–ডা. লুৎফর রহমান
১১৫. আয় যত বেশি বাড়ে ব্যয়সংকুলান ততই কঠিন হয়ে পড়ে। হোয়াটলি ১১৬. ব্যবসা কর, শিল্প ধর, চাকুরীর মায়া ছাড়।
–আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়
১১৭. ব্যবসার আত্মা হচ্ছে তৎপরতা।
–চেস্টারফিল্ড
১১৮. ব্যবসায়ীদের নিজস্ব কোনো দেশ নেই।
–জেফারসন
১১৯. মানুষ যদি হিসেবী হত তা হলে জগতের পনেরো আনা দুঃখ কমে যেত, জগতে এত দরিদ্র লোক থাকত না। মানুষের এত হাহাকার শোনা যেত না।
ডা. লুঃফর রহমান
১২০. ছোট ছোট ব্যয় সম্বন্ধে সাবধান হও। একটি ছোট ছিদ্র মস্তবড় জাহাজকে ডুবিয়ে দিতে পারে।
ফ্রাংকলিন
১২১. স্বাস্থ্যের চাইতে বড় সম্পদ এবং অল্পে তুষ্টির চাইতে বড় সুখ আর কিছু নেই।
–হযরত আলি (রা.)
১২২. সম্পদ কোনোদিন সভ্যতা আনতে না, কিন্তু সভ্যতা সম্পদ আনয়ন করতে
হেনরি ওয়ার্ড
১২৩. সম্পদ যে অর্জন করে তার নয়, যে ভোগ করে তার।
জেমস হাওয়েল
১২৪. সম্পত্তিই শক্তিশালী লোকদের দুর্বলের উপর শোষণ চালাতে সাহায্য করে।
–প্রুধো
১২৫. বুদ্ধিহীনের সুখ্যাতি ও সম্পদ ভয়ংকর সম্পদবিশেষ।
ডেমোক্রিটাস
১২৬. অর্থ জিনিসটাকে তুচ্ছ বলে অবজ্ঞা করা চলে তখনই যখন তাতে দিনপাত হয় মাত্র। যখন তার চূড়াকে সমুচ্চ করে তোলা যায় তখনই জনসাধারণ তাকে শ্রদ্ধা করে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১২৭. অর্থ ও ক্ষমতার লোভে মানুষ যে-কোনো পর্যায়ে নেমে যেতে পারে।
টমাস ফুলার
১২৮. অর্থ থেকে সদ্গুণ জন্মে না, বরং অর্থ ও আন্যান্য কাম্য বিষয় সদ্গুণ থেকেই জন্মগ্রহণ করে।
সক্রেটিস
১২৯. মানস-প্রতিমা আমাদের বেঁধে রাখে খোয়া যাওয়া গুপ্তধনের সঙ্গে, কিন্তু খোয়া যাওয়ার ফলেই তৈরি হয় সেই প্রতিমা।
–কোলে
১৩০. ভোজন করো এবং পান করো, কিন্তু অপচয় করিও না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীকে ভালোবাসেন না।
–আল-কোরআন
১৩১. শিক্ষার অভাবেব সঙ্গে প্রাচুর্যের অভাব ঘটলে মানুষ কাঙ্গাল হয়। নইলে হয় চোর। আবার প্রাচুর্যের আধিক্যও বিপদ। চোর-ডাকাতের ভয় লেগে থাকে।
–খোন্দকার মোঃ ইলিয়াস
১৩২. তোমার সামর্থ্য অনুযায়ী উপভোগ করো।
–পি. জে. বেইলি
১৩৩. কর্জ পৃথিবীতে খোদাতালার দণ্ডস্বরূপ। যখন তিনি কোনো লোককে অপমানিত করতে চান, তখন তাহার ঘাড়ে কর্জের বোঝা চাপাইয়া দেন।
–আল-হাদিস
১৩৪. মুসলমান যে-পর্যন্ত ঋণ পরিশোধ না করে, সে-পর্যন্ত বেহেশতে প্রবেশ করিতে পারিবে না এবং পুণ্যাত্মাদের সঙ্গে মিলিত হইতে পারিবে না।
–আল-হাদিস
১৩৫. ঋণ করার অভ্যাসই হচ্ছে নিকৃষ্টতম দরিদ্রের লক্ষণ।
টমাস ফুলার
১৩৬. অর্থ ও যশ মানুষের জীবনের সব নয়।
স্কট
১৩৭. নিজ অর্জিত অর্থ ব্যয় করে যে-আনন্দ পাওয়া যায়, অন্যের প্রদত্ত অর্থে তার বিন্দুমাত্রও পাওয়া যায় ন।
