ডব্লিউ. এইচ. অডেন
১৮৯. জীবনেই হোক, জীবনাবসানেই হোক, একজন উত্তম ব্যক্তির মন্দ কিছুই ঘটতে পারে না।
সক্রেটিস
১৯০. ব্যক্তিত্ব গঠন এবং মর্যাদাপ্রাপ্তির সর্বোত্তম পন্থা হল উদারতা।
–হযরত ইমাম হোসেন (রাঃ)
১৯১. উকিল বা ডাক্তারদের ট্রজেডি এই যে, মামলা জেতার পর কিংবা রোগ সেরে যাওয়ার পর মক্কেল বা রোগীর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না।
–শংকর
১৯২. যারা দোকানে বসে খায়, ধর্মশালায় গিয়ে ঘুমোয়, প্রমোদাগারে গিয়ে লীলাবিলাস করে, যথেচ্ছ ভ্রমণে বেরোয়, রুগ্ন অবস্থায় হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়, তারা স্বাধীন হতে পারে, কিন্তু তারা দুর্ভাগা।
–প্রবোধকুমার সান্যাল
১৯৩. প্রতিটি মানুষ চাঁদের মতো যার একটা অন্ধকার দিক আছে, সেদিক সে কাউকে দেখাতে চায় না।
–মার্ক টোয়েন
১৯৪. মানুষ যতই ছোট হোক, যতই সে অবজ্ঞাত হয়ে থাকুক–তার মধ্যে অসীম ক্ষমতা, অনন্ত প্রতিভা ঘুমিয়ে আছে–অনুকূল পরিবেশ পেলে তার ভেতরকার রূপ ও মহিমা অনন্ত শিখায় ফুটে উঠবে।
–ডা. লুৎফর রহমান
১৯৫. মানবতা শিক্ষা দেবার বড় শিক্ষক হল মহাপুরুষদের জীবন।
ফাউলার
১৯৬. ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে। কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে।
শেক্সপীয়ার
১৯৭. জগতে যে-সকল মহাপুরুষ জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের গৌরবের মূল এই চরিত্রশক্তি। তুমি চরিত্রবান লোক–একথার অর্থ এই নয় যে, তুমি শুধু লম্পট নও। তুমি সত্যবাদী, বিনয়ী এবং স্বাধীনতাপ্রিয় চরিত্রবান মানে এই।
–ডা. লুৎফর রহমান
১৯৮. আমরা নিজেদের ক্ষতি না করে কখনো অন্যের ক্ষতিসাধন করতে পারি না।
ডেসম্যাহিস
১৯৯. মাটির সারই হল মানুষ।
–কাশতকার
২০০. ধনে কি মানুষ বড় মানুষ হয়? ধনের বড় মানুষ কখনোই মনের বড় মানুষ নহে। আমি ধন দেখিয়া তোমাকে সমাদর করিব না, বাহুবলের জন্য তোমাকে সম্ভ্রম করিব না, কেবল মন দেখিয়াই পূজা করিব।
–ডা. লুৎফর রহমান
২০১. পরশ্রীকাতর লোভী ব্যক্তি কখনো শান্তি পায় না।
রাবেয়া বসরি (রহ.)
