ফ্রাংকলিন অ্যাডামস
১২৩. মনের আনন্দই দেহের শক্তির উৎস।
ফারকুহার
১২৪. খাদ্যের অভাবে জাতি মরে না, তার যথার্থ মৃত্যু ঘটে আনন্দের অভাবে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১২৫. আনন্দের যেমন মধুর ভাষা আছে, তেমনি মেঘাচ্ছন্ন আকাশও আছে।
–ডব্লিউ. এইচ. ডেভিস
১২৬. তোমার জীবনের প্রতিটি আনন্দময় মুহূর্তের দাম লাখ টাকা।
–জন বেল
১২৭. কান্নার চেয়ে কোনো কিছু এত শীঘ্র শুকায় না।
রবার্ট ব্রাউনিং
১২৮. কোনো কোনো কৌতুক নির্মম হয়ে অন্যের বুকে আঘাত হানে।
–এস. টি. কোলরিজ
১২৯. দুঃখ তুমি আমার প্রিয়তমা
দুঃখ তুমি কাছে কাছেই থাকো
মিথ্যা সুখের অনেক গ্লানি জমা
জ্বরতপ্ত কপালে হাত রাখো।
আলাউদ্দিন আল-আজাদ
১৩০.সুঃখ সহ্য করার ক্ষমতা যাদের আছে, তাদের কাছে দুঃখ বড় হয়ে দেখা দেয় না।
স্পেনসার
১৩১. দুঃখ যখন যাবে সুখ তখন তাকে অনুসরণ করবে।
ইমারসন
১৩২. অর্থ দিয়ে সুখ কিনতে পারেন, শান্তি কিনতে পারেন না।
শচীন ভৌমিক
১৩৩. অসৎ মানুষের হাসি নির্মল হয় না।
উড্রো উইলসন
১৩৪. পরের দুঃখ নিয়ে যারা চিন্তা করে, তাদের নিজেদের দুঃখ বলে কিছু থাকে।
জর্জ ক্যানিং
১৩৫. দুঃখীর দুঃখ যিনি যতটা অনুভব করেন, তিনি তত বড় মানুষ।
ডাঃ লুৎফর রহমান
১৩৬. দুঃখরা তাড়াহুড়া করে আসে, আর সুখরা নূপুর পায়ে নেচে নেচে আসে।
–মেরি কেরোনিন ডেভিস
১৩৭. নিজের দুঃখের কথা
যারে তারে কয়ো না,
অপবাদ উপহাস
মিছামিছি সয়ো না।
–শেখ সাদি
১৩৮. শিশুরা কেঁদে তাদের দুঃখের কথা বলতে পারে, বয়স্করা কাঁদতে পারে, কিন্তু সবসময় তার দুঃখের কথা অন্যের নিকট বলতে পারে না।
সিডনি ডোবেল
১৩৯. দুঃখ পুরোপুরি জানানো হয়ে গেলে থামিয়ে দাও বিলাপ।
কনফুসিয়াস
১৪০. মৃতেরা নয়, শোকাতুর হয় জীবিতরাই।
স্টমাস ফুলার
১৪১. জগতের শোকগৃহ অন্ধকারে সাজানো, আর এরই ভেতরে আছে আনন্দভবন।
উইলিয়াম ডিন হাওয়েলস
১৪২. প্রিয় কেউ মারা গেলে সেই মুহূর্তগুলো স্মরণ করে আমরা অশ্রু ফেলি যখন ততটা ভালো আমরা বাসিনি।
মরিস মেটারলিঙ্ক
১৪৩. দুঃখ যত বড়ই হোক, সময় তা নরম করে আনে ও কমিয়ে দেয়।
–সিসেরো
১৪৪. দুখিদের মনে জোর কম থাকে।
রবার্ট হেরিক
১৪৫. দুঃখকে আজকে যতটা পাষাণ মনে হচ্ছে, আগামীদিন ততটা মনে হবে না এবং অচিরেই দুঃখ মিলিয়ে যাবে হাওয়ায় ভর করে।
জেরিথ টেলর
১৪৬. যেখানে দুঃখ আছে, তার পাশেই একটা পবিত্র অঙ্গন আছে।
–অস্কার ওয়াইল্ড
১৪৭. তোমারে চিনেছি দুঃখ। তুমি রাখ মোরে
আবরিয়া কি অপূর্ব প্রেয়সীর মতো
সংসারে সর্ব সুখ হতে।
চিত্তরঞ্জন দাস
১৪৮. দুঃখ ভোলার মোক্ষম উপায় হচ্ছে দুঃখকে দুঃখ বলে আমল না দেওয়া।
