রজার নর্থ
৭০. আত্মহত্যা খুনের চেয়েও নিকৃষ্টতম কাজ, কারণ এতে অনুশোচনার কোনো সুযোগ থাকে না।
রবার্ট ব্লয়ার
৭১. মৃত্যু যেন বাগানের একট পুরাতন দরজা।
-ন্যান্সি টার্নার
৭২. ওহে মৃত্যু! তুমি মোরে কি দেখাও ভয়, ও ভয়ে কম্পিত নয় আমার হৃদয়।
–কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
৭৩. মৃত্যু মুসলমানের নিকট উপঢৌকাসদৃশ। মৃত ব্যক্তিদিগকে সর্বদা স্মরণ করিও, তাহাদের গুণকীর্তন করিও এবং তাহাদের সম্বন্ধে মন্দবাক্য বলিও না।
–আল-হাদিস
৭৪. শ্যেনসম অকস্মাৎ করে উর্ধ্বে লয়ে যাও
পঙ্ক কুণ্ড হতে
মহান মৃত্যুর সাথে মুখোমুখি করে দাও মোরে
বজ্রের আলোতে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৭৫. আল্লাহ্ সকলকে তার নির্দিষ্ট সময়ে মৃত্যুদান করেন। তাঁর হুকুম ব্যতীত কেহই মৃত্যুবরণ করতে পারে না।
–আল-কোরআন
৭৬. মৃত্যুকে ভয়ভাব কেন? জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দুঃসাহসিক ঘটনাই তো হচ্ছে মৃত্যু।
চার্লস ফ্ৰোহম্যান
৭৭. ভাল লোক কখনোই মরে না।
ক্যালিমাচাস
৭৮. জগতে সমস্ত কিশোর-কিশোরীরাই অন্তরে কামনা, জন্মদিনটা আরও ঘনঘন আসুক। আর তারা তো কল্পনা করতে পারে না যে তাদের জীবনেই এমন এক সময় আসবে যখন প্রতি জন্মদিনের মধ্যেই থাকবে আসন্ন বার্ধক্যের ক্রমিক পদক্ষেপ। সেটা তখন যৌবনের ফেয়ারওয়েল পার্টি; জরার ট্রাফিক সিগন্যাল। বয়স বাড়ছে এ অনুভূতি জীবনের পূর্বাহ্বে যেমনই আনন্দদায়ক অপরাহ্বে তেমনি অপ্রীতিকর। দাদার চেয়ে অনেক বড় হওয়ার সাধ বড় হয়ে বাবার মত হলে আপনিই উবে যায়।
যাযাবর
৭৯. মানুষ একবার জন্মায় গর্ভের মধ্যে, আবার জন্মায় মুক্ত পৃথিবীতে …..। মানুষের এক জন্ম আপনাকে নিয়ে, আরেক জন্ম সকলকে নিয়ে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৮০. অনেকের জীবনে আনন্দ যেমন আকস্মিকভাবে আসে, মৃত্যুও তেমনি আকস্মিকভাবে আসে।
–ওয়াল্ট হুইটম্যান
৮১. মুত্যু-দরজা সবসময় খোলা থাকে, বন্ধ করার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই।
দানিয়েল ডিফো
৮২. জীবন আমার,
এত ভালবাসি বলে হয়েছে প্রত্যয়,
মৃত্যুরে এমনি ভালবসিব নিশ্চয়।
স্তন হতে তুলে নিলে কাঁদে শিশু ডরে,
মুহূর্তে আশ্বাস পায় গিয়া স্তনান্তরে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৮৩. পার্থিব সুখ বিনাশকারী মৃত্যুর কথা সর্বদা স্মরণ রাখিও।
–আল-হাদিস
৮৪. মাথা পেতে নিতে হবে
বিধির বিধান
পর তরে খালি করে
দিতে হবে স্থান।
জসীম উদ্দীন
৮৫. আমার মৃত্যুর পর থেমে যাবে কথার গুঞ্জন
বুকের স্পন্দনটুকু মূর্ত হবে ঝিল্লির ঝংকারে
জীবনের পথপ্রান্তে ভুলে যাব মৃত্যুর শঙ্কারে
উজ্জ্বল আলোর চোখে আঁকা হবে আঁধার অঞ্জন।
সুকান্ত ভট্টাচার্য
