• আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
মঙ্গলবার, জুন 16, 2026
  • Login
BnBoi.Com
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
BnBoi.Com
No Result
View All Result

সাইমুম সিরিজ – আবুল আসাদ

হাসান তারিকরা ঘোড়ায় চড়ে এগুচ্ছিল। আগের পরিকল্পনায় যে পথটা আইস ক্যারিয়ারে চড়ে আসার কথা, সে পথটাও তারা ঘোড়ায় চড়েই আসছে। হেলিকপ্টারে পামির বায়োলজিক্যাল ইন্সটিটিউটে আসার পর তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। তারা চিন্তা করে মাঝখানের পথটুকুর জন্যে আর আইস ক্যারিয়ারের ঝামেলা করে লাভ নেই, ঘোড়াই উত্তম। পামিরের পথের শেষ পর্যন্ত হেলিকপ্টারে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু হাসান তারিক রাজী হয়নি তাতে। শত্রুর চোখে তারা কিছুতেই ধরা পড়তে চায় না। শত্রু তাতে সাবধান হয়ে যাবে, এমনকি কোন ক্ষতিও করে বসতে পারে আহমদ মুসার। ক্ষতির কথা তার মনে পড়তেই বুকটা কেঁপে ওঠে। কিন্তু পর মুহূর্তেই ভাবে। আহমদ মুসা ওদের জন্যে এখন বিরাট এ্যাসেট। একে তারা নানা রকম দর কশাকশিতে কাজে লাগাতে পারে। সুতরাং তাদের কোন উদ্দেশ্য সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আহমদ মুসাকে তারা হত্যা করবে না। এই চিন্তায় কিছুটা স্বস্তি বোধ করল হাসান তারিক।
হাসান তারিক আগে আগে চলছিল। পেছনে আবদুল্লায়েভ। দু’জনেই দু’টি উৎকৃষ্ট আরবী ঘোড়ায় সওয়ার। চলতে চলতে আবদুল্লায়েভ জিজ্ঞেস করল, ওরা কোথায় যেতে পারে আপনি মনে করছেন?
-আমি মনে করছি, ওরা আমাদের সীমান্ত অতিক্রম করে আপাতত চীনে প্রবেশ করবে। এটাই তাদের জন্য নিরাপদ।
-আমাদের সামনে চীনে প্রবেশের দু’টো পথ আছে। একটা হল তারিম হয়ে, আরেকটা কিরঘিজিয়ার রাজধানী ফ্রেঞ্জ থেকে যে পথটি কাশগড় গেছে সেই পথে। অন্য একটা পথ কাজাকিস্তানের রাজধানী আলমা আতা সড়ক থেকে বের হয়ে উরুমচি গেছে। কিন্তু সে পথটা অনেক দুরে এবং দুর্গম। অবশিষ্ট দু’টি পথের কোনটি জেনারেল বোরিস ব্যবহার করতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
-আমি মনে করি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সে আমাদের এলাকা ত্যাগ করে চীনে প্রবেশ করতে চায়। কারণ সে পরিষ্কারই জানে, পামিরের পথে বেশী সময় নিলে ধরা পড়ে যাবে।
কথা বলতে বলতে একটা টিলার ওপাশে গিয়েই ঘোড়ার লাগাম টেনে থমকে দাঁড়াল হাসান তারিক। সে দেখতে পেল, কিছু দুরে পামির সড়কের উপর তিনটি মাউন্টেন ফুড ক্যারিয়ার দাঁড়িয়ে আছে। সূর্য তখনও ডুবেনি। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তিনটি ক্যারিয়ারকে। তিনটিই চলার ভংগিতে উত্তর মুখো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মনে যাচ্ছে ওরা যেন কোন কাজে দাঁড়িয়ে আছে।
হাসান তারিক ঘোড়া পেছনে হাটিয়ে টিলার আড়ালে চলে এল। তারপর পকেট থেকে দুরবীন বের করে চোখে লাগাল। দুরবীনের চোখটা ওদিকে পড়তেই চমকে উঠল হাসান তারিক। ওকি! গাড়িগুলোর পাশে অত লাশ কার? তিনটি গাড়িরই দরজা খোলা, কোন জীবিত মানুষ চোখে পড়ল না। তারপাশে আতিপাতি করে খুঁজল। না, কোথাও জীবিত মানুষের কোন চিহ্ন নেই।
