• আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
সোমবার, জুন 8, 2026
  • Login
BnBoi.Com
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
BnBoi.Com
No Result
View All Result

সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

Sototo Tomar Kotha Vabi a Birole by Amar Mitra

বাইশের ছায়া প্রলম্বিত। শেষ ছায়াটুকু মিলিয়ে যায়নি। রাগিনীর গুঞ্জনটুকুও না।

আমাদের বড়দিন

ডিসেম্বর মাস খ্রীষ্টের জন্মমাস। তাইই খ্রীষ্টমাস। কিন্তু সে তো আমাদের কাছে। আসলে মাস শব্দটি তো আমাদের। খ্রীষ্টমাস আদি ইংরিজিতে cristes maesse, masesse শব্দটি লাটিন missa শব্দ থেকে উৎসারিত। missaর অর্থ পবিত্র উৎসব। এই উৎসব এখন সমস্ত পৃথিবীর। বড়দিন আমাদের পৌষের ৮-৯ তারিখ পড়ে। ২৫শে ডিসেম্বর যিশুখ্রীষ্ট জন্ম গ্রহন করেছিলেন বেথেলহেমের এক ঘোড়ার আস্তাবলে। কিন্তু সঠিক তারিখ কী করে জানা গেল? খ্রীষ্টিয় বিশ্বাস অনুসারে যিশুর জন্মোৎসবই বড়দিন। আদি খ্রীষ্টিয় পুরাণে আছে এইদিনের ঠিক ন’মাস আগে ঈশ্বর পুত্র মাতা মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন। মেরি-মরিয়ম ঈশ্বরের ইচ্ছায় গর্ভধারণ করে ছিলেন। বাইবেলের মথি লিখিত সুসমাচারে জানা যায় পবিত্র আত্মা থেকে মরিয়ম গর্ভবতী হয়েছিলেন। মানুষের স্নিগ্ধ কল্পনা যাই হোক, যিশুর জন্মদিন খুব বড় এক দিন তো নিশ্চয়। সূযের অয়নান্তের সময় এইটি। দক্ষিণায়ন থেকে উত্তরায়ণ শুরু হয় ২৩শে। আর এই অয়নান্ত উপলক্ষ্য করেই বড়দিন উৎসবের সূচনা। শীতের দেশে সূর্যের অয়নান্তের এই উৎসব নিশ্চিত ভাবেই আনন্দময়। আরো আলো আরো রৌদ্র এস। দিনের আলো দীর্ঘ হোক। বড়দিন তাই শেষ অবধি আলো আর রৌদ্রেরই উৎসব। হ্যাঁ, প্রাচীন গ্রীক ভাষায় X বর্ণটি (সি) Christ শব্দের প্রথম অক্ষর। ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে তাই খ্রীষ্ট শব্দের পরিবর্তে X mas, এক্সমাস ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশে বড়দিন এখন আর শুধুমাত্র খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বীদের উৎসব নয়। বড়দিন সকলের উৎসব। ইংরিজি নববর্ষ আসছে, তার আগে আগে ঈশ্বরপুত্রের জন্মোৎসব। আমরা ছেলেবেলায় বড়দিনের উৎসব কিছুই বুঝতাম না। আমাদের সেই গ্রাম দণ্ডীরহাট, ওই গ্রামে কোনো খ্রিস্টান ছিলেন না। বড়দিন ছিল না। ইস্কুল তখন পরীক্ষার পর ছুটিই থাকত। এই উত্তর কলকাতায় কীই বা ছিল বড়দিন। শুধু দোকানে দোকানে কেক। শীতের সকালে কেক খাওয়া হতো। এরপর আমার পুত্র-কন্যার জন্য সান্তাক্লজ হয়ে তাদের বালিশের নিচে রেখেছি উপহার। সকালে ঘুম থেকে উঠে তারা বিস্মিত হয়ে যেত। সান্তাক্লজ এক রূপকথার সকাল উপহার দিত তাদের। পুত্রের জন্য তাকে নিয়ে শ্যামবাজার থেকে ক্রিসমাস বৃক্ষ আর টুনি বাল্ব কিনে এনে বাড়িতে সাজিয়েছি। এর সঙ্গে কোনো ধর্ম জড়িয়ে নেই। বড়দিন এক আশ্চর্য রূপকথা। গভীর শীতের ভিতরে বেথেলহেমের আস্তাবলে যিশুর জন্ম আর আকাশে এক নতুন তারা দেখে ঈশ্বরপুত্রের সন্ধানে আসা সাধুদের কাহিনি ছেলেবেলায় কী অপরূপই না লাগত। এখনো সেই কাহিনির বিস্ময় ফুরোয়নি। বাঙালি খ্রিস্টান পাড়ায় বড়দিন হয়। প্রয়াত লেখক