–ফারাবি
২৩১. সঙ্গীসাথিরা খারাপ হলে অপরাধপ্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
–রবার্ট ই. শেরউড
২৩২. হিংসা মানুষকে এমনভাবে ধ্বংস করে, যেভাবে মরিচা লোহাকে ধ্বংস করে।
–ইবনুল খাতিব
২৩৩. একজন লোভী এবং অহংকারী মানুষকে বিধাতা সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করেন।
–জন রে
২৩৪. যার ব্যক্তিত্ব নেই, তাকে কখনো অনুসরণ করার চেষ্টা করবে না।
–লুইস ক্যারল
২৩৫. মাধুর্যমণ্ডিত ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে থেকেও যদি তোমার ব্যবহার মধুর না হয়, তবে তা দুঃখজনক।
–জে. এ. গুডচাইল্ড
২৩৬. যারা নিজেদের নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত সমাজ, তাদের কাছ থেকে কিছু আশা করতে পারে না।
–ডা, লুৎফর রহমান
২৩৭. আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী ‘পরে,
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।
কামিনী রায়
২৩৮. তুমি সবকিছু করে ফেলার পর রয়ে যাও অবিকল তুমি।
–গ্যেটে
২৩৯. তুমি যা তা-ই হও; নিজের চেয়ে উন্নত হওয়ার এটাই প্রথম ধাপ।
–জুলিয়াস হেয়ার এবং অগাস্টাস হেয়ার
২৪০. তুমি কী হতে চাও, সেটা বড় নয়; তুমি কী, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
–পাবলিলিয়াস সাইরাস
২৪১.–আমার ঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা
আমি বাঁধি তার ঘর,
আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই
যে মোরে করেছে পর।
জসীম উদ্দীন
২৪২. প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্য ধারণ করতে পারে।
ই. সি. স্টেটম্যান
২৪৩. মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন পাওয়া যায় তাদের ভেতরের গুণাবলি থেকে; আর পশু-পক্ষীর শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন পাওয়া যায় তাদের বাইরের গুণাবলি থেকে।
–রাশিয়ান প্রবাদ
২৪৪. আমি দোষবর্জিত মানুষ নই; আমি অন্যায় করতে পারি–এ-চিন্তা সর্বক্ষণ স্মরণ করতে হবে।
ডব্লিউ. জি. বেনহাম
২৪৫. শান্তিতে প্রতিবেশীর সঙ্গে বসবাস করতে হলে সবসময় তার খোঁজখবর রাখতে হবে।
–জন ক্লার্ক ২৪৬. অসৎ ব্যক্তি সৎ ব্যক্তির কাজের মধ্যে মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না।
–জন বেকার
২৪৭. পৃথিবীতে দু-ধরনের মানুষ আছে। এদের একদল বেঁচে থাকার জন্য খায়: আর একদল আছে, যারা খাওয়ার জন্য বেঁচে থাকে। পৃথিবীর যা-কিছু মহৎ কাজ, তা প্রথম দলের লোকেরাই করে।
বি. সি. রায়।
২৪৮. সব মানুষেরই কান আছে, কিন্তু সবাই সুষ্ঠুভাবে শুনতে পায় না। তার ফলেই পৃথিবীতে এত অশান্তি।
সিসতো
২৪৯. কুলীনের ঘরে জন্মিলেই সে প্রকৃত কুলীন নয়। যে সব কুলীন করতে পেরেছে–সে-ই প্রকৃত কুলীন।
–আরবি সাহিত্য থেকে
২৫০. মানুষের মধ্যে যদি কৃতজ্ঞতাবোধের অভাব থাকে, তবে সে মানুষ হিসেবে পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারে না।
–ওয়াল্ট হুইটম্যান
২৫১. সে-ই যথার্থ মানুষ, যে জীবনে অনেক পরিবর্তন দেখেছে এবং পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেও পরিবর্তিত হয়েছে।
বায়রন
২৫২. বুড়ো মানুষকে কথা বলতে দেওয়া ভালো, তাতে তাদের মনে হবে তারাও বুঝি সংসারের কলে দম দিচ্ছে। বেচারারা জানতে পারে না, তাদের রসনা যেখানে চলছে, সংসার তার থেকে অনেক দূরে চলছে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
–
২৫৩. অন্য লোকে মানুষকে যত ঠকায়, মানুষ নিজেই নিজেকে তার চেয়ে বেশি ঠকায়।
গ্রিভিল
২৫৪. নাম মানুষকে বড়ো করে না, মানুষই নামকে জাঁকাইয়া তোলে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৫৫. তিন কারণে মানুষের চরিত্রে পরিবর্তন হয় : রাজার সঙ্গলাভ, ক্ষমতালাভ, দারিদ্রের পর প্রচুর ধনলাভ। এই তিন অবস্থার কোনো এক বা একাধিক অবস্থাসম্পন্ন। হয়েও যদি কোনো ব্যক্তির চরিত্রে পরিবর্তন না হয়, তবে জানবে সে-ব্যক্তি বুদ্ধিমান।
–হযরত আলি (রা.)