২০২. একজনমাত্র সাহসী ব্যক্তি সংখাগরিষ্ঠ জনসংখ্যার সমতুল্য।
এন্ড্রু জ্যাকসন
২০৩. পৃথিবীতে জনমত-নির্বিশেষে তিনটি জিনিস সব মানুষকে প্রতিনিয়ত আকর্ষণ করে চলে। তা হল : (ক) যৌনসম্পর্ক। নর-নারীর যৌনসম্পর্কিত বিষয়। (খ) বিষয়, সম্পদ, অর্থ। (গ) ধর্ম বা ধর্মীয় বিষয়মূলক চেতনার বিশ্লেষণ।
–ডেল কার্নেগি
২০৪. আমি মানুষের সঙ্গ পছন্দ করি। তাই নিজেকে দুর্বোধ্য করে তুলতে চাই না।
–সি. কলিন্স
২০৫. সময় এবং পরিবেশ মানুষের দৃষ্টিকে প্রসারিত করে।
এলবার্ট হার্বার্ট
২০৬. সুস্থ চিন্তা নিয়ে অসুস্থ সমাজে বাস করেও তৃপ্তি আছে। স্যা
মুয়েল লাডার
২০৭. বৃদ্ধবয়সের জীবনদান অনেক বেশি রহস্যময়।
–জন ড্রিংক ওয়াটার
২০৮. হিংসুক ব্যক্তি তিন প্রকার কষ্টে নিপতিত হয় ও আত্মদহন, মানুষের ঘৃণা এবং আল্লাহর গজব।
-ইবনে মুয়াইদ
২০৯. মানুষের মনটা মাটির মতো, কিন্তু তা থেকেই ক্রমশ অদ্ভুত এবং সুন্দরতম জিনিস আসে।
–ডব্লিউ. জে. টারনার
২১০. ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি প্রতিটি মানুষের জীবনেই আনন্দ আনে।
টমসন
২১১. কোনো মহৎ লোকের জীবন বৃথা যেতে পারে না। ইতিহাস তাকে পূর্ণ মর্যাদা দান করবে।
কার্লাইল
২১২. অতিরিক্ত পরিশ্রম জীবনে পূর্ণতা আনে সত্যই, কিন্তু আয়ুকে খর্ব করে।
স্কট
২১৩. তোমরা পিতৃ-পিতামহের তাঁবুতে পড়ে থেকে নিদ্রা যেয়ো না। পৃথিবী এগিয়ে চলছে, তার সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে যাও।
–ম্যাজিনি
২১৪. সন্দেহপ্রবণ মন সবসময় পাথরের মতো ভারী থাকে।
ফ্রান্সিস কোয়ারলেস
২১৫. দুনিয়ার সব মানুষ মাটির ভাষায় কথা বলে।
ফ্রিম্যান
২১৬. সমাজসেবার নামে মানুষকে ঠকিও না, এর চেয়ে বড় অন্যায় নেই।
অস্টন
২১৭. মানুষ একই রকম থেকে যায়। এমনকি যখন তার চেহারা শত খণ্ডে ভেঙে পড়ে তখনও।
–বেট্রোল্ট ব্রেখট ২১৮. মানুষ কদাচিৎ একই সঙ্গে সৌভাগ্য ও শুভবুদ্ধি আশীর্বাদস্বরূপ লাভ করে।
–লিভি ২১৯. তিনটি বিশেষ সময়ে তিন প্রকার লোকের প্রয়োজন দেখা যায়? যুদ্ধে বীরপুরুষের, ব্যাপক সংকটের সময় ধৈর্যশীলের এবং বিপদে ভ্রাতার।
ইমাম গাজ্জালি (রহ.)
২২০. আনন্দের সময় মানুষের মুখে খই ফোটে; কিন্তু দুঃখের ক্ষণে কথার/সব হারিয়ে যায়।
–হেসেন হান্ট জ্যাকসন
২২১. অনাবিল সুন্দরের প্রত্যাশা নিয়েই পৃথিবীতে একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে।
–ক্রিস্টোফার মারলে
২২২. মানুষেরাও একধরনের কয়েদি; কারণ তারা যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারে না।
প্লেটো
২২৩. জীবন হচ্ছে সামান্য জিনিসের বৃহৎ বন্ধন।
–ও. ডব্লিউ হোমস
২২৪. মানুষের বড় সম্পদ হল তার সুনাম।
–শেক্সপীয়ার
২২৫. অসৎলোকের জনপ্রিয়তা নিজের সঙ্গে প্রতারণা করার মতোই দুর্বিষহ।
–রবার্ট লুজেন্টে
২২৬. বিধাতার জন্য কিছু করতে চাইলে মানুষের কল্যাণের জন্য কিছু করো।
–আর. জি. ইংগার সেলি
২২৭. মানুষের কল্যাণের জন্য করা প্রতিটি কাজই সম্মানজনক।
-উইলিয়াম ওয়াটসন
২২৮. তিনটি অভ্যাস মানুষের জীবনকে সুন্দর করে তোলে–(১) জ্ঞানীর সাহচর্য (২) ব্যবহারের আমায়িকতা ও (৩) খরচের ভারসাম্য রক্ষা করা।
জুহাইর
২২৯. অভ্যাসই অভ্যাসকে অতিক্রম করতে পারে।
–আইজ্যাক উইলিয়াম
২৩০. অন্যের কল্যাণ করবার সময় অন্তরে বিশ্বাস রেখো যে, তুমি নিজেরই কল্যাণ সাধন করছ।