বিমল কর আমাদের বলেছিলেন, বড়দিনের রাতে যিশুর নাম-কীর্তন শোনার অভিজ্ঞতা। রীতিমত খোল-কত্তাল বাজিয়ে সেই নামগান সমস্ত রাত ধরে হতো। তাঁর গল্পের ভিতরে খ্রিষ্টীয় পুরানের ছায়া আছে অনেক। যিশুর জন্মের ভিতরে যিশুর জীবনের ভিতরে এক শান্ত পুরোহিত ও রাজার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন। এই কাহিনি বালকমনে গভীর অভিঘাত সৃষ্টি করেছিল। বেথেলহেমে জন্ম নেওয়া শিশুই যে বড় হয়ে বেথেলহেমের রাজা হেরদের রাজত্বের অবসান ঘটাবে, এই কথা জ্যোতিষীদের কাছে শুনেছিলেন হেরদ। সেই কারণে পাঁচ বছর পযর্ন্ত শিশু বালকদের তিনি হত্যা করেছিলেন। সন্তান নিয়ে মেরি ও যোশেফ তখন মিশরের পথে। তারপর তাঁরা যান ইস্রায়েলের গালিলি প্রদেশের নাজারথে। সেখানেই ঈশ্বরপুত্র বড় হয়ে ওঠেন। নাজারথ থেকেই তাঁর ক্ষমার ধর্ম প্রচারে বের হন। যিশুর জীবন কাহিনি, তাঁর ক্রুশবিদ্ধ রূপ আমাকে তার জন্মোৎসবে মনে মনে সামিল করেছে। বড়দিন উৎসব আমাদের এই শহরে সেই সায়েব আমল থেকেই আলোর উৎসবের মতো করেই পালন করা হয়। মধ্য কলকাতার গির্জাগুলিতে উপাসনা শুরু হয় পঁচিশের শুরু, রাত বারোটা থেকে। পার্ক স্ট্রিট অঞ্চল উৎসবে মাতে। সেই উৎসব আনন্দের। ধর্মীয় নয় কিছুতেই। আমাদের শহরতলীতে, গ্রামাঞ্চলে বহু খ্রিস্টান পল্লী আছে। বাঙালি খ্রিস্টান তার নিজের মতো করে এই উৎসব পালন করে। আলো আর ফুল-পাতা, রঙিন শিকলি দিয়ে সাজায় ঘর-বাড়ি। কলকাতার কাছেই কেষ্টপুরের ক্যাথলিক গির্জা বহু প্রাচীন। সেখানে মেলা বসে বড়দিনের। আমি সেই মেলায় গিয়েছি। চমৎকার এক গল্প আছে কবিতা সিংহর। কলকাতার বাঙালি খ্রিস্টান পরিবারের। “টুলির বড়দিন”। টুলির বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়ে গেছে। টুলির বাবা আবার বিয়ে করেছেন। টুলি থাকে মায়ের সঙ্গে। এই গল্প বড়দিনের আগের দিনের গল্প, ক্রিসমাস ইভের গল্প। ইস্কুলে ছুটির ঘন্টা পড়ল, নীল কারডিগান আর শাদা টিউনিকের স্রোত নামতে লাগল সিঁড়ি দিয়ে। এদের ভিতরে টুলি আলাদা। অনেক শুকনো আর ক্লিষ্ট মুখের ভিতরে সেও একজন। তার তাড়া নেই বাড়ি ফেরার। ক্রিসমাস ইভে বাড়ি ফিরে যে বিছানায় শুয়ে আরাম করে এনিড ব্লাইটন নিয়ে বসবে, সে উপায় নেই, তার সুখের স্বর্গে হানা দেবে ধুতি পাঞ্জাবি পরা সেই লোকটা, হিরণমামা। তাঁকে টুলির ভাল লাগে না। নিচু গলায় লোকটা মায়ের সঙ্গে, তার সঙ্গে কথা বলে। টুলির বাবার কথা মনে পড়ে শুধু। ক্রিসমাসের আগে বাবা মায়ের সেই ঘর সাজানো। তারপর পার্টি…এখন সব অবাস্তব মনে হয়। মা খুব কষ্ট করে টুলিকে মানুষ করছে। এক পয়সাও অ্যালিমনি নেয় না টুলির বাবার কাছ থেকে। ইস্কুল থেকে বেরিয়ে টুলি ওষুধের দোকানে গিয়ে বাবাকে ফোন ঘোরায়। খুব যে মন খারাপ লাগছে বাবার জন্য। বাবা আজ তুমি আসবে বাবা? টুলি কাঁপছিল থরথর করে, ‘বাবা লক্ষ্মীটি বাবা, এস, খ্রিসমাসে যেমন তুমি সাজিয়ে দিতে তেমনি করে সাজিয়ে দেবে…।’ টুলির বাবা ফোন কেটে দিল। পবিত্র জন্মোৎসবে খ্রিস্টান পল্লীর একটি বালিকার মন নিয়ে কী বেদনাঘন সেই গল্প। বড়দিন আমাদের সাহিত্যে ছায়া রেখেছে অনেক। গ্রামের মাটির গির্জার বড়দিনের উৎসব পবিত্রতায় অনন্য। দিন বড় হোক। সকলের জীবন পবিত্র হোক।

