রবার্ট বার্টন
৪৪. তোমরা শত্রুদের প্রতি লক্ষ রাখো, কারণ তারাই প্রথমে তোমার দোষ খুঁজে বের করবে।
–এনটিন থেনেস
৪৫. অস্ত্রের জোরে তুমি সারা পৃথিবী জয় করতে পার, কিন্তু পারবে না একটা গ্রামের মানুষেরও মন বশীভূত করতে।
কি ভলতেয়ার
৪৬. পরের অস্ত্র কাড়িয়া লইলে নিজের অস্ত্র নিয়ে উচ্ছঙ্খল হইয়া উঠে।
রবীন্দ্রনাথ ঠকুর
৪৭. তোমরা আপন আপন শত্রুগণকে প্রেম করিও এবং যাহারা তোমাদিগকে তাড়না করে তাহাদের জন্য প্রার্থনা করিও।
বাইবেল
৪৮. পরস্পর পরস্পরকে উপহার দেবে। কেননা উপহার দেওয়া-নেওয়া মানুষকে হিংসা-বিদ্বেষ থেকে দূরে রাখে।
–আল-হাদিস
৪৯. মন্দের বিনিময়ে কাহারো মন্ত করিও না, সকল মানুষের দৃষ্টিতে যাহা উত্তম, ভাবিয়া-চিন্তিয়া তাহাই করো।
বাইবেল
৫০. যুদ্ধে শোণিত, পরিশ্রম, অশ্রু এবং ঘাম ছাড়া আর কিছুই দেবার নেই।
–উইনস্টন চার্চিল
৫১. একের বিরুদ্ধে অপরের বিদ্বেষের কথা যে লাগায়, সে আগুনে ইন্ধন যোগায়।
শেখ সাদি
৫২. চোগলখোরের অপরাধের কোনো ক্ষমা নেই। ঈশ্বর ক্ষমা করলেও আমি তাকে ক্ষমা করতে পারি না।
–আইজ্যাক ল্যাম
৫৩. দুষ্টু লোককে তার দুষ্টুমিই গ্রাস করবে। আপন পাপরশিতেই সে বাঁধা পড়বে।
–হযরত সোলায়মান (আ.)
৫৪. মেয়েরা মেয়েদের বেশি হিংসা করে, একে অন্যের সুখে ঈর্ষান্বিত হয়।
অজ্ঞাত
৫৫. মানুষ আজ পশুতে পরিণত হয়েছে, তাদের চিরন্তন আত্মীয়তা ভুলেছে। পশুর ল্যাজ গজিয়েছে ওদের মাথার উপর, ওদের সারা মুখে। ওরা মারছে লুকিয়ে, মারছে লেঙ্গোটিকে, মারছে টিকিকে, দাড়িকে। বাইরের চিহ্ন নিয়ে এই মূর্খদের মারামারির কি অবসান নেই?
কাজী নজরুল ইসলাম
৫৬. ঝগড়ার পথ হতে সরে থাকাই সম্মানরক্ষার প্রকৃষ্ট পন্থা। মূর্খেরাই সাধারণত বিবাদ তালাশ করে।
মহিউদ্দিন
৫৭. যুদ্ধের ধ্বংস হতে পারে কেবল যুদ্ধের মাধ্যমে, আর অস্ত্র পরিত্যাগ করার জন্যে হাতে তুলে নিতে হয় অস্ত্র।
মাও সে-তুং
৫৮. আমরা খুন করি কারণ নিজের ছায়াকে আমরা ভয় পাই; ভয় পাই কারণ সামান্য কাণ্ডজ্ঞান খাটালেই আমাদের মহান নীতিগুলোর ফাঁকফোকর সব ন্যাংটো হয়ে পড়বে।
–হেনরি মিলার
৫৯. যুদ্ধ একই সঙ্গে আগের বিকৃতিগুলোর উৎপাদন এবং পরবর্তী বিকৃতির উৎপাদক।
লুইস মামফোর্ড
৬০. বাজে সঙ্গীত আর বাজে যুক্তিগুলো কী চমৎকারই-না লাগে যখন শত্রুর দিকে এগিয়ে যায় কুচকাওয়াজ।
–নিৎসে
৬১. যুদ্ধ থামানোর সেরা উপায় হল হেরে যাওয়া।
জর্জ অরওয়েল
৬২. ঘৃণা আপনা থেকে অকারণে জন্মায় না।
কৃষণ চন্দর
৬৩. যাকে মানুষ আহত করে তাকে ঘৃণা করাই মনুষ্যস্বভাব।
টেনিসাস
৬৪. ঈর্ষা হতে আত্মরক্ষা করা উচিত। কিন্তু যে-ঈর্ষায় আত্মশুদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, তা কিছুতেই পরিত্যাগ করা উচিত নয়।
অ্যারিস্টটল
৬৫. মানুষের অনুকম্পা পাওয়ার চেয়ে মানুষের ঈর্ষা পাওয়া শ্রেয়।
–হেরোডোটাস
৬৬. একজন অহংকারী মহিলা সংসারের পুরো কাঠামোটা বিনষ্ট করে দেয়।
–পিনিরো
৬৭. কোনো কারণ ছাড়াই যে অন্যকে ঘৃণা করে, সে প্রকৃত অহংকারী।
মার্শাল
৬৮. যাকে ঘৃণা করবে তাকে ভয়ও করবে। কারও নাম-যশ শুনেই বিভ্রান্ত হয়ো না।
হযরত ওমর (রা.)
