জন উইলসন
১৬৮. যে হাসে, সে বেশিদিন বাঁচে।
ডা. জোয়েল ওম্যান
১৬৯. যে-প্রকারেই হোক, হাসাটা ভালো, আর একটা শুকনো খড়ও যদি একটা মানুষকে সুড়সুড়ি দেয়, ওটা তবে আনন্দের একটা বাদ্যযন্ত্র।
ড্রাইডেন
১৭০. উচ্চস্বরে হাসি খোলা প্রাণের পরিচায়ক।
ক্যাসটুলিয়াস
১৭১. হসিমুখে কথা বলা শুভ সূচনা। কেউ মূল্য না দিক, তুমি সকার্য করবে।
–হযরত আলি (রা.)
১৭২. জাতি-দেশ-বর্ণ-ধর্ম ভেদ নাই
শিশুর হাসির কাছে,
সবি পড়ে থাকে পাছে,
যেখানে যখন দেখি এমনি জুড়াই।
–হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭৩. হাসিতে যেন বিধি গড়েছে সে কামিনী;
হাসি তার ওষ্ঠাধরে
হাসি যে কপোল ‘পরে–
হসি তার দুটি চক্ষে খেলে যেন দামিনী।
–গোপালকৃষ্ণ ঘোষ
১৭৪. পুরুষ জাতিকে পক্ষপাতী বিধাতা বিনা কৌতুকে হাসিবার ক্ষমতা দেন নাই, কিন্তু মেয়েরা হাসে কী জন্য তাহা দেবা ন জানন্তি কুতো মনুষ্যঃ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৭৫. অসৎ মানুষের হাসি নির্মল নয়।
উড্রো উইলসন
১৭৬. সে-ই সত্যিকারের সুখী যে অন্যের দোষকে সহজে গোপন রাখতে এবং ক্ষমা করতে পারে।
টমাস উইলসন
১৭৭, মানুষ তার পাপ, হত্যাকাণ্ড, দুর্বলতা, নকল দাঁত, আলগা চুল–স্বীকার করে নেবে সবই। কিন্তু কে আছে এমন, যে বলবে তার রসবোধ নেই?
ফ্রাঙ্ক মুর কলবি
১৭৮. কখনো কখনো গাম্ভীর্যের চেয়ে একটি সকৌতুক উক্তি কোনো বিষয়কে গুরুত্ববহ করে তুলতে পারে আনন্দ আর নিশ্চয়তার সঙ্গে।
–হোরেস
১৭৯. সামান্য কিছু বিষয় আছে যেগুলো মানুষের মধ্যে করুণার জন্ম দেয়, সংখ্যায় তা বেশ কম। তবে সমস্যা হল বহুবার ব্যবহৃত হওয়ার পর সেগুলো আর কাজ করে না।
ব্রেখট
১৮০. আমি নিজেকে সবচেয়ে সুখী ব্যক্তি বলে মনে করি এবং তাতে আমার লাভ ছাড়া ক্ষতি হয় না।
পি. জে. বেইলি
১৮১. যত কম চাইবেন, তত বেশি পাবেন, বেশি কামনা করলেই কম পাওয়া যাবে, সুখতত্ত্বের এই গোড়ার কথাটা মনে না রাখলে সুখী হওয়া যায় না।
বার্ট্রান্ড রাসেল
১৮২. সংসারে দুঃখের পাশাপাশি সুখ আসবেই, কিন্তু সুখের আতিশয্যে আত্মহারা না হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
–লেডি বেসিংটন
১৮৩. হাসির বিনিময়মূল্য নেই, কিন্তু তাৎপর্য আছে।
বুলিয়ান
১৮৪. মনে কি করেছে বধূ ও হাসি এতই মধু।
প্রেম না দিলেও চলে শুধু হাসি দিলে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৫. স্বাস্থ্য এবং হাসি পৃথিবীকে সুন্দর করে তোলে।
স্কট
১৮৬. আমরা সুখী বলেই হাসি না বরং হাসি বলেই সুখী।
উইলিয়াম জেমস
১৮৭. যে হাসতে পারে সে গরিব নয়।
–হেমন্ড হিকেক
১৮৮. সবাইকে সুখী করতে চেষ্টা করো, নিজের যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবে। তা হলে দেখবে জীবনটা দুর্বিষহ মনে হবে না।