৮৬. মৃত্যু একটা প্রকাণ্ড কালো কঠিন কষ্টিপাথরের মতো, ইহারই গায়ে কষিয়া সংসারের সমস্ত খাঁটি সোনার পরীক্ষা হইয়া থাকে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৮৭. একটি মানুষ না মরা পর্যন্ত পরিপূর্ণভাবে জন্মলাভ করে না।
ফ্রাংকলিন
৮৮. আমাকে সবসময় মনে রাখতে হবে–আমার জন্মটা যেন মৃত্যুর মধ্যেই শেষ না হয়ে যায়।
–এস. টি. কোলরিজ
৮৯. মৃত্যুশয্যায় শায়িত একজন সম্রাটও বড় অসহায়।
কার্লাইল
৯০. জীবনমাত্রই একদিন মৃত্যুর আস্বাদ গ্রহণ করবে।
–আল-কোরআন
৯১. সকল মৃত্যুর মধ্যে শহীদি মৃত্যুই সর্বাপেক্ষা উত্তম।
–আল-কোরআন
৯২. গোলামীর চেয়ে শহীদী দরজা অনেক ঊর্ধ্বে জেনো,
চাপরাশির ওই তকমার চেয়ে তলোয়ার বড় মেনো।
কাজী নজরুল ইসলাম
৯৩. মৃত্যুর কারণই একজনকে শহীদের মর্যাদা দেয়, মৃত্যু নহে।
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
৯৪. যদি জগতে মানুষের মতো বাঁচতে সক্ষম না হও, তবে বীর মুজাহিদের ন্যায় মৃত্যুবরণ করেই জীবনের প্রকৃত মর্যাদা লাভ করো।
ইকবাল
৯৫. একটি মৃত সিংহের চেয়ে একটি জীবিত কুকুর অনেক শ্রেয়।
বাইবেল
৯৬. দেহধারী জীবের এই দেহেই যেমন বাল্য, যৌবন ও বার্ধক্য দেখা যায়, আত্মার অন্য দেহে চলিয়া যাওয়া অর্থাৎ মৃত্যুও তেমনি। তাহাতে জ্ঞানী ব্যক্তিরা দুঃখ করেন না।
শ্রীশ্রীগীতা
৯৭. মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। তাই শেষ বিন্দু পর্যন্ত জীবনকে উপভোগ করো।
–মোরাভিয়া
৯৮. চাঁদ যখন পূর্ণ নয়, তারা তখনই উজ্জ্বল।
বিদেশি প্রবাদ
৯৯. মরণশীলতারও স্তোকবাক্য আছে : প্রথমত সব কুশ্রীতাই সাময়িক; অন্যটি হল, সুসময় আসতে পারে।
জর্জ সান্তয়ন
১০০. যে জন্মিবে, তাহার মরণ হইবেই; আবার যে মরিয়াছে, তাহারও আবার জন্ম। হইবেই। ইহা এড়ানো যায় না, হইবেই হইবে, তাই এই বিষয়ে দুঃখ করা উচিত নহে।
শ্রীশ্রীগীতা
১০১. আইস, আমরা পান ও ভোজন করি; যেহেতু আগামীকালই আমাদের মৃত্যু।
–বাইবেল : পুরনো নিয়ম
১০২. একটি ঝরে পড়া পাতা জীবিতের জন্যে ফিসফিস করে একটি বার্তা।
ইংরেজি প্রবাদ
১০৩. এই শ্মশানে আসিলে সকলেই সমান হয়। পণ্ডিত, মূর্খ, ধনী, দরিদ্র, সুন্দর, কুৎসিত, মহৎ, ব্রাহ্মণ, শূদ্র, ইংরেজ, বাঙালি এইখানে সকলেই সমান। নৈসর্গিক, অনৈসর্গিক সকল বৈষম্য এখানে তিরোহিত হয়।
চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়
১০৪. জন্মের মতো মৃত্যুও প্রকৃতির গোপন বিষয়। টি. সি. উইলিয়ামস
১০৫. নিজের জন্মদিন বৎসরের অন্য ৩৬৪ দিনের চেয়ে নিজের কাছে কিছুমাত্র বড় নয়। যদি অন্যের কাছে তার মূল্য থাকে তবেই তার মূল্য।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০৬. জ্ঞানী ব্যক্তিরা মৃত বা জীবিত, কাহারও জন্য শোক করেন না।