লিটল ম্যাগাজিনের সঙ্গে এত বছর

৪৩ বছর আগে আমি যে পত্রিকায় গল্প লিখে স্বপ্ন দেখেছিলাম লিখব, হ্যাঁ লেখাই হবে সারাজীবনের সাধনা সেই “একাল” পত্রিকা বের হতো আমাদের বেলগাছিয়া থেকে। দুই সম্পাদক নকুল মৈত্র এবং ভরত সিংহ খুব সাধারণ চাকরি করতেন। সামান্য বেতন পেতেন। গাঁট গচ্চা দিয়েই পত্রিকা করতেন। বিজ্ঞাপন ছিল না পত্রিকায়। তাঁদের কাছ থেকেই আমি শিখেছিলাম সাহিত্যের জন্য ত্যাগ করতে হয়। সাহিত্য এক সাধনার ক্ষেত্র। ২৫০-৩০০ কপি ছাপা হতো একাল। কাগজের দাম দেওয়ার সামর্থ্য হতো না বলে এত কম ছাপা। কিন্তু একাল পত্রিকার গল্প সংখ্যার কথা এখনো মনে আছে। সেই সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল সুবিমল মিশ্রর গল্প “বাগানের ঘোড়া নিম গাছে দেখন চাচা থাকতেন”, আমার প্রিয় গল্প। সুবিমল মিশ্র প্রথা ভাঙা লেখক। যে পথে সকলে গমন করেন, সে পথে যাননি। বাংলা ছোট গল্পের ইতিহাসে তিনি উচ্চারিত হবেন। তিনি লিটল ম্যাগাজিনেই লিখেছেন এতটা জীবন। লিটল ম্যাগাজিনই বাংলা সাহিত্যের প্রাণ। কথাটা বাগাড়ম্বর মনে হতে পারে, কিন্তু সত্য। সত্য কীভাবে তা এত বছর ধরে দেখেছি, উচ্চারণেই শিহরণ হয়। কেউ কেউ ভাবেন লিটল ম্যাগাজিন হলো বিগ ম্যাগাজিন, বাণিজ্যিক পত্রিকায় প্রবেশের সিঁড়ি। তা কোনো কোনো ক্ষেত্রে যে ঘটেনি তা নয়। কিন্তু সত্যিই কি তাই? কতিপয় তরুণ একজোট হয়ে যে পত্রিকা বের করতে শুরু করলেন নিজেদের আত্মপ্রকাশের তাগিদে, সেই আত্মপ্রকাশে যে স্পর্ধা তা তাঁরা প্রকাশ করবেন কীভাবে? বাণিজ্যিক পত্রিকা কি স্পর্ধা দেখাবার জায়গা? সেই জায়গা তাঁরা দেবেন কেন? গত শতকের ষাটের দশকে যে দুই সাহিত্য আন্দোলন দেখেছি আমরা তা দুই লিটল ম্যাগাজিনকে ঘিরেই। একদল তরুণ ‘ক্ষুধার্ত’ নামের যে পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন, নিজেদের ক্ষুধার্ত প্রজন্মের লেখক হিশেবে অভিহিত করেছিলেন, তাঁরা যে প্রথা বিরোধী গল্পের জন্ম দিয়েছিলেন, তা ওই পত্রিকা ব্যতীত হতে পারত না। এঁদের লেখক বাসুদেব দাশগুপ্ত তাঁর ‘রন্ধনশালা’ গল্পগ্রন্থের জন্য আমাদের সাহিত্যে চিহ্নিত এক জায়গা করে নিয়েছেন। সমালোচকরা উল্লেখ করেন কী করেন না, তা আলোচ্য নয়, আলোচ্য হলো রন্ধনশালা বইটির কথা এখনো নবীন প্রজন্ম লিখতে এসে শুনতে পায়। যে গল্প বাণিজ্যিক পত্রিকা ছাপতে চায় না পাঠক হারাতে হবে বলে, সেই গল্প