৬৯. একজন খাঁটি মানুষ কখনো অন্যকে ঘৃণা করে না।
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
৭০. হৃদয়ের পাগলামো হচ্ছে ঈর্ষা।
বায়রন
৭১. আমি তাকে ঘৃণা করি–এর অর্থ তার কাজকে ঘৃণা করি।
–জে. আর. লাওয়েল
৭২. যখন আমরা ঝগড়া করি, তখন ক্রোধে অন্ধ হয়ে যাই।
–ইমারসন
৭৩. মানুষের কল্যাণের জন্য ঐসব ভজনালয়ের সৃষ্টি, ভজনালয়ের মঙ্গলের জন্য মানুষ সৃষ্টি হয় নাই। আজ যদি আমাদের মাতলামির দরুন ঐ ভজনালয়ই মানুষের অকল্যাণের হেতু হইয়া ওঠেযাহার হওয়া উচিত ছিল স্বর্গ-মর্ত্যের সেতু-তবে ভাঙ্গিয়া ফেল ঐ মন্দির-মসজিদ। সকল মানুষ আসিয়া দাঁড়াইয়া বাঁচুক এক আকাশের ছত্রতলে এক চন্দ্র-সূর্য-তারা জ্বলা মহামন্দিরের আঙ্গিনা তলে।
কাজী নজরুল ইসলাম
৭৪. হিংসা থেকেই অধিকাংশ কুৎসা রচিত হয়।
মারিয়া এডওয়ার্থ
৭৫. যে-ব্যক্তি ভূমির উপর অন্যকে আছড়াইয়া মারিয়া ফেলিতে পারে, সে কখনো বলবান বা ক্ষমতাশালী নহে; কিন্তু যে-ব্যক্তি আপনার ক্রোধ দমন করিতে পারে, সে-ই প্রকৃত বলবান।
–আল-হাদিস
৭৬. কথাবার্তায় ক্রোধের পরিমাণ আহার্যের লবণের মতো হওয়া উচিত। পরিমিত হলে রুচিৎকারক, আর অপরিমিত হলে ক্ষতিকারক।
প্লেটো
৭৭. সময় ও পরিবেশ বুঝে রাগান্বিত হওয়া উচিত। যিনি রাগকে সংযত করতে জানেন, তিনি জীবনে সুখী হতে পারেন।
–সিডনি স্মিথ
৭৮. যার কোনো শত্রু নেই, সে নিঃসন্দেহে একজন অকর্মণ্য ব্যক্তি।
–এডমণ্ড বার্ক
৭৯. শত্রু মরে গেছে বলে আনন্দ কোরো না, কারণ পুনরায় শক্র হবেই।
ওল পিয়াট
৮০. একজন লোকের জন্য একজন শক্রই যথেষ্ট।
টমাস মিডল্টন
৮১. রাগান্বিত মানুষ তার মুখ খোলা রাখে এবং চোখ দুটো বন্ধ রাখে। কাটো।
৮২. রাগ বস্তুটা মূল্যবান বিলাসিতা এবং বিশেষ আয়সম্পন্ন লোকেরাই পুষতে পারে।
ভি. ডব্লিউ. কারটিস
৮৩. কখনো কখনো একজনের নিষ্ঠুরতা অন্যের আনন্দের খোরাক হয়ে দাঁড়ায়।
জন ওল্ডহাম
৮৪. ঈর্ষা জিনিসটার মধ্যে একটি সত্য আছে, সে হচ্ছে এই যে, যা-কিছু সুখের সেটি সকলের পাওয়া উচিত ছিল।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৮৫. হিংসুকের নিন্দায় ক্ষুণ্ণ হবার কারণ নেই। তুলনায় যে ভালো আছে, তাকেই লোক হিংসা করে।
