রবীন্দ্রনাথ টাকুর
১০১. অন্যকে নয়, আমাদের নিজেদের পরিতৃপ্ত রাখার জন্যই আমরা বিয়ে করি।
–আইজাক বিকার স্টাফ
১০২. বিয়ে করলে বড় কাজ করার ক্ষমতা থাকে না, প্রতিদিন তাকে ভাতের চিন্তা করতে হয়।
–বেকন
১০৩. বিয়ে না করলে যদি চলত তা হলে কোনো পুরুষই নারীকে বিয়ে করত না।
বালজাক
১০৪. মানুষের একটা বয়স আছে যখন সে চিন্তা না করেও বিবাহ করতে পারে। সে বয়স পেরোলে বিবাহ করতে দুঃসাহসিকতার দরকার হয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০৫. স্ত্রীরা কেবল পুরুষের আজ্ঞাপালন করবে, এজন্য তাদের সৃষ্টি হয়নি। যারা স্ত্রীকে আজ্ঞাবাহী দাসী মনে করে তারা বর্বর।
উইলিয়াম বেনেট
১০৬. স্ত্রী-পুত্রের ভরণ-পোষণ যোগাবার ক্ষমতা অর্জনের আগে বিয়ে কোরো না।
–এডমন্ড বার্ক
১০৭. বিয়ের সময় বাইরের সৌন্দর্য দেখে ভুলো না, অন্তরের সৌন্দর্যের সন্ধান করো।
–আর বিদ্যাভাস
১০৮. পরস্পর পরস্পরের জুলুম ঘাড় পেতে বহন করবে, এজন্যই তো বিবাহ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০৯. বিয়ে করা মানে তোমার অধিকারকে অর্ধেক করে নেয়া এবং কত্যর্বকে দ্বিগুণ করা।
–শোপেনহাওয়ার
১১০. প্রেম বিয়ের সূর্যোদয় এবং বিয়ে প্রেমের সূর্যাস্ত।
ফরাসি প্রবাদ
১১১. বিয়ে একটা জুয়াখেলা–পুরুষ বাজি রাখে স্বাধীনতা, আর নারী বাজি রাখে সুখ।
মাদামোয়াজেল
১১২. সাম্যের গান গাই–
আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোন ভেদাভেদ নাই।
বিশ্বে যা-কিছু মহান-সৃষ্টি চির-কল্যাণকর,
অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী, অর্ধেক নর।
বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ বেদনা অশ্রুবারি,
অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী।
কাজী নজরুল ইসলাম
১১৩. অবিবাহিত মানুষের মূল্য ততটুকু কখনই নহে, যতটুকু বিবাহিত দম্পতির মিলনের মধ্যে পাওয়া যায়। অবিবাহিত জীবন একটি অসম্পূর্ণ জীবন এবং জীবনকে কাঁচির দুইটি অংশের মধ্যে শুধু একটি অংশের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।
–ফ্রাঙ্কলিন
১৪. ঘর-সংসার
১. বিধাতা তাকেই অধিক পছন্দ করেন, যে তার নিজের ঘরকে ভালোবাসে।
–কার্ভেন্টিস
২. রাজাই হোক আর চাষাই হোক, সে-ই সুখী যে তার গৃহে শান্তি খুঁজে পায়।
–গ্যেটে
৩. গৃহে যদি সুখ থাকে তবে বাইরের জগৎকে সে দ্বিগুণ উৎসাহে কাছে টেনে নিতে সক্ষম হবে।
স্কট
৪. গৃহই আমাদের দেশের সমাজের ভিত্তি, গৃহকে যদি আমরা সহজ না করি, মঙ্গল করি, তাহাকে ত্যাগের দ্বারা নির্মল না করি, তবে অর্থোপার্জনের সহস্র নতুন পথ আবিষ্কৃত হইলেও দুর্গতি হইতে আমাদের নিষ্কৃতি নাই।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫. শিশুদের অত্যধিক শাসন করা অমানবিক এবং গুরুতর অপরাধ।
