লুলহাম
৩৬. কায়াহীন ছায়া আর নারীহীন সংসার একই। নারীর মাহাত্মও এখানেই।
–আশুতোষ মুখোপাধায়
৩৭. স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর স্বভাবের অমিল থাকলেই মিল ভালো হয়, শুকনো মাটির সঙ্গে জলধারার মতো।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৮. বোবার শত্রু নেই যে বলেছিল, সে নিশ্চয় ছিল অবিবাহিত।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৯. আমার জীবনসঙ্গিনী যদি ভালো না হয়, তবে আমার ভালো গৃহ দিয়ে কী হবে?
–এডনা লিয়েন
৪০. প্রিয়তমা তরুণীর সঙ্গে দশ মাইল হেঁটে গেলেও কিছু মনে হবে না, অথচ বিরক্তিকর স্ত্রীর সঙ্গে দশ পা হাঁটতে কষ্ট হবে।
—ডেল কার্নেগি
৪১. যে-সংসারে স্বামী-স্ত্রীতে নিয়মিত কলহ হয়, সেই সংসারে নরকের আবহাওয়া বয়।
–কিপলিং
৪২. দাম্পত্যজীবনে স্ত্রী স্বামীর, স্বামী স্ত্রীর অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তাই স্ত্রী কিছুদিনের জন্য বাপের বাড়ি গেলে স্বামী অস্থির হয়ে ওঠে। স্বামীবিরহেও নারী কাতর বিরহিণীর দিন কাটায়।
–সৈয়দ শামসুল হক
৪৩. স্ত্রীলোককে স্পর্শ না করা মানুষের পক্ষে শ্রেয়, কিন্তু ব্যভিচার নিবারণের জন্য প্রত্যেক পুরুষের নিজের নিজের স্ত্রী থাকুক এবং প্রত্যেক স্ত্রীর নিজের নিজের স্বামী থাকুক। স্বামী স্ত্রীকে তাহার প্রাপ্য দিক। আর সেইরূপ স্ত্রীও স্বামীকে দিক। নিজ দেহের উপর স্ত্রীর কর্তৃত্ব নাই, কিন্তু স্বামীর আছে, আর সেইরূপ নিজ দেহের উপরে স্বামীর কর্তৃত্ব নাই, কিন্তু স্ত্রীর আছে। তোমরা একজন অন্যজনকে বঞ্চিত করিও না।
বাইবেল
৪৪. যদি ভালো স্ত্রী পাও, তা হলে তোমার নিজের লাভ। কারণ তখন তুমি সুখী হতে পারবে। কিন্তু যদি খারাপ স্ত্রী পাও তা হলে দেশের লাভ, কারণ তখন তুমি দার্শনিক হতে পারবে।
–অজ্ঞাত মনীষী
৪৫. পৃথিবীর সবকিছুই সম্পদ। এই পার্থিব সম্পদের মধ্যে উৎকৃষ্ট সম্পদ হল সাধ্বী স্ত্রী।
–আল-হাদিস
৪৬. বিধিসম্মত অপ্রীতিকর কাজগুলোর মধ্যে তালাকই খোদাতালার নিকট অন্যতম।
–আল-হাদিস
৪৭. যে-রমণী বিনা কারণে বিবাহবন্ধন ছিন্ন করতে চায়, বেহেশতের সুঘ্রাণ তার জন্য নিষিদ্ধ।
–আল-হাদিস
৪৮. তোমার স্ত্রীর প্রতি তোমার এতটা অধিকার আছে যে যেরূপ সুন্দর সুগন্ধ আঘ্রাণ করিয়া সুখী হও, সেইরূপ তাহার সহিত বাস করিয়া তাহার সৌন্দর্য ও সঙ্গসুখ ভোগ করো। তাহাকে তোমার দাসী ও গৃহরক্ষিকা করিবার তোমার অধিকার নাই।
–হযরত আলি (রা.)
