–ডা. লুৎফর রহমান
৬৮. বুদ্ধিমান পুরুষ তার বিবাহ সম্পর্কে একটু খতিয়ে চিন্তা করলে বেশ বুঝতে পারে, এটা হল প্রভু-ভৃত্য সম্পর্কে সে হল ভৃত্য।
–অজ্ঞাত
৬৯. বিবাহের সময় বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে ভুলো না, অন্তরের সৌন্দর্যের সন্ধান নাও।
আর. বি. ল্যান্ডস
৭০. বিবাহের অব্যবহিত পরে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মনই উদ্দাম আবেগপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ইচ্ছে হয় সব সময় স্বামীর সঙ্গে গল্প করেন। ঘরের মধ্যে স্বামীর সঙ্গে হাসাহাসি ও আলাপ করেন। একটু পুরনো হলে অর্থাৎ বিয়ের দু’এক বৎসব পর এ আবেগ থাকে ন।
–ডা. লুৎফর রহমান
৭১. নারী স্বামীর কাছে হবে একখানা মূর্তিমতী কবিতা, সেখানে জ্ঞান ও আনন্দ, দুই-ই পাওয়া যায়।
–ডা. লুৎফর রহমান
৭২. একবার বিয়ে করাটা কর্তব্য, দুবার বিয়ে করাটা একটা বোকামি ও ভুল। তৃতীয়বার বিয়ে করাটা পাগলামি।
–ওলন্দাজ প্রবাদ
৭৩. স্বামীর গৌরবেই স্ত্রীলোকের গৌরব। স্বামীকে বাদ দিয়ে মেয়েমানুষের কিসের গৌরব?.স্বামীকে বাতাস করতে তার লজ্জা, কষ্ট বা অপমান বোধ হয় না, তিনি স্বামীর পা ধুইয়ে দিতে আনন্দ বোধ করেন, দাসীরূপে নয়–বন্ধুরূপে।
–ডা. লুৎফর রহমান
৭৪. বিবাহিত পুরুষদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মেরুদণ্ড সোজা রাখা সম্ভব হয় না।
-–লেনিন
৭৫. প্রণয়সাপেক্ষে পরিণয়ই আমাদের দেশের ঘৃণিত পণপ্রথার মূলে কুঠারাঘাত করিতে পারে।
–আবুল হাসানা
৭৬. সত্যিকার বিয়ের একটিমাত্র শর্ত থাকবে যারা পরস্পরকে ভালোবাসে তারাই স্বামী-স্ত্রী।
–এলেন কী
৭৭. বিয়ে হচ্ছে দুই বিপরীত স্নায়ুতন্ত্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। এমিল ব্রুটকি ৭৮. অবিবাহিতরা প্রায়ই বন্ধু হিসেবে এবং ভৃত্য হিসেবে সর্বোত্তম।ফ্রান্সিস বেকন
৭৯. যতক্ষণ নরনারীর হৃদয়ের মধ্যে সত্যিকার প্রেমের যোগ থাকে, ততক্ষণই বিবাহ সার্থক ও সত্য। যে-মুহূর্তে প্রেমের মৃত্যু, সেই মুহূর্তেই উদ্বাহু-বন্ধন উদ্বন্ধন (ফাস) হইয়া উঠে।
অজ্ঞাত
৮০. যে নারী স্বামীর সাধন-পথের সহায়ক না হয়ে অন্তরায় হয়েছেন, তিনি তাঁর নারীজীবনকে ব্যর্থ করে দিয়েছেন।
–ডা. লুৎফর রহমান
৮১. নারীর সৌন্দর্য এবং নরের ঐশ্বর্য দাম্পত্য সুখের সহায়। কিন্তু কুরূপা স্ত্রী বুদ্ধিমতী হলে নিশ্চয় নিজেকে সুন্দরীশ্রেষ্ঠ মনে করে না, এবং দরিদ্রতম পুরুষও জানে কোথায় তার দুর্বলতা। তবু একে অপরের মুগ্ধদৃষ্টি কামনা করে। কারণ, সেরা না হলেও বিশেষ হতে বাধা নেই। প্রকৃতি সকলকেই কিছু-না-কিছু বিশেষত্ব দিয়ে গড়েছে। এই যুক্তিসঙ্গত চাহিদাটুকু পূরণ না হলে সুখের সংসার কেবল গল্পকথা।
–আবদুর রহমান শাদাব
