• আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
শুক্রবার, জুন 5, 2026
  • Login
BnBoi.Com
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
BnBoi.Com
No Result
View All Result

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল – কল্লোল লাহিড়ী

Indubala Vater Hotel by kallol lahiri

বউয়ের কথা মতো সুদীপ ফোন করে মায়ের সাথে কথা বলিয়েছিল খুকির। ভেবেছিল খুকি ঠিক রাজি করিয়ে নিতে পারবে মাকে। উলটে মা-ই কাঁদিয়ে ছাড়লো খুকিকে। কেমন যেন মেনে নিতে পারে না সুদীপ। দুই ভাইয়ের বোন অন্ত প্রাণ যে! “সব কিছুর একটা লিমিট আছে মা। খুকিকে এইভাবে না বললেও পারতে।” ভারী ফ্রেমের চশমায় ছোটো খোকাকে কেমন যেন মাস্টার রতনলাল মল্লিকের অল্প বয়সের মতো লাগে ইন্দুবালার। হাব ভাব, ঘাড় ঘুরিয়ে কথা বলা। ঠাকুরের কৃপায় শুধু স্বভাবটা বাবার মতো না। চলে যাচ্ছিল রেগে মেগে সুদীপ। ইন্দুবালা খেয়ে যেতে বললেন। থেকে যেতেই হলো সুদীপকে। মুখের ভাতকে অগ্রাহ্য করার মতো সাহস তার নেই। মাকে অসম্মান করা তো নয়ই। তাছাড়া অনেক দিন সে মায়ের হাতে মাছের টক খায়নি। ছোটো ছেলে এসেছে। বলে ইন্দুবালা সেদিন জম্পেশ করে বেঁধেছিলেন মুড়ি ঘন্ট। সুদীপ বড় ভালোবাসে যে। গরম মশলার হালকা গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল সারা ঘরটা জুড়ে। আসন পেতে বাবু হয়ে বসে খেতে ভালো লাগে সুদীপের। যদিও বাত ধরতে শুরু করেছে তারও। রান্না ঘরের মেঝেতে থালার পাশে যখন বাটিগুলো সাজিয়ে দিলেন ইন্দুবালা, চোখে জল এল ছোটো খোকার। খেতে খেতে বিষম খেলে বার দুয়েক ষাট ষাট বললো তার মা। মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। বারবার মনে মনে সুদীপ ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করলো তার মা যেন এইভাবেই রয়ে যায় চিরটা কাল। ভর দুপুরে এক পেট খেয়ে, ইন্দুবালার দোতলার ঘরে খাটের ওপর টানটান হয়ে ঘুমিয়ে সন্ধ্যের সময় যখন বাড়ি যাবে বলে নীচে নামলো সুদীপ, তখন সত্যি তার আর কোথাও যেতে ইচ্ছে করছিল না। ওই সন্ধ্যেতেই ইন্দুবালার উনুনে নতুন আঁচের কয়লা পড়েছিল। তার সত্তর পেরেনো মা কতকগুলো নাতির বয়সী ছেলে মেয়ের আবদার মেটাচ্ছিল। আর সুদীপের সেই মুহূর্তে খুব হিংসে হচ্ছিল ছেলে মেয়েগুলোকে। সেও যদি তার মায়ের চারপাশে এইভাবে ঘুরে বেড়াতে পারতো। তার স্ত্রী নন্দিতা ঠিকই বলে “তোমাদের থেকেও মা ভালোবাসেন ওই হোটেলটাকে। ওর থেকে মাকে আলাদা করার কথা স্বপ্নেও ভেবো না। তাহলে আর বেশি দিন রাখতে পারবে না মাকে।” ইন্দুবালা ছোটো খোকার হাতে ধরিয়ে দেন খাবারগুলো। ছোটো বউমা, নাতি নাতনিরা খাবে। রাতে ফোন করে বোনকে সুদীপ বোঝাতে পেরেছিল “মা যেমন আছে থাকতে দে। পারলে তোরা বিদেশ যাওয়ার আগে একবার দেখা করে যাস। সেটাই ভালো হবে”।

