৬৬. আমার পরিচিত মেয়েরা চৌষট্টি কলার কতগুলো কলার অধিকারী, তা নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। আমি মেয়েদের বন্ধু হিসাবেই দেখতে চাই।
–সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৬৭. প্রেম অক্ষুণ্ণ রাখে সৌন্দর্য। আর ফুল যেমন খাদ্য যোগায় মৌমাছিকে, তেমনি নারীদেহকে খাদ্য যোগায় সোহাগ।
–আনাতোল ফ্রাঁস
৬৮. একই বয়সের একজন কুমারী নারী অপেক্ষা একজন বিধবাই উত্তম।
–এডিসন
৬৯. অনিষ্টকর চিন্তায় স্ত্রীলোক পুরুষ অপেক্ষা অধিকতর তীক্ষ্ণ।
ডেমোক্রিটাস
৭০. তার সর্বোত্তম পোশাকে সুসজ্জিতা একজন শালীন নারীই হচ্ছে সৃষ্টির পরম সামগ্রী।
–গোল্ডস্মিথ
৭১. আমি কখনো কোনো সতী নারী দেখিনি যৌনসম্ভোগ যাদের আরও উত্তম করেনি। বিবাহিত নারীরা এজন্যেই কুমারী মেয়েদের চেয়ে বেশি সুস্বভাবের হয়, যদিও প্রকৃত সতী নারীদের প্রাপ্তিস্থান একটিই–গোরস্থান।
–ব্রিশ
৭২. মেয়েরা সাধারণত এত খারাপ যে, ভালো এবং মন্দ মেয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যায় না।
টলস্টয়
৭৩. ইস! আমি ভেবে অস্থির–মেয়েমানুষ না থাকলে পৃথিবীতে পুরুষের বেঁচে থাকা অর্থহীন হয়ে উঠত।
–ইমারসন
৭৪. মেয়েমানুষ না থাকলে আমরা জীবনের প্রারম্ভে অসহায়, মধ্যভাগে নিরানন্দ এবং শেষভাগে সান্ত্বনাহীন।
–দ্য জোই
৭৫. মেয়েদের সাথে যত পার কথা বলো। বক্তৃতা শেখার এটাই শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়। এখানেই অনর্গলতা অর্জন করতে হয়, কারণ কী বললে তা নিয়ে এখানে কিছু ভাবার দরকার নেই।
–ডিজরেইলি
৭৬. ভারতীয় নারীর বিভিন্ন আদর্শের মধ্যে মাতার আদর্শই শ্রেষ্ঠ স্ত্রী অপেক্ষাও তাহার স্থান উচ্চে। স্ত্রী-পুত্র হয়তো পুরুষকে কখনো ত্যাগ করিতে পারে, কিন্তু মা কখনো তা পারে না। সে-অবস্থায়ও মায়ের স্নেহ-ভালোবাসা একই রূপ থাকে এবং হয়তো একটু বর্ধিত হয়। মায়ের ভালোবাসার জোয়ার-ভাঁটা নাই, কেনা-বেচা নাই, জরা-মরণ নাই।
–অজ্ঞাত
৭৭. পুরুষেরা মেয়েদের সম্বন্ধে খুশিমতো কথা বলে, মেয়েরা পুরুষদের নিয়ে খুশিমতো কাজ করে।
–সেন্ট জেরোম
৭৮. নারী বন্ধু ও সহকর্মী বিবেচনা করার পরিবর্তে পুরুষরা নিজেদের তাদের প্রভু মনে করেছেন। নারীদের অবস্থাটা অনেকটা প্রাচীনকালের ক্রীতদাসের মতো যারা জানত না যে তারা কোনোদিন স্বাধীন হতে পারে।
মহাত্মা গান্ধী
৭৯. নারী এমন সব প্রথা ও আইনের পীড়নে নিগৃহীত হয়েছে, যা রচনায় তার কোনো হাত ছিল না। এর জন্য দায়ী পুরুষ।
মহাত্মা গান্ধী
৮০. মেয়েদের সবচেয়ে দুটো প্রিয় বস্তু to lie এবং to lie in bed. অর্থাৎ মিথ্যে কথা বলা আর বিছানায় শোয়া।
–শাচীন ভৌমিক
