–স্যামুয়েল জনসন
৩৫. টাকা বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে, এই টাকা আবার বন্ধুত্ব নষ্টও করে।
–পিয়েরে সেলডন
৩৬. যে সবচেয়ে বেশি দেয়, সে-ই সবচেয়ে বেশি পেয়ে থাকে।
রামকৃষ্ণ
৩৭. দানের সঙ্গে শ্রদ্ধা বা প্রেম মিললেই তবে তা সুন্দর ও পূর্ণ হয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৮. দারিদ্র্য, নির্মম দারিদ্র্য, মানুষের জীবনের সমস্ত মাধুর্যকে তুমি নিমেষে নিঃশেষ করে দাও।
–এস. ল্যান্ডার
৩৯. মানুষ ইচ্ছে করে ছোট ও দরিদ্র হয়।
–ডা. লুৎফর রহমান
৪০. দারিদ্রের যন্ত্রণা দরিদ্রকে যে-কোনো দুষ্কর্মে প্ররোচিত করে।
বার্নার্ড শ
৪১. দরিদ্রকে দয়া-দাক্ষিণ্য দেখানো অমানবিক কর্ম। দরিদ্রের দারিদ্র্য মোচনের পথ দেখানোই মানব্য তথা মানবিক।
বীরেন্দ্র দত্ত
৪২. পার্থিব বস্তুর আধিক্যকে ধন বলা যায় না। মানসিক সন্তোষই প্রধান ধন।
–আল-হাদিস
৪৩. ধনের ধর্মই অসমান্য। জ্ঞানধর্ম কলাসৌন্দর্য পাঁচজনের সঙ্গে ভাগ করিলে বাড়ে বই কমে না, কিন্তু ধন জিনিসটা পাঁচজনের কাছ হইতে শোষণ করিয়া লইয়া, পাঁচজনের হাত হইতে তাহাকে রক্ষা না করিলে সে বেঁকে না। এইজন্য ধনকামী নিজের গরজে দারিদ্র্য সৃষ্টি করিয়া থাকে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪৪. তোমরা যা ভালোবাস তা থেকে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনো পুণ্যলাভ করবে না।
–আল-কোরআন
৪৫. একজন গরিব ব্যক্তির কাছে ধনী ব্যক্তির ধনগৌরবের চাইতে ঘৃণ্য আর কিছুই নেই।
–কাম্বারল্যান্ড
৪৬. ধনলিপ্সা মানুষের মনের সুকোমল বৃত্তিগুলোকে নষ্ট করে তাকে পশুতে পরিণত
–টমসন।
৪৭. সমাজে দুধরনের লোকের দাপট বেশি। একদল হচ্ছে যাদের ঘরে খাবার বেশি আছে এবং আরেক দল আছে যাদের ঘরে খাবার প্রয়োজনের তুলনায় কম আছে।
—ডেল কার্নেগি
৪৮. টাকাওয়ালাদের দরদ টাকাওয়ালাদের পরেই।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪৯. বড়লোক হবার শেষ্ঠ উপায় হচ্ছে টাকা খরচ না করা।
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
৫০. ধনী হওয়ার অর্থ তো কেবল সংগ্রহ করাই নয়। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীকেও তেমনি ধনহীন করে তোলাও এর অন্য উদ্দেশ্য, নইলে নিজে ধনী হওয়ার কোনো মানেই থাকে না।
শরৎচন্দ্র চট্টেপাধ্যায়
৫১. সে-ই সবচেয়ে ধনী যার নিজস্ব বলতে কিছু নেই।
ফরাসি প্রবাদ
৫২. যতটা পাওয়া যায় ততটা লইয়া টানাটানি করা কাঙালকেই শোভা পায়–ভোগ খর্ব করিলেই সম্পদের যথার্থ গৌরব।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৩. অতিরিক্ত ধনলিপ্সা বয়সকে অস্বীকার করার মতো পাপ।
ব্যানক্র্যাক্ট
