“The eminent French Jurist Renee Bridet, said of prostituted children that “Even if they are alive, they are dying within. It is a sad commentary on the social values of modern society that we can permit more than one million children in prostitution on Asia alone to remain in a form of slavery which is akin to a living death, said Ron O’Grady of End Child Prostitution in Asian Tourism (ECPAT).”
সে তাকায়। লোকটি হাসে এমন যেন কোথাও কোনও সমস্যা নেই। জানতে চায় কী হয়েছে, নির্ভয়ে তাকে সব বলতে বলে। এবং সেও ভয়তরাসে বলে দেয় সব বলে দেয় সে একা। বলে দেয় কালকের আগে আর গাড়ি নেই ফিরে যাবার।
লোকটি তাকে অভয় দেয়। তাকে নিয়ে মামির বাড়ি যেতে থাকে। ভাল মামি, সুন্দর মামি, তার কাছে রেখে দেবে তাকে এক রাত। সে বিশ্বাস করে। পরম সারল্যে বিশ্বাস করে। এবং অনেকটা নিশ্চিন্ত হয়ে যায়। একটিই তো রাত। সে লোকটির সঙ্গে এ রাস্তাও রাস্তা করে, দু’পাশের ঝলক দেখতে দেখতে একসময় সেখানে পৌঁছে যায়।
মামি সমাদরে গ্রহণ করে তাকে। আর অন্য মেয়েদের হাতে তাকে তুলে দেয়। গোলগাল মধ্যবয়সি মামি, গালেমেচেতার দাগ, তাকে মামি বলেই বিশ্বাস করে সে। আরও বেশি বিশ্বাস জাগে যখন তাকে স্নান করিয়ে, খাইয়ে, রাতে শোবার ব্যবস্থা করে দেবার আদেশ দেয়।
ঘরে নিয়ে গিয়ে মেয়েরা তার পোশাক খুলে তাকে নগ্ন করে দেয়, সে লজ্জায় সংকুচিত হয়ে গেলে বলে, সকলেই তো মেয়ে, তার লজ্জার কিছু নেই, সে স্নান করে নিলেই আবার তাকে পোশাক-আশাক ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সে তখন ভয় পেতে থাকে একটু কিন্তু স্নান করে নেয়। আর স্নান হয়ে গেলে, জামা-কাপড় ফেরত চাইলে, সেই মেয়েরা তাকে টেনে-হিচড়ে নগ্ন অবস্থায় নিয়ে যেতে থাকে।
চিৎকার করেছিল সে তখন। তাকে ছেড়ে দেবার, জামাকাপড় ফিরিয়ে দেবার আকুতিও জানিয়েছিল। কেউ শোনেনি। কেউ তাকে দয়া করেনি। সে তখন একজনের বাহুতে কামড় বসিয়ে দেয় আর খায় একটি সপাট চড়।
সে তখন কাঁদতে থাকে। আকুল হয়ে কাঁদতে থাকে। মার কথা তার মনে পড়ে। বাবার কথা। দাদাদের কথা। কী আর শাস্তি দিত বড়দাদা! না হয় বকত একটু। মারত। কিন্তু এই সব তো হত না।
তখন সে নগ্নভাবে নীত হয় সেই মামির কাছে। মামি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে তার শরীর দেখে। সারা শরীর দেখে। স্তন অপুষ্ট বলে মন্তব্য করে। কিন্তু সে যে ভবিষ্যতে হয়ে উঠবে খুবই আকর্ষণীয় একটি ‘মাল’–তাও সে শুনতে পায়।
খুঁজেছিল সে তখন। সেই লোকটিকে খুঁজেছিল। হিংস্র দাঁত বার করেছিল মামি। বলেছিল, তাকে বিক্রি করে দিয়ে সেই লোকটি ঘরে ফিরে গেছে।
