–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৭১. একজন মানুষের কাছে তার একমাত্র পথপ্রদর্শক হচ্ছে তার বিবেক। তার মরণোত্তর খ্যাতির একমাত্র ধর্ম হচ্ছে তার সততা এবং তার আচরণের আন্তরিকতা।
–চার্চিল
২৭২. মানুষ যতই ছোট হোক, যতই সে অবজ্ঞাত হয়ে থাকুক, তার মধ্যে অসীম ক্ষমতা, অনন্ত প্রতিভা ঘুমিয়ে রয়েছে–অনুকূল পরিবেশ পেলে তার ভেতরকার রূপ ও মহিমা অনন্ত শিখায় ফুটে উঠবে।
–ডা. লুৎফর রহমান
২৭৩. মানুষকে জানো এবং তাকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিতে শেখো।
–শেলি
২৭৪. নিশ্চয়ই আমি মানুষকে শ্রেষ্ঠভাবে গড়েছি। তারপর তাকে নীচতম স্তরেও নামিয়েছি। যারা আমাকে বিশ্বাস করে ভালো কাজ করবে, নিশ্চয়ই তাদের জন্য পুরস্কার থাকবে।
–আল-কোরআন
২৭৫. আমি মানুষকে তার কাজের দ্বারা বিচার করতে চাই।
ম্যান কেন
২৭৬. শুধু মানুষেরে পায় না মানুষ
নাহি কারো অধিকার,
মানুষ সবারে পাইল এ ভবে
মানুষ হ’ল না কার।
জসীম উদ্দীন
২৭৭. মানুষমাত্রই আল্লাহর সৈনিক। অসুন্দর পৃথিবীকে সুন্দর করতে, সব নির্যাতন, সব অশান্তি থেকে মুক্ত করতেই মানুষের জন্ম।
কাজী নজরুল ইসলাম
২৭৮. বৃদ্ধ বয়স ও সময়ের অগ্রগতি মানুষকে অনেককিছু শেখায়। –
-সোফোক্লেস
২৭৯. বাপ-মা তোমার যে-নাম রেখেছেন সে শুধু অন্যের থেকে পৃথক করে ডাকবার উপায়। পৃথিবীর কাছে তোমর মনুষ্যত্বের পরিচয় হচ্ছে তোমার সত্যিকারের নাম।
–পারস্য উপদেশ
২৮০. ব্যক্তিগত স্বাধীনতা মানুষের সুখ ও মর্যাদার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়।
বুলওয়ার লিটন
২৮১. আমাদের কোনো ভরসা নেই। প্রাকৃতিক বিশ্বে আমাদের জন্য এতটুকু সুখের স্থান নেই। তথাপি মানুষ হয়ে জন্মেছি বলে আমরা দুঃখিত নই। পশু হিসেবে বেঁচে থাকার চেয়ে মানুষ হিসেবে মরে যাওয়া অনেক ভালো।
কুচ
২৮২. উপরে উঠতে হলে আগে নিচে নামুন।
–জর্জ এড
২৮৩. মানুষ কোনো বিষয় থেকে বাস্তবতাকে মুছে দিয়ে তাকে সংস্কার করে, এরপর আর বুঝতে পারে না এই অলীক জিনিসটা নিয়ে সে কী করবে।
–জি. কে. চেস্টারটন
২৮৪. জাতি ধর্ম রাষ্ট্র ন্যায়
যে মানুষের তরে।
মানুষ সবার উর্ধ্বে,
নহে কিছু তার অধিক।
–সুফী মোতাহার হোসেন
২৮৫. যুবকরাই হচ্ছে গোটা সমাজের সবচেয়ে সক্রিয় আর সবচেয়ে সজীব শক্তি। তবে অবশ্যই বৃদ্ধ ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে যুবকদের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে।
–মাও সে-তুং
২৮৬. আয় ছুটে ভাই, হিন্দু-মুসলমান,
ঐ দেখ ঝরছে মায়ের দু’নয়ান।
আজ এক করে দে সন্ধ্যা নামায
মিশিয়ে দে আজ, বেদ-কোরান।
–রজনীকান্ত সেন
২৮৭. যে-লোক মানবতার শর্তগুলো নিয়ে সবসময় পীড়িত, হয় তার নিজের কোনো সমস্যা নেই, নয়তো সেটির মুখোমুখি হতে চায় না।