স্যামুয়েল রোজার
১৩৮. পুণ্যবান হচ্ছে সেই ব্যক্তি যার হৃদয় এবং অর্থ দুটোই আছে; কারণ সে শেষোক্তকে ভালোভাবে কাজে লাগায়।
মানান্ডার
১৩৯. যে অপব্যয় করে আজ, গতকালের দৌলতের বড়াই করে, পরশু তার কিছুই থাকবে না নিজের বলে বলবার।
সম্রাট শিষোয়াংশি
১৪০. উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাজেই বেশি সুখ নিহিত।
টিনা
১৪১. সকালবেলায় ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে জাগ্রত হওয়ার বিড়ম্বনার চেয়ে রাত্রিতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয়ন করা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ।
ফকরি
১৪২. যদি কারও সাথে বন্ধুত্ব রাখতে হয়, তা হলে সবচেয়ে ভালো উপায় হল তাদের কোনো ধার না দেওয়া বা তাদের থেকে কোনোকিছু ধার না নেওয়া।
–পলড়ি কোক
১৪৩. এ জগতে নিঃসম্বল দরিদ্রের আছে মহত্ত্ব, অমিতব্যয়ী ধনীর আছে ঔদার্য। ব্যয়কুণ্ঠ বিত্তবানের নেই কোনোটাই।
যাযাবর
১৪৪. কৃপণতা সকল বদভ্যাসের সম্মিলিত রূপ। এটা এমনি এক লাগাম যা দ্বারা যে-কোনো অন্যায়ের দিকে টেনে নেওয়া চলে।
–হযরত আলি (রা.)
১৪৫. যে টাকা চায় সে পৃথিবীর সবকিছু চায়।
বিরন
১৪৬. বিদ্যা যতই বাড়ে ততই জানা যায় যে কিছুই জানি না, টাকারও সে-ই দশা। টাকা যতই বাড়ে ততই মনে হয়, টাকা নাই বলিলেই চলে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪৭. টাকা রোজগার করতে মাথা, আর টাকা খরচ করতে হৃদয় লাগে।
ফারকুহার
১৪৮. টাকা সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
–আর্থার হুগ
১৪৯. টাকা যখন কথা বলে তখন সত্য চুপ করে থাকে। রাশিয়ান প্রবাদ ১৫০. টাকা হাতে থাকলে সবাই ভাই বলে ডাকে।
–পোল্যান্ডের প্রবাদ
১৫১. পা ফাঁক করো তোমার কম্বলের মাপের অনুপাতে।
–পারস্য প্রবাদ
১৫২. এমন কোনো ফল নেই পাকার আগে যা তেতো না থাকে।
–পাবলিলিয়াস সাইরাস
১৫৩. ধনী লোকদের পাকস্থলী সাধরণত সুস্থ থাকে না।
ওয়াল্টার হুইটম্যান
১৫৪. যার কাছে ধন থাকে, ধন তার নয়, যে ধন খরচ করে ধন তারই হয়।
ফ্রাংকলিন
১৫৫. ধনসম্পদ হচ্ছে কলহের কারণ, দুর্যোগের মাধ্যম, কষ্টের উপলক্ষ এবং বিপদ আপদের বাহন।
–হযরত আলি (রা.)
১৫৬. ধনলিপ্সা মানুষের মনের সুকোমল বৃত্তিগুলোকে নষ্ট করে তাকে পশুতে পরিণত করে।
টমসন
১৫৭. অত্যন্ত সাধারণ পয়সা, হাটে হাটে হাতে হাতে ঘুরে ক্ষয়ে যাওয়া, মলিন হয়ে যাওয়া পয়সা, তাম্রগন্ধী পয়সা, কুবেবের আদিম স্বরূপ, যা রুপোর সোনার কাগজে দলিলে নানা মূর্তি পরিগ্রহ করে মানুষের মনকে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৮. তোমার সুসজ্জিত গৃহে যতখানি প্রাচুর্য আছে, ততখানি আনন্দ থাকবে, এমন কোনো কথা নেই।