একটা আশংকা হাসান তারিকের মনে উঁকি দিল, তাহলে কি সব শেষ? অন্য কোন দল কি সম্পদের লোভে সবাইকে হত্যা করে গেছে? না আহমদ মুসা ওদের হত্যা করে নিজেকে মুক্ত করেছে? শেষ কথাটি হাসান তারিকের মনে আশার সঞ্চার করল। হাসান তারিক আবদুল্লায়েভের দিকে তাকিয়ে বলল, সামনে দেখেছ তো?
-হ্যাঁ, দেখেছি তিনটি মাউন্টেন ফুড ক্যারিয়ার, সম্ভবত জেনারেল বোরিস যেগুলো নিয়ে পালিয়েছিল সেগুলো।
-শুধু ঐ তিনটি গাড়ি নয়, গাড়ির পাশে অনেকগুলো লাশ দেখা যাচ্ছে।
-অনেকগুলো।
বিস্ময় উদ্বেগে আবদুল্লায়েভের চোখ বিস্ফারিত হয়ে উঠল। হাসান তারিক আর কোন কথা না বলে আবদুল্লায়েভকে ইশারা করে গাড়ির দিকে চলল। দু’জনের হাতে উদ্যত স্টেনগান। সেখানে গিয়ে তারা লাশ আর শূণ্য গাড়ি ছাড়া আর কিছুই দেখতে পেল না।
লাশ দেখেই আবদুল্লায়েভ বলল, এতো দেখি চীনের উইঘুর কাজাখদের লাশ। হাসান তারিক হতাশ হল। সে দেখতে চেয়েছিল জেনারেল বোরিসদের লাশ। তার জায়গায় পাওয়া গেল স্বজনদেরই। একটা বুলেটের খোল তুলে নিয়ে একটু পরীক্ষা করে বুঝল ‘ফ্র’ দের ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের স্টেনগানেরই বুলেট। হাসান তারিক বলল, আবদুল্লায়েভ, জেনারেল বোরিসরাই এদের মেরেছে।
একটু থামল, তারপর আবার শুরু করল হাসান তারিক, কিন্তু এদের মারল কেন? দু’পক্ষে সংঘর্ষ হয়নি বোঝাই যাচ্ছে। এদের কারও কাঁধ থেকেই রাইফেল নামেনি। মনে হচ্ছে গুলি খাবার আগে এরা বুঝতেই পারেনি কি হচ্ছে। নিশ্চয়ই জেনারেল বোরিসকে এরা বিশ্বাস করে, সম্ভবত সরকারী গাড়ি দেখে।
আবদুল্লা্য়েভ চারিদিক একবার পর্যবেক্ষণ করে বলল, দেখুন এদের ঘোড়া কোথাও দেখা যাচ্ছে না, উইঘুর কাজাখদের ঘোড়া তার মনিবদের ছেড়ে এভাবে দল বেধে সরে যায় না। নিশ্চয় জেনারেল বোরিসরা এদের ঘোড়া নিয়েই পালিয়েছে। আর এদের তারা হত্যাও করেছে ঐ ঘোড়া হাত করার জন্য।
হাসান তারিক আবদুল্লায়েভের পিঠে একটা থাপ্পড় দিয়ে বলল, ঠিক বলেছ, এটাই সবচেয়ে সংগত ব্যাখ্যা। গাড়ি যখন আর চলবে না, তখন ঘোড়ার চেয়ে বড় মূল্যবান তাদের কাছে আর কিছু ছিল না।
একটু থেমে হাসান তারিক আবার বলল, এর দ্বারা আরেকটা জিনিস প্রমাণ হয়, তারা এ ছোট তারিমের পথই অনুসরণ করেছে।
আবদুল্লায়েভ সম্মতিসূচক মাথা নাড়ল। সেই সাথে বলল, তবু সামনের পথটা আর একটু পরীক্ষা করে আসি। ঘোড়া যদি পামিরের পথে যেয়ে থাকে তাহলে চিহ্ন চোখে ধরা পড়বেই।
বলে আবদুল্লায়েভ সামনের দিকে এগুলো। পামিরে যদিও তখন গ্রীষ্মকাল। কিন্তু পামিরের মাথা বরফে ঢাকা। সাদা বরফের উপর শ্যেন দৃষ্টি আবদুল্লায়েভের।
হাসান তারিক শূন্য গাড়িগুলোতে একটু নজর বুলাতে গেল। তিনটি গাড়িই আনকোরা নতুন। তিনটি গাড়িই শূন্য, কোন চিহ্নই পেল না কোন গাড়িতে। হতাশ হলো হাসান তারিক। বোধহয় মন চাইছিল আহমদ মুসার কোন চিহ্ন খুঁজে পাক।
হাসান তারিক নেমে এল গাড়ি থেকে। আবদুল্লায়েভও এ সময় ফিরে এল।
-না তারিক ভাই, ওরা পামিরের পথে যায়নি। বলল আবদুল্লায়েভ।
-বলেছিই তো ওরা ছোট তারিমের পথ ধরবে।
-আমরা কি এখনই যাত্রা শুরু করব?
-আমরা সময় নষ্ট করতে পারি না। রাতেও আমাদের পথ চলতে হবে। ওদের আমরা পথেই ধরতে চাই।
-তারিক ভাই, রক্তের রং দেখে আমি বুঝতে পারছি, ঘটনা পাঁচ ঘন্টা আগে ঘটেছে। অর্থাৎ বলা যায়, প্রায় পাঁচ ঘন্টা আগে ওরা এই ছোট তারিমের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
