বেকন
১২২. জনতাকে কখনো উপদেশ দিতে যেও না।
আরবি প্রবাদ
১২৩. অধস্তন লোকদের দ্বারা শাসিত হওয়া কষ্টকর।
–ডেমোক্রিটাস
১২৪. মার্কিনি সমাজে উপাদান বেশ চঞ্চল, কারণ এর মানুষ আর বস্তু বদলে যাচ্ছে সব সময়; কিন্তু এও বড় একঘেয়ে, কারণ বদলগুলোও একই ধরনের।
আলেক্সি দ্য তকভিল
১২৫. আমেরিকা ছোট্ট একটা ঘরে বিশাল এক ভক্ত কুকুরের মতো। যতবারই সে লেজ দোলায়, চেয়ারে গিয়ে আঘাত লাগে।
–আর্নল্ড টয়েনবি
১২৬. অযোগ্য শাসনকর্তার মতো দেশ ও জাতির বড় ক্ষতি আর কেউ করতে পারে।
অ্যারিস্টটল
১২৭. বাজেট হচ্ছে পৌরাণিক শিমের থলে। সাংসদরা ভোট দিয়ে ভরিয়ে তোলে একে। এরপর হাত চালিয়ে বেছে তোলে আসল শিমগুলো।
উইলিয়াম রর্জাস
১২৮. সত্যিকার আযাদী অজ্ঞানতা হইতে আযাদী, সত্যিকার আযাদী মূর্খতা হইতে আযাদী। দেশের অজ্ঞানতা দূর করিতে হইবে। মূর্খতা বিনাশ করিতে হইবে। মানুষ জন্তুকে বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন ফেরেশতা স্বভাব–শ্রেষ্ঠ খাঁটি মানুষ বানাইতে হইবে।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
১২৯. ব্যক্তির মূল্য ও মর্যাদাদানই হলো গণত্রন্ত্রের প্রথম কথা। মানবপ্রকৃতির সাম্যের বিভক্তিতে গঠিত এই মর্যাদা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়ভাবে সকল ব্যক্তির মধ্যে সমানভাবে বর্তমান। সুতরাং সাম্যই গণতন্ত্রের মুখ্য আদর্শ।
ইকুয়েলিটি (১৮৯৭) এডওয়ার্ড বেলামি
১৩০. ব্যাক্তি জন্ম নেয় এক মুষ্টি ধূলি থেকে
সরল দীন ব্যক্তির অন্তর থেকে জন্ম নেয় একটি জাতি।
ইকবাল
১৩১. ভালো ভালো কথা, কর্মসূচীপূর্ণ ভাষণ দেয়া সহজ। তা বাস্তবায়ন করা সহজ নয়।
–উড্র ইউলসন
১৩২. একটি জাতিকে সর্বপ্রথম মানবতার নিকট থেকে নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে হবে। তারপর সে কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করবে।
ম্যাসিজান
১৩৩. স্বাধীন দেশের লোকদের নিকট বুলেটের চেয়ে ব্যালটের মূল্যই বেশি।
জেমস হগ
১৩৪. আমলাতন্ত্র কুরসি কুর্নিশ করে।
আতাউর রহমান খান
১৩৫. জীবনচরিতই একমাত্র সত্যিকারের ইতিহাস।
–কার্লাইল
১৩৬. গণতন্ত্র হল পারস্পরিক মর্যাদার এক তীর্থভূমি।
হ্যারল্ড ল্যাসওয়েল
১৩৭. একমাত্র গণতন্ত্রই পৃথিবীকে নিরাপদ করে তুলতে পারে।
উইলসন
১৩৮. গণতন্ত্রই হচ্ছে এমনই এক ধরনের সরকার যা জনগণের এবং জনগণের দ্বারা জনগণের জন্যই তৈরি।
আব্রাহাম লিংকন
১৩৯. গণতন্ত্র হল স্বাধীনতা ও সাম্যের এবং ব্যক্তিমূল্য ও সমাজের চাহিদার সমন্বয়।
টমাস রো
১৪০. চিন্তার স্বাধীনতা থাকবে, কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, কাজের স্বাধীনতা থাকবে এবং উপাসনার স্বাধীনতা থাকবে–এই হল গণতান্ত্রিক মতাদর্শ।