লিটল ম্যাগাজিন ছাপে। সাহিত্যের যাবতীয় দায় ও ঝুঁকি গ্রহন করতে পারে লিটল ম্যাগাজিনই। তরুণ লেখকরা যে কথা বলতে পারবেন না বিগ ম্যাগাজিনে তা বলতেই লিটল ম্যাগাজিন করা। গত শতকের ষাটের দশকের আর এক সাহিত্যের আন্দোলন ছিল, শাস্ত্রবিরোধী আন্দোলন। তাঁরাও গল্পের চিরাচরিত লিখন পদ্ধতির বদল ঘটাতে চেয়েছিলেন। সেই তরুণরা এখন প্রবীণ, আমি রমানাথ রায়কে জিজ্ঞেস করছিলাম, আপনারা কেন শাস্ত্রবিরোধী সাহিত্য আন্দোলন করতে গিয়েছিলেন কেন? তিনি উত্তর দিলেন, নিজের কথা নিজের মতো করে বলবেন বলে, নিজের ভাষা খুঁজে পেতে। বিগ ম্যাগাজিন তাদের ভাষায় তাদের মতো করে কথা বলাই পছন্দ করে। সাহিত্যের যাবতীয় বিদ্রোহের কথা তো লিটল ম্যাগাজিনই উচ্চারণ করতে পারে। বিদ্রোহ কলমে। আমাদের ভাষার বড় গল্পলেখক সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব কৃত্তিবাস পত্রিকায় ছাপা হতে সাহিত্যের চিরাচরিত পথ, যে পথ সহজসিদ্ধির (!) পথ সেখানে বড় ঝাঁকুনি দিয়েছিলেন। বড় বড় স্তম্ভ বিরক্ত হয়েছিলেন। গত শতকের ষাটের দশকের কথা তা। সাহিত্যের ইতিহাস অনেকটাই আঙ্গিকের ইতিহাস। নতুন আঙ্গিক, নতুন ভাষা নিয়েই তো সাহিত্যের নবীন বরণ হয়। ষাটের দশকের অব্যবহিত আগে আমাদের ভাষার বড় মাপের গল্প-লেখক বিমল কর লিটিল ম্যাগাজিনেই সাহিত্যের “নতুন রীতি” এক সাহিত্য আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। তাঁর সঙ্গী ছিলেন তরুণ দেবেশ রায়, সন্দীপন, বরেণ গঙ্গোপাধ্যায়, স্মরজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, যাশোদাজীবন ভট্টাচাযরা। এইসব সাহিত্য আন্দোলনের কথা বলা লিটল ম্যাগাজিনের চরিত্র নির্ধারণের কারণেই। সেই দেবেশ রায় এখনো এই আশী বছরে পা রেখে লিটল ম্যাগাজিনেই বছরের সেরা গল্পটি লেখেন (নদী ও শহরের যুগলগীতি — কথা সোপান)। এই বয়সেও তিনি লিটল ম্যাগাজিনে নিজের সেরা লেখাটি দিতে পারেন, তা তো এই সব সাহিত্যপত্রের উপর প্রগাঢ় ভালোবাসা থেকে। সাহিত্য পত্রিকার প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা থেকে। লিটল ম্যাগাজিন আসলে নামে লিটল কিন্তু চরিত্রে ব্যপ্ত। সিংহভাগ পাঠকের ধারণা সাহিত্যের যা কিছু সৃজনশীলতা তা হয় বাণিজ্যিক পত্র-পত্রিকায়। জানেন না, বাংলা সাহিত্যের সেরা প্রবন্ধমালা ধরণ করে লিটল ম্যাগাজিন। অশোক সেন, সৌরীন ভট্টাচায, অরিন্দম চক্রবর্তীর মতো