–আবু জাফর
১৮৩. নারী জননী না হলে আপনাকে চিনতে পারে না। কৌমার্য ও জননীর মধ্যে নারীর আসল রূপ লুকানো থাকে, তাই সন্তান আসে পিতা ও মাতার প্রেমের নিরিখ হয়ে।
শেলি
১৮৪. মেয়েরা অতীতের সঙ্গে বর্তমানের সেতু, পুরুষেরা বর্তমানে সঙ্গে ভবিষ্যতের।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৫. যুবতী কিছু জানে না,
শুধু প্রেমের কথা বলে
দেহ আমার সাজিয়েছিল প্রাচীন বল্কলে।
আমিও পরিবর্তে তার রেখেছি সব কথা
শরীর ভরে ঢেলে দিয়েছি আগুন প্রবণতা।
–শঙ্খ ঘোষ
১৮৬. শিঙে শান দিবার জন্য হরিণ শক্ত পাছের গুঁড়ি খোঁজে, কলাগাছে তাহার শিঙ ঘষিবার সুখ হয় না। নর-নারীর ভেদ হওয়া অবধি স্ত্রীলোক দুরন্ত পুরুষকে নানা কৌশলে ভুলাইয়া বশ করিবার বিদ্যাচর্চা করিয়া আসিতেছে। যে স্বামী আপনি বশ হইয়া বসিয়া থাকে তাহার স্ত্রী বেচারা একেবারেই বেকার।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৭. উদাসীন লোকের স্ত্রী প্রায় বিধবার মতোই জীবনযাপন করে।
হাঙ্গেরীয় প্রবাদ
১৮৮. স্বামী মানে আসামী।
–শংকর
১৮৯. বক্তা স্বামীর চেয়ে শ্রোতা স্বামী ঢের ভাল।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯০. যে-স্বামী তার স্ত্রীকে প্রহার করে, জানবে তার বীরত্ব প্রকাশের জায়গা আর কোথাও নেই।
–জে.বি. ক্যারল
১৯১. যে-জাতি মেয়েদের মর্যাদা দেবে না, সে-জাতি বিশ্বে কোনোদিন মর্যাদা পাবে।
সুইনবার্ন
১৯২. মেয়েচরিত্রই হচ্ছে তাই, যখন আমরা ভলোবাসতে যাই তখন তারা ভালোবাসে না, যখন প্রেম জানাতে আসে তখন আমরা তাদের ভালোবাসি না।
–কার্ভেন্টিস
১৯৩. মেয়েদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ জবাবের মধ্যে আমি সামান্য পরিমাণও পার্থক্য দেখি না। কারণ ঐ দুটো অঙ্গে অঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
–কার্ভেন্টিস
১৯৪. বিড়াল, পাখি এবং মেয়েরা এই ধরনের প্রাণী যারা নিজেদের প্রসাধনের উপর সর্বাধিক সময় নষ্ট করে থাকে।
চার্লস নডায়ার
১৯৫. পুরুষেরা মেয়েদের খেলার সামগ্রী আর মেয়েরা শয়তানের খেলার সামগ্রী।
ভিক্টর হগো
১৯৬. তোমার মধ্যে নিষ্ঠুরতা ছিল
এনভেলাপে ভুল ঠিকানা তাই
তোমার মধ্যে ভালোবাসাও ছিল
তারই আগুন জ্বালাচ্ছে দেশলাই।
তোমার মধ্যে ভালোবাসাও ছিল
লাল হয়েছে ছুরির নীল ধার
তোমার মধ্যে নিষ্ঠুরতাও ছিল
উপড়ে দুলে টেলিফোনের তার।
–পুর্ণেন্দু পত্রী
১৯৭. গরিব লোক যদি ধনী নারী বিয়ে করে তা হলে সে স্ত্রী পায় না, পায় একজন শাসক।
–আলেকজেনডিডেস
১৯৮. মেয়েলোক হল একটি নলখাগড়ার ডাটার মতো যা সামান্য বাতাসেই হেলে পড়ে, কিন্তু প্রচণ্ড ঝড়েও ভাঙে না।
–হোয়াটলে
১৯৯. একজন মহিলার ব্যবহার যদি মাধুর্যহীন হয় তাবে সে-গৃহ নিঃসন্দেহে শ্রীহীন।
–বেন জনসন
২০০. তার ঠোঁটে হাসি আর চোখে কান্না, তাই সে এত সুন্দর।