থিউডোর পার্কার
১৪১. যে-দেশে গণতন্ত্র নেই, সে-দেশে নিরাপত্তাও নেই।
–জে. আর. লাওয়েল
১৪২. নিজেকে এবং জাতিকে বড় করতে হলে তোমাদের সমস্ত শক্তির পূর্ণ ব্যবহার চাই। তোমার নিজের বড় হওয়ার উপরেই জাতির বড় হওয়া নির্ভর করে। তুমি ছাড়া জাতি স্বতন্ত্র নয়। সকলে নিজেকে টেনে তোলো, জাতি বড় হবে। জাতির জাগরণ, জাতিকে আহ্বান করার অর্থ তোমাকে আহ্বান করা।
–ডা. লুৎফর রহমান
১৪৩. কাকে বলে ইতিহাস? ইতিহাস কতগুলো সত্য, শেষমেষ যা মিথ্যে হয়ে যায়; আর উপকথা হচ্ছে সেইসব মিথ্যে, শেষে হয়ে যায় ইতিহাস।
জঁ ককতো
১৪৪. বঙ্গদেশ গোঁফে তেল, গাছে কাঁঠালের দেশ। যত বড় না মুখ, তত বড় কথার দেশ। পেটে পিলে, কানে কলম ও মাথায় শ্যামলার দেশ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪৫. জনগণ আর সরকার ইতিহাস থেকে কখনোই কিছু শেখেনি, আর ইতিহাস থেকে বেরিয়ে আসা নীতি মেনে কোনো কাজও করেনি।
–হেগেল
১৪৬. কোন দেশেতে তরুলতা
সকল দেশের চাইতে শ্যামল,
কোন দেশেতে চলতে গেলে
দলতে হয় রে দূর্বাকোমল?
কোথায় ফলে সোনার ফসল
সোনার ফসল ফোটে রে?
সে আমার বাংলাদেশ
আমাদেরি বাংলারে।
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
১৪৭. সংখ্যালঘুদের চিন্তাভাবনা সবসময়েই নিরপেক্ষ হয়।
ইবসেন
১৪৮. পৃথিবীর ইতিহাস মানে সুযোগ পাওয়া সংখ্যালঘুদের ইতিহাস।
হেনরি মিলার
১৪৯. আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালী। এটি কোন আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব কথা। মা প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের। চেহারায় ও ভাষায় বাঙালীত্বের এমন ছাপ মেরে দিয়েছেন যে, মালা, তিলক, টিকিতে কিংবা টুপি, লুঙ্গি দাড়িতে তা ঢাকবার জো-টি নেই।
–ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
১৫০. যে-রাজা তার দেশের জনগণের জন্য যুদ্ধ করে, সে প্রকৃতপক্ষে নিজের জন্যই যুদ্ধ করে।
–মেরিই বুয়েল
১৫১. শান্তির সময় পুত্র পিতাকে সমাধিস্থ করে, কিন্তু যুদ্ধের সময় পিতা পুত্রকে সমাধিস্থ করে।
বেকন
১৫২. রাজনীতি সবচেয়ে বড় জুয়াখেলা।
ডিজরেইলি
১৫৩. একজন রাজনীতিচর্চাকারীর পরবর্তী নির্বাচন সম্বন্ধে চিন্তা করেন, আর রাজনীতিজ্ঞ ব্যক্তি ভাবেন ভাবী প্রজন্ম সম্বন্ধে।
–জেমস্ ফ্রিমের ক্লার্ক
১৫৪. স্বর্গে গোলামি করার চেয়ে নরকে রাজত্ব করা ভালো।
মিল্টন
১৫৫. ফরাসি আর ইংরেজদের স্বাজাত্যবোধের একটি পার্থক্য হল? একজন ভাবে, যারা সবসময় সত্য জিনিসটিই চিন্তা করে, তারা ফরাসি; অন্যেরা ভাবে, যারা সবসময় ভুল জিনিসটি চিন্তা করে, তারা ইংরেজ নয়।
ইউলিয়াম হ্যাজলিট
১৫৬. কোনো ইংরেজ যখন নিজের মুখ বন্ধ রাখে, তখনকার মতো স্বাভাবিক সে আর কখনোই নয়।
