–হেনরি জেমস
১৫৭. রসবোধই একমাত্র জিনিস যার ব্যাপারে ইংরেজরা চূড়ান্তরকম সিরিয়াস।
ম্যালকম মাগেরিশ
১৫৮. একজন ভালো প্রশাসকই একজন ভালো রাজা হতে পারেন।
মিচেল জিন
১৫৯. রাজা রাজত্ব করে, কিন্তু শাসন করে না।
বিসমার্ক
১৬০. জনগণ যে-রাজাকে ভালোবাসে, বিধাতা তাঁকে রক্ষা করেন।
–বেন জনসন
১৬১. মানুষের যেমন রাষ্ট্রগুলোরও তেমনি, মানুষগুলোর চরিত্রের মধ্য থেকেই রাষ্ট্রগুলো গড়ে ওঠে।
–প্লেটো
১৬২. রাষ্ট্রদূতেরা রাষ্ট্রের চক্ষু ও কর্ণস্বরূপ।
দুই ফের ডিনি
১৬৩. সুশাসকের পক্ষে হেরেমের রেশমি শয্যা অপেক্ষা অশ্বপৃষ্ঠ অধিক প্রিয়।
ইমামউদ্দিন জঙ্গি
১৬৪. ইংরেজরা গান নাও পছন্দ করতে পারে, এর ফলে যে গোলমেলে আওয়াজটা তৈরি হয় সেটার প্রতি তাদের অসম্ভব ভালোবাসা।
টমাস বিচাস
১৬৫. এমন নয় যে ইংরেজদের অনুভূতি নেই–আসলে তারা অনুভব করতে ভয় পায়, বিদ্যালয়গুলোতে তাদের শেখানো হয়, অনুভব করা খুব বাজে ব্যাপার। তীব্র আনন্দ বা দুঃখ কখনোই তার প্রকাশ করা উচিত নয়, এমনকি কথা বলার সময় মুখও বেশি ফাঁক করা ঠিক নয়; তার কারণ এতে মুখ থেকে সিগারেট খসে পড়ে যেতে পারে।
ই. এম, ফর্স্টার
১৬৬. সার্কাসের শিক্ষিত ঘোড়াদের মতোই ইংরেজদের চলন আইনমাফিক। আইনের বোধ তাদের হাড়েমজ্জায়।
ম্যাক্সিম গোর্কি
১৬৭. অন্যকে শাসন করবার পূর্বে নিজেকে সচেতন হতে হবে।
ডব্লিউ. জি. বেনহাম
১৬৮. যে-সরকার দেশের অধিকাংশ জনগণের কথা চিন্তা করে না, সে-সরকার আদৌ কোনো সরকার নয়।
এডওয়ার্ড ফেয়ার ফক্স
১৬৯. উদর যখন শূন্য থাকে তখন যতবেশি করেই রাজনৈতিক স্বাধীনতা আসুক-না কেন, তাতে জনতার তৃপ্তি আসতে পারে না।
লেনিন
১৭০. রাজনীতিবিদদের ঘৃণাও কোরো না, আবার ভালোও বেসো না।
–পুটাস
১৭১. রাজনীতিবিদদের জন্য ভালোবাসা ও ঘৃণা দুটোই জমা থাকে।
ড্রাইডেন
১৭২. আমরা দুই লাখ গোসলখানাওলা এক জাতি, যার প্রতিটি টাবে আছে একজন করে মানবতন্ত্রী।
ম্যারি ম্যাককার্থি
১৭৩. ভোট দেয়ার বয়সে পৌঁছুনোর চেয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার বয়সে পৌঁছুনের ব্যাপারে মার্কিনি যুবকরা গুরুত্ব দেয় বেশি।
মার্শাল ম্যাকলুহান
১৭৪. মার্কিনি পুরুষরা যদি টাকার প্রতি মোহগ্রস্ত হয়, মার্কিনি মহিলারা তা হলে ওজন নিয়ে মোহগ্রস্ত। পুরুষরা বকবক করে কামানো নিয়ে, মহিলারা করে হারানো নিয়ে। কোনটা বেশি একঘেয়ে আমি বলতে পারবো না।
মারিয়া ম্যান
১৭৫. শাসকগণ জমিনের বুকে আল্লাহর তরফ থেকে নিয়োজিত দারোয়ান বিশেষ।
–হযরত আলি (রা.)
