YUSUFALI: And We sent him (on a mission) to a hundred thousand (men) or more.
PICKTHAL: And We sent him to a hundred thousand (folk) or more
SHAKIR: And We sent him to a hundred thousand, rather they exceeded.
KHALIFA: Then we sent him to a hundred thousand, or more.
১৪৬। এবং পরে আমি তার উপরে এক কুমড়ো জাতীয় গাছকে বিস্তৃত করে দেই।
১৪৭। তাকে আমি একলক্ষ বা ততোধিক লোকের [ প্রচারের ] কাজে প্রেরণ করি ৪১২৭।
৪১২৭। আল্লাহ্ তাকে পুণরায় নিনেভা নগরীতে প্রেরণ করেন। নিনেভা নগরী ছিলো এক বিশাল নগরী। ওল্ড টেস্টামেন্ট অনুযায়ী “Nineva was an exceeding great city of three days ‘ journey” [ Jonah iii 3 ] ; “Wherein are more than six score thousand person” [ Jonah iv 11 ] । নিনেভা নগরীর পরিধি বলা হয়ে থাকে ৪৫ মাইল এবং লোক সংখ্যা ছিলো এক লক্ষ বিশ হাজারের উপরে।
আয়াতঃ 037.148
তারা বিশ্বাস স্থাপন করল অতঃপর আমি তাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জীবনোপভোগ করতে দিলাম।
And they believed; so We permitted them to enjoy (their life) for a while.
فَآمَنُوا فَمَتَّعْنَاهُمْ إِلَى حِينٍ
Faamanoo famattaAAnahum ila heenin
YUSUFALI: And they believed; so We permitted them to enjoy (their life) for a while.
PICKTHAL: And they believed, therefor We gave them comfort for a while.
SHAKIR: And they believed, so We gave them provision till a time.
KHALIFA: They did believe, and we let them enjoy this life.
১৪৮। এবং তারা ঈমান এনেছিলো ; সুতারাং আমি তাদের কিছু কালের জন্য [ জীবনকে ] উপভোগ করতে দিয়েছিলাম ৪১২৮।
৪১২৮। নিনেভাবাসী অনুতপ্ত হয়েছিলো এবং আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিলো , ফলে আল্লাহ্ তাদের নূতনভাবে বাঁচার অধিকার দান করেন। ইউনুস নবীর সময়কাল ও নিনেভা নগরীর উত্থানপতনের সময় খুব সম্ভব আসেরিয়ান সম্রাটদের সময়কাল। দেখুন টিকা [ ১৪৭৮ – ৭৯ ] এবং আয়াত [১০ : ৯৮ ]। ইউনুস নবীর কাহিনীর মাধ্যমে আমাদের নিম্নলিখিত বিষয় গুলি শিক্ষাদান করা হয়েছে : ১) আল্লাহ্র বিচার করার ক্ষমতা কারও নাই। তিনি যাকে খুশী অনুগ্রহ করেন যাকে খুশী শাস্তি দান করেন। তিনি সর্বশক্তিমান। সুতারাং আল্লাহ্র রহমত ও শাস্তির বিচার করা কোনও মানুষের উচিত নয়। ২) প্রকৃত অনুতাপকারীকে আল্লাহ্ সর্বদা ক্ষমা করে দেন , যেমন তিনি পাপে পুর্ণ নিনেভা নগরবাসীকে করেছিলেন। এবং ৩) আল্লাহ্ পরিকল্পনা ব্যর্থ করার ক্ষমতা কারও নাই , শেষ পর্যন্ত জয়যুক্ত হবেই।
আয়াতঃ 037.149
এবার তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তোমার পালনকর্তার জন্যে কি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং তাদের জন্যে কি পুত্র-সন্তান।
Now ask them their opinion: Is it that thy Lord has (only) daughters, and they have sons?-
فَاسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ الْبَنَاتُ وَلَهُمُ الْبَنُونَ
Faistaftihim alirabbika albanatu walahumu albanoona
YUSUFALI: Now ask them their opinion: Is it that thy Lord has (only) daughters, and they have sons?-
PICKTHAL: Now ask them (O Muhammad): Hath thy Lord daughters whereas they have sons?
SHAKIR: Then ask them whether your Lord has daughters and they have sons.
KHALIFA: Ask them if your Lord have daughters, while they have sons!
১৪৯। এখন ওদেরকে তাদের মতামত জিজ্ঞাসা কর, ৪১২৯ এটা কি ঠিক যে তোমার প্রভুর জন্য রয়েছে [ শুধু ] কন্যাসন্তান , এবং তাদের জন্য রয়েছে পুত্র সন্তান ? “-
৪১২৯। এই আয়াত থেকে নূতন যুক্তি তর্কের অবতারণা করা হয়। পৌত্তলিক আরবের বিশ্বাস করতো যে, ফেরেশতাদের নারীরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে। কিন্তু নিজেদের জন্য তারা পুত্র সন্তানকে অধিক পছন্দ করতো ,কারণ পুত্র ছিলো ক্ষমতা , ও সম্মানের প্রতীক। দেখুন [ ১৬ : ৫৭-৫৯ ] এবং টিকা ২০৮২। তা সত্ত্বেও তারা আল্লাহ্র জন্য কন্যা বরাদ্দ করতো।
আয়াতঃ 037.150
না কি আমি তাদের উপস্থিতিতে ফেরেশতাগণকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছি?
Or that We created the angels female, and they are witnesses (thereto)?
أَمْ خَلَقْنَا الْمَلَائِكَةَ إِنَاثًا وَهُمْ شَاهِدُونَ
Am khalaqna almala-ikata inathan wahum shahidoona
YUSUFALI: Or that We created the angels female, and they are witnesses (thereto)?
PICKTHAL: Or created We the angels females while they were present?
SHAKIR: Or did We create the angels females while they were witnesses?
KHALIFA: Did we create the angels to be females? Did they witness that?
১৫০। অথবা আমি কি ফেরেশতাদের নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম এবং তারা [ সেখানে ] প্রত্যক্ষ করেছিলো?
১৫১। এটা কি ঠিক নয় যে, তারা নিজেদের মনগড়া কথা বলে যে,
১৫২। ” আল্লাহ্ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।” ওরা মিথ্যাবাদী ৪১৩০।
৪১৩০। আল্লাহ্ এক ও অদ্বিতীয়। সমস্ত বিশ্ব প্রকৃতি স্রষ্টার একত্ব ঘোষণা করে। মানুষের আত্মার মাঝে আল্লাহ্র একত্বের ধারণাই হচ্ছে প্রকৃত ঈমান। আল্লাহ্ সম্বন্ধে পুত্র বা কন্যার ধারণা আত্মার মাঝে বিভ্রান্তি ঘটায় -ঈমানকে বিপর্যস্ত করে তোলে। ফলে মানুষ সৃষ্টির তথা বিশ্ব সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য হয় ব্যহত। সে কারণেই আল্লাহ্র সাথে অংশদারিত্ব কঠোর ভাবে নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়েছে।