অনেক রাতে শুতে এসে ইন্দুবালা ভেবেছিলেন ছোটো খোকাকে বললে সে কি থেকে যেতো আজকে? কতদিন তো দুই ছেলে, মেয়েকে পাশে নিয়ে ঘুমোননি তিনি। তালপাতার পাখা নেড়ে নেড়ে বাতাস করেননি। বড় খোকাকে তো ডেকে নেওয়া যেত ফোন করেই। দুই ছেলেকে পাশে নিয়ে ইন্দুবালা শুয়ে আছেন। নিজের ভাবনাতেই কেমন যেন খটকা লাগে তার। যা তিনি সন্তানদের ছোট্ট বেলাতেই করেননি আজ কেন সেগুলো করতে চাইছেন? তাহলে এই কি তাঁর সত্যিকারের শেষের সময়? ছ্যাঁৎ করে ওঠে গা টা। তিনি না থাকলে এই বাড়িটার কী হবে? কী এক বিষণ্ণতা যেন ঘিরে ধরে ইন্দুবালাকে। এমন পাথর কেন হয়ে গেলেন তিনি? এই বাড়িটায় থাকতে থাকতেই এমনটা হলো কি? আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে গেলেন এই বাড়িটার সাথেই? কোথাও কোনোদিন তাঁর যাওয়া হল না। সেটা কি নিজের ইচ্ছেতেই? নাকি সত্যি তাঁর যাওয়ার জায়গা ছিল না। চিলেকোঠার ছাদ থেকে বাড়ির পেছনের বাগান। হোটেলের রান্নাঘর। খাবার ঘর। রাস্তার ওপারে কাশী মুদির দোকান। বড়জোর রেল লাইনের ধারে সকালের বাজার। এইটুকু ভৌগোলিক আলোছায়ার মধ্যে ইন্দুবালা নিজেকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছিলেন। কেন রেখেছিলেন? তাহলে বাইরে যেতে ভয় করতো কি তাঁর? ধুর কী সব ভাবছেন। ফুরসত পেতেন না অন্য কোথাও যাওয়ার। প্রাপ্তবয়েস না হওয়া পর্যন্ত ছেলে-মেয়েদেরও কোথাও যেতে দেননি তিনি। আগলে রেখে ছিলেন কঠিন কঠোর শাসনে। কারণ তিনি জানতেন এই মল্লিক বাড়ির রক্ত খারাপ। একটু আলগা দিয়েছো কি সবাই মাস্টার রতনলাল মল্লিক তৈরী হবে। ইন্দুবালা তাই তাঁদের কবেকার খুলনার বাড়িতে বসা দাদুর টোলটাকে ওপরের ঘরে গড়ে তুলেছিলেন নিজের মতো করে। ছোটো ছোটো বাচ্চাগুলোকে নিয়ে এক পুব বাংলার বিধবা যখন হোটেল চালাচ্ছে তখন তাঁর বাড়ি থেকে ভেসে আসছে কচি গলায় পড়ার আওয়াজ। “ছোট্ট মেয়ে রোদ্দুরে দেয় বেগুনী রঙের শাড়ি…চেয়ে চেয়ে চুপ করে রই…তেপান্তরের পার বুঝি ওই…”। বড় খোকা হেরিকেনের আলোয় পড়ছে সহজ পাঠ। ছোটো খোকা স্লেটে লিখছে অ আ ক খ। আর পুঁচকে মেয়েটা কাঁথায় শুয়ে ঘুমোচ্ছে অকাতরে। জাগলেই দাদারা কেউ না কেউ তাকে দুধ খাইয়ে দেবে। আর ইন্দুবালা তখন দুটো গনগনে উনুনের সামনে। কোনোটাতে ফুটছে সোনা মুগের ডাল। কোনোটাতে বা ভাত। এটা ছিল খুব চেনা একটা ছবি। ইন্দুবালার ভাতের হোটেলের অনেক দিনের খদ্দের যাঁরা তাঁদের কারও কারও মনে থাকার কথা। গরিবের একমাত্র হাতিয়ার লেখাপড়া। সেটা যদি তাঁর সন্তানরা করে উঠতে পারে তাহলে এই যে দিন রাতের পরিশ্রম করছেন ইন্দুবালা তা সার্থক হয়।

