দিব্যেন্দু পালিত
৩৪. নারী পুরুষের জননী, ভগিনী ও অর্ধাঙ্গিনী। সে বিপদে বন্ধু, সম্পদে সুখ, গৃহে শান্তিরক্ষাকত্রী।
–আল-হাদিস
৩৫. যদি ইন্দ্রিয় দমন করিতে না পারে, তবে বিবাহ করুক–কেননা আগুনে জ্বলা অপেক্ষা বরং বিবাহ করা ভালো।
বাইবেল
৩৬. মেয়েরা ভালো করেই জানে যে তারা যতবেশি আজ্ঞাপালন করবে ততবেশি আজ্ঞাদানের ক্ষমতা তারা লাভ করবে।
–মিচিলেট
৩৭. আল্লাহ তোমাদের চেহারা দিয়েছে একরকম, তোমরা তাকে বানিয়েছ আরেক রকম।
–শেক্সপীয়ার
৩৮. নারীকে নিয়ন্ত্রণে রেখে পুরুষ আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার চায়–এর চেয়ে স্ববিরোধিতা হয় না।
বেগম সুফিয়া কামাল
৩৯. মহিলাদের কৌতূহল সাধারণত কিছু-কিছু জায়গাতেই সীমাবদ্ধ থাকে।
–জন পোল
৪০. একমাত্র নারী ছাড়া জগতে সকলেরই আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার আছে। নারীর স্বাধীনতা পুরুষ কখনোই অনুমোদন করতে চায় না।
সমীরণ মজুমদার
৪১. নারী যখন আপন প্রতিষ্ঠা থেকে ভ্রষ্ট হয়, তখন সংসারে সে ভয়ংকর বিপদ হয়ে দেখা দেয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪২. বেশির ভাগ পুরুষই এমন কুমারীকে কামনা করে, যারা বেশ্যার মতো।
–এডোয়ার্ড ড্যালবার্গ
৪৩. ঈশ্বর আদমকে সৃষ্টি করেছিলেন বিরক্তিকর একঘেয়েমিতে অতিষ্ঠ হয়ে। আদম যখন দেখল একা থাকা বিরক্তিকর, তখন সে চাইল হাওয়াকে। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে বিরক্ত হল, তখন খেলো তারা নিষিদ্ধ ফল। সেই থেকে বিরক্তি নিরন্তর তাড়া করে বেড়াচ্ছে আমাদের।
–কিয়ের্কেগার্ড
৪৪. পুরুষ হইল শৌর্য, নারী হইল সৌন্দর্য। পুরুষের বৈশিষ্ট হইল বিচার ও শক্তি এবং ইহার দ্বারাই সে সবকিছুর পরিচালনা করে। নারীর বৈশিষ্ট হইল ঘরের সামঞ্জস্যবিধান এবং পুরুষের বিচারবুদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করা।
বেদ
৪৫. সুন্দর মেয়ে বহু পাওয়া যায় কিন্তু সঠিক মেয়ে পাওয়া কষ্টকর।
ভিক্টর হুগো
৪৬. সাধারণত স্ত্রীজাতি কাঁচা আম, ঝাল, লঙ্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪৭. মানবদেহে যেমন দুই চোখ, দুই হাত, দুই পা, সমাজদেহে তেমনি নর ও নারী। যে-দেহে এক চোখ কানা, এক হাত নুলা, এক পা খোঁড়া সে দেহ বিকলাঙ্গ। নারীজাতির সুষ্ঠু উন্নতি ব্যতীত সমাজকে সমুন্নত বলা যায় না।
–ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
৪৮. এক লোককে বলতে শুনেছি দস্যুরা অর্থ অথবা জীবন যে-কোনো একটা দাবি করে মেয়েদের প্রয়োজন দুটোই।
বাটলার
৪৯. মেয়েরা আমাদের সেই মহৎ স্বপ্নে অনুপ্রাণিত করে যা বাস্তবায়নে তারা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে।
দুমা
৫০. নারীর আশ্চর্য মেধা থাকলেও প্রতিভা থাকে না। প্রতিভা অর্থাৎ সৃষ্টি করার ক্ষমতা। কারণ সবসময়ই তারা অন্তর্মুখী থেকে যায়।
–শোপেনহাওয়ার
৫১. এ দেশের পুরুষ রমণীকে হাত-পা বাঁধিয়া ঠেঙায়, সে বেচারি নড়িতে চড়িতে পারে না। তাই পুরুষ বাহিরে আস্ফালন করিয়া বলিতে পারে, এ দেশের নারীর মত সহিষ্ণু জীব জগতে আর কোথাও আছে?