৫৪. ঐশ্বর্যের মাঝে থেকেও দারিদ্র্যের মাঝে চলার মতো করে নিজেকে গড়ে নিও, কারণ ঐশ্বর্য ক্ষণস্থায়ী।
জন সেলডন
৫৫. সম্পদ যেমন দায়িত্ব বৃদ্ধি করে, তেমনি উত্তরাধিকারীকেও সুপ্রতিষ্ঠিত করে।
–আর্থার ইয়ং
৫৬. সম্পদ সভ্যতা আনে না, কিন্তু সভ্যতা সম্পদ আনে।
হেনরি বিশার
৫৭. সম্পদ নিশ্চিতভাবে ভোগের জন্য।
–বেনিন
৫৮. বেশিরভাগ বড়লোকদের সাহসের বেশিটাই তাদের সম্পত্তিসস্তৃত।
–বুদ্ধদেব গুহ
৫৯. উত্তরাধিকারসূত্রে যে ধনবান, সে মর্যাদাবান নয়।
এডমন্ড বার্ক
৬০. বুদ্ধিহীনের সুখ্যাতি ও সম্পদ ভয়ংকর সম্পদ বিশেষ।
ডেমোক্রিটাস
৬১. যে আয় ভোগে লাগে না, তা থেকেও নেই।
আবদুর রহমান শাদাব
৬২. উপার্জিত টাকার চেয়ে খরচ যার বেশি হয়, সে কখনো ধনী হতে পারে না, আর সে কখনোই দরিদ্র নয়, যার খরচ তার উপার্জনের চেয়ে কম।
হ্যালি বার্টন
৬৩. আয়ের চেয়ে ব্যয়ের কৌশল রপ্ত করা অনেক বেশি কঠিন। স্বর্ণ-বৃষ্টির সময় কেউ টুপি পেতে ধনী হতে পারে, কিন্তু সুরুচি এবং পাকা অভিজ্ঞতা না থাকলে সার্থক খরচ করতে পারে না। মানুষ অর্থ দিয়ে যে অনর্থ কেনে তা দারিদ্র্যের চেয়েও ভয়ঙ্কর।
আবদুর রহমান শাদাব
৬৪. যোগ্যতা যতই থাক, অবস্থা অনুকূল না হলে আয় হয় না। কিন্তু স্বেচ্ছাব্যয়ের সমস্ত দায়িত্বটাই নিজের। কে কীভাবে ব্যয় করে, তাতে নির্ণীত হয় তার জীবনের রূপ।
আবদুর রহমান শাদাব
৬৫. যে-ব্যক্তি স্বহস্তে আয় করে, হাতেম তাই-এর দান তাকে খাটো করতে পারে
–শেখ সাদি
৬৬. পাপপথে পয়সা অর্জন করার চেয়ে একজন স্ত্রীলোকের দাস হওয়া অনেক ভালো।
শেখ সাদি
৬৭. কসাইয়ের তাগাদা অপেক্ষা সে-গোশত্ না খেয়ে মরা ভালো।
শেখ সাদি
৬৮. মন যখন যা চায়, তা-ই খাওয়া অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
হযরত ইমাম হোসেন (রা.)
৬৯. আমাদের কী আছে তা কম সময়েই ভাবি, আমাদের অধিকাংশ চিন্তা কী নেই তা-ই নিয়ে।
শপেনহাওয়ার
৭০. পরের দুঃখের কথা করিলে চিন্তন
নিজের অভাব ক্ষোভ থাকে কতক্ষণ?
রজনীকান্ত সেন
৭১. অপব্যয়ী লোক তাদের উত্তরাধিকারীদের সর্বস্বান্ত করে আর কৃপণ করে নিজেকে সর্বস্বান্ত।
ব্রুইয়ের
৭২. যখন উপাসনা শেষ হবে, তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর দান অনুসন্ধানে ব্যাপৃত থাকবে।
–আল-কোরআন
৭৩. উপার্জন না করলে পরমুখাপেক্ষিতা আসে, পরমুখাপেক্ষিতায় মানুষের ধর্ম শিথিল, বুদ্ধি দুর্বল এবং চুক্ষলজ্জা দূর হয়ে যায়।
হযরত লোকমান (আ.)
৭৪. ঋণ পরিশোধের পন্থা ঠিক না করে ঋণ কোরো না।
সক্রেটিস
৭৫. টাকার স্থূপের ওপরে যারা বসে থাকে আমাদের সংস্কৃতি নায়ক বানায় তাদেরকেই। আর নিজেদের কর্মক্ষেত্রের যোগ্যতার বিষয়ে তারা যা বলে, শুধু সেগুলোই আমরা শুনি না, জগতের বিভিন্ন বিষয়ে তাদের জ্ঞানগর্ভ বাণীও আমরা মনোযোগের সঙ্গে শুনি।
