–শেখ ফজলল করিম
১৮১. একমাত্র আল্লাহ্ সর্বযুগে, সর্বদেশে, সকল মুসলমানের উপাস্য; একমাত্র আল্লাহ্ অসীম, অপরূপ, অতুলনীয়; আল্লাহ্ চিন্ময়, অব্যয়, অদ্বিতীয়।
–এয়াকুব আলি চৌধুরী
১৮২. যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, সে পরের ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।
কাজী নজরুল ইসলাম
১৮৩. প্রত্যেক জিনিসের মরিচা পরিষ্কার করিবার এক-একটি সামগ্রী আছে। হৃদয় পরিষ্কারের একমাত্র উপায় আল্লাহ্তাআলার শরণ এবং তাহার শরণের ন্যায় কোনো উপায়ই নাই যাহা তাহাকে শাস্তি হইতে মুক্তি দিতে পারে।
আল-আদিস
১৮৪. একটি ক্ষুদ্র পাপই পারে অনেক বড় পাপের দ্বার খুলে দিতে।
টমাস এডওয়ার্ড
১৮৫. পাপাত্মা ঐ ব্যক্তি যে মানুষের মন্দ কাজ প্রকাশ করে আর ভালো কাজ গোপন রাখে।
–প্লেটো
১৮৬. যে পাপ করে সে সাধারণ মানুষ, যে পাপ করার জন্য অনুতাপ ও দুঃখ করে সে সাধু ব্যক্তি, যে পাপের বড়াই করে সে শয়তান।
টমাস মুলার
১৮৭. যে-কোনো কাজ তোমার ভেতর শক্তির উদ্রেক করে দেয়, তা-ই পুণ্য। আর যা তোমার শরীর ও মনকে দুর্বল করে তা-ই পাপ।
–স্বামী বিবেকানন্দ
১৮৮. যে সর্বাপেক্ষা কম পাপ করে, সে-ই উত্তম মানুষ। কেননা, কেউই নিষ্পাপ ও ত্রুটিমুক্ত নয়।
ইপিকারমার্স
১৮৯. একজন পাপী ও সাধুর মধ্যে পার্থক্য এই যে, প্রত্যেক সাধুর অতীত রয়েছে এবং প্রত্যে পাপীর ভবিষ্যৎ রয়েছে।
অস্কার ওয়াইল্ড
১৯০. আমার পূর্ণ বিশ্বাস যে, আত্মা অবিনশ্বর এবং আত্মার কাজ নিরবধিকাল চলতে থাকবে। এটা অনেকটা সূর্যের মতো; যা আমাদের চোখে রাতে অস্তমিত বলে মনে হয়, কিন্তু যা বাস্তবে শুধু অন্য কোথাও আলোক বিতরণ করতে গেছে মাত্র।
গ্যেটে
১৯১. প্রতিটি দুঃখি আত্মা সতোর প্রতীক।
টমাস হার্ভে
১৯২. আমাদের আত্মার সন্তুষ্টির জন্য দেহের কাছ থেকে কিছু পারিশ্রমিক নিতে
ভার্জিল
১৯৩. মহাপ্রাণ ব্যক্তির সমাধিশায়িত দেহ প্রাণশক্তিহীন জীবিত মানুষপূর্ণ সমগ্র জগৎ থেকে শ্রেষ্ঠ। আত্মা যার জীবন্ত, তাঁর বিনাশ নেই; তার দেহের মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু নিজে অক্ষয় ও অমর।
–শেখ সাদি
১৯৪. ঈশ্বরের মতো তৃষ্ণার উপস্থিতিও দার্শনিকদের অবজ্ঞা করে। একে শোধিত করে দার্শনিক তার প্রতিশোধ নেন।
রেনে শ্যার
১৯৫. ধার্মিকদের কাছে পরকাল যেরকম, দার্শনিকদের কাছে উত্তরপূরুষেরা তেমনই।
–দেনিস দিদেরো
১৯৬. অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া গরিবদের আত্মাকে বিধাতা সাহায্য করেন।
–এডমন্ড ওয়ালার