আটিমুস ওয়ার্ড
১৮৯. আনন্দ ও গতি সময়কে খুব সংক্ষিপ্ত করে দেয়।
–শেক্সপীয়ার
১৯০. জীবনকে যদি ভালোবাস তা হলে সময়ের অপচয় কোরো না, কারণ জীবনটা সময়ের সমষ্টি দ্বারা তৈরি।
ফ্রাঙ্কলিন
১৯১. এমনকি হাসির সময়েও হৃদয় বেদনাতুর থাকে; আর আনন্দের শেষে আসে ভারাক্রান্ততা।
বাইবেল
১৯২. আমাদের সবচেয়ে অপচয়িত দিন হল সেটি যেদিন আমরা হাসি না।
–শফোর
১৯৩. কোনো লোক যখন হাসে তখন তাকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এর পরে। সে তার ত্রুটিগুলো দেখিয়ে ফেলে।
ইমারসন
১৯৪. লোককে নিয়ে যখন আপনি হাসেন তখন আপনি তার ওপর ক্রুদ্ধ নন। রসবোধ সহিষ্ণুতা শেখায়।
সমারসেট মম
১৯৫. ক্রোধ দিয়ে নয়, হাসি দিয়ে একজন অন্যজনকে হত্যা করতে পারে।
নিৎসে
১৯৬. তুমি যদি নিজেকে অর্ধেক সুখী মনে কর তবে মনে করবে বিধাতার অসীম আশিস তোমার জন্য রয়েছে।
জন লিভগেট
১৯৭. পরের কারণে মরণেও সুখ
‘সুখ, সুখ’ করি কেঁদ না আর,
যতই কাঁদিবে যতই ভাবিবে,
ততই বাড়িবে হৃদয় ভার।
কামিনী রায়
১৯৮. সুখ শুধু পাওয়া যায় সুখ না চাহিলে,
প্রেম দিলে প্রেমে পুরে প্রাণ,
নিশিদিন আপনার ক্রন্দন গাহিলে
ক্রন্দনের নাহি অবসান।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯৯. যিনি সহজ-সরল জীবনযাপন করেন, সত্যিকার সুখ তাঁর কাছে অত্যন্ত সুলভ।
–উইলিয়াম আলেকজান্ডার
২০০. রাজার ঐশ্বর্যের সাথে তুলনা করা চলে (শষ্যক্ষেতে দাঁড়ানো) চাষির মনের সুখের।
ভার্জিল
২০১. কোনো মানুষ একই সাথে দুজন প্রভুকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না।
টমাস ফোর্ড
২০২. স্বার্থের প্রশ্ন যেখানে জড়িত, সেখানে সন্তুষ্টি অর্জন করা যায় না।
চার্লস ডিকেন্স
২০৩. একমাত্র মনের শান্তিই পারে জীবনকে পরিপূর্ণ করে তুলতে।
–আর. আর. সুইটারম্যান
২০৪. সাহিত্যের হাসি শুধু মুখে হাসি নয়, মনেরও হাসি। এ হাসি হচ্ছে সামাজিক জড়তার প্রতি প্রাণের বক্রোক্তি, সামাজিক মিথ্যার প্রতি সত্যের দৃষ্টি।
–প্রমথ চৌধুরী
২০৫. অতি উচ্চহাস্য শূন্য মনের পরিচায়ক।
–গোল্ডস্মিথ
২০৬. যারা হাসতে জানে, তারা হাসতে পারে না, এমন লোকের চেয়ে বেশিদিন বাঁচে। খুব কম লোকই জানে হাসতে পারার ওপর স্বাস্থ্যের গতিপ্রকৃতি অনেক নির্ভরশীল।
ড. জেমস. জে. ওয়ালস
২০৭. যে-ব্যক্তি শিশুর হাসি ঘৃণা করে তার কাছ থেকে সাবধান থাকবে।
লাতাতার
২০৮. উচ্চহাস্য গালে টোল খাওয়াবে, ভ্রকে কুঞ্চিত করবে না। ঠাট্টা এমন হওয়া চাই যাতে তজ্জনিত হাসিতে সকলেই যোগদান করতে পারে; কিন্তু আসরের একজনকে যদি তা শক্তভাবে আঘাত করে তা হলে সেটা তার চিড় খাওয়ার মতো সংগীতে এনে দেয় একটা যতি।