১৭৬. অন্যকে কোনো ব্যাপারে শাসন করার পূর্বে নিজেকে সে-ব্যাপারে অভিজ্ঞ হতে হবে।
বেকন
১৭৭. সর্বাপেক্ষা জঘন্য শাসক সে-ব্যক্তি, যে প্রবল প্রতিপক্ষের প্রতি তোয়াজ করে, দুর্বল প্রজাসাধারণের উপর জুলুম চালায়।
হযরত ইমাম হোসেন (রা.)
১৭৮. স্বাধীন দেশের সরকারের একটিমাত্র উদ্দেশ্য থাকা উচিত–তা হচ্ছে মানবতার কল্যাণ করা।
–উইলবার এল. ক্রস
১৭৯. দেশের সত্যিকার কল্যাণ যে চায়, সে-ই প্রকৃতপক্ষে দেশকে ভালোবাসে।
স্যামুয়েল লাভার
১৮০. আমেরিকার স্বভাব স্বৈরতান্ত্রিক, সে বলে, ‘আমি তর্ক করছি না, বলছি।’
–এরিস্ট এইচ ইরকসন
১৮১. খালিপেটে কোনো লোকই দেশপ্রেমিক হতে পারে না।
ডব্লিউ সি.ব্রান
১৮২. দেশপ্রেমিকের রক্তই স্বাধীনতা-বৃক্ষের বীজস্বরূপ।
টমাস ক্যাম্পবেল
১৮৩. নিজেদের স্বার্থ যদি দূর না হয়, তবে রাজনৈতিক পরিবর্তন কখনো শুভ হবে না।
–ওয়েন ডেল ফিলিপ
১৮৪. দেশকে ভালো না বাসলে তাকে ভালো করে জানবার ধৈর্য থাকে না, তাকে না জানলে তার ভালো করতে চাইলেও তার ভালো করা যায় না।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৫. কোনো অসৎ ব্যক্তিই স্বাধীন নয়। স্বাধীনতা ও প্রভুত্ব সহজে সংযুক্ত হয় না।
স্ট্যাসিটস
১৮৬. স্বাধীনতার ইতিহাস হচ্ছে প্রতিরোধের ইতিহাস।
টমাস উইলিয়াম
১৮৭. স্বাধীনতা, তোমার নামে কত অপরাধই-না করা হচ্ছে!
মাদামোয়াজেল জিন রোল্যান্ড
১৮৮. একমাত্র রক্ত দিয়েই স্বাধীনতার মূল্য দেয়া সম্ভব। আমাকে তোমরা রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৮৯. স্বাধীনতাই শক্তি।
জন কুইন্স অ্যাডামস
১৯০. দেশপ্রেমিক ও অত্যাচারীর রক্ত হতেই স্বাধীনতা-বৃক্ষকে মাঝে মাঝে অবশ্যই সঞ্জীবনী শক্তি গ্রহণ করতে হবে।
জেফারসন
১৯১. স্বাধীনতা সুন্দর, কিন্তু সহজ নয়।
দানিয়েল ডেফো
১৯২. স্বাধীনতা মানে দায়িত্ব, তাই স্বাধীন দেশের নাগরিক অবশ্যই দায়িত্ববান হবেন।
–জে. এস. মিল
১৯৩. কখনো ককনো মনে হয় আমেরিকা বিশ্বাস করে যে যদি আপনি চিন্তাবিদ হয়ে থাকেন তা হলে নির্ঘাত আপনি একজন ভুরু কোঁচকানো একঘেয়ে লোক। কারণ চিন্তা করাটা বেশ গম্ভীর একটা ব্যাপার।
জ্যাক মারিত্যা
১৯৪. কোনো মহাসাগর পৃথিবী থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করেনি–করেছে কোনোকিছুর দিকে তাকানোর জন্যে আমাদের মার্কিনি দৃষ্টিভঙ্গি। হেনরি মিলার।
১৯৫. আমেরিকাতে কোনো নারী নেই, আছে পণ্যবিক্রয়কারিণী।
ল্যাডন মিচেল
১৯৬. চিন্তার স্বাধীনতাই আত্মার শক্তি।
–ভলতেয়ার
১৯৭. দেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসতে পারলে জীবন সুখ ও শান্তিময় হয়ে ওঠে।
এডওয়ার্ড ইয়ং
১৯৮. দেশ কেবল ভৌগোলিক নয়, দেশ মানসিক।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