হাসান তারিক তাকিয়েছিল নিচে তিয়েনশানের পূর্ব্ ঢাল বেয়ে নেমে যাওয়া তারিম উপত্যকারই দিকে। তার চোখে ভেসে উঠছে, এ উপত্যকারই পথ ধরে আহমদ মুসাকে বন্দী করে জেনারেল বোরিসরা এগিয়ে যাচ্ছে। কি অবস্থায় আছে আহমদ মুসা! এ কথা ভাবতেই মনটা তার আনচান করে উঠল।
হাসান তারিক যেন অনেকটা স্বগত কন্ঠেই বলল, ওরা কমপক্ষে আট মাইল সামনে। সুতরাং ওদের নাগাল পাওয়া সহজ নয়। কিন্তু কাশগড়ে পৌছার আগে যদি ওদের সন্ধান করতে না পারি, তাহলে ওদের বের করা মুশকিল হবে আমাদের জন্য।
পামির থেকে তিয়েনশানের ঢাল বেয়ে তারিম উপত্যকার পথে যাত্রা শুরু করল হাসান তারিক ও আবদুল্লায়েভ। দু’জনেরই পরনে তাজিক ব্যবসায়ীর পোশাক।
আগে আগে চলছিল হাসান তারিক। আবদুল্লায়েভকে লক্ষ্য করে সে বলল, তুমি রাস্তার ডানদিকে সন্ধানী চোখ রাখবে, আমি বাম দিকটা দেখব।
আবদুল্লায়েভ মাথা নেড়ে সায় দিল।
নিরবে এগিয়ে চলল দু’জনের কাফেলা। সফেদ বরফের উপর দিয়ে ইতিহাসের এক অতি পুরানো পথ ধরে তারা চলছে। কত ঘটনার সাক্ষী এই পথ! কত আনন্দ, কত বেদনার পদচিহ্ন ঘুমিয়ে আছে এই পথে! বাগদাদে আব্বাসীয় খলিফাদের শাসন কাল। মুসলিম বিজয়ের তখন স্বর্ণযুগ। ইসলামের সেনাপতি কুতাইবা সমরখন্দ, বোখারা মুক্ত করার পর এ তারিমের পথ ধরেই কাশগড় পৌছে ছিলেন। বিজেতা কুতাইবা এ পথেই আবার ফিরেছিলেন বাগদাদ। সে বিজয়ী ঘোড়সওয়ারের পদচিহ্ন এ পথের বুকে এখন হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না, কিন্তু পথের স্মৃতিকথা এবং দু’পাশের পাহাড়ের মৌন শৃংগগুলোর নির্বাক জীবনকাব্যে তা অক্ষয় হয়ে আছে।
তিয়েনশানের পূর্ব ঢালটি তার পশ্চিম ঢালের মতই। পামির থেকে নেমে বরফ মোড়া পথে অনেকটা এগুতে হবে। এক সময় অথৈ এ বরফের রাজ্য শেষ হয়ে যাবে। পাওয়া যাবে সবুজ ঘাসে মোড়া উপত্যকা-পাহাড় শ্রেণীর এক জগত। সেটা পেরুলে সামনে আসবে সবুজ বনানী। তখন বুঝতে হবে আমরা তিয়েনশানের গোড়ায় পৌছে গেছি। তবু কিন্তু অনেক সময় লাগবে পাহাড় থেকে নামতে। পামির থেকে কাশগড় পর্যন্ত গোটা পথটা ছোট তারিম নদীকে অনুসরণ করে এগিয়ে এসেছে। এ পথের যাত্রীকে বারবারই তারিমের মুখোমুখি এসে দাঁড়াতে হবে এবং একে পার হয়েই সামনে এগিয়ে চলতে হবে। তারিমের পথ ধরে চলতে চলতেই এক সময় আঙুর ও নানা ফলের বাগান আচ্ছাদিত একটি নগরীর বহির্দেয়াল এসে পথিকের পথ আগলে দাঁড়াবে। এ নগরীই কাশগড়।
বিরামহীনভাবে চলছিল হাসান তারিকরা। খাওয়াও খাচ্ছে ঘোড়ার পিঠে। একমাত্র নামাজ পড়ার জন্যেই তারা ঘোড়া থেকে নামছে।
ছোট তারিমকে যেখানে প্রথম অতিক্রম করতে হয়, সেই জায়গাটা অতি সুন্দর। প্রায় পঞ্চাশ ফিট ওপর থেকে তারিম এখানে একটা সবুজ উপত্যকায় আছড়ে পড়ছে। সবুজ ঘাসে ঢাকা উপত্যকার মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট তারিমের রূপালী রূপ পথিকের মন কেড়ে নেবার মত।
এখানে ছোট তারিম পার হয়ে ওপারে উঠতেই একটা বড় পাথরের উপর কিছু ফলের খোসা পাথরের পাশে পড়ে থাকা সিগারেটের একটা কার্টুন দেখে হাসান তারিক খুশী হলো। ঘোড়া থেকে নামল হাসান তারিক। আবদুল্লায়েভও।
আবদুল্লায়েভ একটা কমলার খোসা ভালোভাবে পরীক্ষা করে বলল, তারিক ভাই, প্রায় পাঁচ ছয় ঘন্টা আগে এই কমলা ফাড়া হয়েছে।
