–মুনীর চৌধুরী
৩৪১. নিজের বুদ্ধির ফাঁদে পড়ে যে-ব্যক্তি যন্ত্রণা পায়, সে সত্যিই নির্বোধ।
টমাস মুর
৩৪২. মানুষ বুদ্ধির পরিচয় দেয় জ্ঞানের বিষয়ে, যোগ্যতার পরিচয় দেয় কৃতিত্বে, আপনার পরিচয় দেয় সৃষ্টিতে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৪৩. বড় প্রতিভাবান ব্যক্তিদের আত্মজীবনী খুবই সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। ইমারসন
৩৪৪. শিক্ষা জীবিকা উপার্জনের পথ বলে ধরে নেওয়া আমার সামান্য বুদ্ধিতে নিচু বৃত্তি বলে বোধ হয়। জীবিকা উপার্জনের সাধনা হচ্ছে শরীর, আর বিদ্যালয় হচ্ছে চরিত্র গঠনের সাধনা।
মহাত্মা গান্ধী
৩৪৫. প্রতিভা বলে কোনো জিনিস নেই। পরিশ্রম করো, সাধনা করো, প্রতিভাকে অগ্রাহ্য করতে পারবে।
ভলতেয়ার
৩৪৬. প্রতিভাবানদের আবিষ্কৃত জিনিস কখনো মূল্যহীন হয় না।
কুপার
৩৪৭. লুকানো প্রতিভা কোনো সুনামই অর্জন করতে পারে না। ইরাসমাস
৩৪৮. প্রতিভাবান ব্যক্তি কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের সম্পদ নন, বিশ্বের সম্পদ।
চার্লস ডিকেন্স
৩৪৯. শিক্ষা ছাড়া প্রতিভাবান ব্যক্তি অনেকটা খনিতে থাকা রুপোর মতো।
জন ফরস্টার
৩৫০. প্রতিভা তৈরি করা সম্ভব নয়; প্রতিভার জন্ম হয়।
ড্রাইডেন
৩৫১. গুণ থাকলেও চেষ্টা না করলে জগতে প্রতিষ্ঠা লাভ করা যায় না।
–ডা. লুৎফর রহমান
৩৫২. প্রতিভা একভাগ প্রেরণা, আর নিরানব্বই ভাগ কঠিন পরিশ্রম। –এডিসন
৩৫৩. যখন বিশ্বে একটা সত্যিকার প্রতিভার আবির্ভাব ঘটে, তাকে তুমি এই লক্ষণ দ্বারা চিনতে পার যে, স্থূলবুদ্ধি ব্যক্তিরা তার বিরুদ্ধে সব একজোট হয়েছে।
–জোনাথন সুইফ্ট
৩৫৪. যে কখনো প্রশ্ন করে না, সে হয় সবকিছু জানে, নয়তো কিছুই জানে না।
ম্যালকম ফোবাস
৩৫৫. প্রতিভা অর্থাৎ বিরাট ধৈর্য।
বাফন
৩৫৬. বিজ্ঞান হল সংঘবদ্ধ জ্ঞানের সমষ্টি।
হার্বার্ট স্পেনসার
৩৫৭. পুঁথিতে যে-বিদ্যা থাকে, আর পরের হাতে যে-ধন থাকে, দুটিই সমান। দরকারের সময় সে-বিদ্যা বিদ্যা নয়, সে-ধন ধন নয়।
–চাণক্য পণ্ডিত
৩৫৮. বিদ্যা ভালোমন্দ বিবেচনা করিবার শক্তি আনিয়া দেয়। বিদ্যা বেহেশতের পথ আলোকিত করে। ইহা নির্জনে সঙ্গী, মরুভূমিতে সহচর ও ইহা আমাদের বিমলানন্দের দিকে লইয়া যায়, শত দুঃখ বিপদের মধ্যেও আমাদিগকে অটুট রাখে, বিদ্যা সমাজের অলংকারস্বরূপ এবং শত্রুর সম্মুখীন হওয়ার জন্য অমোঘ কবচ।
–আল-হাদিস
৩৫৯. বাড়িতে বাপ-মা-ভাই-বন্ধুরা যাহা আলোচনা করেন বিদ্যালয়ে শিক্ষার সঙ্গে তাহার যোগ নাই, বরঞ্চ অনেক সময় বিরোধ আছে। এমন অবস্থায় বিদ্যালয় একটা এঞ্জিনমাত্র হইয়া থাকে; তাহা বস্তু যোগায়, প্রাণ যোগায় না।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৬০. বিনয় হচ্ছে জ্ঞানের ফল।
–হযরত আলি (রা.)
