আয়াতঃ 026.129
এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা চিরকাল থাকবে?
“And do ye get for yourselves fine buildings in the hope of living therein (for ever)?
وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ لَعَلَّكُمْ تَخْلُدُونَ
Watattakhithoona masaniAAa laAAallakum takhludoona
YUSUFALI: “And do ye get for yourselves fine buildings in the hope of living therein (for ever)?
PICKTHAL: And seek ye out strongholds, that haply ye may last for ever?
SHAKIR: And you make strong fortresses that perhaps you may
KHALIFA: “You set up buildings as if you last forever.
১২৯। ” আর তোমরা কি সুরম্য প্রাসাদ নির্মাণ করছো এই আশায় যে তোমরা সেখানে [ চিরদিন ] থাকবে ?
১৩০। ” যখন তোমরা আঘাত হান , তখন কি তোমরা স্বেচ্ছাচারী লোকের মত হয়ে যাও ? ” ৩১৯৭
৩১৯৭। এ সব জাগতিক বিষয় বুদ্ধি সম্পন্ন লোক যারা শুধু আড়ম্বর প্রদর্শন ভালোবাসে তাদের বৈশিষ্ট্য এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা হবে দুর্বলের প্রতি কোনওরূপ দয়ামায়া প্রদর্শনে অপারগ। এরা হয় দুর্বলের প্রতি অত্যাচারী মনোভাব সম্পন্ন।
আয়াতঃ 026.130
যখন তোমরা আঘাত হান, তখন জালেম ও নিষ্ঠুরের মত আঘাত হান।
“And when ye exert your strong hand, do ye do it like men of absolute power?
وَإِذَا بَطَشْتُم بَطَشْتُمْ جَبَّارِينَ
Wa-itha batashtum batashtum jabbareena
YUSUFALI: “And when ye exert your strong hand, do ye do it like men of absolute power?
PICKTHAL: And if ye seize by force, seize ye as tyrants?
SHAKIR: And when you lay hands (on men) you lay hands (like) tyrants;
KHALIFA: “And when you strike, you strike mercilessly.
১২৯। ” আর তোমরা কি সুরম্য প্রাসাদ নির্মাণ করছো এই আশায় যে তোমরা সেখানে [ চিরদিন ] থাকবে ?
১৩০। ” যখন তোমরা আঘাত হান , তখন কি তোমরা স্বেচ্ছাচারী লোকের মত হয়ে যাও ? ” ৩১৯৭
৩১৯৭। এ সব জাগতিক বিষয় বুদ্ধি সম্পন্ন লোক যারা শুধু আড়ম্বর প্রদর্শন ভালোবাসে তাদের বৈশিষ্ট্য এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা হবে দুর্বলের প্রতি কোনওরূপ দয়ামায়া প্রদর্শনে অপারগ। এরা হয় দুর্বলের প্রতি অত্যাচারী মনোভাব সম্পন্ন।
আয়াতঃ 026.131
অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।
“Now fear Allah, and obey me.
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
Faittaqoo Allaha waateeAAooni
YUSUFALI: “Now fear Allah, and obey me.
PICKTHAL: Rather keep your duty to Allah, and obey me.
SHAKIR: So guard against (the punishment of) Allah and obey me
KHALIFA: “You shall reverence GOD and obey me.
১৩১। ” এখন আল্লাহ্কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর ৩১৯৮।
১৩২। ” হ্যাঁ, তাকেই ভয় কর যিনি তোমাদের মুক্ত হস্তে দান করেছেন তোমরা যা কিছু জান। ৩১৯৯
৩১৯৮। দেখুন টিকা ৩১৮৮।
৩১৯৯। ” মুক্ত হস্তে দান করেছেন ” বাক্যটির অর্থ, পার্থিব ও অপার্থিব যা কিছু আমাদের জীবনকে সুন্দর করে , সমৃদ্ধ করে, সব কিছুই আল্লাহ্র দান – তাঁর বান্দাদের জন্য। জাগতিক বিষয় বস্তু ও ধন-সম্পদ হচ্ছে পার্থিব দান। আবার জ্ঞান এবং জ্ঞানকে জীবনের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করার ক্ষমতা , যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, জীবন সুন্দর হয়, সমৃদ্ধ হয়, মার্জিত হয় সে সবই আল্লাহ্র ‘দান’ তাঁর বান্দাদের জন্য। ” আন-আম” অর্থাৎ গৃহপালিত পশু ! পশুর সংখ্যা প্রাচীন কালে পরিগণিত হতো অর্থ-সম্পদের প্রতীক হিসেবে। আবার পুত্র সন্তানকে পরিগণিত করা হতো জনশক্তির প্রতীক হিসেবে। অর্থাৎ ‘জনবল’ হচ্ছে ক্ষমতা ও শক্তির প্রতীক। ‘উদ্যান ও প্রস্রবণ ‘ হচ্ছে আনন্দ ও পরিতৃপ্ত হওয়ার বিষয় বস্তুর প্রতীক। এই শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে প্রতীক অর্থে , জীবনের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাকে বোঝানোর জন্য। দেখুন নিচের আয়াত সমূহ।
আয়াতঃ 026.132
ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে সেসব বস্তু দিয়েছেন, যা তোমরা জান।
“Yea, fear Him Who has bestowed on you freely all that ye know.
وَاتَّقُوا الَّذِي أَمَدَّكُم بِمَا تَعْلَمُونَ
Waittaqoo allathee amaddakum bima taAAlamoona
YUSUFALI: “Yea, fear Him Who has bestowed on you freely all that ye know.
PICKTHAL: Keep your duty toward Him Who hath aided you with (the good things) that ye know,
SHAKIR: And be careful of (your duty to) Him Who has given you abundance of what you know.
KHALIFA: “Reverence the One who provided you with all the things you know.
১৩১। ” এখন আল্লাহ্কে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর ৩১৯৮।
১৩২। ” হ্যাঁ, তাকেই ভয় কর যিনি তোমাদের মুক্ত হস্তে দান করেছেন তোমরা যা কিছু জান। ৩১৯৯
৩১৯৮। দেখুন টিকা ৩১৮৮।
৩১৯৯। ” মুক্ত হস্তে দান করেছেন ” বাক্যটির অর্থ, পার্থিব ও অপার্থিব যা কিছু আমাদের জীবনকে সুন্দর করে , সমৃদ্ধ করে, সব কিছুই আল্লাহ্র দান – তাঁর বান্দাদের জন্য। জাগতিক বিষয় বস্তু ও ধন-সম্পদ হচ্ছে পার্থিব দান। আবার জ্ঞান এবং জ্ঞানকে জীবনের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করার ক্ষমতা , যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, জীবন সুন্দর হয়, সমৃদ্ধ হয়, মার্জিত হয় সে সবই আল্লাহ্র ‘দান’ তাঁর বান্দাদের জন্য। ” আন-আম” অর্থাৎ গৃহপালিত পশু ! পশুর সংখ্যা প্রাচীন কালে পরিগণিত হতো অর্থ-সম্পদের প্রতীক হিসেবে। আবার পুত্র সন্তানকে পরিগণিত করা হতো জনশক্তির প্রতীক হিসেবে। অর্থাৎ ‘জনবল’ হচ্ছে ক্ষমতা ও শক্তির প্রতীক। ‘উদ্যান ও প্রস্রবণ ‘ হচ্ছে আনন্দ ও পরিতৃপ্ত হওয়ার বিষয় বস্তুর প্রতীক। এই শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে প্রতীক অর্থে , জীবনের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাকে বোঝানোর জন্য। দেখুন নিচের আয়াত সমূহ।