-তোমার কথা ঠিক হলে বুঝা যাচ্ছে কোন বিশ্রাম না নিয়ে ওরা দ্রুত পথ চলছে।
-ঠিক তাই, রক্তের রং দেখে যে সময়ের কথা আমি বলেছিলাম, তার চেয়ে তারা পিছিয়ে পড়েনি। ওদের চলার গতিটা আমাদের চেয়ে কম নয়।
-তাহলে জেনারেল বোরিস তাকে অনুসরণের ভয় করছে কি?
-তাই মনে হয়।
হাসান তারিকেরা যে বড় পাথরের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল সে পাথরের পাশেই আরেকটা ছোট পাথর। সেদিকে চোখ পড়তেই হাসান তারিকের চোখ দুটি উজ্জল হয়ে উঠল। ওখানে কমলার ছোট ছোট খোসা এমনভাবে পাশাপাশি রাখা হয়েছে যা আরবী আলিফ-এর রূপ নিয়েছে। “আলিফ” আহমদ মুসার সাংকেতিক নাম। অর্থাৎ মুসা ভাই এ সংকেত এখানে রেখে গেছেন।
হাসান তারিক আনন্দে আবদুল্লায়েভকে জড়িয়ে ধরল। দু’জনে তাঁদের নেতা আহমদ মুসার বেঁচে থাকার সুস্পষ্ট ও নিশ্চিত সংকেত পেয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করল।
তারপর আবার তাদের যাত্রা শুরু হলো। তারা চলার গতি আরও দ্রুততর করলো। তাদের মনে হল, শরীর এবং মনে যেন আগের চেয়ে বেশী শক্তি তারা পাচ্ছে।
তিয়েনশানের গোড়ায় তখন তারা পৌছে গেছে। শুরু হয়েছে জংগল পথ। তারিমকে বামে রেখে সংকীর্ণ উপত্যকা পথে তারা এগিয়ে চলেছে। তাদের দু’ধারে বিক্ষিপ্ত বনরাজী।
এই জংগল পথে প্রবেশের পর আবদুল্লায়েভ আগের চেয়ে অনেক সতর্ক। হাসান তারিককেও সে সতর্ক করে দিয়েছে। এক সময় দস্যুদের দৌরাত্মের কারণে তিয়েনশানের ঐ পথটি খুবই ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। পরে সিংকিয়াং এ মুসলিম প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হবার পর এই বিপদ দূর হয়। কিন্তু চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পর আবার এই পথে কিছু উচ্ছৃংখলতা নেমে আসে, চীনা হানরা এখানে এসে আসন গাড়ার পর তাদের দৌরাত্ম কিছু কমে গেছে, কিন্তু শেষ হয়ে যায়নি। আবদুল্লায়েভ ও হাসান তারিক স্টেনগান হাতে নিয়ে সাবধানে সামনে এগুচ্ছিল।
তারিমের তীরে একটা প্রশস্ত উপত্যকায় এসে যোহরের সময় হলো। তারা সিদ্ধান্ত নিল, এখানেই তারা যোহরের নামাজটা সেরে নেবে। কিন্তু উপত্যকায় পা দেবার পর থেকেই তারা বারুদের গন্ধ পাচ্ছিল। দু’জনেই উৎকন্ঠিত হয়ে উঠল। উপত্যকায় অল্প কিছুটা পথ এগিয়ে তারা দাড়িয়ে পড়ল। চোখে দূরবীন লাগিয়ে সতর্কতার সাথে চারদিকটা একবার পরীক্ষা করতে শুরু করল।
এক জায়গায় গিয়ে হাসান তারিকের দূরবীনের চোখ আটকে গেল। দৃশ্যটা দেখে চমকে উঠল হাসান তারিক। ৫ জন যুবকের রক্তাক্ত লাশ ইত:স্তত বিক্ষিপ্ত পড়ে আছে।
আবদুল্লায়েভের দূরবীনটাও এখানে এসে থেমে গিয়েছিল।
দু’জনেই তাদের চোখ থেকে দূরবীন নামাল। চাইল পরস্পরের দিকে। কথা বলল প্রথম আবদুল্লায়েভ। বলল, কোন স্বার্থ বা গোত্র দ্বন্দ্বের ফল এটা হতে পারে। অথবা হতে পারে জেনারেল বোরিসের কীর্তি।
-আমরা কি একটু এগিয়ে দেখব? বলল হাসান তারিক।
-কোন বিপদে জড়িয়ে তো কাজ নেই, আমাদের লক্ষ্য তো ভিন্ন। বলে আবদুল্লায়েভ আবার দূরবীন তুলে নিয়ে ঐ দৃশ্যটা নিরীক্ষণ করল। দূরবীনটা চোখে রেখেই বলল, তারিক ভাই, আমার দেখাটা মিথ্যা না হলে আমার মনে হচ্ছে এরা হুই জাতির মুসলমান। হুই যুবকরা যে ধরনের টুপী পরে, এদের মাথায় সেই টুপী দেখছি। চেহারাও তাদের……;
