমিক প্রয়োজনসমূহের দাম ও মাত্রা, শ্রমিকদের প্রশিক্ষিত করার খরচ, নারী ও শিশুদের শ্রমের দ্বারা সম্পাদিত ভূমিকা, শ্রমের উৎপাদনশীলতা, তার ব্যক্তিগত ও তীব্রতাগত মাত্রা। এমনকি, একান্ত ভাসা-ভাসা তুলনা করার জন্যও চাই বিভিন্ন দেশে একই রকমের বৃত্তির জন্য গড় দৈনিক মজুরিতে একটি অভিন্ন কর্ম-দিবসে পর্যবসিত করা। দৈনিক মজুরিতে একই শর্তাবলীতে পর্যবসিত করার পরে, সময়-ভিত্তিক মজুরিকে আবার রূপায়িত করতে সংখ্যা-ভিত্তিক মজুরিতে, কেননা একমাত্র সংখ্যা-ভিত্তিক মজুরিই শ্রমের উৎপাদনশীলতা ও তীব্রতা এই উভয়েরই একটা পরিমাপ হিসাবে কাজ করতে পারে।