১৯৭. আত্মা যে অমর, আত্মা যে অভয়, আত্মা সমস্ত সুখ-দুঃখ, ক্ষতি-লাভের চেয়ে বড়, অসীমের মধ্যেই যে আত্মার আনন্দ নিকেতন, এই কথাটি প্রকাশ করাই হচ্ছে। মানুষের সমস্ত জীবনের অর্থ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯৮. প্রকৃত মু’মিন তাঁহারাই যাহারা আল্লাহর প্রতি দৃঢ় প্রত্যয়শীল হন, তাহারা রসুলের অনুগত হন; আর এর মধ্যে কোনোপ্রকার সন্দেহ প্রকাশ করেন না, অথবা অন্তরে কোনো প্রকার দ্বিধা-দ্বন্দ্বকে স্থান দেন না; আর তাহারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করিয়া যান; তাহারাই প্রকৃত ইমানদার।
–আল-কোরআন
১৯৯. দার্শনিকেরা যা বলেন তার চেয়ে বিস্ময়কর ও অবিশ্বাস্য কিছুই আর নেই।
–দেকার্তে
২০০. দর্শনের আংশিক জ্ঞান মনকে টেনে নেয় নাস্তিকের দিকে; আর গভীর জ্ঞান মনকে নিয়ে আসে ধর্মের কাছে।
ফ্রান্সিস বেকন
২০১. এক সে স্রষ্টা সব সৃষ্টির
সে এক পরম প্রভু,
একের অধিক স্রষ্টা কোন্
সে ধর্ম কহে না কভু
কাজী নজরুল ইসলাম
২০২. যে-ঈশ্বর আমাদের জীবন দান করেছেন, তিনি একই সাথে আমাদের স্বাধীনতা দান করেছেন।
–জেফারসন
২০৩. পৃথিবীতে যা-কিছু ঘটে তা হচ্ছে সর্বকালের মধ্যে দিয়ে বর্তমান ঈশ্বরের এক মহাপরিকল্পনারই অংশ।
হেনরি ওয়ার্ড বিশার
২০৪. মানবতার সেবা করাই শ্রেষ্ঠ ইবাদত। আল্লাহ্র সৃষ্টি সম্বন্ধে গবেষণা করাও আল্লাহর ইবাদত। পুণ্য অর্জন অপেক্ষা পাপবর্জন শ্রেয়।
–হযরত আলি (রা.)
২০৫. আমি দেখতে পাই যে, বিশ্বের সর্বত্র বিচক্ষণ ও বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের ধর্ম ছিল একটাই–সত্যনিষ্ঠ জীবনযাপন এবং অসত্যকে মোকাবিলা করার ধর্ম।
রালফ ওয়ালডো ইমারসন
২০৬. সূর্যের মতো স্নেহ, নদীর মতো বদান্যতা এবং মাটির মতো আতিথেয়তা যার মধ্যে আছে; সে-ই সত্যিকার অর্থে ধার্মিক।
–হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রা.)
২০৭. ধর্ম ছাড়া কেউ বাঁচিতে পারে না। এমন অনেকে আছেন যাঁহারা অহংকারের সহিত ঘোষণা করেন ধর্মের সহিত তাঁহাদের কোনো সম্পর্ক নাই–যদি কেহ বলে যে, সে নিশ্বাস নেয় অথচ তাহার নাক নাই, সেই শ্রেণীর কথা।
মহাত্মা গান্ধী
২০৮. মানুষের ভেতর যে-দেবত্ব আছে তারই প্রকাশসাধনকে বলে ধর্ম।
স্বামী বিবেকানন্দ
২০৯. হিন্দু, খ্রিস্টান, এ ভেদ মানুষের তৈরি। আমরা মানুষ একই বিধাতার হাতে গড়া মানুষ। শুধু সংকীর্ণ মন নিয়ে এই হিন্দু, খ্রিস্টানের ভেদ রচে মস্ত ব্যবধানের বেড়া গড়ে তুলেছি পরস্পরের মধ্যে। এ-ভেদ আমরা মানব না। মানুষে মানুষে মনের মিল চাই, প্রাণের মিল চাই; সেই মিল ঘটাতে পারলে এ-পৃথিবী সৃষ্টির সার্থকতায় ভরে উঠবে।
সৌরিন্দ্রমোহন
২১০. পাপকে ঠেকাবার জন্য কিছু না করাই তো পাপ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২১১. মানুষ যতই গোপনে পাপ করুক না কেন, তার শাস্তি সে প্রকাশ্যেই পায়।