২৫৬. মানুষ তার প্রভুত্বকে জাহির করতে ভালোবাসে আর জীবজন্তুরা তা গোপন রাখাই পছন্দ করে।
রাশিয়ান প্রবাদ
২৫৭. মানুষই একমাত্র প্রাণী যে খিদে না পেলেও খায় এবং তৃষ্ণা না পেলেও পানি পান করে।
–অলিভার কুক
২৫৮. মানুষের মধ্যে সাদা-কালোর কোনো তফাত নেই; নেই কোনো তফাত রক্তগত কিংবা বংশগত আভিজাত্যের। কেননা, সব মানুষই এক আল্লাহর সৃষ্টি।
–আল-হাদিস
২৫৯. মানুষ বুড়ো হলেও তার দুটি বিষয় বুড়ো হয় না–ধনসম্পত্তি উপার্জনের লোভ এবং জীবনের আশা।
–আল-হাদিস
২৬০. যুবকেরাই বৃদ্ধদের অবহেলা করে বেশি, শিশুরা তাদের অত্যধিক পছন্দ করে।
–কুপার
২৬১. প্রভাবশালী লোককে সবাই ভয় পায়, কিন্তু কেউ শ্রদ্ধা করে না।
–জন রে
২৬২. মানুষের মৃত্যু আমাকে আঘাত করে না। কিন্তু মনুষ্যত্বের মৃত্যুকে আমি সইতে পারি না।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৬৩. মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্ত শিক্ষাটাই তার অধীন।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৬৪. ভালুক ধরার আগে তার চামড়া বেচো না।
–টমাস ফুলার
২৬৫. রাত নামার আগে প্রশংসা কোরো না দিনের।
–টমাস ফুলার
২৬৬. দূর থেকে মহাপুরুষদের যতই বড় দেখাক না কেন, আমরা যতই তাদের নিকটে আসি এবং যতই তাঁদের সংস্পর্শে আসি, ততই বেশি করে আমরা বুঝতে পারি যে, তাঁরা আমাদের মতোই মানুষ।
–আব্রু ইরে
২৬৭. মানুষের শ্রেণিবিন্যাস একমাত্র তার মর্যাদানুসারেই করা উচিত।
–আর. জি. ট্রেস
২৬৮. মানবতার সেবায় যিনি নিজের জীবন নিঃশেষে বিলিয়ে দিতে পারেন, তিনিই মহামানব।
–আল-হাদিস
২৬৯. পৃথিবীটা আমার দেশ, সমস্ত মানবজাতি আমার ভাই এবং সবার ভালো করাই আমার ধর্ম।
–টমাস পেইন
২৭০. মানুষ নির্মাণ করে প্রয়োজনে, সৃষ্টি করে আনন্দে, বুদ্ধির পরিচয় দেয় জ্ঞানের বিষয়ে, যোগ্যতার পরিচয় দেয় কৃতিত্বে এবং আপনার পরিচয় দেয় সৃষ্টিতে।