৮১. পুরুষের অন্ধ অনুকরণ করে বা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নারী পৃথিবীকে কিছু দিতে পারবে না। প্রতিদ্বন্দ্বিতা অবশ্য করতে পারে। তবে পুরুষের অন্ধ অনুকরণ করলে তার যতটা উপরে ওঠার যোগ্যতা আছে তা উঠতে পারবে না। নারীকে পুরুষের পরিপূরক হতে হবে।
মহাত্মা গান্ধী
৮২. পুরুষকে বুঝতে হবে যে নারী তার সাথি এবং জীবনসঙ্গিনী, তার কাম চরিতার্থ করার যন্ত্রমাত্র নয়।
মহাত্মা গান্ধী
৮৩. মেয়েরা কথা বলে না, শোনে। পুরুষের মুখে ওদের ভাষা, ওরা পুরুষের গ্রামোফোন।
–প্রবোধকুমার সান্যাল
৮৪. স্ত্রীলোকদিগের উপর যেরূপ কঠিন শাসন, পুরুষদিগের উপর সেরূপ কিছুই নাই। কথায় কিছু হয় না, ভ্রষ্ট পুরুষের কোন সামজিক দণ্ড নাই। একজন স্ত্রী সতীত্ব সম্বন্ধে কোন দোষ করিলে সে আর মুখ দেখাইতে পারে না, হয়তো আত্মীয়স্বজন তাহাকে বিষ প্রদান করেন, আর একজন পুরুষ প্রকাশ্যে সেইরূপ কার্য করিয়া, রোশনাই করিয়া, জুড়ি হাঁকাইয়া রাত্রিশেষে পত্নীকে চরণরেণু স্পর্শ করাইয়া আসেন, পত্নী পুলকিত হয়েন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৮৫. নারীর প্রেম পুরুষকে পূর্ণ শক্তিতে জাগ্রত করতে পারে। কিন্তু সে প্রেম যদি শুক্লপক্ষের না হয়ে কৃষ্ণপক্ষের হয় তবে তার মালিন্যের আর তুলনা নেই।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৮৬. একখণ্ড রুটির ভুখাকে যদি অনবরত অনাহারে রাখা হয় তা হলে অনন্যোপায় হয়ে সে অপরের মুখের গ্রাস কেড়ে নেবে। পুরুষকে যদি নারীদর্শন থেকে বিরত রাখা হয়, তখন সম্ভবত সে সমগোত্রের পুরুষ অথবা পশুর মাঝে নারীর প্রতিচ্ছবী দেখার ব্যর্থ চেষ্টা করবে।
সাদাত হাসান মান্টো
৮৭. রাজনৈতিক ভিত্তিতে একটি দেশ দ্বিখণ্ডিত করা যায়, ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটিকে অন্য থেকে পৃথক করা যায়, একই আইনে জমির মালিকানা হাতছাড়া হতে পারে, কিন্তু কোনো রাজনীতি, বিশ্বাস বা আইনের দ্বারা নারী-পুরুষকে এককে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না।
সাদাত হাসান মিন্টো
৮৮. পুরুষমানুষ কাজ করে, চিন্তা করে, আর মেয়েরা অনুভব করে।
ক্রিস্টিনা রসেটি
৮৯. যে পুরুষমানুষের পৌরুষ নেই, নারীর কাছে সে সবচেয়ে ব্যর্থ। সে পুরুষের উপর নারী নির্ভর করতে পারে না–নির্ভরতা বাইরের দিকে শুধু নয়, তার মনের বিশ্বাসের, তার আশা-আকাঙ্ক্ষার নির্ভরতা নারীর জীবনে সে পুরুষ অভিশাপ।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৯০. নারীর প্রেম তার জীবন, আর পুরুষ সেই জীবনকে উপভোগ করার উপলক্ষ।
ক্রাফ্ট
৯১. যে-পুরুষ একটি নারীকে বুঝতে পারে, সে পৃথীতে যে-কোনো জিনিস বুঝতে পারার গৌরব করতে পারে।
–জে. বি. ইয়েটস