৪৯. একজন লোক সৎ বা অসৎ থাকা পুরোপুরিভাবে তার স্ত্রীর উপর নির্ভর করে।
–রর্বাট হ্যারিক
৫০. আমি যেহেতু বিবহিত মানুষ সেজন্য আমার যন্ত্রণার ও বেদনার শেষ নেই।
রিচার্ড ডিউক
৫১. বিবাহে পূর্ণ স্বাধীনতা কেবলমাত্র তখনই ব্যাপকভাবে কার্যকর হতে পারে যখন পুঁজিবাদী উৎপাদনব্যবস্থার বিলোপ এবং তার ফলে সৃষ্ট সম্পত্তির সম্পর্ক এখানকার জীবনসাথি বেছে নেয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড প্রভাব বিস্তারকারী গৌণ অর্থনৈতিক কারণগুলোকে দূর করে দেবে, তখন পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ ছাড়া আর কোনো মতলব থাকবে না।
–এঙ্গেলস
৫২. বিয়ের অনেক জ্বালা, কিন্তু চিরকৌমার্যে কোনো সুখ নেই।
–ড. জনসন
৫৩. নিয়তি আমাদের যা দান করেন, তার মধ্যে সবচেয়ে আশ্চর্য দান হল স্ত্রী।
পোপ
৫৪. মনেরমতো স্ত্রী আর সংসার হলে জীবনের সব দুঃখ, সব ব্যর্থতা, সব সমস্যার মোকবিলা করা যায়।
–নিমাই ভট্টাচার্য
৫৫. মেয়েটি যে-ছেলেকে ভালোবাসে তাকে বিয়ে করার চেয়ে ছেলেটি যে মেয়েকে ভালোবাসে তাকে বিয়ে করাই শ্রেয়।
আরবি প্রবাদ
৫৬. পুরুষ বিয়ে করে কারণ সে পরিশ্রান্ত। মেয়েরা বিয়ে করে কারণ তারা উৎসুক, কিন্তু বিয়ের পর তারা উভয়েই হতাশ হয়।
অস্কার ওয়াইল্ড
৫৭. যিনি সম্পদের লোভে বিয়ে করেন, তিনি নিজের সত্তাকে বিকিয়ে দেন।
–টমাস ফুলার
৫৮. যখন কোনো ব্যক্তি বিবাহ করিল তখন তাহার ধর্মকর্ম অর্ধেক সম্পাদিত হইল।
–আল-হাদিস
৫৯. বিয়ে করার জন্য কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না। কিন্তু কেউ বিয়ে করলে তাকে অবশ্যই বিয়ের নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।
কার্ল মার্কস
৬০. বিবাহপ্রথার প্রায় শুরুর কাল থেকেই বিবাহবিচ্ছেদেরও শুরু; আমার মনে হয় বিবাহ-প্রথা মাত্র কয়েক সপ্তাহ বেশি প্রাচীন।
ভলতেয়ার
৬১. হিন্দুশাস্ত্রমতে বিবাহ কোনো সম্পাদিত দলিল মোতাবেক চুক্তি না, এটি নারী ও পুরুষের আদি ও প্রাকৃতিক পবিত্র বন্ধনবিশেষ যার বিচ্ছেদ ঘটানো যায় না।
বি. সি. রায়
৬২. তাড়াহুড়ো করে বিবাহ করলে পরে অনুতপ্ত হতে হয়।
কংগ্রিভ
৬৩. প্রেমের অভাবে নয়, বরং বন্ধুত্বের অভাবেই বিবাহ অসুখের হয়।
–ফ্রেডরিক নিৎসে
৬৪. পাপে নয়, পতি পুণ্যে সুমতি
থাকে যেন, হয়ো পতির সারথি।
পতি যদি হয় অন্ধ, হে সতী
বেঁধো না নয়নে আবরণ,
অন্ধ পতিরে আঁখি দেয় যেন
তোমার সত্য আচরণ।
কাজী নজরুল ইসলাম
৬৫. থাকুক আমার বিয়া,
বিবাহ যে কি পদার্থ।
বোঝে না যে অপদার্থ
অর্থ লোভে পুরুষার্থ
যে ফেলে বেচিয়া।
অমন শিক্ষায় ধিক
শত দর্শনে সে অন্ধ অধিক
বিজ্ঞানে তার জ্ঞান নাই মোটে–
ময়না শালিক টিয়া।
–গোবিন্দচন্দ্র দাস
৬৬. ইমানের পর চরিত্রবান স্ত্রীলাভ একটি বিরাট নিয়ামত।
হযরত ওমর ফারুক (রা.)
৬৭. স্বামী যদি কোনো পাপ ও অন্যায় কাজে রত হয়ে যান, যদি তিনি নীচ ও হীন প্রকৃতির লোক হন, তা হলে স্ত্রীর যে কিভাবে তার সঙ্গে চলতে হবে তা বলাই শক্ত। সর্বদা মিষ্ট কথায় স্নেহমায়ায় স্বামীকে উন্নত করতে চেষ্টা করবে। তাঁকে সাধু পবিত্র ও পর-দুঃখে কাতর হতে উদ্বুদ্ধ করবে। দরিদ্র হওয়া ভাল, তবুও পাপের পথে, অন্যায়ের পথে হাঁটা কর্তব্য নয়, এই কথা স্বামীকে বার বার শোনাবে। স্ত্রীর মঙ্গল শক্তিতে স্বামীর চিত্ত মহত্ত্বে ভরে উঠতে পারে।