বোনকে বেশ খানিকটা বড় করে তুলেছিল দাদারাই। তাই মেয়ে মায়ের থেকেও দাদাদের ন্যাওটা বেশি। সেই ছোটো থেকেই। দাদারাও খুকি বলতে প্রাণ। তিনজনের বড় হয়ে ওঠাটা একে অন্যকে অবলম্বন করে। তার মাঝে খাড়া হয়ে বট গাছের মতো আছে যেন মা। ঝুরির সাথে বট গাছের যেমন সম্পর্ক ঠিক তেমনি ছিল ইন্দুবালার সাথে ছেলে মেয়েদের সম্পর্ক। মা আছে জানলে ওরা নিশ্চিন্ত হতো। আর ইন্দুবালা নিশ্চিন্ত হতেন ওদের সারাক্ষণ চোখের সামনে দেখে। খুব যে হুজ্জতি ওরা করতে তেমনটা নয়। সেই সময়ও ওরা পেত না। ছোটো থেকেই ওরা জেনে এসেছে ওদের মা বাবা একজনই। আর তিনি হলেন ইন্দুবালা। যার আবার একটা হোটেল আছে। সেই হোটেল না চললে ওদের ভাতও জুটবে না। কেমন করে যেন ফুস মন্তরের মতো কানে ঢুকিয়ে দিতে পেরেছিলেন ইন্দুবালা। তাই ছোটো থেকেই ওদের চাহিদা ছিল খুব কম। মাঝে মাঝে নিজেই অবাক হয়ে যেতেন। ওরা যখন একটু একটু করে বড় হচ্ছিল ওদের দেখে নিজের ছোটোবেলার কথা মনে পড়তো তাঁর। নিজেও তো ভাইকে একদিকে দিদি আর একদিকে মায়ের মতো বড় করে তুলছিলেন। তবুও যেটুকু স্নেহ পরশ শীতের হিমের মতো তাঁদের গায়ে লেগে থাকতো এই বাচ্চাগুলোর কপালে তাও জোটেনি। সেই স্নেহ কোমলতা ইন্দুবালা নিজের শরীরের অন্তঃপুরে লুকিয়ে রেখেছিলেন। কখনও কোনো দুর্বলতার মুহূর্তেও তিনি প্রকাশ করেননি। ইন্দুবালাকে কোনোদিন কাঁদতে দেখেনি তাঁর তিন ছেলে মেয়ের কেউই। শুধু তারা দেখেছে মায়ের অমানুষিক পরিশ্রম। নিয়মের একটু এদিক ওদিক হতে দেননি তিনি। ছোটো, বড় নানা অনুশাসনে মানুষ হয়েছে প্রদীপ, সুদীপ আর ইতু। পান থেকে চুন খসার জো ছিল না। মিথ্যে কথা বলা ছিল আরও অপরাধের। কোনো দিন অবশ্য তা বলতে হয়নি তাদের। চোখের দিকে তাকাতেই মা কেমন যেন বুঝে যেত মনের কথা সব। নিয়মিত ছেলেদের স্কুলে গিয়ে খোঁজ খবর নিতেন ইন্দুবালা। ঠিক মতো পড়ছে কিনা। বড় ছেলেও সামলাতে অনেকটা। কিন্তু সেও তো তখন অনেক ছোটো। শুধু স্কুলের ভরসাতেই বাচ্চাদের লেখাপড়া ছেড়ে দেননি ইন্দুবালা। বাড়িতে এক সময়ে তাঁকে পড়াতেন বাবা। তারও আগে দাদু। কিন্তু এখানে তাঁর বাচ্চাদের কে পড়াবে? ইন্দুবালার হাতে সময় নেই একটুও। তা সত্ত্বেও বর্ণপরিচয় নিজেই পড়িয়েছিলেন ছেলেদের। আর ছেলেরা পড়িয়েছিল বোনকে। স্কুলে ভর্তি করার অনেক আগেই বাড়িতে রেখেছিলেন পড়ানোর জন্য মাস্টার। খোঁজ নিয়েছিলেন ছেনু মিত্তির লেনে পুব দিকে যে স্কুলটা আছে সেটা নাকি কর্পোরেশানের স্কুল। ওখানে পড়তে টাকা পয়সা তো লাগেই না তার ওপরে আবার কোন এক সংস্থা থেকে দুপুর বেলা বাচ্চাদের ভাত খেতে দেয়। ওই স্কুলের এক অঙ্কের স্যার মাঝে মাঝেই ইন্দুবালার হোটেলে খেতে আসতেন। ইন্দুবালা তাঁর কাছ থেকে সব নিয়ম নীতি শুনে স্কুলে চলে গিয়েছিলেন নিজেই। দুই ছেলেকে সেই স্কুলে ভর্তি করেছিলেন। প্রথম দিকে ধনা গিয়ে দিয়ে আসতো তাদের। কয়েকদিনের পরে নিজেরাই যেতে শিখলো।

Page 34 of 46
Prev1...333435...46Next
Previous Post

সরস গল্প – বিমল কর

Next Post

ছেড়ে আসা গ্রাম – দক্ষিণারঞ্জন বসু

Next Post

ছেড়ে আসা গ্রাম - দক্ষিণারঞ্জন বসু

মিনি বাস - নরেন্দ্রনাথ মিত্র

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৫: ভূমিকম্প – শামসুদ্দীন নওয়াব
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৮: বিভীষিকার প্রহর – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: বড়দিনের ছুটি – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আলাস্কা অভিযান – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আমিই কিশোর – রকিব হাসান

বিভাগসমূহ

  • আত্মজীবনী
  • ইতিহাস
  • উপন্যাস
  • কবিতা
  • কাব্যগ্রন্থ
  • গল্পের বই
  • গোয়েন্দা কাহিনী
  • ছোট গল্প
  • জীবনী
  • দর্শন
  • ধর্মীয় বই
  • নাটকের বই
  • প্রবন্ধ
  • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
  • বৈজ্ঞানিক বই
  • ভূতের গল্প
  • রহস্যময় গল্পের বই
  • রোমাঞ্চকর গল্প
  • রোম্যান্টিক গল্পের বই
  • শিক্ষামূলক বই
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In