বড় মাপের জীবন জিজ্ঞাসুরা অনুষ্টুপ, বারোমাস ইত্যাদি সাহিত্যপত্রের লেখক। এক্ষণ ছিল, এখন নেই। ছিল বারোমাস সাহিত্যপত্র, এখন নেই। শতভিষা, উত্তরসুরী নেই। অমৃতলোক নেই। নেইয়ের তালিকা অনেক বড়। কিন্তু আছে তো কম পত্রিকা নয়। অনুষ্টুপ, অনীক, বিভাব, আত্মপ্রকাশ, কবিতীর্থ, এবং মুশায়েরা, বিষয়মুখ, কোরক, পরিচয়, পরিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, নীললোহিত, আদম, আলোচনা চক্র, দেবভাষা, গুরুচন্ডালী, ইসক্রা, কথা সোপান, গ্রাফিত্তি, অতি ব্যতিক্রমী প্রবন্ধপত্র ১৮৭৮ কিংবা দূর উত্তরবঙ্গের মল্লার, মধ্যবর্তী, তিতির, আগরতলার মুখাবয়ব, শিলচরের দ্বিরালাপ, গুয়াহাটির পূবর্মেঘ কত কত। কিছু নাম করলাম। এর বাইরে কত যত্নশীল সম্পাদক আছেন। কত ভালোবাসা নিয়ে তাঁরা সেইসব পত্রিকা করেন। আমাদের বন্ধু সমীর চট্টোপাধ্যায় ১৯৭৫ নাগাদ একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করতেন, সংক্রান্তি। সংক্রান্তি পত্রিকায় কত নিবিড় অভিনিবেশে সমীর অনুবাদ করেছিলেন ম্যাক্সিম গোর্কির অন লিটারেচর বই থেকে তলস্তয়ের সঙ্গে গোর্কির কথোপকথনের এক অসামান্য অংশ। তলস্তয় যখন অসুস্থ, গোর্কি তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন। দুই প্রতিভাধরের সেই সাক্ষাৎকার খুঁজে বের করেছিলেন সমীর। লিটল ম্যাগাজিনের কাজ এই। চার্লি চ্যাপলিনের “মাই অটোবায়োগ্রাফি” থেকে মসিয়ে ভেরদ্যুর উপরে অসাধারণ লেখাটিও অনূদিত হয়েছিল সংক্রান্তিতে। লিটল ম্যাগাজিনে যত্ন আর মেধা, দুইয়ের সম্মিলন হয়। সমীর পরবর্তী কালে আর একটি পত্রিকা করেন। সেই পত্রিকা “নতুন সময়” এ অনুদিত হয়েছিল জাঁ জেনের নাটক নিগ্রো। মূল ফরাসী থেকে অনূবাদ করেছিলেন নারায়ণ মুখোপাধ্যায়। বিরলকেশ গৌরবর্ণের সদাহাস্য নারায়ণ মুখোপাধ্যায় পরিচিত ছিলেন ফরাসী নারাণদা বলে। শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের দুই স্মরণীয় গল্প পুরকায়েতের আনন্দ ও বিষাদ এবং উর্বরাশক্তি নতুন সময়ে পড়েছিলাম। মনে পড়ে যাচ্ছে পবিত্র মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত কবিপত্র এবং প্রয়াত কবি তুষার চৌধুরীর কবিতা দর্পণ পত্রিকায় ফরাসী নারায়ণ মুখোপাধ্যায় অনুবাদ করেছিলেন ভিক্তর উগোর উপরে ব্যোদলেয়ারের প্রবন্ধ, এবং ব্যোদলেয়ারের কবিতা। কবিপত্র পত্রিকায় পিকাশোর লেখা একমাত্র নাটক