দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়
১৩৭. জীবন যতক্ষণ আছে, বিপদ ততক্ষণ থাকবেই।
ইমারসন
১৩৮. জীবনের নিগূঢ় সত্যটি হচ্ছে, কখনো এমন কোনো আবেগকে প্রশ্রয় না দেওয়া যা অশোভন।
–অস্কার ওয়াইল্ড
১৩৯. আজ যারা নবীন, যাদের চোখে নতুন আলো, নব উদ্যম ও অনুপ্রেরণা, কাল তারা পকূকেশ ও প্রবীণ; সংসার থেকে তাদের প্রয়োজন নিঃশেষে ফুরিয়ে গেল, তারা আবার ছুটল মৃত্যুর গর্ভে। দুরন্ত উল্লাসে বারেবারে ছুটে আসে, দুর্দান্ত তাড়নায় বারেবারে তারা ছুটে পালায়। এর নাম জীবন।
–প্রবোধকুমার সান্যাল
১৪০. খাও, পান করো আর ভালবাসো। কারণ জীন ক্ষণস্থায়ী।
বায়রন
১৪১. মানুষের জীবনে বিশ বছর পর্যন্ত ইচ্ছার রাজত্ব চলে, তিরিশ বছর বয়স পর্যন্ত চলে বুদ্ধির রাজত্ব এবং চল্লিশ বছর বয়সে আসে বিচার-বিবেচনার রাজত্ব।
ফ্রাংকলিন
১৪২. একটা সুন্দর মন অন্ধকারে আলোর মতো, যার মাধ্যমে কলুষতার মাঝেও নিজের অস্তিত্বকে মর্যাদাসম্পন্ন রাখা যায়।
দানিয়েল
১৪৩. মন যখন ঘুরে বেড়ায়, কান আর চোখ তখন অকেজো হয়ে দাঁড়ায়।
অজ্ঞাত
১৪৪. একটা মন আর একটা মনকে খুঁজিতেছে নিজের ভাবনার ভার নামাইয়া দিবার জন্য, নিজের মনের ভাবকে অন্যের মনে ভাবিত করিবার জন্য।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪৫. আত্মা কুলুষিত হতে আরম্ভ করলেই মন আকারে সরু হতে থাকে।
–রুশো
১৪৬. মনের অনেক দরোজা আছে, সেখান দিয়ে অসংখ্যজন প্রবেশ করে এবং বের হয়ে যায়, তাই সবাইকে মনে রাখা সম্ভব হয় না।
–টমাস কেসি
১৪৭. যৌবন করে না ক্ষমা
প্রতি অঙ্গে অঙ্গীকার করে মনোরমা বিশ্বের নারীরে। অপরূপ উপহারে কখন সাজায় বোঝাও না যায়।
–বুদ্ধদেব বসু
১৪৮. ছোট ছোট হাসি মুখ, জানে না ধরার দুখ,
হেসে আসে তোমাদের দ্বারে।
নবীন নয়ন তুলি, কৌতুকেতে দুলি দুলি
চেয়ে চেয়ে দেখে চারিধারে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪৯. শিশুদের ভালো করতে হলে তাদের সুখী করতে হবে।
অস্কার ওয়াইল্ড
১৫০. হয়তো হারানো মণি ফিরে তারা পায়,
কিন্তু হায়, যে অভাগা হৃদয় হারায়
হারায় সে চিরতরে! এ জনমে তার
দিশা নাহি মিলে বন্ধু।
কাজী নজরুল ইসলাম
১৫১. আহত হৃদয় নিয়ে মানুষ বাঁচতে পারে, কিন্তু তাকে বাঁচা বলে না।
–ডব্লিউ. বি. ইয়েমে
১৫২. অল্পবয়সি মনটা হিসেবে বড় হতে পারে যদি সে সময় নষ্ট না করে। বেকন ১৫৩. যেমন কর্তব্যরত নয় সে-মন অনুপভোগ্য।
বেভো
১৫৪. মানুষ দ্বিমনা। তার ভেতরে দুইটি মন আছে, একটা খোলা মন, একটা ভালো মন; তার একটা অবজাত, একটা অভিজাত, তাদের একজন ছোটলোক, একজন ভদ্রলোক।
–শ্রীসরলা দেবী
১৫৫. মন দিয়ে মন বোঝা যায়
গভীর বিশ্বাস শুধু নীরব প্রাণের কথা
টেনে নিয়ে আসে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৬. শিয়ালের মতো একশো বছর জীবন ধারণ করার চাইতে সিংহের মতো একদিন বাঁচাও ভাল।
–টিপু সুলতান
১৫৭. ছোট ছোট মুধর কর্মেভরা একটি প্রেমময় জীবনই আমার অধিক কাম্য।
সুইনবার্ন
১৫৮. জীবনকে ঘৃণা কোরো না, জীবনকে ভালবাসতে শেখো। ভালবাসা দিয়ে এবং ভালবাসা পেয়ে তোমার ক্ষণিক জীবন স্বর্গীয় সুষমায় উদ্ভাসিত করে তোলো।
–মিল্টন
১৫৯. মানুষের জীবন কত সংক্ষিপ্ত আর বিশ্বাস কত ক্ষণভঙ্গুর!