–হেনরি মিলার
২৮৮. দানবের সঙ্গে যে যুদ্ধ করে তার খেয়াল রাখা উচিত এভাবে যেন সে নিজেই দানব না হয়ে ওঠে।
–নিৎসে
২৮৯. আজকের মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সর্বজাতীয় সমঝোতার। মানুষে-মানুষে বোঝাঁপড়া যেমন প্রয়োজন, তার চেয়ে বহুগুণে বেশি প্রয়োজন তেমনি জাতিতে জাতিতে বোঝাঁপড়া।
মুহাম্মদ মনসুরউদ্দীন
২৯০. সমাজসংস্কারকদের সবসময় গোড়ার দিকে দৃষ্টি রাখতে হয়। কারণ মূল উৎপাটন করতে না পারলে কোনো সমস্যার সমাধান স্থায়ী হয় না।
–জেফারসন
২৯১. কোনো মানুষেরই মনটা ষোল আনা তার নিজের নয়, তবে তার পনের আনা সমাজের।
–নরেশ গুপ্ত
২৯২. সমাজ যতই অগ্রসর হয় ততই অনধিকারী এবং অধিকারী, রসিক এবং অরসিক–এই দুই সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হতে থাকে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৯৩. বাল্যকাল দেখলেই বোঝা যায় ছেলেটি ভবিষ্যতে কী ধরনের মানুষ হবে, যেমন সকাল দেখলেই বোঝা যায় দিনটা কেমন যাবে।
–মিল্টন
২৯৪. একজন লোককে খুন করলে কোনো ব্যক্তি খুনি বলে চিহ্নিত হয়, কিন্তু যে শত মানুষ খুন করে সে বীররূপে আখ্যায়িত হয়।
–পোরটেস
২৯৫. প্রাণী হিসেবে মানুষ একটা Species বা প্রজাতি। এ কারণে মানুষমাত্রেরই জীবন-চেতনায় কতকগুলো মৌলিক ঐক্য রয়েছে। ঘৃণায় ও ভালোবাসায়, লোভে ও ত্যাগে, ক্ষমায় ও প্রতিহিংসায়, সমাজবিরোধে ও সহযোগিতায়, দায়িত্ব সচেতনতায় ও কর্তব্যবোধে, দ্বন্দ্বে ও সংগ্রামে মানুষ প্রায় সর্বত্রই অভিন্ন। জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও বোধের তারতম্য বা মতভেদ আছে মাত্র।
–ড. আহমেদ শরীফ
২৯৬. অভিজ্ঞতা আমাদের দুটো জিনিস শিক্ষা দেয়। প্রথমটি হল, শুধরে নেয়ার জন্যে বহু জিনিস বাকি রয়ে গেছে আমাদের; দ্বিতীয়টি হল, খুব বেশি পরিমাণে শোধরানো আমাদের উচিত নয়।
দেলাক্রোয়া
২৯৭. লোকদের সুখী করবার জন্যে যারা নিজেরাই দায়িত্ব তুলে নেয়, প্রতিবেশীদের জীবন তারাই দুর্বিষহ করে তোলে সবচেয়ে বেশি।
–আনাতোল ফ্রাস
২৯৮. কিছু-কিছু ভুল আছে যা প্রতিটি রক্তমাংসের মানুষই করে থাকে। স্যামুয়েল ২৯৯. চরম ধ্বংসের মধ্যে দাঁড়িয়ে মানুষ মহৎ দৃষ্টান্ত রেখে যেতে পারে।
হান্নামুর
৩০০. যিনি ভালো লোক নন, তিনি কখনোই মহৎ লোক হতে পারেন না।
শেক্সপীয়ার
৩০১. কিছু লোক আছে যারা মহৎ হয়েই জন্মায়, কিছু লোক আছে যারা মহত্ত্ব অর্জন করে এবং কিছু লোক আছে যাদের উপর মহত্ত্ব অর্পিত হয়।
শেক্সপীয়ার
৩০২. মানুষকে তার প্রকৃত প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত কোরো না। আর কুকাজ করে দেশে কোনোরকম অশান্তি সৃষ্টি করবে না।