কথা শেষ হবার আগেই পেছন থেকে একটা শব্দ পেয়ে বিদ্যুত গতিতে হাসান তারিক পেছনে ফিরল। দেখল মাত্র পঞ্চাশ গজ দূরে তিনটি উদ্যত রাইফেল। তাদের দিকে হা করে আছে। হাসান তারিকের ডান হাতে ধরা স্টেনগান নিমিষে উঠে এল। ট্রিগারে চাপ পড়ল তার শাহাদত আঙুলের। বেরিয়ে গেল গুলি।
হাসান তারিকের সাথে সাথেই ঘুরে দাড়িয়েছিল আবদুল্লায়েভ। দেখল, রাইফেল বাগিয়ে দাড়িয়ে সেই হুই চেহারার তিন যুবক। আর সেই সাথে সে দেখল, হাসান তারিকের স্টেনগানের মাথা উপরে উঠছে। সংগে সংগে সে নিজের স্টেনগান দিয়ে আঘাত করল হাসান তারিকের স্টেনগানের নলে। মুখে চীৎকার করে উঠল, গুলি করবেন না তারিক ভাই।
কিন্তু তার আগেই কয়েকটা গুলি বেরিয়ে গেছে। ঢলে পড়েছে সামনের একজন যুবকের দেহ। দেহটা সবুজ ঘাসের উপর পড়ে কয়েক মুহূর্ত ছটফট করে নিশ্চল হয়ে গেছে। আবদুল্লায়েভের স্টেনগানের আঘাতে হাসান তারিকের স্টেনগানের নল নিচু হয়ে গিয়েছিল এবং শাহাদত আঙুলিও আলগা হয়ে গিয়েছিল ট্রিগার থেকে। গুলি আর হয় নি।
সামনে দাড়ানো অবশিষ্ট দুজন যুবকের মধ্যে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সুঠামদেহী যুবকটি উদ্যত রাইফেলের নল উপরে তুলে আকাশের দিকে একটা ফাকা আওয়াজ করল। গুলির শব্দে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে উপত্যকার চারদিক থেকে এক ঝাক মানুষ বেরিয়ে এল উপত্যকায়। তাদের প্রত্যেকের হাতে উদ্যত রাইফেল। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কয়েক ডজন রাইফেল এসে তাদের ঘিরে ধরল। দীর্ঘ ও সুঠামদেহী সেই যুবকটি এগিয়ে এসে বলল, তোমাদের স্টেনগান দিয়ে দাও।
যুবকটি হুই ভাষায় এ নির্দেশ দিল। আবদুল্লায়েভ হুই ভাষা কিছু কিছু জানে। হাসান তারিক ও আবদুল্লায়েভ তাদের স্টেনগান যুবকটির হাতে দিয়ে দিল। যুবকটি হাত পেতে গ্রহন করল। তার এবং অন্যদের চোখে তখন রাজ্যের ক্রোধ ও ঘৃণা।
আবদুল্লায়েভ ভাংগা ভাংগা হুই ভাষায় সেই যুবকটিকে লক্ষ্য করে বলল, তোমার নাম কি, তুমি কি মুসলমান?
-আমি আহমদ ইয়াং। মুসলমান। অনেকটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও ক্রোধের সাথে জবাব দিল যুবকটি।
-আমি আবদুল্লায়েভ এ হাসান তারিক। আমরা মুসলমান। বলল আবদুল্লায়েভ।
যুবকটির ক্রোধ ও ঘৃণাভরা চোখটি যেন হঠাৎ কেঁপে উঠল। তাক করে ধরে থাকা বন্দুকটির মাথাও যেন হঠাৎ নড়ে উঠল। কিন্তু তা মুহূর্তের জন্যে। চোখ পাকিয়ে কঠোর স্বরে যুবকটি বলল, তোমাদের লোকেরা আমাদের ৬জন লোককে খুন করেছে।
আবদুল্লায়েভ প্রতিবাদ করে বলল, না একজন লোক মরেছে। তাও ভুল বুঝাবুঝির ফলে।
-অন্য পাঁচজন?
-আমরা জানি না। আমরা এই মাত্র উপত্যকায় পৌছলাম।
-কে তাহলে ওদের মারল? তোমাদের মত ওই স্টেনগানের গুলিতে ওরা মরেছে।
-আমরা জানি না, তবে আমরা অনুমান করতে পারি।
-কি?
-এখন থেকে প্রায় পাঁচ ঘন্টা আগে এখান দিয়ে আরেকটা দল চলে গেছে। এটা ওদের কাজ হতে পারে।
যুবকটি একটু চিন্তা করল। তারপর বলল, যাই হোক তোমাদের আমরা ছাড়তে পারি না। আমাদের শেখের কাছে তোমাদের যেতে হবে।
এরপর যুবকটি ছয়জনকে হাসান তারিকদের পাহারায় দাঁড় করিয়ে অবশিষ্টদের নিয়ে ছয়টি লাশ একত্রিত করল। তারপর সকলকে নিয়ে যাত্রা শুরু করল।