–উইলিয়াম ওয়ালস
১৪৯. দুঃখ বেদনা পাপের প্রতিফল।
বুদ্ধদেব
১৫০. দুঃখের মতো নির্বাক কিছু আছে কি? চোখের জলেও তার প্রকাশ হয় না। দুঃখ যখন বড়ই গভীর আর মর্মন্তুদ হয়, তখন আহা উঁহু গেলাম মলাম বলতে পারা দূরে থাক, তার অসহ্য যন্ত্রণা হাস করে এক ফোঁটা চোখের জলও যে পড়ে না। সমস্ত জীবনের সব রঙ পুড়ে খাক হয়ে যায়, মাথার চুল দু’দিনে সাদা হয়ে ওঠে। গভীর দুঃখ অন্তরে সমাহিত হয়ে থাকে, তার বহিঃপ্রকাশ নাই বলে সে মনের মধ্যকার সব মালিন্য ছড়িয়ে নিঃশেষ করে সব খাদ মিটিয়ে শুধু খাঁটিটুকু বজায় রাখে।
প্রিয়ম্বদা দেবী
১৫১. আপনাকে বিলাইয়া
দীন দুঃখীদের মাঝে,
দূরিলে পর দুঃখ
সকালে বিকালে সাঁঝে
তবেই পাইবে সুখ।
আত্মার ভিতরে তুমি
যা রুপিবে–তাই পাবে,
সংসার যে কর্মভূমি।
কায়কোবাদ
১৫২. দুঃখে মাথার চুল ছেঁড়া বোকামি, কেননা চুলহীন টেকো মাথার সাহায্যে দুঃখের লাঘব হয় না।
এসিসেরো
১৫৩. জবরদস্তির দ্বারা শান্তি রক্ষিত হতে পারে না। কেবল সমঝোতা দ্বারাই এটা অর্জন করা যেতে পারে।
–আইনস্টাইন
১৫৪. বিশ্বাস নয়ন জল
মানবের শোকানল
একটু একটু ক্রমশঃ নিভায়
স্মৃতি শুধু জেগে রহে,
অতীত কাহিনী কহে,
লাগে গত নিশীথে স্বপনের প্রায়
আর দিন চলে যায়।
কামিনী রায়
১৫৫. অল্পেতে সন্তুষ্ট থাকতে পারলেই জীবনকে মধুময় মনে হয়।
টলস্টয়
১৫৬. অসম্ভব বেদনার সঙ্গে মিশে রয়ে গেছে অমোঘ আমোদ।
জীবনানন্দ দাশ
১৫৭. বেদনার পরেরকার আনন্দই উপভোগ্য।
জন ড্রাইডেন
১৫৮. সুখ বলে যাহা চাই সুখ তাহা নয়,
কী যে চাই জানি না আপনি,
আঁধারে জ্বলিছে ওই, ওরে কারো ভয়,
ভুজঙ্গের মাথার ও মণি।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬৯. অশ্রু বড্ড তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। বিশেষ করে সেই অশ্রু যদি ঝরে অন্যের দুঃখে।
–সিসেরো
১৬০. সুখ জীবনকে দীর্ঘায়িত করে, কর্মস্পৃহা বাড়ায়।
ইস্টার সোল
১৬১. জ্ঞানী লোক কখনো সুখের সন্ধান করে না, তাঁরা কামনা করেন দুঃখকষ্ট থেকে অব্যাহতি।
অ্যারিস্টটল
১৬২. নির্মল হাসি গৃহে সূর্যকিরণের মতো।
–মেনেভার
১৬৩. অভিজ্ঞ লোকেরা অল্প হাসে, বোকারা না বুঝেও হাসে।
উইলিয়াম হারভে
১৬৪. সব ছেলের কাছেই তার মার মুখের হাসিটি হচ্ছে একান্ত নিজস্ব সম্পদ, যার সঙ্গে অন্য কারও মায়ের হাসিই মেলে না।
অবধূত
১৬৫. আপনি যদি বুদ্ধিমান হন তবে হাসুন।
মার্শাল
১৬৬. একটি রাজ্যের রাজা হওয়ার চেয়ে হাস্যোজ্জ্বল বালকের জীবন আমার বেশি পছন্দ।
অলিভার ওয়েল্ডার হোমস
১৬৭. হাসতে যে কার্পণ্য করে মনের কালিমা তার কখনো পুরোপুরিভাবে ঘোচে না।
