হাদিস নম্বরঃ ৫২২২ | 5222 | ۵۲۲۲
পরিচ্ছদঃ ২২৪১. পাত্রগুলো ঢেকে রাখা
৫২২২। মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন ঘুমাবে তখন চেরাগ নিভিয়ে দেবে দরজা বন্ধ করে ফেলবে, মাশকের মুখ বন্ধ করে দেবে, খাবার ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ আমার মনে হয় তিনি আরো বলেছেন অন্তত একটি কাঠ আড়াআড়িভাবে পাত্রের উপর স্থাপন করে হলেও।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২৩ | 5223 | ۵۲۲۳
পরিচ্ছদঃ ২২৪২. মশ্কের মুখ খুলে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করা
৫২২৩। আদম (রহঃ) … আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ খুলে, তাতে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২৪ | 5224 | ۵۲۲٤
পরিচ্ছদঃ ২২৪২. মশ্কের মুখ খুলে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করা
৫২২৪। মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল (রহঃ) … আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ‘ইখতিনাছিল আসকিয়া’ থেকে নিষেধ করতে শুনেছি আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, মামার কিংবা অন্য একজন বলেছেন, ‘ইখতিনাছ’ হল মাশকের মুখ থেকে পানি পান করা।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২৫ | 5225 | ۵۲۲۵
পরিচ্ছদঃ ২২৪৩. মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করা
৫২২৫। আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) … আইউব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইকরামা আমাদের বললেন, আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতগুলো কথা জানাবো কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (কথাগুলো হল) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বড় কিংবা ছোট মশকের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে এর দেয়ালের উপর খুটি গাঁড়তে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২৬ | 5226 | ۵۲۲٦
পরিচ্ছদঃ ২২৪৩. মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করা
৫২২৬। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আবূ হুরায়বা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২৭ | 5227 | ۵۲۲۷
পরিচ্ছদঃ ২২৪৩. মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করা
৫২২৭। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২৮ | 5228 | ۵۲۲۸
পরিচ্ছদঃ ২২৪৪. পান পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলা
৫২২৮। আবূ নুআইম (রহঃ) … আবদুল্লাহর পিতা আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন পানি পান করবে সে যেন তখন পান-পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে। আর তোমাদের কেউ যখন পেশাব করবে, সে যেন ডান হাতে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং তোমাদের কেউ যখন শৌচ কাজ করবে তখন সে যেন ডান হাতে তা না করে।
হাদিস নম্বরঃ ৫২২৯ | 5229 | ۵۲۲۹
পরিচ্ছদঃ ২২৪৫. দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করা
৫২২৯। আবূ আসিম ও আবূ নুআয়ম (রহঃ) … সুমামা ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ) এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিশ্বাসে পানি পান করতেন। তিনি ধারনা করতেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৩০ | 5230 | ۵۲۳۰
পরিচ্ছদঃ ২২৪৬. সোনার পাত্রে পানি পান করা
৫২৩০। হাফস ইবনু উমর (রহঃ) … ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন হুযায়ফা (রাঃ) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন জনৈক গ্রামবাসী একটি রুপার পেয়ালায় পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুঁড়ে মারলেন। এরপর তিনি বললেনঃ আমি এটি ছুড়ে ফেলতাম না কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করা সত্তেও সে তা থেকে বিরত হয়নি। অথচ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরিধান করতে, সোনা ও রুপার পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত জিনিসগুলো হল দুনিয়াতে কাকির সম্প্রদায়ের জন্য আর আখিরাতে তোমাদের জন্য।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৩১ | 5231 | ۵۲۳۱
পরিচ্ছদঃ ২২৪৭. সোনা-রূপার পাত্রে পানি পান করা
৫২৩১। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) … ইবনু আবূ লায়লা থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমরা হুযায়ফা (রাঃ) এর সঙ্গে বাইরে বেরুলাম। এ সময় তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা আলোচনা করেন যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সোনা ও রুপার পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশমের কাপড় পরিধান করবে না। কেননা, এগুলো দুনিয়াতে তাদের (অমুসলিম সম্প্রদায়ের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের (মুসলিম সম্প্রদায়ের) জন্য হল আখিরাতের ভোগ্য সামগ্রী।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৩২ | 5232 | ۵۲۳۲
পরিচ্ছদঃ ২২৪৭. সোনা-রূপার পাত্রে পানি পান করা
৫২৩২। ইসমাঈল (রহঃ) … নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি রুপার পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের আগুন প্রবেশ করায়।
