প্রবোধকুমার সান্যাল
১৫৩. আজ মেয়েদের শক্তি জাগ্রত হোক, ধর্মের নব আলোকে সকল দ্বন্দ্বকে ঘুচাইয়া মেয়েরা আজ বিশ্বসভায় আসন লাভ করুক। আজ মিথ্যাকে দূর করিয়া মেয়েরা সত্যের উপর জীবন প্রতিষ্ঠিত করুক, মেয়েদের জীবন সত্য হইলেই দেশের সাধনা সত্য হইবে, দেশের অপমানের বোঝা নামিয়া যাইবে।
হেমলতা দেবী
১৫৪. মেয়েরা যথার্থ নিষ্ঠুর হাতে জানে, পুরুষ তেমনি জানে না, কেননা কর্মবুদ্ধি পুরুষকে দুর্বল করে দেয়, মেয়েরা সর্বনাশ করতে পারে অনায়াসে,পুরুষও পারে, কিন্তু তাদের মনে চিন্তার দ্বিধা এসে পড়ে, মেয়েরা ঝড়ের মতো অন্যায় করতে পারে, সে অন্যায় ভয়ংকর সুন্দর, পুরুষের অন্যায় কুশ্রী, কেননা তার ভিতর ন্যায়বুদ্ধির পীড়া আছে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৫. নীরবতা মেয়েদের প্রধান ভূষণ, যদিও মেয়েরা তা পালন করে না।
–জন উইলসন
১৫৬. স্ত্রী-পুরুষের বন্ধুত্বে আমি বিশ্বাস করিনে। সে হয় বাড়তে বাড়তে অনুরাগের কোঠায় পৌঁছায়, নয় তো কমতে কমতে পরিচয়ের পর্যায়ে নামে। অনাত্মীয় নরনারীর মধ্যে মাত্র দুটি সম্পর্ক সম্ভব। হয় দ্রতার, নয় তো প্রেমের।
যাযাবর
১৫৭. দেহের শুচিতা স্ত্রীলোকের পক্ষে সকলের বড় কথা। এই শুচিতাকে অকলঙ্ক রাখাই মেয়েদের জীবননীতি। দেহের এই শুচিতা হইতেই তাহাদের সামাজিক অধিকার, সম্মান, প্রতিপত্তি, গৃহশ্রী ও কল্যাণ। ইহা বিনষ্ট হইলে তাহারা জঞ্জাল।
–প্রবোধকুমার সান্যাল
১৫৮. নীরবতা এক ধরনের সুন্দর অলংকার যা একমাত্র মহিলাদের শোভনীয়।
হেনরি জেমস
১৫৯. আমি তেমন পুরুষকেই পছন্দ করি যার ভবিষ্যৎ আছে, আর তেমন মহিলাকেই পছন্দ করি যার অতীত আছে।
অস্কার ওয়াইল্ড
১৬০. নারীগণ তোমাদের পুরুষগণের জন্য বসনস্বরূপ এবং তোমরা পুরুষগণ নারীদের জন্য বসনস্বরূপ।
–আল-কোরআন
১৬১. একটি পরিবর্তনকে স্ত্রীলোকেরাই সহজে মেনে নিতে পারে, একজন পুরুষ এত সহজে তা পারে না।
–ডিজরেইলি
১৬২. পুরুষের জীবনের চার আশ্রমের চার অধিদেবতা। বাল্যে মা, যৌবনে স্ত্রী; প্রৌঢ়ত্বে কন্যা, পুত্রবধূ; বার্ধক্যে নাতনী, নাত-বউ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬৩. ধ্বংসের মধ্যে দাঁড়িয়ে যে জয়ের কথা বলতে পারে, সে-ই তো সত্যিকার অর্থে তেজোদীপ্ত পুরুষ।
–হেনরি বাগসন
১৬৪. যে-পুরুষ অফিসে তড়পায় বেশি, জানবেন বড়িতে সে ভিজে বেড়াল।
অজ্ঞাত
১৬৫. পুরষেরা যেখানে দুর্বল মেয়েরা সেখানে তাদের খুব ভালো করেই চেনে কিন্তু পুরুষেরা যেখানে খাঁটি পুরুষ মেয়েরা সেখানকার রহস্য ঠিক ভেদ করতে পারে না। আসল কথা, পুরুষ মেয়েদের কাছে রহস্য আর মেয়েরা পুরুষের কাছে রহস্য। এই যদি না হবে তা হলে এই দুটো জাতের ভেদ জিনিসটা প্রকৃতির পক্ষে নেহাত একটা অপব্যয় হত।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬৬. পুরুষমানুষ কাজ করে, চিন্তা করে, আর মহিলারা সবকিছু অনুভব করে।
