–ওয়েল ফেলথাম
২০৯. যে খুব বেশি হাসে তার চেয়ে বেশি বিষাদাপন্ন আর কেউ নয়।
জাঁ পল রিশটার
২১০. বন্ধুত্ব শুরুর জন্যে হাসি মোটেই খারাপ নয়, আর শেষ করার জন্যেও এটি শ্রেষ্ঠ।
অস্কার ওয়াইল্ড
২১১. অতিরিক্ত দুঃখ হাসে। অতিরিক্ত আনন্দ কাঁদে।
উইলিয়াম ব্রেক
২১২. যারা মৃদু হাসে তাদের চেয়ে যারা ফুঁপিয়ে কাঁদে তারা দ্রুত আরোগ্য লাভ করে।
জ্যাঁ জিরাদু
২১৩. যে একবার আন্তরিকভাবে হেসেছে সেরকম কোনো লোক কখনোই পুরোপুরি খারাপ হতে পারে না।
টমাস কার্লাইল
২১৪. যে-দিনটিতে হাসা গেল না, সে-দিনটাই সবচেয়ে ব্যর্থ।
–নিকোলাস চ্যামফোর্ট
২১৫. হাসি রোগ আরোগ্য নাও করতে পারে, কিন্তু ব্যথা লাঘব করে, সংকটের বোঝা করে লাঘব, এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, আর এ-জিনিস পয়সা দিয়ে কিনতে হয় না।
লরেন্স পিটার
২১৬. দুঃখ আনন্দকে ঘৃণা করে, আনন্দ ঘৃণা করে দুঃখকে, ত্বরিত ধীরকে এবং অলস কর্মতৎপরতাকে ঘৃণা করে।
হরেফ
২১৭. উত্তম হাস্যরস আত্মার জন্য স্বাস্থ্যকর, বিষণ্ণতা আত্মার পক্ষে বিষসদৃশ।
–স্টেসিস
২১৮. প্রেম ও উচ্চহাস্যকে বাদ দিয়ে কোনো আনন্দ নেই, প্রেম এবং উচ্চহাস্যের মধ্যে বাঁচো।
–হোরেস
২১৯. মন খুলে যে হাসতে পারে না, সে-ই পৃথিবীর সবচেয়ে অসুখী ব্যক্তি।
জন লিলি
২২০. সুন্দর চিন্তা করা এবং সুন্দরভাবে হাসা পৃথিবীতে সবচেয়ে সহজ কাজ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২২১. মানুষই একমাত্র সৃষ্টি, যাকে ঈশ্বর হাসার শক্তি দিয়েছেন।
গ্রিভাইল
২২২. একজন সুখী মানুষ সাদা কাকের মতোই দুর্লভ।
জুভেনাল
২২৩. সম্পদ বৃদ্ধি না করে যেমন এটা গ্রাস করার অধিকার আমাদের নেই, তেমনি সুখ বৃদ্ধি না করে এটাও গ্রাস করার অধিকার আমাদের নেই।
জর্জ বার্নার্ড শ
২২৪. আমি দুঃখ জানি।
তাই হে প্রিয় আমার।
বুঝিয়াছি মর্মে মর্মে
সুখের গৌরব।
–চিত্তরঞ্জন দাস
২২৫. তোমকে সুখের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে, নচেৎ সুখ কোনোদিন তোমার কাছে আসবে না।
উইলিয়াম জেমস
২২৬. সুখেতে আসক্তি যার
আনন্দ তারে করে ঘৃণা
কঠিন বীর্যের তারে
বাঁধা আছে সম্ভোগের বীণা।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২২৭. ভালো স্বাস্থ্য এবং কম স্মরণশক্তিই মানুষকে সুখী করতে পারে।
–ইনগ্রিড বার্গম্যান
২২৮. প্রচুর ধনসম্পত্তির ভিতর সুখ নাই, মনের সুখই প্রকৃত সুখ।
–আল-হাদিস
২২৯. দূরে দূরে তুমি কেন খুঁজে মরো?