–উইলিয়াম বেন
৬. সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে।
–প্রচলিত প্রবাদ
৭. যে-গৃহে হাসি আছে, সে-গৃহের রং উজ্জ্বল রূপালি।
বেন জনসন
৮. ভেবে দেখ ওরে মন এ সংসার পান্থশালা।
একদল আসে হায়
অন্যদল চলে যায়।
স্বার্থপূর্ণ এ জীবন দুদিনের খেলা।
কায়কোবাদ
৯. সংসারে যারা সবকিছুকে মেনে নেবার চেষ্টা করে, তাদের দুঃখ নেই।
–সুইফট
১০. যারা সন্ন্যাসী হয়েছেন–সংসারের বন্ধন হতে আপনি মুক্ত হয়েছেন তাঁরা বনে গিয়ে ঈশ্বরের ধ্যানে নিযুক্ত হন, এটা বিচিত্র কথা নয়। কিন্তু যারা স্ত্রী-পুত্র-পরিবার পিতামাতার সমস্ত কাজ করে মনে মনে ঈশ্বরকে স্মরণ করতে পারে–তাদের প্রতি ভগবানের অধিক কৃপা প্রকাশ পেয়ে থাকে।
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ
১১. সংসার সাগরে
দুঃখ তরঙ্গের খেলা
আশা তার একমাত্র ভেলা।
গিরিশচন্দ্র ঘোষ
১২. অসতী স্ত্রীলোক বাপ-মা ও সমস্ত পরিবারের ভেতর থেকেও সংসারের কাজকর্ম করে, কিন্তু তার মন পড়ে থাকে সেই উপপতির প্রতি। হে সংসারী জীব, মন ঈশ্বরে রেখে তুমিও বাপ-মা পরিবারের কাজ কোরো।
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ
১৩. সংসার মানে ব্যর্থ বাসনা, বেদনার জলাভূমি,
সংসার মানে সংসার ভাঙা, সংসার মানে তুমি।
–নির্মলেন্দু গুণ
১৪. সংসারিক কর্তব্যপালনই প্রকৃতপক্ষে ধর্মকার্য। দুনিয়া চোখের সামনেই তো পড়ে রয়েছে। কেতাবের চেয়ে দুনিয়া থেকে মানুষের শেখবার আছে বেশি।
–আলমগির
১৫. সংসার যে কি ভয়ানক জায়গা দুঃখেকষ্টে না পড়লে বোঝা যায় না। দুঃখীকে কেউ দয়া করে না, সবাই ঘৃণা করে।
বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৬. প্রত্যেক অতিথি একে অপরকে অপছন্দ করে আর অতিথিসেবক সবাইকে অপছন্দ করে থাকে।
আলবেনীয় প্রবাদ
১৭. যত প্রকার বন্ধন আছে তার মধ্যে সবচেয়ে মধুর বন্ধনই হলো অতিথি আর অতিথিসেবকের মধ্যে।
জর্জ ডব্লিউ রাসেল
১৮. প্রথম দিন যিনি অতিথি, দ্বিতীয় দিনে তিনি বোঝা এবং তৃতীয় দিনে তিনি বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ান।
ল্যাবোলাই
১৯. যিনি কারও বাড়িতে দীর্ঘদিন আতিথ্য গ্রহণ করেন, তিনি শুধু নির্বোধই নন, চূড়ান্তরূপে অসামাজিকও।
–সৈয়দ সব্যসাচী
২০. কারও বা থাকে দাবি, কারও থাকে দায়; এই দুই নিয়ে সংসার।
– –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২১. হাসিখুশি প্রাণবন্ত গৃহের অনেক শত্রু থাকে।
–অ্যারন বার
২২. সেই গৃহই ভালো যে-গৃহে নিরাপত্তা আছে।
–জর্জ কোলম্যান
২৩. দূরত্ব কখনো রক্তের সম্বন্ধ ভাঙতে পারে না–তাই ভাই সবসময় ভাই থাকে।
–কেবলে
২৪. ভাইয়ের সঙ্গে ভাইয়ের রক্তের সম্পর্ক। যতই মনোমালিন্য আর শত্রুতা হোক ভাইয়ের বিপদে ভাই চুপ করে বসে থাকতে পারে না।