–ক্রিস্টিনা রসেটি
১৬৭. সুরা এবং নারী অনেক প্রতিভার অপমৃত্যু ঘটায়।
–জন রে
১৬৮. প্রাচ্যের নারী প্রধানত অবলা অবগুণ্ঠিতা, সহধর্মিণী। যৌবনে সে সতীসাধ্বী পতিপ্রাণা, বৈধব্যে কৃতাময়ী সাধনাব্রতী। বাৎসল্য, প্রীতি-ভক্তি, ধর্মভীরুতা তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।
–আহমদ নজীর
১৬৯. বর শুনলেই সকল নারীর মন কিশোরী হয়ে যায়।
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
১৭০. নারীমুক্তি আন্দোলন পুরুষ ও নারীর মধ্যকার সুসম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ইন্দিরা গান্ধী
১৭১. বিবাহ পুরুষকে দেয় স্থৈর্য, নারীকে দেয় প্রতিষ্ঠা। স্বামীর বাড়ায় দায়। স্ত্রীর বাড়ায় দাম। সে দাম নারীর নিজস্ব নয়। কানের উপর পাউডার এবং নখের উপর রঙের মতো সেটা প্রক্ষিপ্ত।
যারাবর
১৭২. তুমি যদি একজন অসুন্দর মহিলাকে বিবাহ কর তবে সে তোমার হবে এবং · যদি একজন সুন্দরী মহিলাকে বিবাহ কর তবে তুমি তার হবে।
বিয়ন
১৭৩. মেয়েরা বিয়ের আগে কান্নাকাটি করে, আর পুরুষেরা বিয়ের পর।
–পোলিশ প্রবাদ
১৭৪. বিয়েটাই একমাত্র বন্তু যেটাকে সব ছেলে এড়াতে চায়, আর সব মেয়েছেলে আগ্রহসহকারে ঘটাতে চায়।
–ওয়াইড
১৭৫. মেয়েদের লক্ষ রাখতে হবে যত তাড়াতাড়ি তারা বিয়ে বসতে পারে আর পুরুষের লক্ষ রাখতে হবে যত বেশিদিন তারা অবিবাহিত জীবনযাপন করতে পারে।
–জর্জ বার্নার্ড শ
১৭৬. বিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বেশ্যাবৃত্তি ছাড়া আর কিছু নয়। বিবাহরূপ দীর্ঘমেয়াদি বেশ্যাবৃত্তিতে মেয়েরা তাদের যৌন-সম্পদের বিনিময় করে আজীবন ভরণপোষণের সঙ্গে।
ইংরেজি প্রবাদ
১৭৭. কর্মবিমুখ মেয়েরাই ধনীর ছেলে বিয়ে করতে চায়।
হেলেন বাউল্যান্ড
১৭৮. কুমারী মেয়ে আর বিধবা মেয়ে দুজনেরই স্বামী নেই। কিন্তু তফাত যে কী একমাত্র বিধবাই বোঝে।
শংকর
১৭৯. মেয়েরা ভাগ্যে বিশ্বাস করে আর পুরুষেরা ভাগ্য তৈরি করে।
এমিলি গাবেরিয়াক
১৮০. একজন মহিলার সুন্দর হওয়ার চেয়ে ভালো হওয়ার বেশি প্রয়োজন।
–লংফেলো
১৮১. পুরুষ ভুল করে কারণ তারা স্বার্থপর। আর স্ত্রীলোক ভুল করে কারণ তারা দুর্বল।
–ম্যাডাম ডি স্টোইন
১৮২. মেয়েমানুষের মন কচুপাতার উপর জলবিন্দুর মতোই ক্ষণস্থায়ী অর্থাৎ সচরাচর এরা একটা জিনিস নিয়ে বেশি ভাববার আয়াস স্বীকার করতে চায় না, যেখানে আরাম আছে সেখানেই এদের পক্ষপাতিত্ব। বিশেষ নিত্যনতুন এক্সপিরিয়েন্স লাভ করার ইচ্ছে এদের প্রবল।