অনুবাদ করেছিলেন নির্মল ঘোষ। কবিপত্র একটি শিল্প সংখ্যা করেছিল, ১৯৭৭ নাগাদ। সেই সংখ্যায় সোসাইটি অফ কনটেম্পোরারি আর্টিস্ট-গ্রুপ এর সকলেই লিখেছিলেন, মনে পড়ে যাচ্ছে রবীন মণ্ডল, কাঞ্চন দাশগুপ্ত, বিজন চৌধুরীরা কলম হাতে নিয়েছিলেন। অতিথি সম্পাদক ছিলেন সন্দীপ সরকার। লিটল ম্যাগাজিনই পারে এমন সৃষ্টিশীলতা আর মেধার সম্মিলন ঘটাতে। আমাদের জ্ঞান চর্চায় লিটল ম্যাগাজিনের খুব বড় ভূমিকা। ১৯৫৬ নাগাদ জলপাইগুড়ি নিবাসী সুরজিৎ বসু একটি প্রথা বিরোধী উপন্যাস লিখেছিলেন অবতামসী। সেই উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছিল এক স্থানীয় সাহিত্যপত্রে। সুরজিৎ বসুর অকাল প্রয়াণে উপন্যাসটি হারিয়ে যায়। কোচবিহারের মাথাভাঙা থেকে প্রকাশিত সঞ্জয় সাহা সম্পাদিত “তিতির” বহু বছর বাদে সেই উপন্যাস উদ্ধার করে সাহিত্য সংখ্যায় প্রকাশ করে। অবতামসী পড়ে আমি অবাক হয়েছি। এই উপন্যাস সাহিত্যের অনুরাগীদের না পড়ে থাকা উচিত নয়। অনেক বড় দিক খুলে যায় পাঠান্তে। লিটল ম্যাগাজিন এই কাজই করে। এঁর সম্পাদকদের বেশিরভাগই গল্প এবং কবিতা, কিছুই লেখেন না, অথচ প্রভিডেন্ট ফান্ডের সঞ্চয় থেকে ঋণ করে, লেখা সংগ্রহ করে, রাত জেগে প্রুফ দেখে, প্রেসে বসে থেকে তাঁরা কি ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ান? সাহিত্যের প্রতি প্রবল অনুরাগ থেকেই এই কাজ তাঁরা করে থাকেন। মেদিনীপুর শহরের সমীরণ মজুমদারের সঙ্গে আলাপ সেই ১৯৭৭ থেকে। সমীরণ কবিতা লিখত আর অমৃতলোক পত্রিকা বের করত। কবিতা লেখা হারিয়ে গেল, অমৃতলোক বড় হয়ে উঠতে লাগল। নিজে জানি অমৃতলোক পত্রিকার জন্য ও নানা ভাবে উৎপীড়িত হয়েছে। সঞ্চয় নিঃশেষ করেছে। প্রবল প্রতিকূলতা এসেছে আত্মজনের কাছ থেকে, কিন্তু সে তার জায়গা থেকে সরেনি। সমীরণ পত্রিকা করেছে সাহিত্য আর সমাজের উপর দায়বদ্ধতা থেকে। সে অমৃতলোক পত্রিকার নন্দীগ্রাম সংখ্যা বের করেছিল সেই আন্দোলনের সময়। সমীরণের পত্রিকায় অনেক লিখেছি। লিখে সম্মানিত বোধ করেছি। তার প্রয়াণে অমৃতলোক বন্ধ হয়ে গেছে। তাইই হয়। লিটল ম্যাগাজিন ব্যক্তির একক প্রয়াসেই জন্ম নেয়। তিনি চলে গেলে আর সেই পত্রিকা বাঁচিয়ে রাখা যায় না। এইভাবে বন্ধ হয়েছে এক্ষণ, বারোমাস, অনুক্ত, লাল নক্ষত্র, চিল, কবিতা দর্পণ, এমনি কত পত্রিকা। গুণমানে লিটল ম্যাগাজিনই বড় প্রতিষ্ঠানের প্রতিস্পর্ধী