হাদিস নম্বরঃ ৫২১৫ | 5215 | ۵۲۱۵
পরিচ্ছদঃ ২২৩৫. দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা
৫২১৫। আবূ নুআয়ম (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দণ্ডায়মান অবস্থায় যমযমের পানি পান করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২১৬ | 5216 | ۵۲۱٦
পরিচ্ছদঃ ২২৩৬. উটের পিঠে আরোহী অবস্থায় পান করা
৫২১৬। মালিক ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … উম্মুল ফাযল বিনত হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এক পেয়ালা দুধ পাঠিয়ে ছিলেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতে বিকালে অবস্থান করছিলেন। তিনি নিজ হাতে পেয়ালাটি গ্রহন করেন এবং তা পান করেন। আবূন নাযর থেকে মালিক عَلَى بَعِيرِهِ (তাঁর উটের উপর আরোহী অবস্থায় ছিলেন) কথাটি বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২১৭ | 5217 | ۵۲۱۷
পরিচ্ছদঃ ২২৩৭. পান করার ক্ষেত্রে প্রথমে ডানের ব্যক্তি, তারপর ক্রমান্বয়ে ডানের ব্যক্তির অগ্রাধিকার
৫২১৭। ইসমাঈল (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে পানি মেশানো দুধ পবিরেশন করা হল। তার ডান পার্শ্বে ছিল জনৈক বেদুঈন ও বাম পার্শ্বে ছিলেন আবূ বকর (রাঃ)। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধ পান করলেন। তারপর বেদুঈন লোকটিকে তা দিয়ে বললেনঃ ডানের লোকের অগ্রাধিকার। এরপর তার ডানের লোকের।
হাদিস নম্বরঃ ৫২১৮ | 5218 | ۵۲۱۸
পরিচ্ছদঃ ২২৩৮. পান করতে দেয়ার ক্ষেত্রে বয়স্ক (বয়োজ্যেষ্ঠ) লোকদের অগ্রাধিকার দেয়ার জন্য তার ডানে অবস্থিত লোক থেকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে কি?
৫২১৮। ইসমাঈল (রহঃ) … সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে শরবত পবিবেশন করা হলে তিনি তা থেকে পান করলেন। তার ডানে ছিল একটি বালক, আর বামে ছিলেন কয়েকজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাক্তি। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বালকটিকে বললেনঃ তুমি কি আমাকে অনুমতি দেবে যে, আমি ঐ বয়স্ক লোকদের আগে পান করতে দেই? বালকটি বললঃ আল্লাহর কসম! ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার কাছ থেকে আমার ভাগে আসা জিনিসের ক্ষেত্রে আমি কাউকে আমার উপর অগ্রাধিকার দেব না। রাবী বললেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন পেয়ালাটি তার হাতে তুলে দিলেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২১৯ | 5219 | ۵۲۱۹
পরিচ্ছদঃ ২২৩৯. অঞ্জলি দ্বারা হাউজের পানি পান করা
৫২১৯। ইয়াহইয়া ইবনু সালিহ (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক ব্যাক্তির কাছে গেলেন। তার সঙ্গে ছিল তাঁর এক সাহাবী। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবী সালাম দিলে লোকটি সালামের জবাব দিল। এরপর সে বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার জন্য আমার পিতা ও মাতা কুরবান, এটি ছিল প্রচণ্ড গরমের সময়। এ সময় লোকটি তার বাগানে পানি দিতে ছিল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তোমার কাছে গতরাতে মাশকে রাখা পানি থাকে তাহলে আমাদের পান করাতে পার। অন্যথায় আমরা আমাদের সন্মুখস্থ পানি থেকে পান করে নেব। তখন লোকটি বাগানে পানি দিতে ছিল। এরপর লোকটি বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ। আমার কাছে গতরাতে মাশকে রাখা পানি আছে। এরপর সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ঝুপড়ীতে নিযে গেল। একটি পাত্রে কিছু পানি ঢেলে তাতে ঘরে পোষা বকরীর দুধ দোহন করল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পান করলেন। এরপর সে আবার দোহন করল। তখন তার সঙ্গে যিনি ছিলেন তিনি তা পান করলেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২০ | 5220 | ۵۲۲۰
পরিচ্ছদঃ ২২৪০. ছোটরা বড়দের খিদমত করবে
৫২২০। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার গোত্রীয় লোকদের মধ্যে দাঁড়িয়ে তাদেরকে অর্থাৎ আমার চাচাদেরকে ‘ফাযীখা’ নামক শরাব পান করাতে ছিলাম। আমি ছিলাম তাদের মধ্যে সকলের চাইতে ছোট। এমন সময় ঘোষণা করা হলঃ শরাব হারাম হয়ে গেছে। তারা বললেনঃ এ শরাবগুলো ঢেলে দাও। আমি তা ঢেলে দিলাম। বর্ণনাকারী (সুলায়মান তায়মী) বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলামঃ তাদের শরাব কিসের তৈরী ছিল? তিনি বললেনঃ কাঁচা ও পাকা খেজুরের তৈরী। আনাস (রাঃ) এর পৃত্র আবূ বকর বললেন, (সম্ভবত তিনি তখন উপস্থিত ছিলেন)। এটিই ছিল তাদের আমলের শরাব। তাতে আনাস (রাঃ) কোন অস্বীকৃতি প্রকাশ করেননি। সুলায়মান বলেনঃ আমার কতিপয় বন্ধু আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে তিনি আনাস (রাঃ) থেকে শুনেছেনঃ সেকালে এটিই ছিল তাঁদের শরাব।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২১ | 5221 | ۵۲۲۱
পরিচ্ছদঃ ২২৪১. পাত্রগুলো ঢেকে রাখা
৫২২১। ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সন্ধ্যা হয় তখন তোমাদের সন্তানদের ঘরে আটকিয়ে রাখবে। কেননা এ সময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে। তবে রাতের কিছু সময় অতিক্রান্ত হলে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার। আর ঘরের দরজা বন্ধ করবে। কেননা শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। আর তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে (বিসমিল্লাহ বলে) তোমাদের মশকের মুখ বন্ধ করে দেবে এবং আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাদের পাত্রগুলোকে ঢেকে রাখবে কমপক্ষে পাত্রগুলোর উপর কোন জিনিস আড়াআড়িভাবে রেখে হলেও। আর (শয়নকালে) তোমরা তোমাদের চেরাগগুলো নিভিয়ে দেবে।