৮২. দাম্পত্য-দ্বন্দ্ব কোনো মানুষই এড়াতে পারে না। সংসারে আপোস করতেই হয়। দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য অসন্তোষ সংসারে ভাঙন ডেকে আনে।
ডরোথি কার্নেগি
৮৩. জন্তু-জানোয়াররাই প্রভুর ইচ্ছামতো সঙ্গীসাথি পেয়ে থাকে, মানুষেরই রুচি ও ভালোলাগার প্রশ্ন।
লিও টলস্টয়
৮৪. ভালোবাসাহীন বিয়ে একটা বিয়েই নয়, ভালোবাসাই বিয়েকে পবিত্র করে, আর ভালোবাসা দ্বারা যে-বিয়ে পবিত্র হয়, সেটাই আসল বিয়ে।
লিও টলস্টয়
৮৫. সারা জীবন ধরে একটি পুরুষ বা নারীকে ভালোবাসা–আরে, সে তো একটিমাত্র মোমবাতি সারা জীবন ধরে জ্বলবে–এমনটা আশা করারই শামিল।
–লিও টলস্টয়
৮৬. আধ্যাত্মিক মিলন! ভাবের ঐক্য! তা হলে তো একসঙ্গে ঘুমোবার কোনো কারণই থাকে না। ভাবের ঐক্যের বশে মানুষ একসঙ্গে ঘুমুতে গেছে, এমন কথা কে কবে শুনেছে!
–লিও টলস্টয়
৮৭. ভালোবাসা স্বার্থপরতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
–লিও টলস্টয়
৮৮. স্ত্রীরা স্বামীদের কাছে সর্বদা তাদের রূপের, রান্নার ও গুণের প্রশংসা শুনতে চায়, কিন্তু ভুলেও কখনো তারা স্বামীকে অক্ষম অপদার্থ বলতে ক্ষান্ত দেয় না।
–শিশির ভট্টাচার্য
৮৯. অন্যকে নয়, আমাদের নিজেদের পরিতৃপ্ত রাখার জন্যই আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই।
–আইজ্যাক বিকারস্টাফ
৯০. বিয়ে করার অর্থ হচ্ছে নিজের অধিকারকে অর্ধেক করে নেওয়া এবং কর্তব্যকে দ্বিগুণ করা।
–শোপেনহাওয়ার
৯১. বিয়ে করার অনেক যন্ত্রণা, কিন্তু চিরকুমার ব্রতে কোনো সুখ নেই।
–ড. জনসন
৯২. মেয়েরা বিয়ের আগে কান্নাকাটি করে আর ছেলেরা বিয়ের পারে।
–পোলিশ প্রবাদ
৯৩. মেয়েরা যাকে গাল দেয় তাকেও বিয়ে করতে পারে, কিন্তু যাকে বিদ্রূপ করে তাকে নৈব নৈব চ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯৪. সকল সংস্কারকই অবিবাহিত ছিলেন।
–জর্জ মুর
৯৫. স্ত্রী-পুরুষের শারীরিক সম্বন্ধে যেখানে অসত্য এবং অশান্তির যোগ সেইখানেই সেটা ব্যভিচার–যেখানে সেই আশঙ্কা নেই সেখানে সন্ন্যাসীর কথায় কান দেবার প্রয়োজন দেখি নে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯৬. স্ত্রীর সঙ্গে বীরত্ব করে লাভ কী। আঘাত করলেও কষ্ট, আঘাত পেলেও কষ্ট।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯৭. যৌন ইচ্ছা কোনো পাপের পরিণতি নয়। তা হল জীবনের স্বাভাবিক সুন্দর বহিঃপ্রকাশ।
— ফ্রয়েড
৯৮. স্ত্রী হচ্ছে যুবক স্বামীর রক্ষিতা, প্রৌঢ় স্বামীর সঙ্গিনী এবং বৃদ্ধ স্বামীর সেবিকা।
–ফ্রান্সিস বেকন
৯৯. যে-স্বামী স্ত্রীর ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করে, হয় সে দার্শনিক, নয় মূর্খ।
–বালজাক
১০০. বিয়ে করলে মানুষকে মেনে নিতে হয়, তখন আর গড়ে নেওয়ার ফাঁক পাওয়া যায় না।