স্যামুয়েল লাভার
২০১. মেয়েদের বাইরে কাজ থাকলে চলবে না। আমাদের দেশের প্রত্যেক মহিলাকে গৃহিণী ও জননী হতে হবে।
হিটলার
২০২. কেউ দিদি ডাকলে মেয়েরা একটু চিন্তিত হয়। দাদা সম্বন্ধটা এদেশে তত নিরাপদ নয়।
–শংকর
২০৩. ঈশ্বরের সেবা করবে পুরুষ, আর পুরুষের সেবা করবে নারী।
পোপ পল
২০৪. পুরুষের যত অর্থ, অন্য যত গুণই থাক, মেয়েদের মনকে জয় করতে শরীরেরও প্রয়োজন।
–শংকর
২০৫. মেয়েরা ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোক আর যাই হোক ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ব্যাপারে তারা বড়ই অসহায়।
–শংকর
২০৬. নারীর ভালোবাসা আত্মা থেকে উদ্ভূত হয়ে দেহের মাঝে ছড়িয়ে পড়তে চায়।
–এলেন কী
২০৭. আদর্শ পুরুষের চাইতে আদর্শ নারী মানবজাতির উচ্চস্তরের বিকাশ।
–নিৎসে
২০৮. অন্যের কাছ থেকে শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালোবাসা পাওয়াই তো একজন রমণীর সেরা প্রার্থনা।
–গ্যেটে
২০৯. সুন্দরী মহিলা স্বাগত অতিথি।
যাযাবর
২১০. যে-পর্যন্ত একজন মহিলা নিজেকে কন্যার চেয়ে দশ বছর ছোট করে দেখতে পান, ততদিনই তিনি পরিপূর্ণ তৃপ্ত থাকেন।
–অস্কার ওয়াইল্ড
২১১. মেয়েরা শিল্পকলায় আকৃষ্ট হয় না, আকৃষ্ট হয় শিল্পকলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কচকচানিতে।
–আন্তন চেখভ
২১২. নারীরা ভালোবসার জন্য, জানার জন্য নয়।
–অস্কার ওয়াইল্ড
২১৩. পুরুষরা মেয়েদের সম্বন্ধে খুশিমতো কথা বলে, মেয়েরা পুরুষদের নিয়ে খুশিমতো কাজ করে।
–সেন্ট জেরাম
২১৪. মেয়েরা সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র বৈ আর কিছু নয়।
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
২১৫. মেয়েরা বিয়ে করে সমাজে প্রবেশের জন্য, পুরুষ বিয়ে করে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য।
–তাইপে
২১৬. দেহের সুখে মেয়েদের প্রায়ই সায় থাকে না। স্বামীর কাছে যে তারা যায়, তাও কর্তব্যের তাগিদে, দেহের তাগিদে নয়।
বার্ট্রান্ড রাসেল
২১৭. পুরুষের সমস্ত কাজ নারী করিতে পারে না, নারীর সমস্ত কাজও পুরুষ করিতে পারে না।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২১৮. যাদের রূপ নেই, কুরূপা–তারাই বেশি প্রসাধনী ব্যবহার করে।
সঞ্জীব চেট্টাপাধ্যায়
২১৯. অনিষ্টকর চিন্তায় স্ত্রীলোক পুরুষ অপেক্ষা অধিকতর তীক্ষ্ণ।
–ডিমোক্রিটাস
২২০. পুরুষমানুষ কাজ করে, চিন্তা করে, আর মেয়েরা সবকিছু অনুভব করে।
–ক্রিস্টিনা রসেটি
২২১. নারীর শরীরই তার নিয়তি, দৈহিক ও মানসিক উভয় প্রয়োজনেই পুরুষের উপর অবলম্বন করা ব্যতীত উপায় নেই।
২২২. দুনিয়ার সবচেয়ে মস্ত হেঁয়ালি হচ্ছে মেয়েদের মন।
–কাজী নজরুল ইসলাম
২২৩. ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ অবদান নারী।