৩৬১. বিদ্যার আধিক্য দ্বারা বিশেষজ্ঞের পরীক্ষা হয় না।
–প্লেটো
৩৬২. একজন বিশেষজ্ঞ হলেন তিনি, যিনি ক্রমাগতভাবে অল্প বিষয়ে বেশি জ্ঞান অর্জন করেন।
–নিকোলাস এসবাটলার
৩৬৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জানেন জীবনের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে ছাত্রকে সহায়তা দান করাই তার প্রধান কর্তব্য।
—-অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন
৩৬৪. একটি ডিগ্রি মানে একটি প্রতিশ্রুতি। এ-প্রতিশ্রুতি বিদ্যায়তনিক কৃতিত্ব নয়, জাগতিক স্বীকৃতি। ওজনে একে মাপা যায় না।
–অধ্যাপক জি. জে. হার্টস
৩৬৫. মূর্খতা মানুষের সহজাত রোগ। অনুশীলনের মহৌষধ প্রয়োগ করে সেই রোগের চিকিৎসা করতে হয়।
মওলানা মহিউদ্দিন
৩৬৬. প্রত্যেক জিনিসের কিছু এবং কিছু জিনিসের সবকিছু পড়া ভাল। ব্রোগাহাম
৩৬৭. বিদ্যালয়ের শিক্ষক হচ্ছেন একজন মিস্ত্রি, যিনি গঠন করেন মানবাত্মা।
ইকবাল।
৩৬৮. শিক্ষার সবচাইতে বড় অঙ্গটা বুঝাইয়া দেওয়া নহে, মনের মধ্যে ঘা দেওয়া।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৬৯. শিক্ষা উন্নতদের জন্য অলংকার, আর দুর্ভাগাদের জন্য আশ্রয়স্বরূপ।
ডিমোক্রিটাস
৩৭০. বিদ্যা শিক্ষা কাকে বলি? বই পড়া? নানাবিধ জ্ঞানার্জন করা? তাও নয়। যে শিক্ষার দ্বারা ইচ্ছাশক্তির বেগ ও স্ফুর্তি নিজের আয়ত্তাধীন ও সফলকাম হয়, তা-ই শিক্ষা।
–স্বামী বিবেকানন্দ
৩৭১. কয়েকটা পাশ দিলে বা ভাল বক্তৃতা করতে পারলেই তোমাদের কাছে শিক্ষিত হল। যে বিদ্যার উন্মেষে ইতরসাধারণকে জীবন সংগ্রামে সমর্থ করতে পারা যায় না, যাতে মানুষের চরিত্রবল,পরার্থপরতা, সাহসিকতা এনে দেয় না, সে কি আবার শিক্ষা? যে শিক্ষায় জীবনে নিজের পায়ের উপর দাঁড়াতে পারা যায়, সে-ই হচ্ছে শিক্ষা।
–স্বামী বিবেকানন্দ
৩৭২. যে শকটের এক চক্র বড় (পতি) এবং এক চক্র ছোট (পত্নী) হয়, সে শকট অধিক দূরে অগ্রসর হইতে পারে না, সে কেবল একই স্থানে (গৃহকোণেই) ঘুরিতে থাকিবে।
–বেগম রোকেয়া
৩৭৩. বিদ্যা হতে বিনয়ের জন্মলাভ হয়। বিনয়ী না হলে কেহ যোগ্য পাত্র নয়। যোগ্যতায় আসে ধন, ধর্ম লাভ ধনে, ধর্ম হতে যত কিছু সুখ জাগে মনে।
–বিষ্ণু শর্মা
৩৭৪. যে পথে যথাসম্ভব কম জেনে যতদূর সম্ভব বেশি মার্ক পাওয়া যায়, আমরা সেই পথে চলব। এ তো দেকছি শিশুকাল থেকেই ফাঁকি দেয়ার বুদ্ধি অবলম্বন।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৭৫. যে সমাজে কিছুই ভাববার নেই, কিছু করবার নেই, সমস্তই ধরাবাঁধা, সে সমাজ কি বুদ্ধিমান, শক্তিমান মানুষের বাসের যোগ্য? সে সমাজ মৌমাছির চাক বাঁধবার জায়গা।