হতে পারে। মনে করুন, এক্ষণ সাহিত্যপত্রের কার্ল মার্ক্স সংখ্যা, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়েরির প্রকাশ, অনুষ্টুপ পত্রিকার সমর সেন, শঙ্খ ঘোষ সংখ্যা, কোরক সাহিত্য পত্রের রামায়ণ সংখ্যা, দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় পরিচয় পত্রিকার ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংখ্যা, গল্পসরণি পত্রিকার শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় সংখ্যা বা ইসক্রা পত্রিকার এশিয়ার গল্প অনুবাদ সংখ্যা…। এমনি কত সব অসামান্য সংখ্যার কথা যে ভুলতে পারিনি। বাংলার হাট, বাংলার পুকুর, বাংলার শ্মশান, কবরস্থান, রাস্তা এসব নিয়ে সমীক্ষা নির্ভর পত্রিকা বের করেন দক্ষিণ ২৪ পরগণার প্রণব সরকার। কেউ বের করেন সুন্দরবনের জল-জঙ্গল নিয়ে বিশেষ সংখ্যা। মহাশ্বেতা দেবীর বর্তিকায় ছাপা হত গ্রাম সমীক্ষা, সাধারণ মানুষের, জেলে, কামার, কুমোর, চাষী, ক্ষেত মজুর, রিকশাচালকের আত্মকথা। বর্তিকাই প্রকাশ করেছিল ভারতের ভূমিদাস প্রথা নিয়ে এক অসামান্য সংখ্যা। বর্তিকা ছিল জমি মাটি আর মানুষের জন্য নিবেদিত পত্রিকা।

Page 23 of 69
Prev1...222324...69Next
Previous Post

খোঁড়া ভৈরবীর মাঠ – অভীক সরকার

Next Post

বিপুলা পৃথিবী – আনিসুজ্জামান

Next Post

বিপুলা পৃথিবী – আনিসুজ্জামান

রক্তে আঁকা ভোর - আনিসুল হক

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৫: ভূমিকম্প – শামসুদ্দীন নওয়াব
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৮: বিভীষিকার প্রহর – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: বড়দিনের ছুটি – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আলাস্কা অভিযান – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আমিই কিশোর – রকিব হাসান

বিভাগসমূহ

  • আত্মজীবনী
  • ইতিহাস
  • উপন্যাস
  • কবিতা
  • কাব্যগ্রন্থ
  • গল্পের বই
  • গোয়েন্দা কাহিনী
  • ছোট গল্প
  • জীবনী
  • দর্শন
  • ধর্মীয় বই
  • নাটকের বই
  • প্রবন্ধ
  • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
  • বৈজ্ঞানিক বই
  • ভূতের গল্প
  • রহস্যময় গল্পের বই
  • রোমাঞ্চকর গল্প
  • রোম্যান্টিক গল্পের বই
  • শিক্ষামূলক বই
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In