Page 89 of 165
Prev1...888990...165Next
Previous Post

পরী – আলাউদ্দিন আল আজাদ

Next Post

বিচিত চিন্তা – সাহিত্য চিন্তা – আহমদ শরীফ

Next Post

বিচিত চিন্তা – সাহিত্য চিন্তা - আহমদ শরীফ

বিচিত চিন্তা - সংস্কৃতি চিন্তা - আহমদ শরীফ

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৫: ভূমিকম্প – শামসুদ্দীন নওয়াব
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৮: বিভীষিকার প্রহর – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: বড়দিনের ছুটি – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আলাস্কা অভিযান – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আমিই কিশোর – রকিব হাসান

বিভাগসমূহ

  • আত্মজীবনী
  • ইতিহাস
  • উপন্যাস
  • কবিতা
  • কাব্যগ্রন্থ
  • গল্পের বই
  • গোয়েন্দা কাহিনী
  • ছোট গল্প
  • জীবনী
  • দর্শন
  • ধর্মীয় বই
  • নাটকের বই
  • প্রবন্ধ
  • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
  • বৈজ্ঞানিক বই
  • ভূতের গল্প
  • রহস্যময় গল্পের বই
  • রোমাঞ্চকর গল্প
  • রোম্যান্টিক গল্পের বই
  • শিক্ষামূলক বই
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In