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৫২. আশ্চর্য, নারগর্ভজাত পুরুষ চিরদিনই চরম অসম্মান করে এল এই নারীকে; তার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হল স্ত্রীলোককে মায়ের জাতি বলে খোঁটা দেওয়া।
–প্রবোধকুমার সান্যাল
৫৩. বিজ্ঞ ও জ্ঞানী লোকদের তাদের অনুপস্থিতিতে প্রশংসা করো–কিন্তু মেয়েদের প্রশংসা করতে হলে তাদের মুখের ওপর তা করতে হবে।
–বালজাক
৫৪. মেয়েরা অল্প কারণে কাঁদতে জানে এবং বিনা কারণে হাসতে পারে–কারণ ব্যতীত কার্য হয় না, জগতের এই কড়া নিয়মটা কেবল পুরুষের পক্ষেই খাটে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৫. নারীর ব্যবস্থা না থাকলে কেউ স্বর্গেও যেতে চাইত না।
ট্রিপার
৫৬. নারীর এক জাতীয় রূপ আছে যাহাকে যৌবনের অপর প্রান্তে না পৌঁছিয়া পুরুষ কোনদিন দেখিতে পারে না।
–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৫৭. একজন বিদুষী ও প্রেমময়ী নারী তার সংসারকে স্বর্গে পরিণত করতে এবং স্বামীকে স্বর্গবাসী করে তুলতে পারে।
সাদাত হাসান মিন্টো
৫৮. পুরুষের বুদ্ধি খোলে ঘরের বাইরে তার কর্মক্ষেত্রে ও কারখানায়। নারীর বুদ্ধি থাকে ঘরের ভেতরে, তাই তারা পুরুষের মতো সংগঠনধর্মী কোনো কাজ করতে সক্ষম নয়। তাদের সমিতি বা লাইব্রেরি একটি হাস্যাস্পদ ব্যাপার।
আসওয়ার্ড সোয়ার্জ
৫৯. যুগে যুগে নারীর প্রেমসিক্ত রসধারা পুরুষের সমস্ত ইন্দ্রিয় ও মস্তিষ্কে সাড়া জাগিয়ে তার সুপ্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তুলেছে। তারই ফলে অনেক বড় বড় সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।
এইচ. জি. লরেন্স
৬০. মেয়েমানুষের কান্নার পিছনে সবসময় কারণ বা যুক্তি থাকে না।
–হোমার
৬১. কোনো মেয়ে যখন পনেরো বছর বয়স অতিক্রম করে এবং সে যদি স্বাস্থ্যবতী হয়, তবে সে চাইবে যে কেউ তাকে চুম্বন করুক, সঙ্গে নিয়ে ঘুরুক।
–ম্যাক্সিম গোর্কি
৬২. মেয়েরা পুরুষের হৃদয় এক নিমিষেই চিনে নিতে পারে, এটি বিধাতার দেওয়া শক্তি এদের। অথচ আশ্চর্যের ব্যাপার ওরা নিজেদের হৃদয় নিজেরা চিনতে পারে না। যেমন মানুষ নিজের মুখ নিজে দেখতে পায় না।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৬৩. জগতের চার অভিশাপ।
সাগর, আগুন, নারী, সাপ।
–গ্রীক প্রবাদ
৬৪. নারীর হৃদয় সাপের, বুদ্ধি গাধার।
রূপটা দেবীর, চোখ ধাঁধার।
জার্মান প্রবাদ
৬৫. তলোয়ার ঘোড়া আর মেয়েমানুষে,
বিশ্বাস নেই এই তিন জিনিসে।
কাবুলি প্রবাদ