সুখ তো আছে হাতের কাছে,
শিখে নাও শুধু তারে ধরিবারে,
সুখ সে তো রয় সদা কাছে কাছে।
গ্যোটে
২৩০. সেই ব্যক্তিই সুখী, যে দুনিয়াকে জানে এবং তার তোয়াক্কা করে না।
–জোসেফ হল
২৩১. কোনো মানুষই সুখী হতে পারে না, যদি না সে নিজেকে সুখী মনে করে।
মার্কাস এন্টেনিয়াস
২৩২. তিনিই সত্যিকারের সুখী যিনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আশা করেন না।
ভার্জিল
২৩৩. দেখাশেষে উচ্চাহাসি হাসার চেয়ে দেখামাত্র মুচকি হাসি হাসা অনেক ভালো।
–থিওডোর এডওয়ার্ড
২৩৪. হাসি মানুষের প্রাণকে সজীব রাখে, মনকে সতেজ করে, আমরা যাকে ভালবাসি, তার মুখে হাসি ফোঁটাবার জন্য কতই না চেষ্ট করি।
অজিত দত্ত
২৩৫. তুমি যদি কাউকে হাসাতে পার তবে সে তোমাকে পছন্দও করবে, বিশ্বাসও করবে।
–আল ফ্রেই স্মিথ
২৩৬. যে হাসতে জানে না, সে হতে পারে বিশ্বাসঘাতক, করতে পারে ছলচাতুরী, জীবনটাই তার বিশ্বাসঘাতকতা আর ছলচাতুরীপূর্ণ।
টমাস কার্লাইল
২৩৭, কখনো কখনো দুঃখই মুক্তি আনতে পারে।
–পেট্রোনিয়াম
২৩৮. যে তার দুঃখ লুকাতে পারে তার তুলানায় যে তার আনন্দ লুকাতে পারে সে বড়।
ল্যাভেটার
২৩৯. তোমার দুঃখ সে তো দুঃখের ছায়ামাত্র। সত্যিকারের দুঃখ তো তুমি দেখনি।
স্কট
২৪০. মানুষকে দুঃখ দিয়ে ঈশ্বর মানুষকে সার্থক করেছেন। তাকে নিজের পূর্ণশক্তি অনুভব করবার অধিকারী করেছেন।
জনসন
২৪১. দুঃখ পাবার রহস্য হল আপনি সুখী না দুখি ভাবতে পারার মতো সময় থাকাটা।
–জর্জ বার্নার্ড শ
২৪২. একান্ত দুঃখ নিবৃত্তিকেই তো মানুষ পরম লক্ষ্য বলে ধরে নিতে পারে না। সে যে তার স্বভাবই নয়। ……..অনেক সময় গায়ে পড়ে সে দুঃখকে বরণ করে নেয়। ……তার কারণ দুঃখের সম্বন্ধে মানুষের একটা স্পর্ধা আছে। আমি দুঃখ সইতে পারি, আমার মধ্যে সেই শক্তি আছে–একথা মানুষ নিজেকে এবং অন্যকে জানাতে চায়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৪৩. দুঃখের ব্যথার বেদনা থেকে বাঁচতে হলে কাজের ভিতর দিয়ে বাঁচতে হবে।
–জিএইচ. লিউএস
২৪৪. সুখের কথা বলো না আর, বুঝেছি সুখ কেবল ফাঁকি,
দুঃখে আছি, আছি ভাল, দুঃখেই আমি ভাল থাকি।
–দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
২৪৫. তুমি আমি, আমরা সবাই মানুষ। আমাদের দুঃখকষ্টকে পরস্পরের মধ্যে ভাগ করে নেয়াই কি বুদ্ধিমানের কাজ নয়?
টমাস হুড
২৪৬. যতদিন ভবে না হবে, না হবে,
তোমার অবস্থা আমার সম,
ঈষৎ হাসিবে, শুনে না শুনিবে,
বুঝে না বুঝিবে, যাতনা মম।
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
২৪৭. যাহা আমরা বীর্যের দ্বারা না পাই, অশ্রুর দ্বারা না পাই, তাহা আমরা সম্পূর্ণ পাই। যাহাকে দুঃখের মধ্য দিয়া কঠিনভাবে লাভ করি, হৃদয় তাহাকেই নিবিড়ভাবে, সমগ্রভাবে প্রাপ্ত হয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৪৮. এমন কোনো রাত নেই যা ভোর হবে না, এমন কোনো দুঃখ নেই যা সময়ে ফিকে হয়ে আসবে না।
বার্নার্ড জোসেফ
২৪৯. হে অন্তহীন দুঃখ, তোমাকে জানাই আমার অন্তরের আহ্বান। পৃথিবীর যত সুখ, যত আনন্দ, যত কোলাহল–তোমরা আমার কাছ থেকে দূরে চলে যাও, তোমাদের আমি চাই না। দুঃখ, তুমি হয়তো অচঞ্চল, হয়তো রণকেশ–কিন্তু তোমার মধ্যে আছে সত্যিকারের নিষ্কাম গভীরতা, পবিত্রতা।