“এইচ আই ভি এডস বহু লোকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে অনাথ শিশুর সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সারা পৃথিবী জুড়ে প্রায় পনেরো লক্ষ শিশু, এক থ্রেকে পনেরো যাদের বয়সসীমা, এডস রোগের প্রকোপে হারিয়েছে হয় মাকে, নয় বাবাকে, নয়তো দু’জনকেই। যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য অসুখের কবলে সারা পৃথিবীতে মাত্র দুই শতাংশ শিশু অনাথ হয়। আর শুধু এডসের জন্য দেশেদেশান্তরে অনাথ শিশুর সংখ্যা শতকরা নয় থেকে পঁয়ত্রিশ। এদের মধ্যে অনেকেই এইচ আই ভি সংক্রামিত।”
সকালে ঘুম থেকে উঠেই সে টের পায়, সে কড়া প্রহরায় আছে। রাত্রে সে বাড়ির কথা ভাবতে ভাবতে কেঁদে-কেঁদে ঘুমিয়ে পড়েছিল। সকালে উঠেই আবার তার বাড়ির জন্য কান্না পায়। সে কাঁদতে থাকে আর দুটি মেয়ে সারাক্ষণ তাকে বোঝায়। ব্যাখ্যা করে। বোঝায় যে এখানে যা করতে হবে সেসব না করে তার উপায় নেই। মেয়েমানুষ একবার ঘরের বাইরে পা রাখলে আর এ পাড়ায় রাত্রিবাস করলে ঘর আর তাকে ফেরত নেয় না।
সে শোনে। শুনে যায় কেবল। কিছু বোঝে। কিছু বোঝে না। কাঁদে। কেঁদে চলে ক্রমাগত এই দুনিয়ার কাছে অর্থহীন, মূলাহীন কান্না।
পরদিন থেকে সর্বাংশে প্রস্তুতি শুরু হয়। যেহেতু ওই তেরো বছর। বয়সে তার দেহ সম্পূর্ণ মুকুলিত হয়নি, স্তন ছিল অপরিপূর্ণ, যোনিমুখ শক্ত ও ক্ষুদ্র সেহেতু তাকে নগ্ন শুইয়ে দেওয়া হয় বিছানায়। হাত-পা বেঁধে ফেলা হয় শক্ত করে। মুখে গুঁজে দেওয়া হয় কাপড়। নড়তে পারেনি সে, চিৎকার করে যন্ত্রণা প্রকাশ করতে পারেনি যখন প্রায় টানা পাঁচ-ছ’ ঘন্টা তাকে এভাবে শুইয়ে রাখা হয়েছিল এবং ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল বড় লম্বা মোমবাতি।
পাগল হয়ে যায়নি সে, মরে যায়নি যন্ত্রণায়। এমনকী অজ্ঞানও হয়ে যায়নি। সে যখন নগ্ন হয়ে শুয়ে ছিল আর মুখে কাপড়, তখন এক বৃদ্ধা ভাবলেশহীন মুখ নিয়ে তার পাশে বসে। না। তার মাথায় কপালে হাত বুলিয়ে দেয় না স্নেহভরে। বরং এক কটুগন্ধী তেল হাতে মেখে সে তার স্তন মুঠোয় ধরে টানে। বার বার টানে। টেনে যায় এবং দুলতে থাকে, ঠোঁট বেয়ে লালা গড়িয়ে পড়ে। থামে না, যতক্ষণ না সে নিজেই ক্লান্ত হয়ে যায়।
এবং এ রকমই চলতে থাকে দিনের পর দিন। পাঁচ দিন স্থায়ুতো। অথবা সাত দিন। এখন আর মনে নেই তেমন। শুধু মনে আছে, সে প্রাণপণে পালাতে চাইছিল। ওই নরক থেকে পালাতে চাইছিল। এক দুপুরে সে সুযোগ পেয়ে যায়।
“The very basis of the child sex industry–designating of a child as a commodity for sale and purchase–demeans and dehumanises the child. It also serves the sexual drive of sexully immature men who seek emotional release by exploiting a completely powerless slave child.