–জন গে
১৬০. মানুষ বলে–নিমেষে শেষে জীবন কিছু নয়,
রক্ত-রাঙ্গা মেঘের মতো ক্ষণিকে পায় লয়।
শেখ ফজলল করিম
১৬১. আমি সংক্ষিপ্ত অথচ আনন্দমুখর জীবন চাই।
–আব্রাহাম কাওলে
১৬২. তোমার জীবন একটি জাজ্বল্যমান বিরাট গ্রন্থ, যাহার অক্ষর হইতে গুপ্ত তথ্যসমূহ প্রকাশ পায়।
–আল-হাদিস
১৬৩. বৃদ্ধেরা জীবনকে যত বেশি ভালবাসে, যুবকেরা ততখানি বসে না।
–ক্রেডিক হার্বার্ট
১৬৪. মানুষের সুখ আর পরিশ্রম তার জীবন গড়ে তোলে।
টলস্টয়
১৬৫. যৌবনের শেষে শুভ্র শরৎকালের ন্যায় একটি গভীর প্রশান্ত প্রগাঢ় সুন্দর বয়স আসে যখন জীবনের ফল ফলিবার এবং শস্য পাকিবার সময়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬৬. আমি তোমাকে চোখ দ্বারা দেখি, কিন্তু বুঝি মন দ্বারা।
–জন স্টিল
১৬৭. বৃদ্ধ হওয়ার সুখ অনেকের মধ্যেই দেখা যায়, কিন্তু সকলেই বার্ধক্য সম্পর্কে ভীত।
–জন উভরে
১৬৮. বয়সকে বেশিদিন গোপন করে রাখা যায় না।
স্কট
১৬৯. বিশ্বে দুটি শক্তি রয়েছে–এগুলো হচ্ছে অসি ও মন। কিন্তু পরিণামে এ দুয়ের দ্বন্দ্বে মনের কাছে অসি শেষ পর্যন্ত পর্যদুস্ত হয়।
–নেপোলিয়ন
১৭০. পাঁচটি ঘটনার পূর্বে পাঁচটি জিনিসকে মূল্যবান মনে করবে? তোমার বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে, দরিদ্রতার পূর্বে সচ্ছলতাকে, কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে।
–আল-হাদিস
১৭১. যুবকদের গায়ের জোরে আস্থা খুব বেশি। বিচার বুদ্ধি বিবেকের দাবি তাদের কাছে নাই। ঔদ্ধত্য প্রকাশ তাদের স্ব-প্রকৃত।
–ডা. লুৎফর রহমান
১৭২. সৃষ্টির কালই হল যৌবনকাল।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৭৩. মা ছেলেকে স্নেহ দিয়া মানুষ করিয়া তোলে, যুগে যুগে গৌরবগাথা তাই সকল জনমনের বার্তায় ব্যক্ত। কিন্তু শিশু যা মাকে দেয়, তা কি কম? সে নিঃস্ব আসে বটে, কিন্তু তার মন কাড়িয়া লওয়া হাসি, শৈশবতারল্য চাঁদ-ছানিয়া গড়া মুখ, আধ আধ আবোল-তাবোল বকুনির দাম কে দেয়? ওই তার ঐশ্বর্য, ওরই বদলে সে সেবা নেয়, রিক্ত হাতে ভিক্ষুকের মতো সে নেয় না।
